বাংলাদেশ সরকার কৃষকদের কৃষি কাজের সুবিধার জন্য অনেকগুলো সেচ প্রকল্প গ্রহণ করেছেন। প্রকল্পগুলো পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত। সেচ প্রকল্পের আওতাধীন এলাকাগুলোতে সারা বছর ধরে শস্য উৎপাদন সম্ভব হচ্ছে। নিচে প্রকল্পগুলোর নাম দেওয়া হলো-
১. গঙ্গা-কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্প (জি.কে.প্রজেক্ট),
২. বরিশাল সেচ প্রকল্প (বি.আই.পি),
৩. ভোলা সেচ প্রকল্প,
৪. ঠাকুরগাঁও গভীর নলকূপ সেচ প্রকল্প,
৫. চাঁদপুর সেচ প্রকল্প (সি.আই.পি),
৬. মুহুরী সেচ প্রকল্প (এম.আই.পি),
৭. পাবনা আইআরডি,
৮. মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্প,
৯. কর্ণফুলি সেচ প্রকল্প (কে, আই.পি)
ফসলের জমি থেকে জমে থাকা অতিরিক্ত পানি অপসারণ করাকেই পানি নিকাশ বলা হয়।
পানি নিকাশের উদ্দেশ্য: পানি নিকাশের উদ্দেশ্য হলো-
১. মাটিতে বায়ু চলাচল বাড়ানো,
২. গাছের মূলকে কার্যকরি করা,
৩. উপকারি অণুজীবের কার্যক্রম বৃদ্ধি করা,
৪. মাটির তাপমাত্রা সহনশীল মাত্রায় আনা,
৫. মাটিতে 'জো' আনা।
অতিরিক্ত পানির ক্ষতিকর দিক:
১. মাটিতে ফসলের শিকড় এলাকায় বায়ু চলাচলের বিঘ্ন ঘটে।
২: পানি জমে থাকার ফলে মাটির ফাঁক বন্ধ হয়ে যায়। ফলে গাছ মরে যায়,।
৩. পানি জমে থাকলে শিকড় এলাকায় অক্সিজেনের অভাব ঘটে। এর ফলে অনেক রোগ দেখা যায়।
৪. গাছের শিকড় এলাকায় পানি, জমলে শিকড় বিস্তার লাভ করতে পারে না। ফলে গাছের বৃদ্ধি ব্যাহত হয় কিংবা গাছ মরে যায়।
৫. উপকারি অণুজীবের বৃদ্ধি ব্যাহত হয়।
মানসম্মত বীজ তিন ধাপে উৎপাদন করা হয়। এগুলো হলো-
১: মৌল বীজ, ২. ভিত্তি বীজ, ৩. প্রত্যায়িত বীজ
নিচে বিভিন্ন প্রকার বীজের বর্ণনা দেওয়া হলো-
১.মৌল বীজ: সকল বংশগত গুণাগুণ রক্ষা করে যে বীজ উৎপাদন করা হয় তাকে মৌল বীজ বলে। উদ্ভিদ প্রজনন বিজ্ঞানিরা পরীক্ষা করার পর যখন কোনো ফসলের জাতকে খুব ভালো মনে করেন তখন সে বীজকে মৌল বীজ বলে। মৌল বীজ সাধারণত পরিমাণে কম উৎপাদন করা হয়। এ বীজ বিক্রিযোগ্য নয়।
২. ভিত্তি বীজ: মৌল বীজের সকল বংশগত গুণাগুণ রক্ষা করে বীজ অনুমোদন সংস্থার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে বেশি পরিমাণ উৎপাদিত বীজকে ভিত্তি বীজ বলে। ভিত্তি বীজও কৃষকের নিকট বিক্রি করা হয় না।
