রচনামূলক প্রশ্ন ও সমাধান

Updated: 7 months ago
উত্তরঃ

শিশুকে সঠিকভাবে পরিচালনার অন্যতম কৌশল হলো শিশুর সাথে ইতিবাচক আচরণ করা।

ভাইবোনের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক শিশুর বিকাশে বিশেষ ভূমিকা রাখে। তাদের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক হলে একজন আরেকজনকে সঙ্গ দেয়, ভাগাভাগি করতে শেখে। যেকোনো কথা খোলাখুলি আলোচনা করতে পারে। তাই ভাইবোনদের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের প্রয়োজন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

পরিবার শিশুটির খাদ্য, বস্ত্র, আরামের চাহিদা মেটায়, নিরাপদ পরিবেশ দেয়, নিরাপত্তার অনুভূতি দেয়। শিশুটির এই প্রয়োজন মেটাতে খাদ্যশস্যের জন্য কৃষক, কাপড়ের জন্য তাঁতি, চিকিৎসার জন্য ডাক্তার, শিক্ষার জন্য শিক্ষক এভাবে সমাজের বিভিন্ন পেশার মানুষ পরিবারটির সাহায্যে এগিয়ে আসে। সমাজের এই সহযোগিতা ছাড়া পরিবারের একার পক্ষে চলা সম্ভব না। এভাবে পরিবার ও সমাজ একে অপরের ওপর নির্ভরশীল।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

শিশুর সাথে বন্ধন গড়ে তুলতে মা হচ্ছেন প্রথম এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি। মায়ের হাসি, মায়ের কণ্ঠস্বর শিশুর মধ্যে আনন্দের অনুভূতি সৃষ্টি করে। মা সন্তানের যত্ন আনন্দের সাথে সম্পন্ন করেন, যা সন্তানের সুস্থ বিকাশে সহায়ক। আবার যেসব পরিবারে মা শিশুকে সঙ্গ দেন, ভাব বিনিময় করেন, সেখানে শিশুরা নিজেদেরকে বেশি নিরাপদ মনে করে, তাদের মধ্যে সামাজিক ও আচরণগত সমস্যা কম হয়। ভাইবোনের সাথে সম্পর্ক শিশুর বিকাশে বিশেষ ভূমিকা রাখে। ভাইবোনের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক হলে একজন অপরজনকে সঙ্গ দেয়, ভাগাভাগি করতে শেখে, যেকোনো সমস্যার কতা খোলাখুলি আলোচনা করতে পারে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

শিশুদের বুদ্ধিবৃত্তিক ও নৈতিকতা বিকাশে শিক্ষক অনেক দায়িত্ব পালন করেন। যেমন- পাঠ্যবইয়ের বিষয়বস্তু ভালোভাবে বুঝিয়ে দিয়ে জ্ঞান অর্জন করতে সহায়তা করেন। ভালো আচরণে উৎসাহিত করেন, খারাপ আচরণের ফলাফল বুঝিয়ে সতর্ক করেন। শিক্ষকের প্রশংসা শিক্ষার্থীদের ক্লাসে অংশগ্রহণ বাড়ায়, ভালো ফল করতে উৎসাহী করে এবং স্কুলের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব তৈরি করে। পছন্দের শিক্ষকের অনুকরণে শিক্ষার্থীরা আচরণ শেখে ও জীবনের লক্ষ্য স্থির করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
73

Related Question

View All
উত্তরঃ

সাধারণত মা-বাবা, ভাই-বোন এবং আরও অন্যান্য সদস্য একসাথে থাকার যে প্রতিষ্ঠান সেটি হলো পরিবার।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
136
উত্তরঃ

প্রত্যেক সমাজের কিছু নিয়মনীতি থাকে। পরিবার সমাজের এসব নিয়মনীতি অনুযায়ী শিশুকে আচরণ করতে শেখায়।

