যে কোন দুইটি প্রশ্নের উত্তর লিখুন:

Updated: 1 year ago
উত্তরঃ

মেঘের ধ্বনি = জীমূতমন্ত্র

PRONAY TIRKI
PRONAY TIRKI
3 years ago
উত্তরঃ

সাপের খোলস = নির্মোক

PRONAY TIRKI
PRONAY TIRKI
3 years ago
উত্তরঃ

একশত পঞ্চাশ বছর = সার্ধশতবর্ষ

PRONAY TIRKI
PRONAY TIRKI
3 years ago
উত্তরঃ

দেখবার ইচ্ছা = দিদৃক্ষা

PRONAY TIRKI
PRONAY TIRKI
3 years ago
উত্তরঃ

পা ধোয়া পানি = পাদ্য

PRONAY TIRKI
PRONAY TIRKI
3 years ago
উত্তরঃ

পিপিলিকা = পিপীলিকা 

PRONAY TIRKI
PRONAY TIRKI
3 years ago
উত্তরঃ

বুদ্ধিজীবী = বুদ্ধিজীবী 

PRONAY TIRKI
PRONAY TIRKI
3 years ago
উত্তরঃ

ঐশরিক = ঐশ্বরিক

PRONAY TIRKI
PRONAY TIRKI
3 years ago
উত্তরঃ

সৈরাচারি = স্বৈরাচার 

PRONAY TIRKI
PRONAY TIRKI
3 years ago
উত্তরঃ

মরিচিকা = মরীচিকা

PRONAY TIRKI
PRONAY TIRKI
3 years ago
উত্তরঃ

বাধা = বাঁধা

PRONAY TIRKI
PRONAY TIRKI
3 years ago
উত্তরঃ

অন্ন = অন্য

PRONAY TIRKI
PRONAY TIRKI
3 years ago
উত্তরঃ

অভিবাসন = অভিভাষণ

PRONAY TIRKI
PRONAY TIRKI
3 years ago
উত্তরঃ

রোঁদ = রোদ

PRONAY TIRKI
PRONAY TIRKI
3 years ago
উত্তরঃ

আবাস = আভাস

PRONAY TIRKI
PRONAY TIRKI
3 years ago
203

বানান শুদ্ধিকরণ

বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের রয়েছে হাজার বছরেরও বেশি দিনের গৌরবময় ইতিহাস; অথচ বাংলা বানানের ইতিহাস এখনো দুইশ বছরও হয়নি। উনিশ শতকের পূর্বে বাংলা বানানের নিয়ম বলতে তেমন কিছু ছিল না। উনিশ শতকের শুরুর দিকে যখন বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের সূত্রপাত ঘটে এবং ঐ সাহিত্যের বাহন হিসেবে সাহিত্যিক গদ্যের উন্মেষ হয়, তখন বাংলা বানানের একটি নিয়ম নির্ধারণ করা হয়। উল্লেখ্য যে, এই বানানের নিয়ম সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম মেনে রচনা করা হয়েছিল।

পরবর্তীতে বিশ শতকের বিশের দশকে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় এবং ১৯৩৬ সালে কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে বাংলা বানানের নিয়ম প্রবর্তিত হলেও বাংলা বানানের সমতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি। ১৯৮৮ সালে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড কর্মশালা করে ও বিশেষজ্ঞ কমিটির মাধ্যমে বাংলা বানানের নিয়মের একটি খসড়া প্রস্তুত করে। বিশ্বভারতী, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড ইত্যাদি প্রতিষ্ঠানের অনুসৃত বাংলা বানানের নিয়মের আলোকে ১৯৯২ সালে বাংলা একাডেমি 'প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম' প্রণয়ন করে।

বাংলা একাডেমির 'প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম' ভাবনা-কেন্দ্রে রেখে বাংলা বানানের প্রধান নিয়মগুলো সংক্ষেপে আলোচনা করা হলো:

ই-কার যুক্ত শব্দ:

শব্দের শেষে জগৎ, বাচক, বিদ্যা, সভা, ত্ব, তা, নী, ণী, পরিষদ, তত্ত্ব ইত্যাদি থাকলে তার পূর্বে ঈ-কার না হয়ে সাধারণত ই-কার হয়। যেমন-

