গ্লিসারল ছাড়া অ্যালকোহল এবং ফ্যাটি অ্যাসিডের এস্টারই হলো মোম।
ফুক্টোজ হলো হেক্সোজ জাতীয় এক প্রকার গুরুত্বপূর্ণ মনোস্যাকারাইড। উদ্ভিদে ফ্রুক্টোজের পরিমাণ খুব বেশি। ফলের রস, নেকটার এবং মধুতে অধিক পরিমাণ মুক্ত ফ্রুক্টোজ পাওয়া যায়। সেজন্য একে ফ্রুট সুগার বা ফলের চিনি বলে। এর রাসায়নিক সংকেত
উদ্দীপকের 'F' যৌগটি দ্বারা মূলত প্রোটিনকে বোঝানো হয়েছে। একটি অ্যামাইনো অ্যাসিডের কার্বোক্সিল গ্রুপ (-COOH) অপর একটি অ্যামাইনো অ্যাসিডের অ্যামাইনো গ্রুপের সাথে যুক্ত হয়ে যে অ্যামাইড বন্ড তৈরি করে তাকে পেপটাইড বন্ড বলে। প্রতিটি পেপটাইড বন্ড তৈরিতে এক অণু পানি নির্গত হয়। দুটি ভিন্ন অ্যামাইনো অ্যাসিড যুক্ত হয়ে গঠন করে ডাইপেপটাইড, তিনটি যুক্ত হয়ে তৈরি করে ট্রাইপেপটাইড, চার থেকে দশটি সংযুক্ত হয়ে গঠন করে অলিগোপেপটাইড। বিভিন্ন অ্যামাইনো অ্যাসিডের প্রায় ৫০টি অণু পেপটাইড বন্ধন দ্বারা আবদ্ধ হয়ে পলিপেপটাইড সৃষ্টি করে। প্রোটিন হলো পলিপেপটাইড যৌগ।

উদ্দীপকের A হলো প্রোটিন এবং B হলো কার্বোহাইড্রেট। প্রোটিন এবং কার্বোহাইড্রেট জীবদেহে যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে তা হলো-প্রোটিনের ভূমিকা: কোষের অভ্যন্তরে বিভিন্ন অণুর পরিরহণ ও স্থানান্তর প্রভৃতি প্রোটিন এর মাধ্যমে হয়ে থাকে। প্রয়োজনে এটি শক্তি উৎপাদন করে। ইহা এনজাইম হিসেবে জীবদেহের ক্রিয়া বিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে। বিভিন্ন অঙ্গাণু এবং কোষঝিল্লি গঠনে ইহা কাজ করে। ইহা এন্টিবডির গাঠনিক উপাদান হিসেবে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সৃষ্টি করে এবং দেহকে রোগমুক্ত রাখে এবং জীবদেহের প্রয়োজনীয় হরমোন উৎপাদন করে। এছাড়াও হিস্টোন প্রোটিন নিউক্লিয়াস এবং নিউক্লিক অ্যাসিডকে কার্যকর করে।কার্বোহাইড্রেটের ভূমিকা: এটি জীবদেহের একমাত্র শক্তির উৎস হিসেবে
কাজ করে। এটি উদ্ভিদদেহ গঠনকারী মূল রাসায়নিক পদার্থ হিসেবেও কার্বোহাইড্রেট কাজ করে। এটি জীবদেহে সঞ্চিত খাদ্য হিসেবে থাকে। এছাড়াও প্রাণিদেহে হাড়ের সন্ধিস্থলে লুব্রিকেন্ট হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ফ্যাটি অ্যাসিড ও অ্যামিনো অ্যাসিড. বিপাকে সাহায্য করে। ক্রেবস চক্র, ক্যালভিন চক্রের মতো গুরুত্বপূর্ণ চক্রে কার্বোহাইড্রেট অংশ নেয়।
Related Question
View Allএনজাইমের প্রোসথেটিক গ্রুপটি কোনো জৈব রাসায়নিক পদার্থ হলে সে এনজাইমই হলো কো-এনজাইম।
