একদিন সকালে বাদশাহ আলমগীরের পুত্র তার শিক্ষকের পায়ে পানি ঢালছিলেন। বাদশাহ আলমগীর তা দেখে ফেলেন। শিক্ষক ভাবলেন এটা দেখে বাদশাহ রাগ করবেন। বাদশাহ তাঁকে শাস্তি দেবেন।
বাদশাহ আলমগীর প্রত্যাশা করেছিলেন তাঁর সন্তান নিজ হাতে শিক্ষকের পা ধুয়ে দেবেন। তবেই না তাঁর সন্তান নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও দেশপ্রেম শিখবে। তাঁর সন্তান একজন আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে উঠবে। সে পরিবার সমাজ ও দেশের উপযোগী মানুষ হিসেবে গড়ে উঠবে।
শিক্ষাগুরুর মর্যাদা কবিতার মাধ্যমে আমরা উপলব্ধি করতে পারি, শিক্ষা হলো একটি জাতির মেরুদণ্ড। শিক্ষক হলেন জাতির কান্ডারি। শিক্ষক তাঁর আদর্শ দ্বারা ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গড়ে তোলেন। সমাজ ও দেশের জন্য শিক্ষকের অবদান অপরিসীম। তাই সমাজে শিক্ষকের মর্যাদা সবার উপরে।
বাদশাহ আলমগীরের পুত্রকে দিল্লির এক মৌলবি পড়াতেন।
একদিন সকালে বাদশাহ দেখতে পেলেন, শাহজাদা একটি পাত্র হাতে নিয়ে শিক্ষকের পায়ে পানি ঢালছে আর শিক্ষক নিজ হাত দিয়ে পায়ের ধুলো ধুয়ে-মুছে সাফ করছেন।
বাদশাহকে দেখে শিক্ষক প্রথমে ভাবলেন, আজ বুঝি তাঁর আর নিস্তার নেই। বাদশাহের ছেলেকে দিয়ে পায়ে পানি ঢালার কাজ করিয়ে তিনি হয়তো বড়ো কোনো অপরাধ করে ফেলেছেন।
শিক্ষক ভাবলেন, তিনি বাদশাহের সামনে সত্যি কথাটাই বলবেন। তাতে যদি বাদশাহ তাঁর প্রাণ নিয়েও নেন, কোনো দুঃখ নেই। প্রাণের চেয়ে সম্মানটাই বড়ো কথা। কারণ, জীবনে সম্মান বজায় না থাকলে সে জীবনের কোনো মূল্য নেই।
বাদশাহ আলমগীর শিক্ষককে প্রথমে বললেন, আমার পুত্র আপনার কাছে সৌজন্যমূলক আচরণ কিছুই শেখেনি বরং বেয়াদবি আর গুরুজনের প্রতি অবহেলাই শুধু শিখেছে।
শিক্ষক সগৌরবে দাঁড়িয়ে বাদশাহকে কুর্নিশ করলেন। তারপর বললেন, বাদশাহ আলমগীর তুমি মহান উদার। এভাবেই তিনি বাদশার সুনাম করলেন।
Related Question
View Allশিক্ষক মৌলবি
ভাবিলেন, আজি নিস্তার নাহি, যায় বুঝি তাঁর সবি।
দিল্লিপতির পুত্রের করে
লইয়াছে পানি চরণের পরে,
স্পর্ধার কাজ, হেন অপরাধ কে করেছে- কোন কালে
পিতার চরণে হাত রেখে পুত্র দোয়া চাইল।
বর্ষাকালে প্রবল বারি বর্ষণ হয়।
আগের দিনে হাতি-ঘোড়া চড়ে কুমার শিকারে যেতেন।
উজির বাদশাহকে কুর্নিশ করলেন
শাহানশাহ আলমগীর ছিলেন একজন মহৎপ্রাণ শাসক।
অন্যায়ের কাছে কখনো শির নত করব না।
একদিন সকালে বাদশাহ আলমগীরের পুত্র তার শিক্ষকের পায়ে পানি ঢালছিলেন। বাদশাহ আলমগীর তা দেখে ফেলেন। শিক্ষক ভাবলেন এটা দেখে বাদশাহ রাগ করবেন। বাদশাহ তাঁকে শাস্তি দেবেন।
বাদশাহ আলমগীর প্রত্যাশা করেছিলেন তাঁর সন্তান নিজ হাতে শিক্ষকের পা ধুয়ে দেবেন। তবেই না তাঁর সন্তান নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও দেশপ্রেম শিখবে। তাঁর সন্তান একজন আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে উঠবে। সে পরিবার সমাজ ও দেশের উপযোগী মানুষ হিসেবে গড়ে উঠবে।
শিক্ষাগুরুর মর্যাদা কবিতার মাধ্যমে আমরা উপলব্ধি করতে পারি, শিক্ষা হলো একটি জাতির মেরুদণ্ড। শিক্ষক হলেন জাতির কান্ডারি। শিক্ষক তাঁর আদর্শ দ্বারা ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গড়ে তোলেন। সমাজ ও দেশের জন্য শিক্ষকের অবদান অপরিসীম। তাই সমাজে শিক্ষকের মর্যাদা সবার উপরে।
বাদশাহ আলমগীরের পুত্রকে দিল্লির এক মৌলবি পড়াতেন।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!