অগ্নিবীণাঅধিকারিণীটিপ্পনীতপস্বিনী
প্রাণিবিদ্যাপ্রতিদ্বন্দ্বিতাপুনর্মিলনীপ্রণয়িনী
প্রাণিবাচকপ্রতিদ্বন্দ্বিতাভবিষ্যদ্বাণীমন্ত্রিপরিষদ
সহযোগিতাসহপাঠিনীস্থায়িত্বস্বয়ম্ভু

ঈ-কার যুক্ত শব্দ:

→ পুংলিঙ্গ শব্দ: গুণী, সুখী, মেধাবী, বাগ্মী, কর্মী, জয়ী, শ্রমী ইত্যাদি।

→ স্ত্রীলিঙ্গ শব্দ: যামিনী, সখী, ব্যাঘ্রী, নদী, তরী, রজনী, ইন্দ্রাণী ইত্যাদি।

ঈ-কার যুক্ত বিবিধ শব্দ:

অঙ্গীকারইদানীংঅন্তরীপঅবীরা
অভীষ্টঅলীকঅধীনআত্মীয়
আভীরআশীর্বাদঈপ্সাঈপ্সিত
ঈর্ষাঈশ্বরঈষৎউড্ডীন
উদীচীউদীয়মানউন্মীলিতউড়িয়া/উড়ীয়া
উন্মীলনউশীরএকান্নবর্তীকরণীয়
কালীনকীচককীটকীদৃশ
কীর্তনকীর্তিকুলীনকীদৃশ
কৌপীনক্ষীণজীবীক্ষুৎপীড়িতগরীয়ান
গরীয়সীগম্ভীরগীতিকাগরীয়ান
গীষ্পতিগ্রীবাগ্রীষ্মচীন
চীবরচীরজিজীষাটীকা
তন্ত্রীতীর্ণতিতীর্ষুতিস্তিড়ী
তীক্ষ্ণতীব্রদধীচিদিলীপ
দীধিতিদীপ্তদ্বিতীয়দ্বীপ (দ্বিপ: হস্তী)
ধীরবনিমীলিতনিপীড়িতনিরীক্ষণ
নিরীহনিশীথনিশীথিনীনিষ্ঠীবন
নীচনিবীতনীড়নীহার
নীরবনীরসনীরোগপ্রতীক্ষা
পরীক্ষাপ্রতীয়মানপ্রবীণপীড়া
পিপীলিকাপ্রাচীনপীঠপ্রীত
প্রতীচ্যপৃথিবীপ্রতীকপ্রীতি
বীথিপ্রতীচীপ্রতীতিবিপরীত
বিবাদীবীপ্সাবাল্মীকিবুদ্ধিজীবী
বল্মীকবীভৎসবাণীব্রীহি
বীণাবীরবিকীর্ণবেণী
ভীরুবীজব্যতীতবীজন
ভীষণভীতভগীরথভাগীরথী
মহীভীমমঞ্জুরীমরীচিকা
শরীরমহীয়ানমীমাংসাশ্লীপদ
শর্বরীশিরীষশীঘ্রশীল
শালীনশীকরশীতলশীতাতপ
সীমাশীর্ণসীতাসুধী
স্ফীতসম্মুখীনসমীরণসরীসৃপ
সীমন্তসমীপসমীহসমীচীন
সুশ্রীহরীতকী

ঊ বা ঊ-কার যুক্ত স্ত্রীবাচক শব্দ: বধূ, শ্বশ্রু ইত্যাদি।

ঊ-কার যুক্ত বিবিধ শব্দ:

