পরস্পরের প্রতি সহমর্মী হয়ে যে কাজগুলো করব তাঁর তালিকা নিচে দেওয়া হলো-
১. দুঃখী মানুষের প্রতি সহমর্মী হব।
২. বিপদে-আপদে সাহায্য-সহযোগিতা করব।
৩. আমাদের সহপাঠীদের মধ্যে যারা অভাব-অনটনে রয়েছে, তাদেরকে সাহায্য করব।
৪. সহমর্মিতার মাধ্যমে অসহায় মানুষের সমস্যার সমাধান করব।
৫. সহপাঠীদের সাথে ভালো ব্যবহার করব।
৬. সহপাঠীদের যেকোনো সমস্যায় সহযোগিতা করব।
৭. সহপাঠীদের সবসময় হাসি-খুশি রাখব, তাদের সাথে ভাইবোনের মতো আচরণ করব।
মহানবি (স.) কথায়, কাজে ও ব্যবহারে উদার ছিলেন। তিনি সবসময় অন্যের সাথে উদার মনে মিশতেন। হাসিমুখে কথা বলতেন। তাঁর মধুর কথায় সবাই মুগ্ধ হতো। তাঁর সাহাবি মহানবি (স.) ভিন্ন ধর্মের লোকদের প্রতিও উদারতা দেখিয়েছেন। তিনি তাদেরকে নিজ নিজ ধর্ম পালনের স্বাধীনতা দিয়েছিলেন। একবার এক অমুসলিম ব্যক্তি মসজিদে নববিতে প্রস্রাব করে দিলে কোনো কোনো সাহাবি রেগে যান। মহানবি (স.) সাহাবিগণকে বললেন, লোকটিকে প্রস্রাব করতে দাও এবং তার প্রস্রাবের ওপর এক বালতি পানি ঢেলে দাও।
দেশপ্রেম হলো নিজের দেশকে ভালোবাসা। নিজের দেশকে ভালোবেসে এর উন্নয়নের জন্য নিজ নিজ দায়িত্ব ও কর্তব্য সঠিকভাবে পালন করা।
মহানবি হজরত মুহাম্মদ (স.) নিজের জন্মভূমিকে ভালোবাসতেন। তিনি নিজের জন্মভূমি মক্কা থেকে হিজরত করে মদিনায় চলে যান। যাওয়ার সময় তাঁর চোখ থেকে অশ্রু গড়িয়ে পড়ছিল। তিনি বারবার মক্কার দিকে তাকাচ্ছিলেন আর বলছিলেন, “হে মক্কা! আমি তোমাকে ভালোবাসি। তুমি আমার কাছে কতই না প্রিয়! আমার স্বজাতি যদি আমাকে নির্যাতন করে বের করে না দিত, আমি কখনো তোমাকে ছেড়ে যেতাম না।" হিজরতের পর মদিনাকে তিনি নিজের দেশ হিসেবে গ্রহণ করেন। মদিনায় শান্তি প্রতিষ্ঠা ও উন্নয়নের জন্য তিনি আপ্রাণ চেষ্টা করেন এবং মদিনা সনদ প্রণয়ন করে অশান্ত মদিনায় শান্তি প্রতিষ্ঠা করেন।
আখলাক শব্দের অর্থ চরিত্র। আখলাক দুই প্রকার। যথা- আখলাকে হামিদা ও আখলাকে যামিমা। আখলাকে হামিদা হলো প্রশংসনীয় চরিত্র। আর আখলাকে যামিমা হলো নিন্দনীয় চরিত্র। আখলাকে হামিদার উদাহরণ হলো সহমর্মিতা, উদারতা, দেশপ্রেম, সত্যবাদিতা, সততা, শ্রদ্ধা, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, পরোপকার, ত্যাগের মনোভাব ইত্যাদি। আর আখলাকে যামিমার উদাহরণ হলো- মিথ্যা কথা বলা, অন্যের সমালোচনা করা, মারামারি করা, গালি দেওয়া ইত্যাদি।
আখলাকে হামিদা হলো আমাদের নৈতিক ও মানবীয় গুণ। উত্তম চরিত্র গঠনের উপায় নিচে লেখা হলো-
- মহানবি (স.) এর আদর্শগুলো জীবনে ধারণ করা।
- আব্বা-আম্মার কথা শোনা।
- সহপাঠীদের সাহায্য করা।
- মানুষের সেবা করা।
- সবসময় সত্য কথা বলা।
- সৎপথে চলা।
- মেহমানদের সাথে সুন্দর ব্যবহার করা।
- মিথ্যা কথা না বলা।
- পাপ কাজ না করা।
- সবাইকে সালাম দেওয়া।
উদারতা হলো অন্যের কথা, কাজ ও চিন্তাভাবনার প্রতি সহনশীল হওয়া। মানুষকে ক্ষমা করা ও পরোপকারী হওয়া। মহানবি (স.)-এ উদারতা সম্পর্কে ছয়টি বাক্য হলো-
১. মহানবি (স.) সবসময় তাঁর কথায় ও ব্যবহারে বিনয়ী ছিলেন।
২. তিনি সবার সাথে হাসিমুখে কথা বলতেন।
৩. তিনি ভিন্ন ধর্মের লোকদের তাদের নিজ ধর্ম পালনে স্বাধীনতা দিয়েছিলেন।
৪. তিনি ছিলেন অধিক দানশীল ও পরোপকারী।
৫. তিনি বয়স্ক ও অসহায়কে সবসময় সাহায্য করতেন।
৬. তিনি সব ধর্মের লোকদের সাথে সহনশীল আচরণ করতেন।
দেশপ্রেম হলো নিজের দেশকে ভালোবাসা। মহানবি (স.) নিজের জন্মভূমিকে জন্মভূমিকে খুব ভালোবাসতেন। তিনি কুরাইশদের 'অত্যাচারে নিজের জন্মভূমি মক্কা ছেড়ে মদিনায় চলে যান। যাওয়ার সময় তাঁর চোখ দিয়ে অশ্রু গড়িয়ে পড়ছিল। তিনি তখন বারবার মক্কার দিকে তাকিয়ে বলছিলেন, “হে মক্কা! আমি তোমাকে ভালোবাসি। তুমি আমার কাছে কতই না প্রিয়! আমার স্বজাতি যদি আমাকে নির্যাতন করে বের করে না দিত, আমি কখনো তোমাকে ছেড়ে যেতাম না।" এ ঘটনা থেকে মহানবি (স.) এর মাতৃভূমি মক্কার প্রতি ভালোবাসা উপলব্ধি করা যায়।
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Related Question
View Allআখলাকে যামিমা ক্ষতিকর।
মহানবি (স.) বলেছেন, 'আমি উত্তম চরিত্রকে পূর্ণতা দানের জন্য প্রেরিত হয়েছি।'
মহানবি (স.) ইয়াতিম শিশুদের প্রতি সহমর্মী ছিলেন।
মানুষকে ক্ষমা করা এবং পরোপকারী হওয়াও উদারতা
দেশপ্রেম হলো নিজের দেশকে ভালোবাসা।
হজরত মুহাম্মদ (স.) নিজের দেশকে ভালোবাসতেন
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!