স্থান: ঢাকা
তারিখ: ২৩ এপ্রিল, ২০২৬
শ্রদ্ধেয় মা,
আমার ভক্তিপূর্ণ সালাম নিও। আশা করি, তুমি এবং বাবা বাড়িতে সবাই ভালো আছো। অনেকদিন হলো তোমাদের সাথে কথা হয় না, তাই পরীক্ষার প্রস্তুতি সম্পর্কে জানাতেই এই চিঠি লিখছি।
সামনে আমার এসএসসি পরীক্ষা। তুমি নিশ্চয়ই আমার পড়াশোনা নিয়ে চিন্তিত। তোমাকে আশ্বস্ত করার জন্য বলছি—আমার পরীক্ষার প্রস্তুতি খুব ভালো হয়েছে। গত কয়েক মাস আমি খুব মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করেছি। আমাদের শিক্ষকগণ যে সাজেশন দিয়েছেন, তা আমি সম্পন্ন করেছি এবং বারবার রিভিশন দিচ্ছি।
বিশেষ করে গণিত, ইংরেজি ও বিজ্ঞানের বিষয়গুলোতে আমি বিশেষ নজর দিয়েছি। আমি বিগত বছরের বোর্ডের প্রশ্নগুলো সমাধান করছি, যা আমাকে প্রশ্নের ধরন বুঝতে এবং সময়ের সঠিক ব্যবহার শিখতে সাহায্য করছে। প্রতিদিনের একটি নির্দিষ্ট রুটিন মেনে চলছি এবং শিক্ষক-বন্ধুদের সহায়তায় কঠিন বিষয়গুলোও সহজ করে ফেলেছি।
পরীক্ষার ভীতি না থাকলেও, তোমার ও বাবার স্বপ্ন পূরণের জন্য আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। আমি জানি, তোমাদের দোয়া আমার সাথে আছে। পরীক্ষা ভালো হবে—এই আত্মবিশ্বাস আমার রয়েছে।
বাড়িতে আমার জন্য চিন্তা করো না। আমি খাওয়া-দাওয়া এবং ঘুমের ব্যাপারে সচেতন আছি। পরীক্ষা শেষ হলে আমি সরাসরি বাড়ি আসব। বাবার জন্য আমার সালাম এবং ছোটদের জন্য অনেক ভালোবাসা রইল।
তোমারই আদরের ছেলে,
প্রতীক
ডাকটিকিট
প্রেরক: প্রতীক,
১২২, তেজগাঁও, ঢাকা।
প্রাপক:
বেগম সাহেবা,
[গ্রাম/শহরের নাম],
[জেলার নাম]।
তারিখ: ১০ এপ্রিল, ২০২৬
বরাবর,
চেয়ারম্যান,
[এখানে ইউনিয়নের নম্বর দিন, যেমন: ২নং] চাটখিল ইউনিয়ন পরিষদ,
চাটখিল, নোয়াখালী।
বিষয়: চাটখিল ইউনিয়নে একটি সাধারণ পাঠাগার স্থাপনের জন্য আবেদন।
জনাব,
বিনীত নিবেদন এই যে, আমি রুমি, আপনার চাটখিল ইউনিয়নের একজন স্থায়ী বাসিন্দা। আমাদের ইউনিয়ন একটি সমৃদ্ধ এলাকা হলেও, এখানে জ্ঞানচর্চা এবং সাধারণ মানুষের বই পড়ার জন্য কোনো পাবলিক লাইব্রেরি বা পাঠাগার নেই।
বর্তমান ডিজিটাল যুগেও বইয়ের কোনো বিকল্প নেই। ইউনিয়নের তরুণ প্রজন্ম, শিক্ষার্থী এবং সাধারণ মানুষের জ্ঞান বৃদ্ধি, আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠা এবং সুস্থ সংস্কৃতি চর্চার জন্য একটি পাঠাগার অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে ছাত্র-ছাত্রীরা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা এবং ভালো বই পড়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
এমতাবস্থায়, আমাদের ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষের উপকারের কথা বিবেচনা করে এবং আলোকিত চাটখিল গড়ার লক্ষ্যে, ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে একটি সাধারণ পাঠাগার স্থাপনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে আপনার সদয় মর্জি হয়।
অতএব, জনাবের নিকট আকুল আবেদন, অত্র ইউনিয়নে পাঠাগার স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে বাধিত করবেন।
বিনীত,
আপনারই এলাকার বাসিন্দা,
(স্বাক্ষর)
রুমি
চাটখিল ইউনিয়ন, নোয়াখালী।
Related Question
View Allবৈশাখী মেলা