অনসূয়াঅসূয়াআহূতউলূক
ঊর্মিঊর্ণাঊর্ণনাভঊরু
উদূখলঊনঊঢ়ঊর্ধ্ব
ঊর্মিলাঊষরঊষাঊর্বর (উর্বর)
ঊহ্যকূটকূর্মকূল
কৌতূহলগণ্ডুষগূঢ়গোধূম
ঘূর্ণিঘূর্ণনঘূর্ণায়মানঘূর্ণমান/ঘূর্ণ্যমান
চূড়াচূতচূর্ণচূষ্য
জাগরূকজীমূতজ্ঞানভূষিততাম্রকূট
তূণতাম্বূলতূণীরতূর্ষ
তূর্ণতূলিকাতূলীত্যূষ (প্রত্যুষ)
দূরীভূতদূতদুকূলদূর্বা
দূষণীয়দূষকদূষিতদূর
দ্যূতধূমধূমধূপ
ধূর্জটিধূর্তধূলিধূসর
নিষ্ঠ্যূতনিব্যূঢ়নূতননূপুর
ন্যূনতমপূর্তিপূষাপূর্ব
প্রতিভূপ্রসূপ্রসূতপ্রসূতি
প্রসূয়পীযূষপূপপূরণ
পূতিপূতপূরকপূতিকা
বিদূষকব্যূহবাবদূকভূমি
ভূভূমাভূতভূয়ঃ
ভূতিভূষণভ্রূভ্রূণ
মূঢ়মূত্রমূর্ছামূল্য
ময়ূরমূর্খমূর্তমূষিক
মুহূর্তমুমূর্ষুমূর্তিমন্ডূক
মূকমরুভূমিমূর্ধন্যমন্ডূর
ময়ূখযবাগূযূথযূথিকা
যূনীযূপযূষরূপ
রূঢ়শার্দূলশূকশুশ্রূষা
শূদ্রশূন্যশূকরশূল
সূক্তসূচনাসূত্রসূপ
সূক্ষ্মসিন্দূরসূদনসূর
সূচিসূচকসদ্ভূয়সূর্য
সূতস্তূপসমূহস্ফূর্তি
সম্ভূয়হূন

অদ্ভুত, ভুতুড়ে ছাড়া সব ভূত উ-কার হবে। যেমন- উদ্ভূত, পরাভূত, দূরীভূত, কিম্ভুত, অভূতপূর্ব প্রভৃতি।

চন্দ্রবিন্দু-যুক্ত শব্দ: মূল শব্দে ঙ, ঞ, ণ, ন, ম থাকলে তার পূর্বস্বরে চন্দ্রবিন্দু যুক্ত হয়। যেমন-

আঁধারআঁক (অঙ্ক)গোঁফকাঁটা (কণ্টক)
ছেঁড়াছোঁয়াছোঁছোঁয়াচে
দাঁতদাঁড়িধাঁধাপাঁচ
পাঁজিবাঁকাবাঁশশাঁখ
হাঁটাহাঁস

ড়-কার যুক্ত শব্দ: আগড়, কড়াই, কড়া, পড়া (পাঠ), পাহাড়, বড়, বুড়া প্রভৃতি।

ব-ফলা যুক্ত কয়েকটি শব্দ। যেমন-

উচ্ছ্বাসউজ্জ্বলপার্শ্বদ্বন্দ্ব
প্রজ্বলিতপ্রতিদ্বন্দ্বীবিশ্বাসপক্ব
বিদ্বানবিশ্বস্তশ্বাসবন্ধুত্ব
মহত্ত্বরৌদ্রকরোজ্জ্বলস্বাদশাশ্বত
শ্বশ্রূশ্বশুরস্বত্বসান্ত্বনা
স্বচ্ছস্বাতন্ত্র্যস্বাধীনস্বায়ত্ত
স্বচ্ছন্দসরস্বতীস্বস্তিস্বায়ত্তশাসন
স্বীকারস্বরূপস্বাক্ষরসত্ব (সত্তা)
স্বতন্ত্রস্বার্থ (সার্থক)
  • বিস্ময়সূচক অব্যয় (যেমন- বাঃ/ ছিঃ / উঃ ইত্যাদি) ছাড়া শব্দের শেষে বিসর্গ (ঃ) থাকবে না। যেমন-

অশুদ্ধ

শুদ্ধ

অশুদ্ধ

শুদ্ধ

প্রধানতঃপ্রধানতবস্তুতঃবস্তুত
প্রায়শঃপ্রায়শকার্যতঃকার্যত
  • বিসর্গ (ঃ) যুক্ত শুদ্ধ শব্দ:
অতঃপরইতঃপূর্বেদুঃসময়দুঃসহ
দুঃস্বপ্নদুঃশাসনদুঃসাধ্যনিঃসন্দেহ
মনঃকষ্টমনঃক্ষুন্নশিরঃপীড়াস্বতঃস্ফূর্ত
  • যে-কোনো দেশ, ভাষা ও জাতির নাম লিখতে ই-কার (ি) হবে। যেমন-

দেশ: আমেরিকা, গ্রিস, জার্মানি, ইতালি, হাঙ্গেরি।

[ব্যতিক্রম: চীন, শ্রীলংকা, মালদ্বীপ]

