বাক্যের অর্থ সুস্পষ্টভাবে বোঝার জন্য বাক্যের মধ্যে বা বাক্যের সমাপ্তির কিংবা বাক্যে আবেগ (হর্ষ, বিষাদ), জিজ্ঞাসা ইত্যাদি প্রকাশ করার উদ্দেশ্যে বাক্য গঠনে যে ভাবে বিরতি দিতে হয় এবং লেখার সময় বাক্যের মধ্যে তা দেখবার জন্য যে সাংকেতিক চিহ্ন ব্যবহার করা হয়, তা-ই যতি বা বিরাম বা ছেদচিহ্ন।
বিরাম চিহ্ন ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তাঃ (
ক) বাক্যের অর্থ যথাযথরূপে প্রকাশ করা। (খ) বাক্যের পদগুলো নির্দিষ্ট ছক বা রীতি অনুযায়ী সাজিয়ে তোলা। (গ) বাক্যের পদ বিন্যাসের সঙ্গে সঙ্গতি স্থাপন করা। (ঘ) বাক্যের পদগুলোর মধ্যে ভাবের সঙ্গতি
রক্ষা করা। (ঙ) বক্তার অর্থবহ বাক্য শ্রোতার নিকট নির্দিষ্ট ভাবে পৌঁছে দেওয়া।
প্রত্যয়যোগে ৫টি শব্দ গঠন হলোঃ
| অ-প্রত্যয় | অন্-প্রত্যয় | অক-প্রত্যয় | আই-প্রত্যয় | আ-প্রত্যয় |
| √ধর্ + অ = ধর | √কাঁদ + অন = কাঁদন | √মুড় + অক = মোড়ক | √চড়ু + আই = চড়াই | √পড় + আ = পড়া |
সন্ধি ও সমাসের মধ্যে পার্থক্যঃ
| পাশাপশি দুটি ধ্বনি বা বর্ণের মিলনকে সন্ধি বলে। | পরস্পর অর্থসংগতিপূর্ণ দুই বা ততোধিক পদ মিলে এক পদে পরিণত হওয়াকে সমাস বলে। যেমনঃ সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন। |
| সন্ধিতে প্রতিটি শব্দের অর্থ বজায় থাকে। | সমাসে কখনো পূর্বপদ, কখনো পরপদ, কখনো উভয় পদ ও কখনো অন্য পদের অর্থ প্রাধান্য পায়। যেমনঃ চাঁদের ন্যায় মুখ = চাঁদমুখ। |
| সন্ধির মিলন মূলত উচ্চারণগত বা ধ্বনির মিলন । সন্ধিতে পদের বিভক্তি লোপ পায় না, বরং সংকুচিত হয়। | সন্ধির মিলন মূলত উচ্চারণগত বা ধ্বনির মিলন । সন্ধিতে পদের বিভক্তি লোপ পায় না, বরং সংকুচিত হয়। সমাসে |
| সন্ধিতে শব্দগুলো ক্রমপরিবর্তিত না হয়ে যুক্ত হয়। | সমাসে সাধারণত পূর্বপদের বিভক্তি চিহ্ন লোপ পায়। যেমনঃ দুঃখকে প্রাপ্ত = দুঃখপ্রাপ্ত । |
| সন্ধিতে দুই বর্ণের মধ্যে যোগ চিহ্ন (+) ব্যবহার করতে হয়। | সমাসে পদক্রম বিভিন্ন সময় নানা রূপ ধারণ করে। |
| সন্ধির মিলন মূলত উচ্চারণগত বা ধ্বনির মিলন । | সমাসে দুই পদের মধ্যে অব্যয় পদ ব্যবহৃত হয়। |
Related Question
View Allপ্রশ্নাবলি = প্রশ্ন + আবলি
বোধোদয় = বোধ + উদয়
স্বপ্ন = সু + অল্প
সপ্তর্ষি = সপ্ত + ঋষি
নীতি +ইক=নৈতিক
সপ্তর্ষি = স + ঋষি
সিংহ + আসন = সিংহাসন।
পুরঃ + কার = পুরস্কার।
শুভেচ্ছা = শুভ + ইচ্ছা ।
নয়ন = নে + অন ।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!