সবার সাথে ভালো ব্যবহার, নিয়ম-শৃঙ্খলা মেনে চলা, সহযোগিতা করা ইত্যাদি আচরণ সমাজের কাছে গ্রহণযোগ্য। সঠিক ও গ্রহণযোগ্য আচরণ নিয়ে শিশু বেড়ে উঠলে সমাজ ও দেশের উন্নতি হয়। তাই দেশের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠার জন্য সমাজের নিয়মনীতি অনুসরণ করা প্রয়োজন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
193
উত্তরঃ

সন্তানদের প্রতি রেবেকার আচরণ তাদের সামাজিক বিকাশে সহায়ক।

রেবেকা তার সন্তানদের সমবয়সীদের সাথে সহযোগী মনোভাব তৈরিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। এর মাধ্যমে শিশুরা গ্রহণযোগ্য সামাজিক আচরণ করতে শেখে এবং তাদের মধ্যে ন্যায়-অন্যায় বোধ জাগ্রত হয়। তারা তাদের ধারণার আদান-প্রদান, কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা প্রভৃতি শিখে।

এছাড়া শিশুরা সহযোগিতা, পরোপকার, সমবেদনা, অংশগ্রহণ, নিঃস্বার্থ হওয়া ইত্যাদি পরিবার থেকেই শিখে। রেবেকা সন্তানদের সাথে বন্ধুর মতো আচরণ করেন। এসব কর্মকান্ডের মধ্য দিয়ে রেবেকা তার সন্তানদের সমাজের গ্রহণযোগ্য আচরণ শেখাতে ও গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়তা করছেন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
160
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত পরিবেশ শিশুদের সুষ্ঠু বিকাশে সহায়ক।

শিশুর সব ধরনের বিকাশের প্রথম ও দীর্ঘস্থায়ী কেন্দ্র হলো পরিবার। শিশুর সুষ্ঠু বিকাশের জন্য ভালবাসাপূর্ণ সহযোগিতাময় পরিবেশ প্রয়োজন। রেবেকা ও তার স্বামী দুই সন্তানকে পর্যাপ্ত সময় দেন এবং বন্ধুর মতো তাদের সাথে মেশেন। তারা সন্তানদের সমবয়সীদের সাথে সহযোগী মনোভাব তৈরিতে সাহায্য করেন। এতে করে সন্তানদের মধ্যে সামাজিক বিকাশ ত্বরান্বিত হয়। তারা পরস্পরকে সহযোগিতা করতে ও নিয়ম মেনে চলতে শেখে। তাছাড়া রেবেকা ও তার স্বামী সন্তানদের সময় দেওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থানে ও পার্কে বেড়াতে নিয়ে যান।

ফলে তাদের শারীরিক, আবেগীয় ও মানসিক বিকাশ হয়। দর্শনীয় স্থানে গিয়ে তারা অনেক কিছু শিখতে পারে। এতে তাদের মনোযোগ ও স্মরণশক্তি বৃদ্ধি পায়। আনন্দ-উল্লাসের মধ্য দিয়ে তারা কিছু সময় কাটাতে পারে। তাছাড়া দৌড়-ঝাঁপ, ঘোরাঘুরির ফলে তাদের শরীর ও মন দুটোই ভালো থাকে। তাই বলা যায়, সুমন ও সুমনার পারিবারিক পরিবেশ তাদের সুস্থ বিকাশে সহায়ক।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
98
উত্তরঃ

ভাই-বোনের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের মাধ্যমে একজন অপরজনকে সঙ্গ দেয়, পরস্পরের মধ্যে ভাগাভাগি করতে শেখে, যেকোনো সমস্যার কথা খোলামেলা আলোচনা করতে পারে। এভাবে যে কোনো কঠিন পরিস্থিতিতে সহজেই খাপ খাওয়ানোর ক্ষমতা অর্জন করতে পারে। তাই ভাই-বোনের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের প্রয়োজন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
156
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews