| অন্য ভাষায় রূপান্তর: অনুবাদ | অন্য ভাষায় রূপান্তরিত: অনূদিত | অন্য লিপিতে রূপান্তর: লিপ্যন্তর |
| অর্থ নাই যাহার: নিরর্থক | অনেকের মধ্যে একজন : অন্যতম | অনেকের মধ্যে প্রধান: শ্রেষ্ঠ |
| অহংকার নেই যার: নিরহংকার | অন্যদিকে মন যার: অন্যমনা | অরিকে / শত্রুকে দমন করে যে : অরিন্দম |
| অকালে পক্ক হয়েছে যা: অকালপক্ব | অরণ্যের অগ্নিকাণ্ড: দাবানল | অকালে উৎপন্ন কুমড়া: অকালকুষ্মাণ্ড |
| অসম সাহস যাহার: অসমসাহসিক | অভিজ্ঞতার অভাব আছে যার: অনভিজ্ঞ | অতিশয় ঘটা বা জাঁকজমক: আড়ম্বর |
| অপর প্রান্তের হাসি: বক্রোষ্ঠিকা | অনশনে মৃত্যু: প্রায় | অভ্রান্ত জ্ঞান: প্রমা |
| অজকে (ছাগল) গ্রাস করে যা: অজগর | অন্য গতি নাই যার: অগত্যা | অন্ন-ব্যঞ্জন ছাড়া অন্য আহার্য: জলপান |
| অবজ্ঞায় নাক উঁচু করেন যিনি : উন্নাসিক | আদি নাই যাহার: অনাদি | আবক্ষ জলে নেমে স্নান: অবগাহন |
| আচরণে যার নিষ্ঠা আছে: নিষ্ঠাবান | আয়ুর পক্ষে হিতকর: আয়ুষ্য | আল্লাহর অস্তিত্বে বিশ্বাস আছে যার: আস্তিক |
| আকাশ ও পৃথিবী: ক্রন্দসী | স্বর্গ ও মর্ত্য: রোদসী | আকাশ ও পৃথিবীর অন্তরালোক: ক্রন্দসী |
| আচারে নিষ্ঠা আছে যার: আচারনিষ্ঠ | আশ্বিনমাসের পূর্ণিমা তিথি: কোজাগর | আল্লাহর অস্তিত্বে বিশ্বাস নেই যার: নাস্তিক |
| ইহলোক সম্পর্কিত: ইহলৌকিক | ইন্দ্রের অশ্ব: উচ্চৈঃশ্রবা | আকাশে (খ-তে) ওড়ে যে বাজি: খ-ধূপ |
| ঈষৎ কম্পিত: আধত | ঈষৎ আমিষ গন্ধ যার: আঁষটে | ইন্দ্রজাল / যাদু জানেন যিনি: ঐন্দ্রজালিক |
| ঈষৎ উষ্ণ: কবোষ্ণ | উচ্চস্থানে অবস্থিত ক্ষুদ্র কুটির: টঙ্গি | উপস্থিত বুদ্ধি আছে যার: প্রত্যুৎপন্নমতি |
| উপদেশ ছাড়া লব্ধ প্রথম জ্ঞান: উপজ্ঞা | এখনও যার বালকত্ব যায়নি: নাবালক | উদয় হইতেছে এমন : উড্ডীন / উড্ডীয়মান |
| এক বিষয়ে যার চিত্ত নিবিষ্ট: একাগ্রচিত্ত | এক বস্তুতে অন্য বস্তুর কল্পনা: অধ্যাস | ঐতিহাসিক কালেরও আগের: প্রাগৈতিহাসিক |
| কর দান করে যে : করদ | কামনা দূর হয়েছে যার: বীতকাম | কোথাও উঁচু কোথাও নিচু: বন্ধুর |
| ক্লান্তি নাই যার: অক্লান্ত | কর্মে যাহার ক্লান্তি নাই: অক্লান্তকর্মী | কাচের তৈরি বাড়ি: শিশমহল |
| খেয়া পার করে যে : পাটনী | গলায় কাপড় দিয়া: গলবস্ত্র | কাজে যার অভিজ্ঞতা আছে: করিতকর্মা |
