পৃথিবীতে সবকিছু নিয়েই বই আছে। 'বই পড়তে অনেক মজা' রচনা অনুযায়ী নিচে তালিকা দেওয়া হলো- ১. পশুপাখি নিয়ে বই, ২. গাছপালা নিয়ে বই, ৩. পোকা-মাকড় নিয়ে বই, ৪. মাছ নিয়ে বই, ৫. তারা নিয়ে বই, ৬. গ্রহ নিয়ে বই, ৭. ছায়াপথ নিয়ে বই। এছাড়াও পৃথিবীতে যা কিছু আছে তার সব নিয়েই বই আছে। পৃথিবীর বাইরে যা কিছু আছে তা নিয়েও অনেক বই আছে।
পৃথিবীতে অনেক রকমের বই আছে। 'বই পড়তে অনেক মজা' রচনায় অনেক রকমের বইয়ের কথা বলা হয়েছে। সেগুলো হলো- ছোটোদের বই, বড়োদের বই, হাসির বই, কান্নার বই, গল্পের বই, ছবির বই, বিজ্ঞানের বই, ধর্মের বই, গণিতের বই, কবিতার বই, নাটকের বই, সিনেমার বই।
সুকুমার রায়, হুমায়ূন আহমেদ ও উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরীর বইগুলোর বৈশিষ্ট্য নিচে লেখা হলো- সুকুমার রায়ের ছড়ার বই ছেলে-বুড়ো সবাই পড়ে। পড়লে হাসি পায়। আবার হুমায়ূন আহমেদের ভূতের গল্প পড়লে গা ছমছম করে। আর উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরীর টুনটুনির গল্প, বাঘের গল্প-এগুলো কখনো পুরোনো হয় না। বারবার পড়তে ইচ্ছে করে।
পৃথিবীতে যা কিছু আছে, তার সব নিয়েই বই আছে। আবার পৃথিবীর বাইরে যা কিছু আছে তা নিয়েও বই আছে। বই পড়ে অনেক কিছু জানা যায়। মানুষ কীভাবে চাঁদে গেল, কীভাবে দক্ষিণ মেরুতে গেল, কীভাবে এভারেস্ট পর্বতের মাথায় উঠল, কীভাবে ইঞ্জিন আবিষ্কার করল, কীভাবে কম্পিউটার আবিষ্কার করল- এ সবকিছু জানা যায়।
Related Question
View Allঅসংখ্য নক্ষত্রপুঞ্জের আলোকরেখা, আকাশগঙ্গা।
- মহাকাশে একটি ছায়াপথ দেখা যাচ্ছে।
প্রাচীন গ্রিসের একজন গল্পলেখক।
-ঈশপের গল্প পড়তে আমার খুব ভালো লাগে।
হিমালয় পর্বতমালার উচ্চতম শৃঙ্গ।
-এভারেস্ট পর্বতশৃঙ্গে ওঠা অনেক কষ্টকর।
যে গৃহে বইপত্রসহ বিভিন্ন ধরনের ছাপার কাজ হয়।
-তার একটি ছাপাখানা আছে।
সারা বিশ্বে ঘুরে বেড়ানো।
-বিশ্বভ্রমণ করলে মানুষের জ্ঞান বাড়ে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!