সবুজ সারের নানাবিধ উপকারিতা আছে। এগুলো নিচে বর্ণনা করা হলো-
১. মাটির উর্বরতা বাড়ে;
২. মাটিতে প্রচুর জৈব পদার্থ যোগ হয়;
৩. মাটিতে নাইট্রোজেনের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়;
৪. মাটিস্থ অণুজীবের কার্যাবলি বৃদ্ধি পায়;
৫. মাটিস্থ পুষ্টি উপাদান সংরক্ষণ করে;
৬. মাটির জৈবিক পরিবেশ উন্নত করে।
রোগজীবাণু কীটপতঙ্গ ইত্যাদি হলো ফসলের জন্য বালাই। এই বালাই নিধনের জন্য যেসব জৈব, অরাসায়নিক ও রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করা হয় তাই হলো বালাইনাশক। যেসব বালাইনাশক বিভিন্নপ্রকার উদ্ভিদ রস/নির্যাস, প্রাণিজ ও বিভিন্ন জৈবিক কলাকৌশল থেকে তৈরি করা হয় তাদের জৈব ও অরাসায়নিক বালাইনাশক বলা হয়। নিচে জৈব ও অরাসায়নিক বালাইনাশকের বর্ণনা দেওয়া হলো-
ক. জৈব বালাইনাশক:
১. এলামন্ডা গাছের নির্যাস ছত্রাকনাশক হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
২. রসুনের নির্যাস ছত্রাক ও ব্যাকটেরিয়ানাশক হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
৩. নিমের নির্যাস (ছাল, পাতা, ফুল ও ফল) জীবাণুনাশক হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
৪. মুরগির পচনকৃত বিষ্ঠা ও সরিষার খৈল ব্যবহারের মাধ্যমে বিভিন্ন সবজি ফসলের মাটি বাহিত রোগ দমন করা যায়।
৫. ট্রাইকোডারমা জাতীয় প্রজাতি ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাকনাশক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৬. বিভিন্ন ধরনের জীবাণু সার প্রয়োগ করে ছত্রাক ও ব্যাকটেরিয়া হতে রেহাই পাওয়া যায়।
খ. অরাসায়নিক বালাইনাশক :
খ. অরাসায়নিক বালাইনাশক :
১. ধানের পাতার লালচে রেখা রোগ মুক্ত করতে হলে ধানের বীজ ৫৪° সেঃ তাপমাত্রায় পানিতে ১৫ মিনিট ভিজিয়ে রেখে বীজবাহিত রোগ ব্যাকটেরিয়া দূর করা যায়।
২. জাব পোকা দমনে লেডিবার্ড বিটল পোকা ডাল ও তেল জাতীয় ফসলে বৃদ্ধি করা যায়।
৩. ফসলের ক্ষতিকর পোকা দমনে প্রেইং ম্যানটিভ এর সংখ্যা বাড়ানো যায়।
৪. জমিতে সুষম সার ব্যবহার করলে পোকামাকড় ও রোগজীবাণু অনেক কম হয়।
৫. আলোর ফাঁদ পেতে পূর্ণ বয়স্ক পোকা ধরে ফেলা বা মেরে ফেলা;
৬. হাত জাল ব্যবহার করে পোকা ধরে ফেলা।
নিচে রাসায়নিক বালাইনাশকের ক্ষতিকর দিকগুলো বর্ণনা করা হলো-
১. দীর্ঘদিন ব্যবহারের ফলে শস্য ক্ষেতে বালাই বা কীটপতঙ্গ বালাইনাশককে বাধাদানের ক্ষমতা অর্জন করে। ফলে ঐ বালাইনাশক দিয়ে আর নির্দিষ্ট কীট বা বালাইকে ধ্বংস করা যায় না।
২. অধিকাংশ কীটনাশক প্রাকৃতিক শিকারী জীব ও মৃত্তিকার উপকারী অণুজীবগুলোকে ধ্বংস করে ফেলে।
৩. শস্যক্ষেতে প্রয়োগকৃত কীটনাশক ও বালাইনাশকের খুব সামান্য অংশ (১% বা এর কাছাকাছি) কাঙ্ক্ষিত কীট বা বালাইয়ের কাছে পৌছাতে পারে।
