রতন রংপুরে তার মামার বাড়িতে বেড়াতে গেলে মামা তাকে উপজেলা সদরে মেলা দেখতে নিয়ে যায়। সেখানে সে বিভিন্ন ধরনের বাহারি গাছ ও ক্যাকটাস দেখল। যখন আমের চারার স্টলে গেল, সে দেখল ছোট ছোট গাছে অনেক আম ধরে আছে। তার মামা মেলা থেকে কয়েক প্রজাতির গাছ কিনলেন এবং বাড়িতে এসে রোপণ করলেন। এসব দেখে রতন লেখাপড়ার পাশাপাশি নার্সারি করার সিদ্ধান্ত নিল।

Updated: 1 year ago
উত্তরঃ

গাছ পরিপূর্ণ হওয়ার পর গাছকে সুস্থ, সবল ও স্বাভাবিক রাখা এবং উৎপাদনক্ষমতা বাড়ানোর জন্য গাছের কোনো অংশ, যেমন- কান্ড, শাখা, পাতা, ফুল, ফল ইত্যাদি কেটে অপসারণ করাই হলো প্রুনিং।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
উত্তরঃ

কৃষিকাজের যাবতীয় ব্যয় নির্বাহের জন্য কৃষকরা বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক ও অপ্রাতিষ্ঠানিক উৎস থেকে যে ঋণ গ্রহণ করে তাই কৃষি ঋণ। কৃষি ক্ষেত্রে বিভিন্ন উপকরণ ক্রয়, ভূমিতে স্থায়ী উন্নতি সাধন, গুদামঘর নির্মাণ এবং উৎপাদিত পণ্যের সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াকরণ, পরিবহন, বাজারজাতকরণ ইত্যাদি কাজের জন্য কৃষকদের কৃষি ঋণের প্রয়োজন হয়। বিশেষ করে বাংলাদেশে কৃষকদের আর্থিক অবস্থার উন্নতির জন্য কৃষির আধুনিকায়ন দরকার। আর এ আধুনিকায়নে প্রচুর মূলধনের প্রয়োজন হয়। একারণে দরিদ্র কৃষককে অনেক সময় কৃষিঋণ গ্রহণ করতে হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
উত্তরঃ

রতনকে তার মামা বৃক্ষ মেলা দেখতে নিয়ে যায়। বৃক্ষ মেলার অনেক বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এর মধ্যে প্রধান প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো হলো-

i. সাধারণত রোপণ মৌসুমেই এ মেলা অনুষ্ঠিত হয়। 

ii. মেলা আকর্ষণীয় করা হয় যাতে অনেক লোকের সমাগম হয়। 

iii. মেলায় প্রদর্শিত পণ্যে ইনসেনটিভ বা মূল্যছাড় দেওয়া হয়। 

iv. মেলায় পণ্য ব্যবহারের পদ্ধতি হাতে কলমে বুঝিয়ে দেওয়া হয়। 

V. মেলায় বিশেষজ্ঞ সেবা বা মতামত পাওয়া যায়। 

vi. মেলায় উপযুক্ত মূল্যে পণ্য বিক্রয় করা যায়।

এছাড়াও বৃক্ষ মেলায় কৃষি ও বন সম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত সরবরাহ করা হয় এবং চাহিদা মোতাবেক পরামর্শ প্রদান করা হয় বলে এ ধরনের মেলা থেকে জনসাধারণ উপকৃত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
উত্তরঃ

রতন তার মামার সাথে উপজেলা সদরে বৃক্ষমেলা দেখতে যায়। সেখানে গিয়ে সে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী সম্পর্কে জানতে পারল এবং লেখাপড়ার পাশাপাশি নার্সারি করার সিদ্ধান্ত নিল।

বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য বৃক্ষমেলার গুরুত্ব অনেক বেশি। কৃষি ও বনায়ন ব্যবস্থায় আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার মাত্র ২৫-৩৫%। মেলার মাধ্যমে নতুন উদ্ভাবিত প্রযুক্তিসমূহের সুফল দেশের আপামর জনসাধারণের কাছে পৌছায়। বৃক্ষমেলার মাধ্যমে জনগণ একদিকে যেমন বৃক্ষরোপণ সংক্রান্ত তথ্যাদি জানতে পারে, অপরদিকে নিজের বসত বাড়ির আঙিনা, পতিত জমিতে বৃক্ষ রোপণের ব্যাপারে উৎসাহী হয়ে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হয়। মেলায় বন বিভাগের কর্মকর্তা ও প্রযুক্তিবিদদের সাথে কৃষক ও সাধারণ মানুষের জনসংযোগ বৃদ্ধি পাওয়ায় বনায়নে তাদের আগ্রহ সৃষ্টি হয়। রতনেরও এভাবে নার্সারি করার প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি হয়। নতুন নার্সারিতে মাদার ট্রি তৈরি করার জন্য জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ে বৃক্ষমেলার মাধ্যমে অনেক লোকের কর্মসংস্থান হয়। বনায়নে একজনের দেখাদেখি অন্যরাও উৎসাহিত হয়।

