'পাখির মতো' কবিতায় শিশুর মন পাঠে বসে না। সে বইয়ের অক্ষরের চেয়ে প্রকৃতিকে বেশি ভালোবাসে। নদীর ধারে বসে, বকুলের ডালে লুকিয়ে পাখির মতো ডাক দিতে তার আনন্দ হয়। শিশুটি শহরের কোলাহল থেকে দূরে থাকতে চায়। রাতের নিস্তব্ধতায় সে পাখি হয়ে ওড়ার কল্পনা করে। শিশুর মনের এই অবস্থা তার স্বাধীনতা ও স্বপ্নের প্রতিফলন।
'পাখির মত্রে' কবিতায় শিশুর ইচ্ছে জাগে নদীর কাছে থাকতে। সে প্রকৃতির সঙ্গে মিলেমিশে সময় কাটাতে চায়। বইয়ের চেয়ে প্রকৃতি তার কাছে বেশি আনন্দের। বকুলের ডালে লুকিয়ে পাখির মতো ডাক দিতে সে ভালোবাসে। রাতের নিস্তব্ধতায় তার কল্পনা আরও জীবন্ত হয়। কারণ এসব ইচ্ছে তাকে স্বাধীন ও সুখী অনুভব করায়।
'পাখির মতো' কবিতায় মা শিশুকে পড়াশোনা করতে বলেন। বাবা পড়াশোনাতে শিশুর মনোযোগ চায়। তারা চান শিশুটি মানুষ হওয়ার জন্য শিক্ষিত হোক। কিন্তু বইয়ে শিশুর মন বসে না। মা-বাবার আদেশ শিশুর স্বাধীন চিন্তাকে সীমিত করে। তাই শিশুর মন অন্য পথে চলে।
'পাখির মতো' কবিতায় শিশুর পাখি হওয়ার ইচ্ছা তার স্বাধীনতা ও বন্য মনকে বোঝায়। সে শহরের নিয়মে আবদ্ধ হতে চায় না। পাখির মতো ওড়ার মাধ্যমে সে প্রকৃতির সঙ্গে মিলেমিশে জীবন কাটাতে চায়। এটি তার স্বপ্নের প্রকাশ। শিশুটির বন্য পাখির মতো ঘুরে বেড়ানোর স্বাধীনতা কবিতার মূলভাবকে উজ্জ্বল করে।
'পাখির মতো' কবিতায় প্রকৃতির বিভিন্ন উপাদান খুব সুন্দরভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। কাঁঠালচাঁপা, নদী, বকুল, কর্ণফুলী সবকিছুই শিশুর কল্পনার কেন্দ্রবিন্দু। প্রকৃতি শিশুর আনন্দ ও স্বপ্নকে জাগ্রত করে। চাঁদের আলো ও দুধভরা বাটিও কাব্যিক দৃশ্য। প্রকৃতির উপস্থিতি শিশুর স্বাধীনতার ইচ্ছাকে আরও প্রকাশ করে।
'পাখির মতো' কবিতায় শিশুটি শহর ছেড়ে সবুজ গ্রামে যেতে চায়। সে শহরের কোলাহল থেকে দূরে থাকতে চায়। সে নদীর ধারে, বকুলের ডালে সময় কাটাতে চায়। প্রকৃতির সৌন্দর্য তাকে আকৃষ্ট করে। গ্রামে সে স্বাধীনভাবে পাখির মতো ওড়ার স্বপ্ন দেখে। সবুজ গ্রাম শিশুর সুখ ও শান্তির প্রতীক।
'পাখির মতো' কবিতায় শিশুর মন পাঠে বসে না। সে বইয়ের অক্ষরের চেয়ে প্রকৃতিকে বেশি পছন্দ করে। মা-বাবার আদেশ শোনার পরও সে কল্পনায় ডুবে থাকে। প্রকৃতির সৌন্দর্য তার মনকে আকুষ্ট করে।
'পাখির মতো' কবিতার মূল বার্তা হলো শিশুর স্বাধীনতা, প্রকৃতিপ্রেম ও স্বপ্নের গুরুত্ব দিতে হবে। শিশুর মনকে বাধা না দিয়ে তাকে কল্পনা ও স্বাধীনতা দিতে হবে তার প্রকৃত বিকাশে। প্রকৃতির সঙ্গে মিশে শিশু আনন্দিত হয়। পাখির মতো ওড়ার ইচ্ছা তার স্বপ্ন ও স্বতন্ত্রতা প্রকাশ করে। পড়া ও মানুষ হওয়ার চাপে শিশুর স্বাধীন মনের চাওয়া অনেক ক্ষেত্রে গুরুত্ব হারায়।
Related Question
View Allআম্মা শিশুকে বলেন, 'পড়রে সোনা।' তিনি চান শিশুটি মন দিয়ে পড়াশোনা করুক। কিন্তু শিশুর মন অন্য কোথাও থাকে।
আব্বা শিশুকে বলেন, 'মন দে।' তিনি চাইছেন যেন শিশুটি পাঠে মনোযোগ দেয়। শিশুর মন পাঠে ঠিকমতো বসে না তাই সে অন্যদিকে মন দেয়।
শিশুর মন পাঠে বসে না। তার মন বইয়ের অক্ষরের চেয়ে প্রকৃতির সৌরভ ও সৌন্দর্যের প্রতি বেশি আকৃষ্ট থাকে। সে বইয়ের বদলে প্রকৃতির আনন্দ উপভোগ করতে চায়।
শিশুর ইচ্ছে জাগে নদীর কাছে থাকতে। তার মন চায় বকুল ডালে লুকিয়ে থাকা পাখির মতো ডাকতে। অর্থাৎ সে নদীর ধারে বসে প্রকৃতির সঙ্গে মিলেমিশে সময় কাটাতে চায়। এই ইচ্ছে, তাকে আনন্দ দেয় এবং স্বাধীনতা অনুভব করায়।
শিশুটি বকুলের ডালে লুকিয়ে থাকতে চায়। সে সেখানে গিয়ে পাখির মতো ডাক দিতে চায়। এটা তার খেলাধুলার ও স্বপ্নের অংশ।
শিশুটি পাখির মতো ডাকতে চায়। সে চায় প্রকৃতির সঙ্গে মিলেমিশে স্বাধীনভাবে বাঁচতে। এটি তার কল্পনার অংশ।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!