সোনারগাঁওয়ের মাটিতে পা দিয়েই সাবিহার মন খুশিতে তরে উঠল। চারদিকের সবুজ গাছপালা আর শীতের সকালের মিষ্টি রোদ্দুরে তার মন ভালো হয়ে যায়। সেখানে প্রথমেই চোখে পড়ে একগম্বুজ বিশিষ্ট প্রাচীন গোয়ালদি মসজিদ। মোট কথা সুন্দর, স্নিখ পরিবেশ দেখে সাবিহার মন খুশিতে ভরে উঠল।
প্রাচীনকালের সমৃদ্ধ নগর সুবর্ণগ্রাম। পরে এটির নাম হয় সোনারগাঁও। ঢাকার আগে সোনারগাঁও ছিল দক্ষিণ-পূর্ব বাংলার রাজধানী। ঈশা খাঁ ছিলেন এ অঞ্চলের শাসক। সোনারগাঁওয়ের সবচেয়ে সমৃদ্ধ এলাকা পানাম নগর। এখানে ধনী ব্যবসায়ীরা বসবাস করতেন।
সোনারগাঁওয়ের সবচেয়ে সমৃদ্ধ এলাকা পানাম নগর। এখানে একটা মাত্র রাস্তা। তার দুপাশে সারি সারি প্রাচীন দালান। দালানগুলো উঁচু নয়, সবই দোতলা। এগুলো একশো বছরেরও আগে তৈরি হয়েছিল। এখানেই ধনী ব্যবসায়ীরা বসবাস করতেন। মসলিন কাপড় তৈরির প্রসিদ্ধ স্থান ছিল এটি। এখানকার মসলিনের বিশ্বজোড়া খ্যাতি ও কদর ছিল। পরে সুতি কাপড়ের প্রধান কেন্দ্র হয়ে ওঠে এটি। এ শহরের পুরাতন দালানগুলো বাংলার অভূতপূর্ব স্থাপত্যশৈলীর সাক্ষী। আমাদের সংস্কৃতির নিদর্শন হিসেবে মাথা উঁচু করে সগর্বে দাঁড়িয়ে আছে যেন।
লোকশিল্প জাদুঘর সাধারণ জাদুঘর নয়। কেননা এখানে গ্রামীণ মানুষের তৈরি জিনিসপত্র বা লোকশিল্প সংগৃহীত আছে। জাদুঘরে আছে কাঠের তৈরি জিনিস, মুখোশ, মুৎপাত্র, মাটির পুতুল, বাঁশ-লোহা-কাঁসার তৈরি নানা জিনিস, অলংকার, ঐতিহ্যবাহী জামদানি শাড়ি ও নকশিকাঁথা। এই জাদুঘর গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর স্থানীয় জীবনকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে। ঐতিহ্যবাহী এসব লোকশিল্প নিয়ে তৈরি বলে এটি লোকশিল্প জাদুঘর। আর সাধারণ জাদুঘর সাধারণত যেকোনো কস্তুর সংগ্রহ বোঝায়। সেখানে বৈজ্ঞানিক নমুনা, শিল্প, ইতিহাস ইত্যাদির নমুনা থাকে। এজন্য লোকশিল্প জাদুঘর সাধারণ জাদুঘর নয়।
Related Question
View Allপ্রতিষ্ঠাতা - সোনারগাঁও লোকশিল্প জাদুঘরের প্রতিষ্ঠাতা শিল্পী জয়নুল আবেদিন।
দালান - পানাম নগরে রাস্তার দুই পাশে সারি সারি প্রাচীন দালান।
বিশ্বজোড়া - সোনারগাঁওয়ে তৈরি মসলিনের বিশ্বজোড়া খ্যাতি ছিল।
নিদর্শন - মোগল স্থাপত্যশৈলীর অপূর্ব নিদর্শন রয়েছে এ দেশের বিভিন্ন মসজিদে।
কারুকাজ - প্রাসাদটির প্রবেশপথ খুব সুন্দর কারুকাজ করা ।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!