অতএব, উল্লিখিত বৃক্ষমেলার উপকারিতা অপরিসীম যা গণসচেতনতা এবং আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
244

Related Question

View All
উত্তরঃ

বন বলতে সাধারণভাবে বিস্তৃত এলাকা জুড়ে বৃহদাকার গাছপালা দ্বারা আচ্ছাদিত স্থানকে বোঝায়, যেখানে বন্য পশুপাখি, কীটপতঙ্গ ও অন্যান্য জীব প্রাকৃতিকভাবে বসবাস করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
760
উত্তরঃ

বিভিন্ন প্রকার উদ্ভিদ, প্রাণী ও অণুজীবের সক্রিয় উপস্থিতি, বিস্তৃতি ও পারস্পরিক প্রাকৃতিক সুষম সহাবস্থাকে জীববৈচিত্র্য বলে। জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে বন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

গাছ ও প্রাণীর জন্মস্থান, বাসস্থান ও বংশ বিস্তারের স্থান হলো বন। বন জীবের খাদ্যশৃঙ্খল রক্ষা করে। খাদ্যশৃঙ্খলে বিঘ্ন ঘটলে খাদ্য উৎপাদন হ্রাস পাবে। আবার বনাঞ্চলে জীববৈচিত্র্যের ভারসাম্য বিঘ্নিত হলে বন্যপ্রাণী আবাস এলাকায় চলে আসবে। ভবিষ্যতের জৈবিক উৎপাদনশীলতা রক্ষার্থে বন্য জীবের গুরুত্ব অনেক বেশি। বন আছে বলেই বিভিন্ন প্রজাতির উদ্ভিদ, পশুপাখি, কীট-পতঙ্গ ও অণুজীব রয়েছে। বন না থাকলে এসব জীববৈচিত্র্য ধ্বংস হয়ে যেত।

 

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
1.6k
উত্তরঃ

খোকনের দেখা প্রথমোক্ত বনটি হলো ম্যানগ্রোভ বন বা উপকূলীয় বন। এ বনের বৈশিষ্ট্যগুলো নিচে ব্যাখ্যা করা হলো-

i. ম্যানগ্রোভ বনের নিম্নভূমি জোয়ার-ভাটা দ্বারা দৈনিক দুইবার প্লাবিত হয়। 

ii. এ বনাঞ্চলে বৃক্ষসমূহের জরায়ুজ অঙ্কুরোদগম হয় এবং শ্বাসমূল থাকে। 

iii. এ বনাঞ্চল নদ-নদী, খাল-বিল দ্বারা পরস্পর বিচ্ছিন্ন থাকে। 

iv. ম্যানগ্রোভ বনের মাটি সর্বদা লোনা পানিতে ভেজা থাকে বলে বৃক্ষসমূহ চিরহরিৎ। 

V. এ বনের প্রধান বৃক্ষ হলো সুন্দরি, যার জন্য এ বনের নাম হয়েছে সুন্দরবন।

vi. ম্যানগ্রোভ বনের প্রধান প্রধান কাষ্ঠল বৃক্ষ হলো- সুন্দরি, গেওয়া, গরান, বাইন, কেওড়া, পশুর, ওড়া ইত্যাদি। 

vii. এ বনের অকাষ্ঠল বৃক্ষের মধ্যে গোলপাতা, হোগলা, হেতাল, কেয়া, হারগোজা, বেত, শন ইত্যাদি প্রধান। 

viii. ম্যানগ্রোভ বনের প্রাণীর মধ্যে রয়েছে বানর, কুমির, হাঙ্গর, অজগর ও বিভিন্ন প্রজাতির সাপ। 

ix. এ বনের প্রধান আকর্ষণ রয়েল বেঙ্গল টাইগার ও চিত্রা হরিণ এবং গোলপাতা।

 

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
518
উত্তরঃ

উদ্দীপকে খোকনের দেখা প্রথম বনটি হলো ম্যানগ্রোভ বন ও পরের বনটি হলো পাহাড়ি বন।

সমুদ্র উপকূলীয় এলাকার লোনা মাটিতে যে বন গড়ে উঠেছে তাকে ম্যানগ্রোভ বন বলে। অপরদিকে পাহাড়ি উঁচু এলাকায় প্রাকৃতিকভাবে জন্মানো বনকে পাহাড়ি বন বলে। ভৌগোলিক অবস্থান ও জলাবায়ুভেদে বন দুটির মধ্যে পার্থক্য দেখা যায়। যেমন-