ভাষা: আরবি, হিন্দি, ফারসি, ইংরেজি, গ্রিক ইত্যাদি।

জাতি: বাঙালি, পর্তুগিজ, তুর্কি, বিহারি, ইরানি, আফগানি।

  • অপ্রাণিবাচক শব্দ ও ইতর প্রাণিবাচক অ-তৎসম শব্দের শেষে ই-কার ((ি) হবে। যেমন-

অপ্রাণিবাচক শব্দ : বাড়ি, গাড়ি, শাড়ি, চাবি ইত্যাদি।

ইতর প্রাণিবাচক শব্দ: পাখি, হাতি, মুরগি, চড়ুই ইত্যাদি।

  • তৎসম স্ত্রীবাচক শব্দের শেষে সর্বদা ঈ-কার হবে। যেমন-জননী, স্ত্রী, নারী, সাধ্বী ইত্যাদি।
  • বিদেশি শব্দের বানানে (ষ, ণ, ছ, ঢ়, ড়) এই পাঁচটি বর্ণ ব্যবহার করা যাবে না। যেমন-

অশুদ্ধ

শুদ্ধ

অশুদ্ধ

শুদ্ধ

ইছলামইসলামকর্ণেলকর্নেল
ব্যারিষ্টারব্যারিস্টারবামুণবামুন
ষ্টডিওস্টুডিওষ্টেশনস্টেশন
পোষ্টপোস্ট
  • বাংলা বানান রীতি অনুযায়ী একই শব্দের দুটি বানানই শুদ্ধ।
অন্তরীক্ষ-অন্তরিক্ষঅন্তঃস্থ-অন্তস্থঈর্ষা-ঈর্ষ্যা
কুমির-কুমীরকলস-কলশকিশলয়-কিসলয়
কুটির-কুটীরকুটির-কুটীরতরণি-তরণী
দেবকী-দৈবকীদাদি-দাদীদিঘি-দীঘি
নিমিষ-নিমেষপাখি-পাখীপ্রতিকার-প্রতীকার
বাড়ি-বাড়ীবাঁশি-বাঁশীমসুর-মসূর
মর্ত-মর্ত্যরজনি-রজনীশ্রেণি-শ্রেণী
সূচি-সূচীস্বামি-স্বামীহাতি-হাতী

স্ক/ষ্ক সংক্রান্ত সমস্যা:

ক. ই/উ যুক্ত বিসর্গ (ঃ) এর পর ক, খ, প, ফ থাকলে সাধারণত 'ষ' হবে। যেমন- আবিষ্কার, পরিষ্কার, দুষ্কর, দুষ্কার্য, নিষ্কলঙ্ক, নিষ্কর, জ্যোতিষ্ক প্রভৃতি।

খ. অ-যুক্ত বা মুক্ত বর্ণের পরে সাধারণত 'স' হবে। যেমন-নমস্কার, তিরস্কার, কুসংস্কার।

  • আলি প্রত্যয়যুক্ত শব্দে সর্বদা ই-কার হবে। যেমন-

অশুদ্ধ

শুদ্ধ

অশুদ্ধ

শুদ্ধ

খেয়ালীখেয়ালিগীতালীগীতালি
বর্ণালীবর্ণালিমিতালীমিতালি
রূপালীরূপালিসোনালীসোনালি
  • রেফ এর পরে ব্যঞ্জনবর্ণে দ্বিত্ব হবে না। যেমন-

অশুদ্ধ

শুদ্ধ

অশুদ্ধ

শুদ্ধ

কার্ত্তিককার্তিককার্য্যকার্য
ধর্মসভাধর্মসভানিদ্দিষ্টনির্দিষ্ট
পর্ব্বতপর্বতমাধুর্য্যমাধুর্য
  • নিম্নলিখিত শব্দসমূহে কখনোই 'ং' প্রযুক্ত হবে না; কেবল 'ঙ' ব্যবহৃত হবে। যেমন-
অঙ্কঅঙ্গআঙ্গুলকঙ্কাল
অপাঙ্ক্তেয়অনুপুঙ্খআশঙ্কাগঙ্গা
অঙ্গীকারআকাঙ্ক্ষাইঙ্গিতপঙ্কিল
শৃঙ্খলশিক্ষাঙ্গনশঙ্কা
  • নিম্নলিখিত শব্দসমূহে কখনোই ও প্রযুক্ত হবে না; কেবল ং ব্যবহৃত হবে। যেমন-
অংশুঅংশবংশবারংবার
সংজ্ঞাসংবরণসংবর্ধনাসংবাদ
সংবিধানসংসারসংলাপহিংসা