৪. প্রয়োগকৃত রাসায়নিক বালাইনাশকের একটি বড় অংশ বাতাসে, ভূ-পৃষ্ঠের পানিতে, ভূ-গর্ভস্থ পানিতে অনুপ্রবেশ করে এবং জীবের খাদ্য চক্রে ঢুকে পড়ে।
৫. বালাইনাশক মৃত্তিকার গঠন প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করার মাধ্যমে মৃত্তিকার উর্বরতা হ্রাস করে।
৬. রাসায়নিক বালাইনাশক জীব বৈচিত্র্যকে ধ্বংস করে।
'৭. রাসায়নিক বালাইনাশক সার্বিকভাবে পৃথিবীর প্রাকৃতিক পরিবেশের ক্ষতিসাধন করে।
উদ্ভিদের প্রয়োজনীয় ১৭টি পুষ্টি উপাদানের মধ্যে নাইট্রোজেন, ফসফরাস ও পটাশিয়াম-এ তিনটি উপাদান অতি গুরুত্বপূর্ণ। এগুলো মূখ্য পুষ্টি উপাদান। উদ্ভিদের জীবনচক্রে এ পুষ্টি উপাদানগুলোর ভূমিকা নিচে বর্ণনা করা হলো-
নাইট্রোজেন:
১. গাছকে ঘন সবুজ রাখে।
২.. গাছের পাতা, কাণ্ড ও ডালপালার বৃদ্ধি ঘটায়।
৩. অধিক কুশি সৃষ্টিতে সহায়তা করে।
৪. দানা জাতীয় ফসলে আমিষের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়।
৫. ফলের আকার আকৃতি বড় করে।
৬. পাতা জাতীয় ফসলের পরিমাণ ও গুণাগুণ বৃদ্ধি করে।
ফসফরাস :
১. উদ্ভিদের শিকড় গঠনে সাহায্য করে।
২. সময়মত ফুল ফোটায় ও ফসল পাকায়।
৩. ফসলের গুণগত মান বাড়ায়।
পটাশিয়াম :
১. শক্ত ও মজবুত কাণ্ড গঠনে সহায়তা করে।
২. উদ্ভিদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
৩. উদ্ভিদের পাতা, কাণ্ড ও ফলের বৃদ্ধি সমুন্নত রাখে।
৪. গাছের শিকড় বৃদ্ধি করে।
৫. দানা জাতীয় শস্যের দানা পুষ্ট করে।
৬. তামাক পাতার গুণাগুণ বৃদ্ধি করে।
গবাদিপশুর উচ্ছ্বিষ্ট, খড়কুটা, বিভিন্ন প্রকার কৃষিবর্জ্য আগাছা, কচুরিপানা প্রভৃতি খামার প্রাঙ্গণে স্তরে স্তরে সাজিয়ে অণুজীবের সাহায্যে পচিয়ে যে সার তৈরি করা হয় তাকে কম্পোস্ট বলে। তাই অনেকগুলো জিনিস একত্রে পচিয়ে বা কখনও একটি মাত্র উপাদান দিয়েও কম্পোস্ট তৈরি করা যায়।
কম্পোস্ট সার তৈরিতে পরিখা পদ্ধতি:
ক.
১. প্রথমে একটি উঁচু স্থান নির্বাচন করতে হবে;
২. নির্বাচিত স্থানে ৩ মিটার দৈর্ঘ্য ও ২ মিটার প্রস্থও ১.২ মিটার গভীরতা বিশিষ্ট পরিখা খনন করতে হবে;
৩. এভাবে ৬টি পরিখা পাশাপাশি খনন করতে হবে;
৪. পরিখার উপর চালার ব্যবস্থা করতে হবে;
৫. পাঁচটি পরিখা স্তূপ পদ্ধতির ন্যায় আবর্জনা, খড়কুটা, লতাপাতা, গোবর দিয়ে পর্যায়ক্রমে সাজাতে হবে এবং একটি পরিখা খালি থাকবে;

৬. প্রতিটি পরিখার আবর্জনার স্তূপ ভূপৃষ্ঠ হতে ৩০ সে:মি: উঁচু হবে;
৭. চার সপ্তাহ পর নিকটবর্তী পরিখার কম্পোস্ট খালি পরিখায় স্থানান্তর করতে হবে;
৮. এভাবে কম্পোস্টের উপাদানগুলো ওলটপালট করতে হবে। ফলে উপাদানগুলোর পচনক্রিয়াও ত্বরান্বিত হবে;
খ. ২-৩ মাসের মধ্যে উপাদানগুলো সম্পূর্ণ পচে কম্পোস্ট তৈরি হবে।
উদ্ভিদ জীবনধারণের জন্য প্রয়োজনীয় ১৭টি পুষ্টি উপাদান ২টি উৎস থেকে গ্রহণ করে থাকে। যথা- ১. প্রাকৃতিক উৎস ও ২. কৃত্রিম উৎস।