৩. প্রত্যায়িত বীজ ভিত্তি বীজ হতে বীজ অনুমোদন সংস্থার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে বীজ উৎপাদনের নিয়ম কানুন মেনে যে বীজ উৎপাদন করা হয় এবং মাঠে ব্যবহারের অনুমোদন দেওয়া হয় তাকে প্রত্যয়িত বীজ বলে। এই বীজ কৃষকদের ব্যবহারের জন্য অনুমোদন সংস্থা অনুমোদন প্রদান করে। প্রত্যয়িত বীজ কৃষকদের নিকট বিক্রি করা হয়।
ডিম বাছাইয়ের ধাপগুলো হলো-
১. মাঝারি আকারের মসৃণ মোটা ও শক্ত খোসার ডিম,
২. স্বাভাবিক রঙের ডিম,
৩. মাঝারি আকারের ডিম,
৪. পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন ডিম,
৫. ৫০-৬০ গ্রাম ওজনের ডিম,
৬. ডিমের বয়স গ্রীষ্মকালে ৩-৪ দিন এবং শীতকালে ৭-১০ দিন।
প্রাকৃতিক উপায়ে ডিম ফোটানোর পদ্ধতি: মুরগির নিজের দেহের তাপ দিয়ে নিষিক্ত ডিম ফোটানোর পদ্ধতিই হলো ডিম ফোটানোর প্রাকৃতিক পদ্ধতি। এক্ষেত্রে দেশি মুরগি কিছুদিন ডিম পাড়ার পর কুচে হয় এবং ডিমে তা দিতে আগ্রহী হয়। এরূপ মুরগিকে ১০-১২টি ডিম দিয়ে বসানো হয়। প্রথমত মুরগির জন্য ঝুড়িতে খড়কুটা দিয়ে একটি বাসা বানাতে হয়। বাসাটি ঘরের নির্জন কোণে রাখতে হয়। মুরগির বাসাটি ৩০ সেমি. ব্যাস এবং ১০ সেমি গভীর হবে। ডিমে বসানোর পূর্বে মুরগিকে ভালোভাবে খাওয়াতে হবে। মুরগির সামনে দানাদার খাবার ও পানি রাখতে হবে। ৮-১০ দিন পর ডিমগুলো সূর্যের আলোয় পরীক্ষা করতে হবে। ডিমের ভিতর ভ্রূণ থাকলে কালো দাগের মতো দেখাবে। ২১তম দিনে ডিম থেকে বাচ্চা বেরিয়ে আসবে। প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে ফোটা বাচ্চারা প্রায় দুই মাস মায়ের তত্ত্বাবধানে থাকে।
সেচের পানি সাধারণত তিনভাবে অপচয় হয়ে থাকে। এগুলো হলো-
১. বাষ্পীভবন,
২. পানির অনুস্রাবণ,
৩. পানি চুয়ানো
সেচের পানির কার্যকারিতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা: জমিতে সেচ না দিয়ে ফসল উৎপাদন সম্ভব নয়। সময়মতো ও সঠিক পরিমাণ পানি না পেলে ফলন ভালো হয় না। সেচের পানি বিভিন্নভাবে অপচয় হওয়ার ফলে আশানুরূপ ফলন পাওয়া যায় না। জমিতে প্রয়োজনীয় পানি থাকলে গাছ মাটি থেকে পুষ্টি উপাদানগুলো সহজেই গ্রহণ করতে পারে। তাই ফলন বৃদ্ধির জন্য সেচের পানির অপচয় রোধের মাধ্যমে সেচের পানির কার্যকারিতা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।
নালা সেচ পদ্ধতিতে জমির ঢাল অনুযায়ী ভূমির বন্ধুরতা বা উঁচু-নিচু সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় সংখ্যক নালা তৈরি করা হয়। অতঃপর প্রধান নালার সাথে জমির এ নালাগুলোর সংযোগ সেচ দেওয়া হয়। নালার গভীরতা ও দৈর্ঘ্য জমির উঁচু-নিচুর উপর নির্ভর করে। জমি সমতল হলে নালার দৈর্ঘ্য বেশি হবে আর ঢাল বেশি হলে দৈর্ঘ্য কম হবে।