| গাছে উঠতে পটু যে : গেছো | গ্রীবা সুন্দর যার: সুগ্রীব | গুরুর বাসগৃহ: গুরুকুল |
| গদ্যপদ্যময় কাব্য: চম্পু | গরুর খুরে চিহ্নিত স্থান: গোষ্পদ | ঘুমে আচ্ছন্ন যে: ঘুমন্ত / সুপ্ত |
| ঘরের অভাব: হা-ঘর | চিন্তার অতীত: চিন্তাতীত | চৈত্র মাসের ফসল: চৈতালি |
| ছল/ ছলনা করিয়া কান্না: মায়াকান্না | জ্বল জ্বল করছে যা: জাজ্বল্যমান | ঠিকমতো নাম-ধাম আছে যাহাতে: ঠিকানা |
| ঠেঙিয়ে ডাকাতি করে যারা: ঠ্যাঙারে | ঢাকায় উৎপন্ন: ঢাকাই | তল স্পর্শ করা যায় না যার: অতলস্পর্শী |
| তৃণাচ্ছাদিত ভূমি: শাদ্বল | দর্শন করা হয়েছে এমন: প্রেক্ষিত | তিন মোহনার মিলন যেখানে: ত্রিমোহনা |
| দেহ সম্বন্ধীয়: দৈহিক | দ্বারে থাকে যে: দৌবারিক | দিনে একবার আহার করে যে: একাহারী |
| দমন করা যায় না যাকে :অদম্য | দমন করা কষ্টকর যাকে: দুর্দমনীয় | দুয়ের মধ্যে একটি: অন্যতর |
| ধুর (তীক্ষ্ণ বুদ্ধি) ধারণ করে যে : ধুরন্ধর | নদী মাতা যার: নদীমাতৃক | ধর্মীয় কাজ করার জন্য তীর্থভ্রমণ: প্রব্রজ্যা |
| নিজেকে বড় ভাবে যে: হামবড়া | ধর্মপুরুষ বা সন্ন্যাসীর পর্যটন: পরিব্রাজন | নদী ভাঙনে সর্বস্বান্ত জনগণ: নদী সিকস্তি |
| নদী মেখলা যে দেশের: নদীমেখলা | নিশাকালে চরে বেড়ায় যে: নিশাচর | নৌকা দ্বারা জীবিকা নির্বাহ করে যে: নাবিক |
| ন্যায় শাস্ত্র জানেন যিনি: নৈয়ায়িক | পা থেকে মাথা পর্যন্ত: আপাদমস্তক | পাঠ করিতে হইবে এমন: পঠিতব্য |
| পরকাল সম্পর্কিত: পারলৌকিক | পা ধুইবার জল: পাদ্য | প্রকাশিত হইবে এমন: প্রকাশিতব্য |
| পিতার ভ্রাতা: পিতৃব্য | পথ চলার খরচ: পাথেয় | পূর্ব ও পরের অবস্থা: পৌর্বাপর্য |
| পঙ্ক্তিতে বসার অনুপযুক্ত: অপাঙ্ক্তেয় | পরস্পর আঘাত: সংঘর্ষ | পুণ্যকর্ম সম্পাদনের জন্য শুভ দিন: পুণ্যাহ |
| পৌষ মাসে উৎপন্ন ফসল: পৌষালি | ফুল হইতে তৈরি: ফুলেল | বাতাসে (ক-তে) চরে যে: কপোত |
| বুঝিতে পারা যায় এমন: বোধগম্য | বিদেশে থাকে যে: প্রবাসী | বেতন নেয়া হয় না যাতে: অবৈতনিক |
| বেলাকে অতিক্রান্ত: উদ্বেল | বৃষ্টির জল: শীকর | বহুর মধ্যে একটি: অন্যতম |
| ভুলহীন ঋষি বাক্য: আপ্তবাক্য | মৃত্তিকা দ্বারা নির্মিত বা তৈরি: মৃন্ময় | মর্মকে পীড়া দেয় যা: মর্মান্তিক / মর্মন্তুদ |