নিম্নলিখিত শব্দসমূহে ঙ এবং ং উভয়ই ব্যবহৃত হবে।

অলঙ্কারঅলংকারঅহঙ্কারঅহংকার
পংক্তিপঙ্ক্তিভয়ঙ্করভয়ংকর
রঙরংশুভংকরশুভঙ্কর
সঙ্গীতসংগীতসংঘটনসঙ্ঘটন
  • লিঙ্গ-ঘটিত অশুদ্ধি:

অশুদ্ধ

শুদ্ধ

অশুদ্ধ

শুদ্ধ

অধীনীঅধীনাঅনাথিনীঅনাথা
অভাগিনীঅভাগাঅর্ধাঙ্গিনীঅর্ধাঙ্গী
অপ্সরীঅপ্সরাগোপিনীগোপী
চাতকিনীচাতকীচতুর্থাচতুর্থী (কন্যা)
দিগম্বরীদিগম্বরানিরাপরাধিনীনিরাপরাধা
নাগিনীনাগীনির্দোষিনীনির্দোষা
পণ্ডিতানীপণ্ডিতাপিশাচিনীপিশাচী
বন্দিনীবন্দীবৈবাহিকাবৈবাহিকী
বিহঙ্গিনীবিহঙ্গীবিষহরীবিষহরা
ভুজঙ্গিনীভুজঙ্গারজকিনারজকী/রজকিনী
শিষ্যাণীশিষ্যাশুদ্রাণীশূদ্রা/শূদ্রী
সর্পিনীসর্পীসুকেশীনীসুকেশী/সুকেশা
  • সন্ধি-ঘটিত অশুদ্ধি

অশুদ্ধ

শুদ্ধ

অশুদ্ধ

শুদ্ধ

অধঃগতিঅধোগতিঅদ্যপিঅদ্যাপি
উপরোক্তউপর্যুক্তএতদ্বারাএতদ্‌দ্বারা
কিম্বাকিংবাকিম্বদন্তিকিংবদন্তি
চক্ষুন্মীলনচক্ষুরুন্মীলনজ্যোতীন্দ্রজ্যোতিরিন্দ্র
জগৎবন্ধুজগবন্ধুজগচন্দ্রজগৎচন্দ্র
তেজচন্দ্রতেজশ্চন্দ্রতিরষ্কারতিরস্কার
তেজেন্দ্রতেজ-ইন্দ্রদুরাদৃষ্টদুরদৃষ্ট
দুরাবস্থাদুরবস্থানিরসনীরস
নিরোগনীরোগনিস্ফলনিষ্ফল
পশ্বাধমপশ্বধমবাগেশ্বরীবাগীশ্বরী
ব্যাবসাব্যবসাব্যাবধানব্যবধান
ব্যপারব্যাপারবন্দোপাধ্যায়বন্দ্যোপাধ্যায়
বশম্বদবশংবদমন্তোষমনস্তোষ
মরুদ্যানমরূদ্যানমনরথমনোরথ
মনোকষ্টমনঃকষ্টমনমোহনমনোমোহন
মনযোগমনোযোগমৃতে্যুত্তীর্ণমৃত্যুত্তীর্ণ
মনান্তরমনোন্তরযশলাভযশোলাভ
যশপ্রভাযশঃপ্রভালজ্জাস্করলজ্জাকর
শিরোপরিশিরউপরিশরচন্দ্রশরচ্চন্দ্র
শরদেন্দুশরবিন্দুশিরচ্ছেদশিরশ্ছেদ
শিরোপীড়াশিরঃপীড়াশ্রদ্ধাঞ্জলীশ্রদ্ধাঞ্জলি
সন্মুখসম্মুখস্বয়ম্বরস্বয়ংবর
  • প্রত্যয়-ঘটিত অশুদ্ধিঃ