এভাবে সেচ দেওয়ার উপরকারিতা হলো-
১. সেচের পানি নিয়ন্ত্রণ সহজ হয় ও জলাবদ্ধতার ভয় থাকে না।
২. সমস্ত জমি সমানভাবে ভেজানো যায়।
৩. পানির অপচয় কম হয়।
৪. মাটি ক্ষয় কম হয়।
সাধারণত দ্রবীভূত অক্সিজেনের অভাব হলেই মাছ পুকুরের উপরে ভেসে উঠে খাবি খায়। পুকুরের পানিতে প্রায়ই দ্রবীভূত অক্সিজেনের অভাব দেখা দেয়। এসময় মাছ পানির নিচে থেকে শ্বসন কার্য চালাতে পারে না। তাই মাছ পানির উপরে চলে আসে ও বায়ুমণ্ডল থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে। সকালে বা বিকালে অথবা দিনের যেকোনো সময়, মেঘলা দিনে, কোনো কোনো সময় বৃষ্টির পর পুকুরের পানিতে অক্সিজেনের অভাব দেখা যায়। ফলে মাছ ক্লান্ত হয়ে পানির উপরিভাগে ঘোরাফেরা করে ও খাবি খায়।
পুকুরের পানিতে অক্সিজেনের অভাব ঘটলে নিম্নোক্ত ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে অক্সিজেনের অভাব পূর্ণ করা যায়-
১. পুকুরে সাঁতার কেটে অক্সিজেনের অভাব দূর করা: পুকুরের পানি খুব শান্ত থাকে। এক স্থানের পানি অন্যস্থানে সঞ্চালন হয় না। ফলে পানিতে অক্সিজেন দ্রবীভূত হয় না। এ অবস্থায় পুকুরে সাঁতার কাটার ব্যবস্থা করলে অক্সিজেনের অভাব থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যায়। সাঁতার কাটার জন্য কিশোর কিশোরীদের পুকুরে নামিয়ে দেওয়া যায়।
২. বাঁশ দ্বারা পুকুরের পানিতে আঘাত করা: বাঁশ দ্বারা পুকুরের শান্ত পানিতে আঘাত করলে পানিতে তোলপাড় হয় ও ঢেউ উৎপন্ন হয়। ফলে বাতাসের অক্সিজেন এতে দ্রবীভূত হয় ও সমস্যা দূর হয়। ক্রমাগত আঘাত করে পুকুরের একপাড় থেকে অন্যপাড়ে গেলে সুফল পাওয়া যায়।
টমেটো গাছের বীজতলা তৈরির জন্য ৩ ১ বর্গমিটার আকারে বীজতলা তৈরি করতে হবে। এ ধরনের বীজতলায় ১০-১২ গ্রাম বীজ দরকার। কোদাল দিয়ে নির্বাচিত স্থানের মাটি ঝুরঝুরা করতে হয়। বীজতলার ২০ সে. মি. নিচে ইটভাঙা এর উপর উর্বর মাটি দিয়ে উঁচু করে দিতে হবে। মাটি থেকে বীজতলা কমপক্ষে ১০ সে. মি. উঁচুতে হবে। এরপর পচা গোবরের সাথে ১০ গ্রাম ইউরিয়া মিশিয়ে বীজতলার উপরে ছিটিয়ে দিতে হবে। তারপর মিশিয়ে দিতে হবে। মাটির ২ সে. মি. গভীরে বীজ ছিটিয়ে দিতে হবে। প্রত্যহ বীজতলায় ঝাঁঝরা দিয়ে পানি দিতে হবে। তাহলে ৩-৪ দিনের মধ্যে চারা বের হবে।