বাংলার গ্রামীণ ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির একটি বিশেষ অংশ হলো বৈশাখী মেলা। প্রতি বছর বাংলা পহেলা বৈশাখ, অর্থাৎ ১৪ই এপ্রিল, এই মেলার আয়োজন করা হয়। বৈশাখী মেলা শুধু একটি উৎসব নয়, এটি বাংলার জীবনযাত্রার সাথে নিবিড়ভাবে জড়িত এক ঐতিহ্যবাহী অনুষ্ঠান।
মেলার শুরু হয় সকালবেলায়, যেখানে গ্রামের মানুষ তাদের পোষাক ও সাজসজ্জায় মেতে ওঠে। বাজারে নানা ধরনের স্টল ও দোকান বসে, যা বিভিন্ন রকমের পণ্য ও সামগ্রী বিক্রি করে। এই মেলায় স্থানীয় হস্তশিল্প, জামদানি শাড়ি, মাটির পুতুল, কুটির শিল্পের নানা সামগ্রী পাওয়া যায়। মেলার এক দিকের গন্ধ আসে পিঠে-পুলি, মোয়া, চিড়েসুড়ির মত ঐতিহ্যবাহী খাবারের সুবাস।
বৈশাখী মেলা শুধু কেনাকাটার জন্যই নয়, বরং এটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আনন্দের মিলনমেলা। মেলা উপলক্ষে গীতিনাট্য, লোকনৃত্য, গান, কৌতুক পরিবেশিত হয়। এই সাংস্কৃতিক কার্যক্রম গ্রামীণ জীবনকে প্রাণবন্ত করে তোলে এবং নতুন প্রজন্মকে ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির সাথে পরিচিত করায়।
মেলা শেষ হওয়ার পর, সবাই একসাথে আনন্দের সাথে বাড়ি ফিরে আসে, মনে মনে ভরপুর আশা ও স্মৃতি নিয়ে। বৈশাখী মেলা একদিকে যেমন বাংলার ঐতিহ্যকে সংরক্ষণ করে, অন্যদিকে এটি সামাজিক মেলবন্ধনও শক্তিশালী করে।
এভাবে, বৈশাখী মেলা বাংলার সংস্কৃতির একটি অপরিহার্য অংশ, যা সামাজিক, সাংস্কৃতিক এবং ঐতিহ্যবাহী জীবনের সাথে সম্পৃক্ত।
বৈশাখী মেলা
বৈশাখী মেলা নববর্ষের একটি উৎসব । নববর্ষ উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন স্থানে এই মেলা বসে । এটি বৈশাখের প্রথম দিনে (মাসের) অনুষ্ঠিত হয় । মূলত বৈশাখী মেলার আয়োজন করে স্থানীয় লোকেরা । পহেলা বৈশাখ আয়োজন করা হয় বাংলাদেশের বিভিন্নজায়গায় ছোট বড় অনেক স্থানে । মেলা শুরু করে স্থানীয় লোকেরা এই মেলাতে বিভিন্ন ধরনের গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী খেলা গুলো শুরু করে । এই মেলাগুলো এক সপ্তাহ কিংবা এক মাস ব্যাপী হয়ে থাকে । বৈশাখী মেলা সাধারণত খোলা আকাশের নিচে বসে । প্রতিবছর রমনার বটমূলে বসে এ মেলার প্রভাতি আসর । এছাড়া গ্রামের হাট-বাজার, নদীর তীর, মন্দির প্রাঙ্গণে এ মেলা বসে । মানুষের মাঝে প্রাণচাঞ্চল্য লক্ষ করা যায় । নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য, নানা ধরনের কুটিরশিল্প, খেলনাসহ হরেক রকম পণ্যের সমাহার ঘটে এ মেলায় । এছাড়াও থাকে যাত্রা, পুতুলনাচ, নাগরদোলা, সার্কাসসহ বিনোদনমূলক বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন । বিভিন্ন ধরনের মিষ্টিজাতীয় খাবারও পাওয়া যায় মেলায় । এমেলায় বসে বাঙ্গালীর ঐতিহ্যবাহি নানা খাবারের পশরা । হরেক রকমের মিষ্টি, বাতাসা, খই, মুড়ি, আচার সহ নানান রকম বাহারী বাঙ্গালী খাবার এ মেলার প্রধান আকর্ষন । এছাড়া রং-বেরঙের বেলুন আর বাঁশের বাঁশির সুর আর কচিকাচাদের কোলাহলে মুখরিত থাকে মেলা প্রাঙ্গন । বৈশাখী মেলায় গিয়ে তালপাতার তৈরি হাতপাখা কেনেন না এমন লোকের সংখ্যা খুব কম । লোহা ও কাঠের তৈরি সামগ্রীর মধ্যে দা, বঁটি, কাস্তে, ছুরি, খুন্তি, কোদাল, শাবল, পিঁড়ি, জলচৌকি, চেয়ার, টেবিল, খাট-পালঙ্ক ইত্যাদি পাওয়া যায় । বৈশাখি মেলা আনন্দের পাশাপাশি আমাদের জীবনের অনেক প্রয়োজন মেটায় ।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!