| মর্মভেদ করিয়া যায় যাহা: মর্মভেদী | মধু পান করে যে: মধুকর | মর্মকে স্পর্শ করে এমন: মর্মস্পর্শী |
| মোটাও নয়, রোগাও নয়: দোহারা | মাসের শেষ দিন: সংক্রান্তি | মাটিতে গড়াগড়ি দিচ্ছে এমন : উপাবৃত্ত |
| মাটির মত রং যার: মেটে | মায়া (ছল) জানে না যে: অমায়িক | মাছিও প্রবেশ করে না যেখানে: নির্মক্ষিক |
| যা স্থলে চরে: স্থলচর | যা জলে চরে : জলচর | যা জলে ও স্থলে চরে: উভচর |
| যা কাঁপছে: কম্পমান | যা গতিশীল: জঙ্গম | যা বার বার দুলছে: দোদুল্যমান |
| যা গতিশীল নয়: স্থাবর | যা বপন কর হয়েছে: উপ্ত | যা চিন্তা করা যায় না: অচিন্তনীয় / অচিন্ত্য |
| যা লাভ করা দুঃসাধ্য: সাধ্যাতীত | যা অবশ্যই ঘটবে: অবশ্যম্ভাবী | যা আঘাত পায়নি: অনাহত |
| যা ধারণ বা পোষণ করে: ধর্ম | যা আহুত (ডাকা) হয়নি: অনাহুত | যা খুব শীতল বা উষ্ণ নয়: নাতিশীতোষ্ণ |
| যা অধ্যয়ন করা হয়েছে: অধীত | যা আহুত (ডাকা) হয়নি: অনাহুত | যা বিনা যত্নে লাভ করা গিয়েছে: অযত্নলব্ধ |
| যা বহুকাল হতে চলে আসছে : চিরন্তন | যা হেমন্তকালে জন্মে: হৈমন্তিক | যা সহজেই ভেঙ্গে যায়: ভঙ্গুর / ঠুনকো |
| যা বিশ্বাস করা যায় না: অবিশ্বাস্য | যা বালকের মধ্যেই সুলভ: বালসুলভ | যা মুষ্টি দ্বারা পরিমাণ করা যায়: মুষ্টিমেয় |
| যা অতি দীর্ঘ নয়: নাতিদীর্ঘ | যা প্রমাণ করা যায় না: অপ্রমেয় | যা অপনয়ন (দূর) করা যায় না: অনপনেয় |
| যা অস্ত যাচ্ছে: অস্তায়মান | যা উচ্চারণ করা যায় না: অনুচ্চার্য | যা উচ্চারণ করা কঠিন: দুরুচ্চার্য |
| যা আগুনে পোড়ে না: অগ্নিসহ | যা বহন করা হচ্ছে: নীয়মান | যা অনুভব করা হচ্ছে: অনুভূয়মান |
| যা উপলব্ধি করা হচ্ছে: উপলভ্যমান | যা পুনঃ পুনঃ দুলছে: দোদুল্যমান | যা পুনঃ পুনঃ দীপ্তি পাচ্ছে: দেদীপ্যমান |
| যা দীপ্তি পাচ্ছে: দেদীপ্যমান | যা নিজের দ্বারা অর্জিত: স্বোপার্জিত | যা মাটি ভেদ করিয়া উপরে উঠে: উদ্ভিদ |
| যার অন্য উপায় নাই: অনন্যোপায় | যার কিছুই নেই: নিঃস্ব | যা শল্য ব্যথা দূরীকৃত করে: বিশল্যকরণী |
| যার বিশেষ খ্যাতি আছে: বিখ্যাত | যার কোনো উপায় নাই: নিরুপায় | যার আগমনের কোনো তিথি নেই: অতিথি |
| যার খ্যাতি আছে: খ্যাতিমান | যার তুলনা নাই: অতুলনীয় | যার আকার কুৎসিত: কদাকার |