মুরগির নিজের দেহের তাপ দিয়ে নিষিক্ত ডিম ফোটানোকে প্রাকৃতিক পদ্ধতি বলে। দেশি মুরগি কিছুদিন ডিম পাড়ার পর কুচে. হয় এবং ডিমে তা দিতে আগ্রহী হয়। এরূপ মুরগিকে ১০-১২ টি ডিম দিয়ে বসানো হয়। প্রথমত মুরগির জন্য ঝুড়িতে খড়কুটা দিয়ে একটি বাসা বানাতে হবে। বাসাটি ঘরের নির্জন কোণে রাখতে হবে। মুরগির বাসা ৩৫ সে.মি. ব্যাস এবং ১০ সে.মি. গভীর হবে। মুরগির ডিমে বসার পূর্বে ভালোভাবে খাওয়াতে হবে। মুরগির বাসার সামনে দানাদার খাবার ও পানি রাখতে হবে।
ইনকিউবেটর যন্ত্র দ্বারা ডিম উৎপাদনের ক্ষেত্রে কতকগুলো বিষয় লক্ষ রাখতে হয়। ইনকিউবেটর যন্ত্রের তাপমাত্রা ৯৯.৫ - ১০০.৫০ ফারেনহাইট, আর্দ্রতা ৬৫ ৭০% ও যন্ত্রে বায়ুপ্রবাহের ব্যবস্থা রাখতে হবে। যন্ত্রের সেটিং ট্রেতে ৫৫ ৬০ গ্রাম ওজনের ডিম বসাতে হবে। ইনকিউবেশন চলাকালীন সময়ে ডিমগুলো ৪৫০-কৌণিক অবস্থানে রাখতে হবে। দৈনিক ৩ – ৮ বার ডিম ঘুরাতে হবে। এছাড়াও ডিমের ভিতরের অংশ পর্যবেক্ষণ এবং ফিউমিগেশন পদ্ধতি দ্বারা ডিম থেকে জীবাণু ধ্বংস করার ব্যবস্থা করতে হবে।
ডিম ফোটানোর জন্য প্রথমত উর্বর ডিম দরকার। ডিম বাছাইয়ের ক্ষেত্রে যে সমস্ত বৈশিষ্ট্যের উপর জোর দেওয়া প্রয়োজন নিচে সেগুলো উল্লেখ করা হলো-
১. মসৃণ, মোটা ও শক্ত খোসার ডিম।
২. স্বাভাবিক রঙের ডিম।
৩. মাঝারি আকারের ডিম।
৪. পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন ডিম।
৫. ৫০ - ৬০ গ্রাম ওজনের ডিম।
৬. ডিমের বয়স গ্রীষ্মকালে ৩-৪ দিন এবং শীতকালে ৭- ১০ দিন।
দাবা কলম করার জন্য মাতৃগাছের মাটির নিকটে অবস্থিত শাখা নিচে নামিয়ে দুই গিঁটের মাঝখানের বাকল কাটতে হবে। বাকলের নিচের সবুজ অংশে ছুরির ভোতা পাশ দিয়ে চেছে ফেলতে হবে। অতঃপর কাটা অংশ মাটিতে চাপা দিতে হবে। কিছু দিন পর কাটা অংশ থেকে শিকড় গজাবে এবং নতুন চারা হবে। গজানো অংশ কেটে ২ – ৩ সপ্তাহ পর সাবধানে মাটিসহ উঠিয়ে অন্যত্র রোপণ করতে হয়। লেবু, পেয়ারা, গোলাপ, ইত্যাদি গাছে দাবা কলম করা হয়।

Related Question
View Allবীজ ছাড়া উদ্ভিদের বিভিন্ন অঙ্গ (যেমন- মূল, পাতা, কান্ড ইত্যাদি) দিয়ে চারা উৎপাদনকে উদ্ভিদের অঙ্গজ বংশবিস্তার বলে।
অঙ্গজ বংশবিস্তারের একটি সুবিধা হলো তাড়াতাড়ি ফল পাওয়া যায়। বীজ রোপণ করে চারা উৎপন্ন করলে ফল পেতে অনেক সময় লাগে, যা অঙ্গজ প্রজননের ক্ষেত্রে লাগে না। এতে দ্রুত অর্থ আয় হয় ও খাদ্যের চাহিদা পূরণ করা যায়।