১. প্রাকৃতিক উৎস: মাটি, বায়ু ও পানি-এ তিনটি হলো প্রাকৃতিক উৎস। মাটি: কার্বন, অক্সিজেন ও হাইড্রোজেন ব্যতীত বাকি ১৪টি পুষ্টি উপাদান উদ্ভিদ মাটি থেকে গ্রহণ করে। বায়ু : উদ্ভিদ কার্বন ও অক্সিজেন-বায়ু হতে গ্রহণ করে। পানি: উদ্ভিদ হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন পানি হতে পায়। এছাড়াও পানিতে দ্রবীভূত খনিজ পদার্থও উদ্ভিদ গ্রহণ করে।
২. কৃত্রিম উৎস: জৈব সার ও রাসায়নিক সার হচ্ছে উদ্ভিদের পুষ্টি উপাদানের কৃত্রিম উৎস। জৈব সার উদ্ভিদের পুষ্টি উপাদানের সবগুলোই জৈব সারে পাওয়া যায়। গোবর, কম্পোস্ট, আবর্জনা, খড়কুটা ও আগাছা পচিয়ে জৈব সার হিসেবে ব্যবহার করা হয়। রাসায়নিক সার: ইউরিয়াতে নাইট্রোজেন, টিএসপিতে ফসফরাস, এমপি, পটাশিয়াম ও জিপসামে ক্যালসিয়াম এর প্রাধান্যতা থাকে।
নাইট্রোজেনের অভাবজনিত লক্ষণগুলো হলো-
১. গাছের পাতা হালকা সবুজ থেকে শুরু করে হলুদ বর্ণ ধারণ করে।
২. ফলন অনেক কম হয়।
৩. বীজ অপুষ্ট হয়।
৪. দানা জাতীয় ফসলের কুশি কম হয়।
৫. গাছের শিকড়ের বিস্তৃতি কম হয়।
৬. গাছের পাতা আগাম ঝরে পড়ে।
৭. বীজের আকৃতি ছোট হয়।
পশুর সুষম খাদ্যের গুরুত্ব নিচে উল্লেখ করা হলো-
১. গবাদিপশুকে নিয়মিত সুষম খাদ্য খাওয়ালে পশুর মাংস ও দুধ উৎপাদন বৃদ্ধি পায়।
২. সুষম খাদ্য খাওয়ালে অপুষ্টিজনিত এবং অন্যান্য রোগ কম হয়।
৩. সুষম খাদ্য খাওয়ালে খামারে সার্বিক লাভ বেশি হয়।
৪. অল্প সময়ে বড় আকারের সুস্থ সবল পশু পাওয়া যায়।
৫. পশুর বাঁচার হার বৃদ্ধি পায় এবং মৃত্যুর হার হ্রাস পায়।
জমিতে কম্পোস্ট সার ব্যবহারের উপকারিতাগুলো নিচে বর্ণনা করা হলো-
১. মাটির উর্বরতা ও উৎপাদন শক্তি বৃদ্ধি পায় ফলে ফল ও বৃদ্ধি পায়।
২. মাটিতে সব ধরনের পুষ্টি উপাদান যোগ হয়।
৩. মাটির পুষ্টি উপাদানগুলো সংরক্ষণ করে।
৪. মাটির সংযুতির উন্নয়ন ঘটে।
৫. মাটির পানি ধারণ ক্ষমতা ও বায়ু চলাচল বৃদ্ধি করে।
৬. মাটিস্থ অণুজীবগুলো ক্রিয়াশীল হয়।
৭. ফসলের ফলন, উৎপাদন ও গুণগত মান বৃদ্ধি পায়।
৮. জৈব সার ব্যবহারে ফসলের কোনো পার্শ্বপতিক্রিয়া দেখা যায় না।
রাসায়নিক সার ও সবুজ সার ব্যবহারের তুলনামূলক প্রভাব নিচে আলোচনা করা হলো-
১. সবুজ সার ব্যবহারের ফলে মাটির উর্বরতা বাড়ে। কিন্তু রাসায়নিক সার ব্যবহারে নির্দিষ্ট একটি পুষ্টি উপাদান মাটিতে গেলেও দীর্ঘদিন ব্যবহারে মাটির উর্বরা শক্তি হ্রাস পায়।
২. সবুজ সার ব্যবহারে মাটিতে প্রচুর জৈব পদার্থ যোগ হয়। রাসায়নিক সার ব্যবহারে তা হয় না।
৩. মাটিতে কার্যকরি অণুজীবের কার্যাবলি বৃদ্ধিতে সবুজ স্যর ভূমিকা রাখে। অন্যদিকে রাসায়নিক সার ব্যবহারে তা হ্রাস পায়।
৪. সবুজ সার মাটির পুষ্টি উপাদানগুলো সংরক্ষণ করে। রাসায়নিক সার তা করে না।
৫. সবুজ সার ব্যবহারে মাটির জৈবিক পরিবেশ উন্নত হয়। কিন্তু রাসায়নিক সার মাটির জৈবিক পরিবেশ নষ্ট করে দেয়।
