হাজি মুহম্মদ মুহসিন ছিলেন বিখ্যাত দানশীল ব্যক্তি। তিনি ১৭৩২ সালে ভারতের হুগলিতে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা হাজি, ফয়জুল্লাহ, মাতা জয়নাব খানম। পিতা ধনী ছিলেন বলে তাঁর কাছ থেকে প্রচুর সম্পত্তি পান। বোন মন্নুজানের কাছ থেকেও সম্পত্তি লাভ করেন। সেসব সম্পদ তিনি মানুষের ও সমাজের কল্যাণে ব্যয় করেন। তিনি সব সময় মানুষকে দান করতেন। দানশীলতার জন্য তিনি বিখ্যাত হন এবং দানবীর নামে খ্যাতি. -পান। তিনি ছিলেন একজন ধর্মপ্রাণ মানুষ। খুব সাধারণ জীবনযাপন করতেন তিনি।
হাজি মুহম্মদ মুহসিন ছিলেন একজন দানবীর। তার পিতা ধনী ব্যক্তি ছিলেন। পিতা ও বোনের কাছ থেকে পাওয়া সম্পদ তিনি মানুষ ও সমাজের কল্যাণে ব্যয় করেন। তাঁর বিশাল সম্পদ তিনি মুসলমানদের শিক্ষা ও সমাজকল্যাণের জন্য দান করে যান। তাঁর সেই অর্থে অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। এসব প্রতিষ্ঠানে অনেক শিক্ষার্থী লেখাপড়া করতে পারছে। এককথায় হাজি মুহম্মদ মুহসিন শিক্ষাক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Related Question
View Allশেষ রাতে খুটখাট শব্দ শুনে হাজি মুহম্মদ মুহসিনের ঘুম ভেঙে যায়। ঘরে কেন শব্দ হচ্ছিল তা তিনি দেখতে চান। এজন্যই তিনি ঘুম থেকে উঠে আলো জ্বালালেন।
শেষ রাতে হাজি মুহম্মদ মুহসিন একটি লোককে খাটের নিচে দেখতে পান। লোকটিকে তিনি বের হয়ে আসতে বললেও সে ভয়ে বের হতে চাইল না। তাই তাকে বের করার জন্যই হাজি মুহম্মদ মুহসিন বাড়ির পাহারাদারকে ডাকলেন।
লোকটি ছিল অনেক গরিব। সে অভাবের কারণে চুরি করতে গভীর রাতে হাজি মুহম্মদ মুহসিনের ঘরে এসেছিল।'
চুরি করতে আসা লোকটিকে ধরে হাজি মুহম্মদ মুহসিন তার অভাবের কথা মন দিয়ে শুনলেন। তিনি লোকটির প্রতি দয়া দেখালেন। তাকে টাকা-পয়সা দিয়ে চুরি করতে নিষেধ করলেন এবং ওই টাকা দিয়ে ব্যবসা করার পরামর্শ দিলেন।
গরিব লোকটি গভীর রাতে হাজি মুহম্মদ মুহসিনের ঘরে চুরি করতে আসে। হাজি মুহসিন তাকে ধরে শাস্তি দেওয়ার পরিবর্তে তার অভাবের কথা মন দিয়ে শুনলেন। তাকে দয়া করে টাকা-পয়সা দিয়ে ব্যাবসা করার পরামর্শ দিলেন। তাই হাজি মুহম্মদ মুহসিনের প্রতি লোকটি অনেক কৃতজ্ঞ হলো।
হাজি মুহম্মদ মুহসিন খুব সাধারণ জীবনযাপন করতেন।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!