গোলাপের বংশবিস্তারের ক্ষেত্রে 'ক' চিত্রের পদ্ধতিটি হলো দাবা কলম এবং 'খ' পদ্ধতিটি হলো কর্তন বা ছেদ কলম।
দাবা কলম পদ্ধতিতে মাতৃগাছের মাটির নিকটে অবস্থিত শাখা নিচে নামিয়ে দুই গিটের মাঝখানের বাকল কেটে নিতে হয়। বাকলের নিচের সবুজ অংশ ছুরির ভোতা 'পাশ দিয়ে চেছে ফেলতে হয়। এরপর কাটা অংশ মাটিতে চাপা দিতে হয়। কিছুদিন পর কাটা অংশ থেকে শিকড় ও নতুন চারা গজায়। গজানো অংশ কেটে ২-৩ সপ্তাহ পর সাবধানে মাটিসহ অন্যত্র রোপণ করতে হয়। অপরদিকে কর্তন, বা ছেদ কলম পদ্ধতিতে শাখা, মূল, পাতা ইত্যাদি মাতৃগাছ থেকে বিচ্ছিন্ন করে ছায়াযুক্ত স্থানে টবে বা নার্সারি বেডে রোপণ করতে হয়। ১৫ দিনের মধ্যে তা থেকে নতুন চারা উৎপন্ন হয়। অতঃপর চারাটি অন্যত্র মূল জমিতে রোপণ করা হয়। এ প্রক্রিয়ায় খুব সহজে ও কম সময়ে গোলাপের বংশবিস্তার করা যায়। তাছাড়া কাণ্ড বাঁকানোর ফলে ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে না।
অর্থাৎ, কর্তন বা ছেদ কলম পদ্ধতি গোলাপের বংশবিস্তারের ক্ষেত্রে অমিত কার্যকরী।
চিত্রের পদ্ধতিগুলো হলো দাবা কলম ও কর্তন বা ছেদ কলম যা কৃত্রিম অঙ্গজ বংশবিস্তারের প্রকারভেদ।
অঙ্গজ পদ্ধতিতে চারা উৎপাদন করলে নতুন বৃক্ষ তার মাতৃবৃক্ষের সকল গুণাগুণ বিশুদ্ধভাবে বহন করে। অর্থাৎ, যদি কোনো গাছের আম খুব বড় এবং মিষ্টি হয় তবে তার অঙ্গ দিয়ে উৎপাদিত গাছের আমের স্বাদ ও - আকার হুবহু এক হবে। আবার কোনো গাছের যদি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো থাকে, তবে সে গাছ থেকে উৎপাদিত চারা গাছও একই গুণ পাবে। এ পদ্ধতি ব্যবহার করে উদ্ভিদে বিভিন্ন গুণগত পরিবর্তন আনা যায়। মাতৃগাছের গুণাগুণের সুবিধা ছাড়াও অঙ্গজ প্রজননের মাধ্যমে চারা থেকে খুব তাড়াতাড়ি ফল পাওয়া যায়। ফলে ফসল উৎপাদন যেমন দ্রুত হয়, তেমনি দ্রুত আয় এবং খাদ্য ঘাটতিও হ্রাস করা যায়।
অতএব বলা যায়, উপরের চিত্রের পদ্ধতিগুলো কম সময়ে অধিক ফসল উৎপাদনে ভূমিকা রাখতে পারে।
ফসলের পানির চাহিদা পূরণ ও ফলন বৃদ্ধির জন্য কৃত্রিমভাবে পানি সেচ দেওয়া হয়।
সেচের পানির কার্যকারিতা বৃদ্ধির একটি প্রযুক্তি হচ্ছে উপযুক্ত পদ্ধতিতে সেচ প্রদান। যেমন- বৃত্তাকার সেচ পদ্ধতিতে বহুবর্ষজীরী ফলগাছের সমস্ত জমিতে সেচ না দিয়ে যে স্থানে গাছ রয়েছে শুধু সেখানেই পানি সরবরাহ করা হয়। এতে পানি নিয়ন্ত্রণ সহজ ও পানির অপচয় কম হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