১. পাহাড়ি বনের ভূমি উঁচু ও মাঝারি হয় কিন্তু ম্যানগ্রোভ বনের ভূমি নিচু হয়। 

২. পাহাড়ি বনের মাটি অম্লীয় (pH = ৫-৬) কিন্তু ম্যানগ্রোভ বনের মাটি ক্ষারীয় (pH = ৭.৫-৮.৫) প্রকৃতির হয়। 

৩. পাহাড়ি বনে বন্যার পানি প্রবেশ করতে পারে না, অপরদিকে ম্যানগ্রোভ বনে জোয়ার-ভাটার মাধ্যমে বন্যার পানি প্রবেশ করে এবং বেশিরভাগ এলাকা পানির নিচে ডুবে থাকে। 

৪. ম্যানগ্রোভ বনের উদ্ভিদের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এদের শ্বাসমূল থাকে, জরায়ুজ অঙ্কুরোদগম হয়, যা পাহাড়ি বনের উদ্ভিদে অনুপস্থিত। পাহাড়ি বনে আবহাওয়া উষ্ণ ও শুষ্ক হওয়ার ফলে ক্রান্তীয় চিরহরিৎ ও পর্ণমোচী জাতীয় বৃক্ষ জন্মে। 

৫. পাহাড়ি বনের প্রধান বৃক্ষ চাপালিশ, সেগুন, কড়ই, শাল ইত্যাদি। ম্যানগ্রোভ বনের প্রধান বৃক্ষ সুন্দরি, গেওয়া, বাইন, গরান, কেওড়া, পশুর ইত্যাদি। 

৬. পাহাড়ি বনের প্রধান পশু হলো হাতি, চিতাবাঘ, নেকড়ে, বন্য শূকর, কাঠবিড়ালি, বানর, সাপ, গিরগিটি ইত্যাদি। ম্যানগ্রোভ বনের প্রধান পশু হলো রয়েল বেঙ্গল টাইগার, চিত্রাহরিণ, কুমির, অজগর ইত্যাদি। 

৭. পাহাড়ি বনের প্রধান পাখি হলো বনমোরগ, ময়না, টুনটুনি, কাঠঠোকরা, ধনেশ ইত্যাদি। ম্যানগ্রোভ বনের প্রধান পাখি হলো মাছরাঙা, মদনটাক, সবুজ বক, শিকরা, সিঁদুরে সহেলী, লালপা, কানি বক ইত্যাদি।

পরিশেষে বলা যায়, পাহাড়ি ও ম্যানগ্রোভ বনের মধ্যে তুলনামূলক পার্থক্য থাকা সত্ত্বেও দু'প্রকার বনই আমাদের দেশের অর্থনীতি ও পরিবেশ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
809
উত্তরঃ

কৃষি বন হলো একটি ভূমি ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি যার মাধ্যমে একই জমিতে একই সাথে পর্যায়ক্রমিকভাবে বৃক্ষ, খাদ্য বা পশুখাদ্যের চাষাবাদের মাধ্যমে জমির সার্বিক উৎপাদন বৃদ্ধি করা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
2k
উত্তরঃ

ট্রেনিং ও প্রুনিং উভয় ক্ষেত্রেই গাছের অংশবিশেষ ছাঁটাই করা হয়। প্রুনিং-এ গাছের শাখা, পাতা, কাণ্ড, ফুল, ফল-মূল ইত্যাদি কেটে অপসারণ করা হয়।' অন্যদিকে গাছকে নির্দিষ্ট উচ্চতা, আকার-আকৃতি, সুন্দর সুগঠিত ও শক্ত কাঠামো দেওয়ার জন্য ট্রেনিং করা হয়। ট্রেনিং-এ গাছের শাখা-প্রশাখা ছাঁটাই করা হয় যা এক প্রকার প্রুনিং। প্রুনিং গাছের বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় কার্যাবলি নিয়ন্ত্রণ করে ফুল ও ফল ধারণক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়, রোগ ও পোকার আক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করে এবং গাছে বেশি আলো-বাতাস প্রবেশের ব্যবস্থা করে। ট্রেনিংয়ের ফলে ব্যবহারযোগ্য কাঠের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। তাই বলা যায়, সকল ট্রেনিং হলো প্রুনিং কিন্তু সকল প্রুনিং ট্রেনিং নয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
1.6k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews