ময়নামতি বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান। কারণ এটি আমাদের প্রাচীন সভ্যতার চিহ্ন বহন করে। এখানে পাওয়া পুরাকীর্তিগুলো থেকে জানা যায়, বহু বছর আগে এই অঞ্চলে শিক্ষা, ধর্ম ও সংস্কৃতির চর্চা করা হতো। তাই এটি আমাদের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ স্থান।
ময়নামতি বাংলাদেশের পুরুত্বপূর্ণ এক প্রাচীন স্থান। এই স্থান থেকে ধারণা পাওয়া যায়, বহু আগেই আমাদের দেশে উন্নত সভ্যতা গড়ে উঠেছিল। এখানকার মানুষ ধর্মভীরু, জ্ঞানী ও শিল্পপ্রেমী ছিলেন। তারা ধর্মচর্চা ও জ্ঞানচর্চার কেন্দ্র তৈরি করেছিলেন। তারা ব্যবহার করতেন মুদ্রা, অলংকার, সিলমোহর, হাতিয়ার প্রভৃতি। তাই ময়নামতির প্রাচীন নিদর্শন আমাদের জন্য গর্বের বিষয়।
১. প্রাকৃতিক কারণ যেমন- বন্যা, ভূমিকম্প, নদীর পলি ইত্যাদির ফলে স্তরে স্তরে মাটি জমে যায়।
২. পুরানো নগর বা স্থাপনা ধ্বংস হয়ে গেলে তার ধ্বংসাবশেষের ওপর নতুন শহর বাগ্রাম গড়ে ওঠে।
৩. বাতাস ও বৃষ্টির ক্ষয় প্রক্রিয়ায় স্থাপনাগুলো ধীরে ধীরে ভেঙে গিয়ে মাটির সাথে মিশে যায়।
৪. শত শত বছর ধরে এসব স্তর জমে গিয়ে নিদর্শনগুলো মাটির নিচে চাপা পড়ে যায়।
Related Question
View All১৮৭৫ সালে কুমিল্লায় পাহাড়ের পাশে, রাস্তা তৈরির সময় শ্রমিকদের কোদালে পুরানো ইট উঠে এসেছিল। এর আগেও মাটি খোঁড়ার সময়ে পুরানো কিছু জিনিস পাওয়া গিয়েছিল।
ময়নামতি পুরানো সভ্যতার নিদর্শনের জন্য বিখ্যাত এবং ময়নামতি কুমিল্লার লালমাই পাহাড় এলাকায় অবস্থিত।
ময়নামতিতে পুরানো সভ্যতার নিদর্শন অনুসন্ধান কাজ শুরু হয় ১৯৫৫ সালে। সেখানে অন্তত ৩০ জন রাজা শাসন করেছেন।
ময়নামতির বিহারগুলো বৌদ্ধ ধর্মের মানুষের সঙ্গে সম্পর্কিত। ময়নামতির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিহারের নাম শালবন বিহার।
শালবন বিহার প্রায় দেড় হাজার বছরের পুরানো। এর মধ্যে ১১৫টি ঘর আছে।
আয়তনে সবচেয়ে বড় বিহার 'আনন্দ বিহার'। সেটি ওই এলাকার মানুষের কাছে আনন্দ রাজার বাড়ি নামে পরিচিত।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!






