মানিকছড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ে সাংস্কৃতিক উৎসব উদযাপিত
রাঙ্গামাটি জেলার মানিকছড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ে গত ২০ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে অত্যন্ত উৎসবমুখর পরিবেশে দিনব্যাপী বার্ষিক সাংস্কৃতিক উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে [১]। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এবং স্থানীয় সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় সাজানো অনুষ্ঠানটি শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের উপস্থিতিতে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে, যা বিদ্যালয়ের মিলনমেলায় পরিণত হয় [১]।
প্রতিবেদকের নাম: লাবিব/লাবিবা, ১০ম শ্রেণি
বিদ্যালয়: মানিকছড়ি উচ্চ বিদ্যালয়, রাঙ্গামাটি
প্রতিবেদনের ধরন: প্রাতিষ্ঠানিক প্রতিবেদন
তারিখ: ২১ এপ্রিল ২০২৬
মানিকছড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ে বর্ণিল সাংস্কৃতিক উৎসব-২০২৬
নিজস্ব প্রতিবেদক, রাঙ্গামাটি |
গত ২০ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে রাঙ্গামাটি জেলার ঐতিহ্যবাহী মানিকছড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ে দিনব্যাপী বর্ণিল সাংস্কৃতিক উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিদ্যালয়ের খেলার মাঠে নির্মিত অস্থায়ী মঞ্চে সকাল ১০টায় জাতীয় সঙ্গীত ও পবিত্র কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গামাটি জেলা শিক্ষা অফিসার এবং সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের সম্মানিত প্রধান শিক্ষক।
সকাল ১১টায় বার্ষিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা শুরু হয়, যা কয়েকটি বিভাগে বিভক্ত ছিল। শিক্ষার্থীরা দেশাত্মবোধক গান, রবীন্দ্র-নজরুল সঙ্গীত, লোকনৃত্য, অভিনয় ও আবৃত্তি প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে। বিশেষ আকর্ষণ ছিল পাহাড়ী ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর নিজস্ব সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। শিক্ষার্থীদের চমৎকার উপস্থাপনা উপস্থিত দর্শকদের মুগ্ধ করে।
দুপুরের খাবারের বিরতির পর বিকেল ৪টায় পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান শুরু হয়। প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে ক্রেস্ট ও সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়। এরপর বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় একটি জমকালো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, "পড়াশোনার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক চর্চা শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।" বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।
সাংস্কৃতিক উৎসবটি বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে এক আনন্দের বন্যা বয়ে নিয়ে আসে।
ঝালকাঠিতে এডিস মশার উপদ্রব, ডেঙ্গু আতঙ্কে বাসিন্দারা: দ্রুত পদক্ষেপের দাবি
রোমানা (ঝালকাঠি প্রতিনিধি) | ২৫ এপ্রিল ২০২৬
ঝালকাঠি পৌরসভা ও জেলার বিভিন্ন এলাকায় এডিস মশার উপদ্রব আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, যার ফলে ডেঙ্গু আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন বাসিন্দারা। জমে থাকা পানি ও অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে মশার বংশবৃদ্ধি হলেও মশক নিধন কার্যক্রম অপর্যাপ্ত। জনস্বাস্থ্য রক্ষায় পৌর কর্তৃপক্ষ ও স্বাস্থ্য বিভাগের দ্রুত বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও ফগিং কার্যক্রমের জোরালো দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঝালকাঠি | ২৫ এপ্রিল ২০২৬
ঝালকাঠি জেলাজুড়ে এডিস মশার উপদ্রব ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। জেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, বাড়ির আঙিনা, নির্মাণাধীন ভবন, ড্রেন এবং যত্রতত্র পড়ে থাকা প্লাস্টিক বা টিনের পাত্রে জমে থাকা পরিষ্কার পানিতে এডিস মশার লার্ভা ভাসছে। গত কয়েকদিনের সামান্য বৃষ্টিতে এই পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, পৌরসভা এলাকায় নিয়মিত মশক নিধনের ফগিং (মশা মারার ধোঁয়া) বা লার্ভিসাইড প্রয়োগ করা হচ্ছে না। শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও আবাসিক এলাকাগুলোতে ড্রেনেজ ব্যবস্থা অকার্যকর থাকায় পানি জমে মশার প্রজনন ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে। সাধারণ মানুষের মধ্যে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হওয়ার ভয় তীব্রতর হচ্ছে, বিশেষ করে শিশু ও বয়োজ্যেষ্ঠদের নিয়ে স্বজনরা দুশ্চিন্তায় রয়েছেন।
ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ডেঙ্গু সন্দেহে রোগী আসার সংখ্যাও বাড়ছে। জনস্বাস্থ্য রক্ষায় অবিলম্বে ঝালকাঠি পৌরসভা কর্তৃপক্ষকে কার্যকর মশক নিধন অভিযান, লার্ভা ধ্বংসের ব্যবস্থা এবং ওয়ার্ড ভিত্তিক পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু করার জোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।
Related Question
View Allবৈশাখী মেলা
বাংলার গ্রামীণ ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির একটি বিশেষ অংশ হলো বৈশাখী মেলা। প্রতি বছর বাংলা পহেলা বৈশাখ, অর্থাৎ ১৪ই এপ্রিল, এই মেলার আয়োজন করা হয়। বৈশাখী মেলা শুধু একটি উৎসব নয়, এটি বাংলার জীবনযাত্রার সাথে নিবিড়ভাবে জড়িত এক ঐতিহ্যবাহী অনুষ্ঠান।
মেলার শুরু হয় সকালবেলায়, যেখানে গ্রামের মানুষ তাদের পোষাক ও সাজসজ্জায় মেতে ওঠে। বাজারে নানা ধরনের স্টল ও দোকান বসে, যা বিভিন্ন রকমের পণ্য ও সামগ্রী বিক্রি করে। এই মেলায় স্থানীয় হস্তশিল্প, জামদানি শাড়ি, মাটির পুতুল, কুটির শিল্পের নানা সামগ্রী পাওয়া যায়। মেলার এক দিকের গন্ধ আসে পিঠে-পুলি, মোয়া, চিড়েসুড়ির মত ঐতিহ্যবাহী খাবারের সুবাস।
বৈশাখী মেলা শুধু কেনাকাটার জন্যই নয়, বরং এটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আনন্দের মিলনমেলা। মেলা উপলক্ষে গীতিনাট্য, লোকনৃত্য, গান, কৌতুক পরিবেশিত হয়। এই সাংস্কৃতিক কার্যক্রম গ্রামীণ জীবনকে প্রাণবন্ত করে তোলে এবং নতুন প্রজন্মকে ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির সাথে পরিচিত করায়।
মেলা শেষ হওয়ার পর, সবাই একসাথে আনন্দের সাথে বাড়ি ফিরে আসে, মনে মনে ভরপুর আশা ও স্মৃতি নিয়ে। বৈশাখী মেলা একদিকে যেমন বাংলার ঐতিহ্যকে সংরক্ষণ করে, অন্যদিকে এটি সামাজিক মেলবন্ধনও শক্তিশালী করে।
এভাবে, বৈশাখী মেলা বাংলার সংস্কৃতির একটি অপরিহার্য অংশ, যা সামাজিক, সাংস্কৃতিক এবং ঐতিহ্যবাহী জীবনের সাথে সম্পৃক্ত।
বৈশাখী মেলা
বৈশাখী মেলা নববর্ষের একটি উৎসব । নববর্ষ উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন স্থানে এই মেলা বসে । এটি বৈশাখের প্রথম দিনে (মাসের) অনুষ্ঠিত হয় । মূলত বৈশাখী মেলার আয়োজন করে স্থানীয় লোকেরা । পহেলা বৈশাখ আয়োজন করা হয় বাংলাদেশের বিভিন্নজায়গায় ছোট বড় অনেক স্থানে । মেলা শুরু করে স্থানীয় লোকেরা এই মেলাতে বিভিন্ন ধরনের গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী খেলা গুলো শুরু করে । এই মেলাগুলো এক সপ্তাহ কিংবা এক মাস ব্যাপী হয়ে থাকে । বৈশাখী মেলা সাধারণত খোলা আকাশের নিচে বসে । প্রতিবছর রমনার বটমূলে বসে এ মেলার প্রভাতি আসর । এছাড়া গ্রামের হাট-বাজার, নদীর তীর, মন্দির প্রাঙ্গণে এ মেলা বসে । মানুষের মাঝে প্রাণচাঞ্চল্য লক্ষ করা যায় । নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য, নানা ধরনের কুটিরশিল্প, খেলনাসহ হরেক রকম পণ্যের সমাহার ঘটে এ মেলায় । এছাড়াও থাকে যাত্রা, পুতুলনাচ, নাগরদোলা, সার্কাসসহ বিনোদনমূলক বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন । বিভিন্ন ধরনের মিষ্টিজাতীয় খাবারও পাওয়া যায় মেলায় । এমেলায় বসে বাঙ্গালীর ঐতিহ্যবাহি নানা খাবারের পশরা । হরেক রকমের মিষ্টি, বাতাসা, খই, মুড়ি, আচার সহ নানান রকম বাহারী বাঙ্গালী খাবার এ মেলার প্রধান আকর্ষন । এছাড়া রং-বেরঙের বেলুন আর বাঁশের বাঁশির সুর আর কচিকাচাদের কোলাহলে মুখরিত থাকে মেলা প্রাঙ্গন । বৈশাখী মেলায় গিয়ে তালপাতার তৈরি হাতপাখা কেনেন না এমন লোকের সংখ্যা খুব কম । লোহা ও কাঠের তৈরি সামগ্রীর মধ্যে দা, বঁটি, কাস্তে, ছুরি, খুন্তি, কোদাল, শাবল, পিঁড়ি, জলচৌকি, চেয়ার, টেবিল, খাট-পালঙ্ক ইত্যাদি পাওয়া যায় । বৈশাখি মেলা আনন্দের পাশাপাশি আমাদের জীবনের অনেক প্রয়োজন মেটায় ।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!