BSCIC এর পূর্ণরূপ হলো- Bangladesh Small and Cottage Industries Corporation.
দেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠাসমূহকে বিশেষ আর্থিক সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে এগিয়ে নিতে দাতা দেশ ও সংস্থাগুলোর সহায়তায় সরকার বিশেষ যে ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেছে তাই এসএমই ফাউন্ডেশন নামে পরিচিতি।
এই ফাউন্ডেশন করার পর এ খাতে ঋণ প্রবাহ বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক দাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর সহায়তায় পুনঃঅর্থায়ন করায় দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো এ খাতে ঋণ দিতে যথেষ্ট আগ্রহ দেখাচ্ছে।
উদ্দীপকের মিতালী দত্ত জামানত ছাড়া গ্রামীণ ব্যাংক থেকে ঋণ পেতে পারেন।
১৯৮৩ সালে রাষ্ট্রপতির এক অধ্যাদেশবলে প্রকল্পের অবয়ব ছেড়ে গ্রামীণ ব্যাংক একটি বিশেষ ব্যাংক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। বিত্তহীন পুরুষ ও মহিলাদের জন্যে জামানতবিহীন ব্যাংকিং সুবিধা প্রদান; গ্রামীণ মহাজনদের ঋণদানসংক্রান্ত শোষণ থেকে দরিদ্র মানুষকে অবমুক্তকরণ; বেকার জনশক্তির জন্য স্ব-কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি, সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীকে প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর আওতায় সংঘবদ্ধকরণ; স্বল্প আয়, স্বল্প সঞ্চয়, নতুন বিনিয়োগ ও অধিক আয়ভিত্তিক একটি বিকাশমান অর্থনৈতিক উন্নয়ন প্রক্রিয়া শুরু করে।
রংপুরের মিতালী দত্ত নাটোর ও পাবনা থেকে মাছ সংগ্রহ করে শুঁটকি তৈরি করে তা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরবরাহ করেন। ঋণের জন্য তিনি বিভিন্ন ব্যাংকে যোগাযোগ করলেও জামানত ছাড়া ঋণ নিতে পারেন না। তার এক বন্ধু তাকে একটি ব্যাংকের নাম বলে যেখানে তার মতো ব্যবসায়ীদের জামানত ছাড়া ঋণ পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। তিনি ঐ ব্যাংকের সাথে যোগাযোগ করে সফল হন এবং ব্যবসায় সম্প্রসারণ করতে সক্ষম হন। যেহেতু গ্রামীণ ব্যাংকে জামানতবিহীন ঋণ পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের মিতালী দত্ত জামানত ছাড়া গ্রামীণ ব্যাংক থেকে ঋণ পেতে পারেন।
নারী উদ্যোক্তা উন্নয়নে এরূপ (জামানতবিহীন) ব্যাংক ঋণ যথেষ্ট অবদান রাখতে সক্ষম।
যেকোনো দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে নারী উদ্যোক্তাদের উপস্থিতি একান্ত অপরিহার্য। বর্তমানে বাংলাদেশে নারী উদ্যোগ উন্নয়নে বেশ অগ্রগতি লক্ষ করা যাচ্ছে। এরপরও বিভিন্ন ক্ষেত্রে নারীরা বিভিন্ন বাধার সম্মুখীন হয়ে থাকেন। এ জন্যে প্রয়োজন সহজ প্রক্রিয়ায় (জামানতবিহীন) ও স্বল্প সুদে ঋণের ব্যবস্থাসহ প্রয়োজনীয় আর্থিক ও অনার্থিক সহায়তা।
উদ্দীপকের মিতালী দত্ত শুঁটকি তৈরি করে তা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরবরাহ করেন। কিন্তু জামানতবিহীন ঋণ সুবিধা দুর্লভ হওয়ায় তিনি ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা করতে বাধাগ্রস্ত হন। যদিও তিনি অনেক চেষ্টার পর জামানতবিহীন ঋণ সুবিধা পেয়ে ব্যবসায়িক কার্যক্রম চালাতে পেরেছেন। মিতালী দত্তের মতো নারী উদ্যোক্তারা জামানতবিহীন ঋণ সহজশর্তে পেলে বিভিন্ন ধরনের উদ্যোগমূলক কাজে সহজে অগ্রসর হয়ে তাদের প্রতিভার স্বাক্ষর রাখতে সক্ষম হবেন।
সুতরাং বলা যায়, নারী উদ্যোক্তা উন্নয়নে এরূপ (জামানতবিহীন) ব্যাংক ঋণ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!