| যার দুই হাত সমান চলে: সব্যসাচী | যার উদ্দেশ্যে পত্রটি রচিত: প্রাপক | যার বরাহের (শূকর) মতো খুর: বরাখুর |
| যার বেশবাস সংবৃত নয়: অসংবৃত | যার পুত্র নেই: অপুত্রক | যার দাড়ি-গোঁফ উঠেনি: অজাতশ্মশ্রু |
| যার দুটি মাত্র দাঁত: দ্বিরদ (হাতি) | যার চার দিকে স্থল: হ্রদ | যার দুই দিক বা চার দিকে জল: দ্বীপ |
| যার অর্থ নেই: অর্থহীন | যে মেঘে প্রচুর বৃষ্টি হয়: সংবর্ত | যার কোনো কিছু থেকেই ভয় নেই: অকুতোভয় |
| যে সকল অত্যাচারই সয়ে যায়: সর্বংসহা | যে জয় লাভে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ: সংশপ্তক | যে বিষয়ে মতভেদ নেই এমন: ঐকমত্য |
| যে শুনেই মনে রাখতে পারে: শ্রুতিধর | যে পরের গুণেও দোষ ধরে: অসূয়ক | যে বন হিংস্র জন্তুতে পরিপূর্ণ: শ্বাপদসংকুল |
| যে আকৃষ্ট হচ্ছে: কৃষ্যমাণ | যে তির নিক্ষেপে পটু: তিরন্দাজ | যে সুপথ থেকে কুপথে যায়: উন্মার্গগামী |
| যে অন্য দিকে মন দেয় না: অনন্যমনা | যে বিদ্যা লাভ করেছে: কৃতবিদ্য | যে দিন তিন তিথির মিলন ঘটে: ত্র্যহস্পর্শ |
| যে আলোতে কুমুদ ফোটে: কৌমুদ | যে প্রবীণ নয়: নবীন | যে গাঁজায় নেশা করে: গেঁজেল |
| যে রব শুনে এসেছে: রবাহুত | যিনি প্রথম পথ দেখান: পথিকৃৎ | যে বিবেচনা না করে কাজ করে: অবিবেচক |
| যেখানে মৃত জন্তু ফেলা হয়: ভাগাড় | যিনি সব জানেন: সবজান্তা | যে ক্রমাগত রোদন করেছে: রোরূদ্যমান |
| যিনি বক্তৃতা দানে পটু: বাগ্মী | যুদ্ধে স্থির থাকেন যিনি: যুধিষ্ঠির | যুদ্ধ থেকে যে বীর পালায় না: সংশপ্তক |
| যিনি অতিশয় হিসাবি: পাটোয়ারি | রোদে শুকানো আম: আমশি | যুক্তি সংগত নয়: অযৌক্তিক |
| রাহ্ বা রাস্তায় ডাকাতি: রাহাজানি | রেশম দিয়ে নির্মিত: রেশমি | শ্রম করিতে কষ্টবোধ করে যে: শ্রমকাতর |
| লবণ কম দেওয়া হয়েছে এমন: আলুনি | শোনা যায় এমন: শ্রুতিগ্রাহ্য | শুনিতে পারা যায় এমন: শ্রবণীয়/ শ্রাব্য |
| শত্রুকে বধ করে যে: শত্রুঘ্ন | শত্রুকে পীড়া দেয় যে: পরন্তপ | শক্তিকে অতিক্রম না করিয়া: যথাশক্তি |
| শক্তির উপাসনা করে যে: শাক্ত | শ্রম করিতে চাহে না যে: শ্রমবিমুখ | সম্মুখে অগ্রসর হয়ে অভ্যর্থনা: প্রত্যুদগমন |
| শোনামাত্র যার মনে থাকে: শ্রুতিধর | শত্রুকে হত্যা করেন যিনি: শত্রুঘ্ন | সদ্য দোহনকৃত উষ্ণ দুধ: ধারোষ্ণ |