অশুদ্ধ

শুদ্ধ

অশুদ্ধ

শুদ্ধ

আলসতাআলস্যঐক্যতাঐক্য/একতা
উৎকর্ষতাউৎকর্ষদারিদ্রতাদারিদ্র্য
দোষণীয়দূষণীয়নিন্দুকনিন্দক
পরিত্যজ্যপরিত্যাজ্যপ্রযুজ্যপ্রযোজ্য
বিদ্যানবিদ্বানবরিতবৃত
ভাগ্যমানভাগ্যবানমহিমাময়মহিমময়
লক্ষ্মীমানলক্ষ্মীবানশমতাশম
সখ্যতাসখ্যসৌজন্যতাসৌজন্য
সিঞ্চিতসিক্তসিঞ্চিনসেচন
সৃজিতসৃষ্ট

বচন-ঘটিত অশুদ্ধি: একই সাথে দুবার বহুবচন বাচক প্রত্যয় বা শব্দ ব্যবহৃত হয় না। যেমন-

অশুদ্ধ

শুদ্ধ

একশ বালকগণএকশ বালক
নানাবিধ পক্ষীগণনানাবিধ পক্ষী
প্রমুখ বিশিষ্ট ব্যক্তিবৃন্দপ্রমুখ বিশিষ্ট ব্যক্তিবৃন্দ
ব্রাহ্মণগণেরাব্রাহ্মণগণ
যাবতীয় লোকসমূহযাবতীয় লোক
যাবতীয় ভদ্রমহোদয়গণযাবতীয় ভদ্রমহোদয়/ভদ্রমহোদয়গণ
সকল শিক্ষকগণসকল শিক্ষক / শিক্ষকগণ
সকল পরীক্ষকগণসকল পরীক্ষক / পরীক্ষকগণ
সব মাছগুলিসব মাছ / মাছগুলি
সকল ছাত্ররাসকল ছাত্ররা
সুন্দর-সুন্দর বইগুলিসুন্দর বইগুলি / সুন্দর সুন্দর বই

Related Question

View All
উত্তরঃ অযৌক্তিক

বাংলা ব্যাকরণে 'এক কথায় প্রকাশ' বা 'বাক্য সংকোচন' হলো একটি বাক্য বা বাক্যাংশকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করা, যা মূল অর্থকে অক্ষুণ্ণ রাখে। এটি ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং বক্তব্যকে সংক্ষিপ্ত ও সুনির্দিষ্ট করে তোলে।

প্রদত্ত বাক্য "যুক্তিসংগত নয়" বলতে এমন কিছুকে বোঝায় যার পেছনে কোনো যুক্তি, কারণ বা ভিত্তি নেই, যা অযৌক্তিক বা অসমর্থনীয়। এই অর্থকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করতে হলে 'অযৌক্তিক' শব্দটি সবচেয়ে উপযুক্ত। এখানে 'অ' উপসর্গটি 'নয়' বা 'বিরুদ্ধ' অর্থ প্রকাশ করে এবং 'যৌক্তিক' শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়ে 'যুক্তিসংগত নয়' ভাবটি সম্পূর্ণভাবে তুলে ধরে।

বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় (যেমন - বিসিএস, ব্যাংক, সরকারি ও বেসরকারি চাকরি) বাংলা ব্যাকরণের এই অংশটি প্রায়শই আসে। এটি ভাষার সঠিক ব্যবহার এবং শব্দভান্ডার যাচাইয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

কিছু প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:

        
  • যা কষ্টে লাভ করা যায় – দুর্লভ
  •     
  • যা দমন করা যায় না – অদম্য
  •     
  • যা সহজে ভেঙে যায় – ভঙ্গুর
  •     
  • যার সীমা নেই – অসীম
Satt AI
Satt AI
1 month ago
577
উত্তরঃ উক্ত

এক কথায় প্রকাশ হলো বাংলা ব্যাকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যেখানে একটি বাক্য বা বাক্যাংশকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করা হয়। এর মাধ্যমে ভাষার সংক্ষিপ্ততা ও সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় এবং শব্দভাণ্ডারের ওপর দখল বোঝা যায়। 'যা বলা হয়েছে' বাক্যটিকে একটি মাত্র শব্দে প্রকাশ করলে হয় 'উক্ত'। এটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা ও চাকরির পরীক্ষায় প্রায়শই দেখা যায়।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
692
উত্তরঃ অনুসন্ধিৎসা