৬. সবুজ সার ব্যবহার করা পরিবেশের জন্য উপকারী। অন্যদিকে রাসায়নিক সার ব্যবহার পরিবেশের জন্য ক্ষতির কারণ।
Related Question
View Allউদ্ভিদের পুষ্টি উপাদান বলতে বোঝায় যে উপাদানগুলোর অভাবে উদ্ভিদ সুষ্ঠুভাবে বাঁচতে পারে না এবং যথাযথভাবে শস্য উৎপাদন করতে পারে না (যেমন- নাইট্রোজেন, ফসফরাস, পটাশিয়াম ইত্যাদি)।
পরিখা পদ্ধতিতে কম্পোস্ট তৈরির ক্ষেত্রে একটি পরিখা ফাঁকা রাখতে হয়, কারণ নিকটবর্তী পরিখার কম্পোস্ট পার্শ্ববর্তী পরিখাতে স্থানান্তর করে উলটপালট করা হয়। ফলে উপাদানগুলো দ্রুত পচে যায় ও অল্প সময়ে কম্পোস্ট তৈরি হয়ে যায়।
কৃষক হাফিজের জমিতে ধানের চারায় আশানুরূপ হারে কুশি গজায়নি এবং জমিতে পোকামাকড়ও দেখা গিয়েছিল।
ধানের চারায় কুশি কম গজানোর কারণ হলো নাইট্রোজেন নামক পুষ্টি উপাদানের ঘাটতি। কৃষক হাফিজ জৈব ব্যবস্থাপনা গ্রহণ করে এ সমস্যার সমাধান করতে পারতেন। সবুজ সার, কম্পোস্ট সার ইত্যাদি মাটিতে নাইট্রোজেন যোগ করে, যেগুলো কৃষক হাফিজ তার জমিতে ব্যবহার করতে পারতেন। ধানের পোকা দূর করার জন্য তিনি তামাক পাতার নির্যাস প্রয়োগ করতে পারতেন। জমিতে প্রেইং ম্যানটিড এর সংখ্যা বাড়ালে তা ক্ষতিকারক পোকা দমনে সহায়ক হতো। এছাড়া জমিতে গাছের ডাল বা বাঁশের কঞ্চি পুঁতে দিলেও সুফল পাওয়া যেত। অর্থাৎ, জৈব সার ও জৈব বালাইনাশক ব্যবহারের মাধ্যমে হাফিজ উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে পারতেন।
হাফিজ দ্বিতীয় দফায় ফসলের পুষ্টি ঘাটতি পূরণ ও রোগবালাই দমনে জৈব ব্যবস্থাপনা গ্রহণ করেন।
হাফিজ সার হিসেবে গোবর সার, কম্পোস্ট সার, সবুজ সার, খৈল - ইত্যাদি ব্যবহার করেন। তিনি জানেন এতে গাছের প্রয়োজনীয় সব খাদ্য উপাদানই আছে। এছাড়াও এসব সার মাটিতে জৈব পদার্থের পরিমাণ বাড়ায়। ফলে মাটিস্থ অণুজীবের কার্যাবলি বৃদ্ধি পায়। জৈব পদার্থ মাটির পানি ধারণ ক্ষমতা, মাটির উর্বরতা, ফসলের ফলন, উৎপাদন ও গুণগত মান বৃদ্ধি করে। জৈব সার ব্যবহারের পাশাপাশি তিনি কীটপতঙ্গ দমনের জন্য আলোক ফাঁদ এবং জমির বিভিন্ন জায়গায় ডালপালা পুঁতে পাখি বসার ব্যবস্থা করেন। জমিকে সবসময় আগাছামুক্ত রাখেন, যা পোকার আশ্রয়স্থল হিসেবে কাজ করে। ফলে কীটপতঙ্গ দমন ব্যবস্থা হয় পরিবেশের কোনো ক্ষতি ছাড়াই।
অর্থাৎ, হাফিজের দ্বিতীয় দফায় গৃহীত জৈব ব্যবস্থাপনা শুধু পুষ্টি ঘাটতি - পূরণই নয় বরং রোগবালাই দমনেও সহায়ক ভূমিকা রেখেছে উক্তিটি যথার্থ।
পরিবেশ বাঁচাতে জৈব ও অরাসায়নিক বালাইনাশক ব্যবহার করা হয়।
রাসায়নিক বালাইনাশক মাত্রই বিষ। এ জাতীয় বালাইনাশক প্রয়োগের ফলে তা উদ্ভিদের জীবনচক্রে ঢুকে ফলনকেও বিষাক্ত করে দিচ্ছে যা খেয়ে মানুষ মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। পরিবেশেরও চরম ক্ষতি হচ্ছে। তাই এ জাতীয় বালাইনাশককে নীরব ঘাতক বলা হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