| সমুদ্রের ঢেউ: ঊর্মি | সজ্ঞানে অন্যায় করে যে: জ্ঞানপাপী | সমুদ্র হতে হিমাচল পর্যন্ত: আসমুদ্রহিমাচল |
| সৈনিকদলের বিশ্রাম শিবির: স্কন্দাবার | স্তন পান করে যে: স্তন্যপায়ী | সবকিছু সহ্য করেন যিনি: সর্বংসহা |
| স্বামীর চিতায় পুড়ে মরা: সহমরণ | স্বাদ গ্রহণ করা হয়েছে এমন: স্বাদিত | হাতির পিঠে আরোহী বসার স্থান: হাওদা |
| হরেক রকম কথা বলে যে: হরবোলা | হিরণ্য / স্বর্ণ দ্বারা নির্মিত: হিরন্ময় | হয়তো হবে: সম্ভাব্য |
| হাতির বাসস্থান: গজগৃহ | হিত ইচ্ছা করে যে: হিতৈষী | হেমন্তকালে উৎপন্ন ফসল: হৈমন্তিক |
| স্বার্থের জন্য অন্যায় অর্থ প্রদান (ঘুষ): উপদা | সূর্যোদয় থেকে পরবর্তী সূর্যোদয় পর্যন্ত: সাবন |
| অনায়াসে লাভ করা যায় যাহা: অনায়াসলভ্য | অন্যের অপেক্ষা করতে হয় না যাকে: অনপেক্ষ |
| অকর্মণ্য গবাদি পশু রাখার স্থান: পিঁজরাপোল | অন্যের মনোরঞ্জনের জন্য অসত্য ভাষণ: উপচার |
| অষ্টপ্রহর (সারাদিন) ব্যবহার্য যা : আটপৌরে | অভ্র (মেঘ) লেহন / স্পর্শ করে যা : অভ্রংলিহ |
| অর্থ উপার্জন করা যায় যে ফসল হইতে : অর্থকরী | অগ্রহায়ণ মাসে সন্ধ্যাকালীন ব্রত (কুমারীদের): সেঁজুতি |
| অহং বা আত্ম সম্পর্কে অতিশয় সচেতনতা: অহমিকা | অকালে যাকে জাগরণ করা হয় : অকালবোধন |
| অন্তরে জল আছে এমন যে (নদী): অন্তঃসলিলা | অন্ন গ্রহণ করিয়া যে প্রাণধারণ করে: অন্নগত প্রাণ |
| আদি থেকে অন্ত পর্যন্ত: আদ্যন্ত / আদ্যোপান্ত | আভিজাত্যপূর্ণ মনে হলেও আসলে অর্থহীন ও বিভ্রান্তিকর: হিংটিংছট্ |
| আকাশে (খ-তে) চড়ে বেড়ায় যে: আকাশচারী / খেচর | আশি বছরের বেশি বয়সী ব্যক্তি: অশীতিপর |
| আশীর্বাদ ও অভয়দানসূচক হাতের মুদ্রা: বরাভয় | আল্লাহর দ্বীন/ইসলাম কায়েম ও রক্ষার জন্য যিনি যুদ্ধে নিহত হন: শহিদ |
| ইহলোকে যা সাধারণ / সামান্য নয়: অলোকসামান্য | ঋণ শোধের জন্য যে ঋণ করা হয় : ঋণার্ণ |
| ঋতুতে ঋতুতে যজ্ঞ করেন যিনি: ঋত্বিক | এখনও শত্রু জন্মায় নাই যাহার: অজাতশত্রু |
| কথার মধ্যে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্রসঙ্গ বা প্রবচনাদি প্রয়োগ: বুক্নি | কোনটা দিক / বিদিগ এই জ্ঞান নাই যাহার: দ্বিগ্বিদিগজ্ঞানশূন্য |
| কি করতে হবে তা বুঝতে না পারা: কিংকর্তব্যবিমূঢ় | কোনো কিছু থেকে যার ভয় নেই: অকুতোভয় |