বাংলা ব্যাকরণে একাধিক পদকে একটি পদে সংক্ষেপ করাকে বাক্য সংক্ষেপণ বা এক কথায় প্রকাশ বলা হয়। 'ইচ্ছা' সম্পর্কিত কিছু গুরুত্বপূর্ণ এক কথায় প্রকাশ নিচে উল্লেখ করা হলো, যা বিভিন্ন সরকারি ও ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় নিয়মিত আসে:

      
  • অনুসন্ধান করবার ইচ্ছা: অনুসন্ধিৎসা
  •   
  • জানার ইচ্ছা: জিজ্ঞাসা
  •   
  • জয় করার ইচ্ছা: জিগীষা
  •   
  • বেঁচে থাকার ইচ্ছা: জিজীবিষা
  •   
  • মুক্তি পাওয়ার ইচ্ছা: মুমুক্ষা
  •   
  • করবার ইচ্ছা: চিকিৎসা
  •   
  • দেখবার ইচ্ছা: দিদৃক্ষা
  •   
  • লাভ করার বা পাওয়ার ইচ্ছা: লিপ্সা
  •   
  • খাবার ইচ্ছা: বুভুক্ষা
Satt AI
Satt AI
2 days ago
608
উত্তরঃ সমসাময়িক

'একই সময়ে বর্তমান' বাক্যটির সঠিক বাক্য সংক্ষেপণ বা এক কথায় প্রকাশ হলো সমসাময়িক (বা সমকালীন)।

চাকরির পরীক্ষা ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য সময় সংক্রান্ত আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাক্য সংক্ষেপণ নিচে দেওয়া হলো:

      
  • একই সময়ে বর্তমান: সমসাময়িক / সমকালীন
  •   
  • একই সময়ে উৎপন্ন বা ঘটে এমন: যুগপৎ
  •   
  • সমান বয়সের যিনি: সমবয়সী / সমবয়স্ক
  •   
  • সব সময়ে বিদ্যমান: শাশ্বত / সর্বকালীন
  •   
  • পূর্ববর্তী সময়ের: ভূতপূর্ব
  •   
  • পরবর্তী সময়ের: উত্তরকালীন
Satt AI
Satt AI
2 days ago
574
উত্তরঃ চাক্ষুষ

ব্যাখ্যা: 'চক্ষু দ্বারা গৃহীত' বাক্যটির এক কথায় প্রকাশ হলো চাক্ষুষ (বা গোচর)। বাক্য সংকোচন বা এক কথায় প্রকাশ হলো দীর্ঘ বাক্য বা বাক্যাংশকে সংক্ষিপ্ত করে একটি শব্দে রূপান্তর করা, যা ভাষার সৌন্দর্য ও বোধগম্যতা বৃদ্ধি করে।

বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা ও চাকরির পরীক্ষার জন্য 'চক্ষু' সম্পর্কিত আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাক্য সংকোচন নিচে দেওয়া হলো:

      
  • চক্ষুর সম্মুখে সংঘটিত: প্রত্যক্ষ বা চাক্ষুষ
  •   
  • চক্ষুর অগোচরে: পরোক্ষ
  •   
  • যা অক্ষি বা চক্ষুর সম্মুখে বিদ্যমান: প্রত্যক্ষ
  •   
  • যার চক্ষু লজ্জিত নয় / অক্ষির লজ্জাহীন: চশমখোর
  •   
  • যা চক্ষুর বিষয় বা ইন্দ্রিয় দ্বারা গ্রাহ্য: গোচর
Satt AI
Satt AI
2 days ago
562
উত্তরঃ অশ্রুতপূর্ব

ব্যাখ্যা: বাক্য সংক্ষেপণ বা এক কথায় প্রকাশ হলো একাধিক পদকে একটি শব্দে রূপান্তর করা। অনুরূপ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাক্য সংক্ষেপণ নিচে উল্লেখ করা হলো:

        
  • যা পূর্বে শোনা যায় নি: অশ্রুতপূর্ব
  •     
  • যা পূর্বে দেখা যায় নি: অদৃষ্টপূর্ব
  •     
  • যা পূর্বে ঘটে নি: অভূতপূর্ব
  •     
  • যা পূর্বে বলা হয় নি: অনুক্ত
  •     
  • যা পূর্বে ছিল এখন নেই: ভূতপূর্ব
Satt AI
Satt AI
2 days ago
533
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews