বৃষ্টি এলে প্রকৃতিতে সজীবতা আসে। বক বাঁশ বনে লুকিয়ে যায়। কেয়া ফুল ফুটতে দেখা যায়। রাখাল ছেলে মেঘ দেখে পথ ভুলে যায়। আউশ ধান কেটে কৃষকেরা আমন ধান চাষের প্রস্তুতি নিতে থাকেন। সর্বোপরি প্রকৃতি নতুনরূপে জেগে ওঠে।
বৃষ্টি গ্রামীণ জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। গ্রামীণ জীবনে আমরা বকের সারি দেখি, বাঁশ বন দেখি, কেয়া ফুলের বন দেখি। বৃষ্টি এলে এসবই সজীবতা ফিরে পায়। রাখাল ছেলে মেঘ দেখে পথ ভুলে যায়। বৃষ্টি এলে আউশ ধান ঘরে তোলেন কৃষক এবং আমন ধান চাষের কাজও পুরোদমে শুরু হয়। তাই বলা যায়, বৃষ্টির সঙ্গে গ্রামীণ জীবনের নিবিড় সম্পর্ক বিদ্যমান।
'বৃষ্টির ছড়া' কবিতায় দেখা যায়, মেঘের অন্ধকার কবির মন টানে। তারপর কবিমন বর্ষার প্রাকৃতিক রূপ দেখতে প্রকৃতির মধ্যে হারিয়ে যেতে চায়। মেঘের আঁধার তাই কবির মনে গভীর প্রেম ও আবেগ জাগায়। এতে রয়েছে শান্তি ও প্রকৃতি প্রেমের চিত্র।
'বৃষ্টির ছড়া' কবিতাটি পড়লে মনে গ্রামবাংলার বৃষ্টিমুখর দিনের চিত্র ফুটে ওঠে। মন প্রকৃতির সজীবতায় ভরে ওঠে। বৃষ্টি, মেঘ, কাশ বর্ন, কেয়া ফুল, বকের সারি, নদী, আউশ-আমন ধানের বর্ণনা আসাকে মুগ্ধ করে। এতে বৃষ্টিমুখর দিনের গ্রামীণ চিত্র স্পষ্ট হয়ে ফুটে ওঠে।
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Related Question
View Allবৃষ্টির জল থেকে রক্ষা পেতে বকের সারি বাঁশ বনে লুকিয়েছে।
বৃষ্টি শুরু হয়েছে এবং মেঘের গর্জনও শোনা যাচ্ছে, এজন্য নদীতে খেয়া নেই।
বর্ষাকালে কেয়া ফুল ফোটে, কৃষক আউশ ধান ঘরে তোলেন এবং আমন ধানের চারা রোপণ করেন। সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য বর্ষাকালে অনেক বৃষ্টি হয়। এগুলো পড়ে বোঝা যায় ছড়াটি বর্ষা ঋতু নিয়ে লেখা।
রাখাল ছেলে মেঘ দেখে দাঁড়িয়ে যায় কারণ মেঘ হলে বৃষ্টি নামে। আর বৃষ্টি হলে সে ভিজে যাবে এবং তার সঙ্গে থাকা পশুরাও ভিজে যারে। তাই সে চিন্তিত হয়ে পথ-ভোলার মতো দাঁড়িয়ে যায়।
বৃষ্টির সময়ে যা যা করতে ভালো লাগে-
১. জানালার পাশে বসে বৃষ্টি দেখতে ও বই পড়তে ভালো লাগে।
২. বৃষ্টিতে ভিজতে খুব ভালো লাগে।
৩. অল্প পানিতে কাগজের নৌকা ভাসাতে ভালো লাগে।
৪. বৃষ্টিতে গাছপালা ধুয়ে আরও সবুজ হয়ে ওঠে, তাই প্রকৃতির সবুজ রূপ দেখতে ভালো লাগে।
'বৃষ্টির ছড়া' কবিতার কবির নাম ফররুখ আহমদ। তিনি এ কবিতায় হাটখোলা নামে এক গাঁয়ের কথা উল্লেখ করেছেন।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!