| কর্ম সম্পাদনে অতিশয় দক্ষ/পরিশ্রমী: কর্মঠ | জ্ঞান লাভ করা যায় যে ইন্দ্রিয় দ্বারা: জ্ঞানেন্দ্রিয় |
| চারি শাখা- হস্তী, অশ্ব, রথ ও পদাতিক বিশিষ্ট সেনা: চতুরঙ্গ | দান গ্রহণ করা উচিৎ নয় যার থেকে: অপ্রতিগৃহ্য |
| জলপানের জন্য দেয় অর্থ: জলপানি (বৃত্তি) | নিতান্ত দগ্ধ হয় যে সময়ে (গ্রীষ্মকাল): নিদাঘ |
| ত্রিকালের ঘটনা জানেন যিনি: ত্রিকালদর্শী / ত্রিকালজ্ঞ | বড় ভাই থাকতে ছোট ভাইয়ের বিয়ে: পরিবেদন |
| প্রাণ ওষ্ঠাগত হবার মতো অবস্থা: লবেজান | বহু দেখেছে যে / অনেক বিষয়ে অভিজ্ঞ যিনি: বহুদর্শী |
| বহু ঘর থেকে ভিক্ষা সংগ্রহ করা: মাধুকরী / মধুকরী | মান্যব্যক্তিকে অভ্যর্থনার জন্য কিছুদূর এগিয়ে যাওয়া: প্রত্যুদগমন |
| বন্দুক বা তির ছোঁড়ার অনুশীলনের জন্য স্থাপিত লক্ষ্য: চাঁদমারি | মান্যব্যক্তি বিদায়কালে কিছুদূর এগিয়ে দেওয়া: অনুব্রজন |
| যা অপনয়ন (দূর) করা কষ্টকর: দূরপনেয় | যা সাধারণের মধ্যে দেখা যায় না: অনন্য সাধারণ |
| যার সর্বস্ব হারিয়ে গেছে / যার কিছু নাই: সর্বহারা / হৃতসর্বস্ব | যা তর্কের দ্বারা মীমাংসা করা যায় না: অপ্রত্য |
| যে বিষয়ে কোনো বিতর্ক / বিরোধ নেই: অবিসংবাদী | যার বংশ পরিচয় এবং স্বভাব কেউই জানে না: অজ্ঞাতকুলশীল |
| যে গাভী প্রসবও করে না, দুধও দেয় না : গোবশা | যে রোগ নির্ণয় করতে হাতড়িয়ে ক্লান্ত: হাতুড়ে |
| যে এক দরজা থেকে অন্য দরজায় ভিক্ষা করে: মাধুকরী | যে গৃহের বাইরে রাত্রিযাপন করতে ভালোবাসে: বারমুখো |
| যাহা লোকে প্রায় ভুলিয়া গিয়েছে: বিস্মৃতপ্রায় | যাদের বসতবাড়ি আছে কিন্তু কৃষি জমি নেই: ভূমিহীন চাষী |
| স্বপ্নে (ঘুমে) শিশুর স্বগত হাসি-কান্না: দেয়ালা | স্বমত অন্যের উপর চাপিয়ে দেয় যে : স্বৈরাচারী |
| সূর্যের ভ্রমণপথের অংশ বা পরিমাণ: অয়নাংশ | সম্পূর্ণরূপে বিবেচনা করা হয় নাই এমন: অসমীক্ষিত |
| সর্বদা ইতস্তত ঘুরিয়া বেড়াইতেছে: সততসঞ্চরমান | সূর্যোদয়ের অব্যবহিত পূর্ববর্তী দুই দণ্ডকাল: ব্রাহ্মমুহূর্ত |
| জাগিয়া রহিয়াছে এমন: জাগন্ত / জাগরুক জ্বলছে যে অর্চি (শিখা): জ্বলদর্চি | মিলনের ইচ্ছায় নায়ক বা নায়িকার সঙ্কেত স্থানে গমন: অভিসার |
| যে লেখক অন্যের ভাব, ভাষা প্রভৃতি চুরি করে নিজের নামে চালায়: কুম্ভীলক |