অসৎ উদ্দেশ্যে কারো শরীরের কোন অংশে স্পর্শ বা আঘাত করা হলে তাকে যৌননিপীড়ন বলে। যৌননিপীড়ন একটি শিশুর বিকাশে বাধা সৃষ্টি করে। এছাড়া তাকে নানাভাবে ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও সামাজিকভাবে নিগৃহীত হতে হয়। যৌননির্যাতনের শিকার একজন কিশোর-কিশোরীর পরবর্তীতে স্বাভাবিক জীবনে আসতে অনেক কষ্ট করতে হয়।
একটি নবজাত শিশু বাবা-মা ও পরিবারের সদস্যদের আদরে, স্নেহে বড়ো হয়ে ওঠে। এভাবে বাল্যকাল পার হয়ে কৈশোরে পদার্পণ করে এবং এর সাথে সাথে তার দ্রুত শারীরিক ও মানসিক বিকাশ ঘটে। এই কৈশোরকাল হচ্ছে একটি শিশুর বয়ঃসন্ধিকাল। এ সময় শিশু-কিশোরদের সুস্থভাবে বেড়ে ওঠার জন্য পুষ্টিকর ও স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্যের পাশাপাশি প্রয়োজন নিরাপদ পরিবেশ। পরিবারের সকলের যত্ন ও ভালোবাসার মাঝে যে স্বাভাবিক স্বাস্থ্যকর পরিবেশে একটি শিশু বেড়ে ওঠে, সে পরিবেশকে নিরাপদ পরিবেশ বলা হয়।

এ অধ্যায় শেষে আমরা-
১. বয়ঃসন্ধিকালে ব্যক্তিগত নিরাপত্তার প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করতে পারব।
২. বয়ঃসন্ধিকালে নিরাপত্তাহীনতার বিভিন্ন দিক বর্ণনা করতে পারব।
৩. বয়ঃসন্ধিকালে মানসিক চাপ সামলানোর কৌশলগুলো ব্যাখ্যা করতে পারব।
Related Question
View Allশিশু-কিশোরদের শারীরিকভাবে দ্রুত বেড়ে ওঠার সময়কে বয়ঃসন্ধিকাল বলে। সাধারণত মেয়েদের ৮-১৩ এবং ছেলেদের ১০-১৫ আ বছর বয়স পর্যন্ত বয়ঃসন্ধিকাল ধরা হয়। বয়ঃসন্ধিকালে শিশু-কিশোররা শি শারীরিকভাবে দ্রুত বেড়ে ওঠে। এর সাথে সাথে এই সময় তাদের মানসিক হল বিকাশ ও ঘটে।
শরীরের গঠন ও স্বাভাবিক বৃদ্ধি বজায় রাখা এবং নীরোগ থাকাই হলো স্বাস্থ্যরক্ষা। সুস্থভাবে জীবনযাপন করতে হলে যেমন শরীরের যত্ন নিতে হয়, তেমনি স্বাস্থ্য বিধানসমূহ মেনে চলতে হয়। স্বাস্থ্যবিধির মধ্যে রয়েছে সময়ানুবর্তিতা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, বিশ্রাম ও ঘুম, খেলাধুলা, বল বিনোদন ইত্যাদি। স্বাস্থ্যরক্ষার জন্য দৈহিক ও মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখা জরুরি।
কাউকে যদি ইচ্ছার বিরুদ্ধে কোনো কাজ করতে বাধ্য করা হয় এবং সে কাজ করতে গিয়ে যদি তা শারীরিক বা মানসিক ক্ষতির কারণ হয় তবে তাকে নিপীড়ন বলে। যেমন: শিশুদের অতিরিক্ত পড়ার চাপ, উচ্চৈঃস্বরে ধমক দেওয়া ইত্যাদি। নিপীড়ন দুই ধরনের হতে পারে। শারীরিক নিপীড়ন ও মানসিক নিপীড়ন।
শিশু-কিশোররা শারীরিকভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হলে তাকে শারীরিক নিপীড়ন বলে। যেমন: মারধর। যেসব কাজ, আচরণ, কথা প্রভৃতি শিশু-
কিশোরকে মানসিক কষ্ট দেয় এবং মানসিক বিকাশে বাধাগ্রস্ত করে তাকে মানসিক নিপীড়ন বলে। যেমন: গৃহকর্মী হিসেবে একটি শিশুকে অতিরিক্ত কাজে বাধ্য করা ইত্যাদি। আমাদের সমাজে কিশোর বয়সের ছেলেমেয়েরা সবচেয়ে বেশি নিপীড়নের শিকার হয়।
শিশু-কিশোরদের শারীরিকভাবে দ্রুত বেড়ে ওঠার সময়কে বয়ঃসন্ধিকাল বলে। এই সময় তাদের সুস্থভাবে বেড়ে ওঠার জন্য পুষ্টিকর ও স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্যের পাশাপাশি প্রয়োজন নিরাপদ পরিবেশ। পরিবারের সকলের যত্ন ও ভালোবাসার মাঝে যে স্বাভাবিক স্বাস্থ্যকর পরিবেশে একটি শিশু বেড়ে ওঠে তাকে নিরাপদ পরিবেশ বলে। নিরাপদ পরিবেশে শিশুরা আদর, স্নেহ, ভালোবাসার মধ্য দিয়ে বড়ো হয়ে ওঠে। কিন্তু অনেক সময় শিশুদের সাথে খারাপ আচরণ, যেমন: বকাঝকা, মারপিট, গালাগালি করা হয়। এতে শিশুদের ওপর শারীরিক ও মানসিকভাবে প্রভাব পরে। তারা হতাশায় ভোগে। বয়ঃসন্ধিকালে শারীরিক ও মানসিক নিপীড়ন থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য ব্যক্তিগত নিরাপত্তার প্রয়োজন। শিশুর মা-বাবার উচিত এ বিষয়ে সচেতন হওয়া।
কৈশোরকালে শারীরিকভাবে দ্রুত বেড়ে ওঠার সময়কে বয়ঃসন্ধিকাল বলে। এই সময় শিশু-কিশোরদের সুস্থভাবে বেড়ে ওঠার জন্য পুষ্টিকর ও স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্যের পাশাপাশি প্রয়োজন নিরাপদ পরিবেশ। আমাদের সমাজে কিশোর বয়সের ছেলেমেয়েরা সবচেয়ে বেশি নিপীড়নের শিকার হয়। কাউকে যদি ইচ্ছার বিরুদ্ধে কোনো কাজ করতে বাধ্য করা হয় এবং সে কাজ করতে গিয়ে যদি তা শারীরিক বা মানসিক ক্ষতির কারণ হয় তাকে নিপীড়ন বলে। যেমন: বকাবকি করা, উচ্চেঃস্বরে ধমক দেওয়া, অপমান করা, শারীরিক আঘাত ইত্যাদি। শারীরিকভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হলে তাকে শারীরিক নিপীড়ন বলে। যেসব কাজ, আচরণ, কথা প্রভৃতি শিশু-কিশোরদের মানসিক বিকাশে বাধাগ্রস্ত ও কষ্ট দেয় তাকে মানসিক নিপীড়ন বলে। যেমন: একটি শিশুকে তার সাধ্যের অতিরিক্ত কাজে বাধ্য করা ইত্যাদি। এতে শিশুরা শারীরিক ও মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!