বাচ্চা চিলগুলো ছিল খুব দুষ্টু। তারা সব সময় মারামারি আর চেঁচামেচি করত। ওরা পেটুকও ছিল। খাওয়ার জন্যও ওরা রাতদিন চি চি করত। খাবার যতক্ষণ ওদের মুখে থাকত, ততক্ষণ ওরা চুপ থাকত। খাবার ফুরিয়ে গেলে মারামারি আর চেঁচামেচি শুরু করত।
দুষ্ট বিড়াল প্রথম দিন চিলের বাসায় ঢুকেই চিলের একটা বাচ্চাকে তাড়া করেছিল খাওয়ার জন্য। বাচ্চাটি পড়ি কি মরি করে চেঁচিয়ে উঠেছে। মা-চিল তখুনি বাসায় এসে ঢুকেছে। মা-চিল ভেবেছিল বাচ্চা খাবারের জন্য কাঁদছে। পরে বিড়ালকে দেখতে পেয়ে চিল তার বড়ো বড়ো মুখ ও ঠোঁট দেখিয়ে তাড়া করে এবং বিড়াল ভয়ে লাফ দিয়ে এক পুকুরের মধ্যে পড়ে।
বিড়াল প্রথমবার চিলের বাসায় যাওয়ার পর মা-চিল তার বড়ো বড়ো নখ ও ঠোঁট দিয়ে বিড়ালকে ধরতে যায়। বিড়াল নিজেকে বাঁচাতে নিচে পুকুরে লাফিয়ে পড়ে। পুকুরে পড়ে ওর গা-টা সব ভিজে চুপসে গেল। পুকুরের পানি-কাদা খেয়ে বিড়াল ঢোল হয়ে গেল। তাই উপরের কথাটি বলা হয়েছে।
বিড়াল পরেরবার যখন বাচ্চা চিলদের ধরতে আসে তখন চিলদের বাসার দরজা বন্ধ করা ছিল। তখন বিড়াল ভিজে গলায় বলে, আমি তোমাদের খালা। এরপরও বাচ্চারা দরজা খোলে না। তখন বিড়াল লাথি দিয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে পড়ে। রিড়ালকে এভাবে দেখে বাচ্চারা হাউমাউ করে চেঁচিয়ে ওঠে এবং বলে "খালা না, বিড়াল!"
দ্বিতীয়বার বাচ্চা চিলদের ধরতে গেলে মা-চিল, বাবা-চিল আশেপাশের বাসার পাখিরা বিড়ালকে ঘিরে ধরে। বিড়াল তখন খুব ভয় পেয়ে যায়। সে এদিক ওদিক পালানোর চেষ্টা করতে লাগল। পাখিরা মিলে দুষ্ট বিড়ালকে ঠোকর মারতে গেল। বিড়াল তখন গাছ থেকে তাড়াতাড়ি নেমে চোখ বুজে দৌড় দিল।
Related Question
View Allচিলের বাসায় বাবা-চিল, মা-চিল ও তিনটি রাচ্চা চিল থাকত।
চিলের মা-বাবা সব সময় বাসায় থাকত না কারণ মাঝে মাঝে তারা খাবার আনতে বের হয়ে যেত।
চিলের বাসার পাশের গাছেই ছিল কোকিলের বাসা। কোকিলের বাচ্চারা মার কাছে গান শিখত। চিলের বাচ্চারা প্রায় সারা দিনই চেঁচামেচি করত। চিলের বাচ্চাদের চেঁচামেচিতে কোকিলের বাচ্চারা অস্থির হয়ে যেত। তাই তারা ঠিকমতো গান শিখতে পারত না।
দরজা খোলার জন্য বিড়াল নিজেকে গাংচিল বলল। গাংচিল বাচ্চা চিলদের আত্মীয়। রিড়াল ভাবে, গাংচিলের পরিচয় দিলে বাচ্চা চিলেরা দরজাটা খুলে দেবে। তাই বিড়াল নিজেকে গাংচিল পরিচয় দেয়।
মা-চিল খাবারের খোঁজে বাইরে যাওয়ার সময় দরজা আটকে দিয়ে যায়। বাচ্চাদের বলে যায় কাউকে যেন বাসায় ঢুকতে না দেয়। কেউ ডাকলে যেন বলে মা-বাবা বাসায় নেই। তাই চিলের বাচ্চারা দরজা খুলতে চাইল না।
চিল পরিবারের বাসা ছিল একটি গাছে। বাসাটি ছিল খড়কুটো দিয়ে তৈরি এবং বেশ বড়ো একটি রাসা।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!





