শূন্যে মিলিয়ে যাওয়া কথাকে রেখার বন্ধনে বন্দি করার ফন্দি হলো লিপি। ভুলে যাওয়ার বিপদ থেকে বাঁচার জন্য লিপি তৈরির চিন্তা আসে মানুষের মাথায়। লিপি মানে হলো লেখা। কোনো শব্দ শুনে লেখা; জিনিস দেখে লেখা। অথবা চিন্তা করে মনের কথা লেখা। লিপিকে কেউ বলেন লিখন পদ্ধতি, কেউ বলেন বর্ণ, কেউ বলেন হরফ, কেউ বলেন অক্ষর। মোটকথা, হাতে আঁকা রেখায় বা লিপিতে মানুষ কথাকে বন্দি করে রাখা হয় ভবিষ্যতের মানুষের জন্য।
পৃথিবীতে কত লিপি ছিল তা সঠিক কেউ জানে না। অনেক লিপি কালে কালে ধীরে ধীরে বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছে। তবে অনেক লিপির নমুনা শাওয়া গেছে। যেমন- মহেঞ্জোদারোর লিপি, মিশরীয় লিপি। তবে এগুলোর পাঠ উদ্ধারের জন্য এখনো ভাষাবিজ্ঞানী ও প্রত্নতাত্ত্বিকরা গবেষণা করছেন।
অনেক কাল আগে যখন বর্ণমালা বা হরফ ছিল না, চিঠিপত্র ছিল না, বইপত্র ছিল না, কালি-কলম ছিল না সেই সময় মানুষ গল্প বানাত। সেকালে দাদা-দাদি, বাবা-মা বাচ্চাদের গল্প বানিয়ে বানিয়ে শোনাতেন। বড়োরা গল্প করতেন আর ছোটোরা গল্প শুনত। এভাবেই গল্পের ধারা চলত। গল্প বলতে গিয়ে যখন কেউ ভুলে যেত তখন সে পুনরায় গল্প বানাত।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!