রিডিউসিং ও নন-রিডিউসিং শ্যুগারের পার্থক্য নিম্নরূপ-
-রিডিউসিং শ্যুগারে মুক্ত অ্যালডিহাইড বা কিটোন গ্রুপ থাকে কিন্তু নন-রিডিউসিং শ্যুগারে মুক্ত অ্যালডিহাইড বা কিটোন গ্রুপ থাকে না।
-রিডিউসিং শ্যুগার ক্ষারীয় আয়নকে বিজারিত করতে পারে কিন্তু নন-রিডিউসিং শ্যুগার ক্ষারীয় আয়নকে বিজারিত করতে পারে না।
উদ্দীপকে উল্লিখিত ভাত ও আলুতে প্রাপ্ত শর্করা হলো স্টার্চ এবং বই ও খাতায় প্রাপ্ত শর্করা হলো সেলুলোজ। স্টার্চ ও সেলুলোজের গাঠনিক সংকেত নিম্নরূপ:

উদ্দীপকে উল্লিখিত উপাদানগুলোতে প্রাপ্ত. শর্করা দুটি হলো স্টার্চ ও সেলুলোজ। নিচে শর্করা দুটির মধ্যে তুলনামূলক বিশ্লেষণ করা হলো-স্টার্চ ও সেলুলোজ উভয়ই পলিস্যাকারাইড। উভয়ের গঠনেই অসংখ্য গ্লুকোজ অণু বিদ্যমান।
স্টার্চ অণুতে প্রায় 1200-6000 গ্লুকোজ একক -গ্লাইকোসাইডিক বন্ধন দ্বারা যুক্ত থাকে। স্টার্চ দুটি উপাদান নিয়ে গঠিত। যথা- অ্যামাইলোজ এবং অ্যামাইলোপেকটিন। অ্যামাইলোজের a-D গ্লুকোজ অণুগুলো-a-1, 4 গ্লাইকোসাইডিক লিংকেজে যুক্ত হয় এবং অ্যামাইলোপেকটিনের a-D গ্লুকোজ অণুগুলো a-1, 6 লিংকেজ দ্বারা যুক্ত থাকে। স্টার্চ একটি a-D গ্লুকোজ পলিমার। স্টার্চ অণু শাখান্বিত এবং গ্লুকোজ পলিমার। আয়োডিনের সাথে বিক্রিয়া করে এটি নীল বর্ণ প্রদান করে।
অপরদিকে, অপরদিকে, সেল সেলুলোজ প্রায় 300-3000 গ্লুকোজ একক ẞ-1, 4 গ্লাইকোসাইডিক বন্ধন দ্বারা যুক্ত থাকে। এটি হলো B-D গ্লুকোজ পলিমার। সেলুলোজ অণু অশাখান্বিত অর্থাৎ সরল শিকল পলিমার। সেলুলোজ আয়োডিনের সঙ্গে বিক্রিয়া করে কোনো বর্ণ প্রদান করে না।
কযে কোষ বিভাজন প্রক্রিয়ায় একটি প্রকৃত কোষের নিউক্লিয়াস ও ক্রোমোসোম উভয়ই একবার.. করে বিভক্ত হয়ে সমআকৃতি ও সমগুণসম্পন্ন দুটি নিউক্লিয়াস সৃষ্টির মাধ্যমে দুটি অপত্য কৌষ সৃষ্টি করে, তাই হলো মাইটোসিস বিভাজন।
ব্রায়োফাইটা ও টেরিডোফাইটার মধ্যে পার্থক্য নিম্নরূপ:
| ব্রায়োফাইটা | টেরিডোফাইটা |
| মূল উদ্ভিদ গ্যামিটোফাইট (n)। | মূল উদ্ভিদ স্পোরোফাইট (2n)। |
| এদের দেহে কোন পরিবহনতন্ত্র নেই। | এদের দেহে পরিবহনতন্ত্র উপস্থিত। |
| উদ্ভিদ দেহকে সাধারণত মূল, কাণ্ড ও পাতায় বিভক্ত করা যায় না। | উদ্ভিদ দেহ মূল, কাণ্ড ও পাতায় বিভক্ত। |
| স্পোর অঙ্কুরিত হয়ে প্রোটোনেমা তৈরি করে। | স্পোর অঙ্কুরিত প্রোথ্যালাস তৈরি করে। হয়ে |
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!