সময়ের সাথে কোনো জীবের পরিবর্তনের ফলে যখন নতুন কোনো প্রজাতি সৃষ্টি হয় তখন তাকে জৈব বিবর্তন বলে
মেয়েদের আট বছর থেকে তেরো বছর বয়সকে বয়ঃসন্ধিকাল হিসেবে ধরা হয়। কারো কারো ক্ষেত্রে এর চেয়ে আগে বা পরে বয়ঃসন্ধিকাল শুরু হয়ে থাকে। এ সময়ে মেয়েদের শারীরিক, মানসিক ও আচরণগত পরিবর্তন দেখা যায়। বয়ঃসন্ধিকালে তাদের এ পরিবর্তন আকস্মিক মনে হলেও এটি একটি স্বাভাবিক ঘটনা।
উদ্দীপকে রতনের বয়ঃসন্ধিকাল চলছে। এ সময় তার শারীরিক পরিবর্তন গুলো দৃশ্যমান হয়ে ওঠে এবং পরিবর্তনগুলো দ্রুত হয়। এ সময় তার শারীরিক পরিবর্তনের পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের মানসিক পরিবর্তনও হয়। বয়ঃসন্ধিকালে বিভিন্ন পরিবর্তনের জন্য দায়ী হলো হরমোন।
এ সময় ছেলেদের শরীরে বিভিন্ন পরিবর্তনের জন্য যে হরমোন দায়ী তার নাম হলো টেস্টোস্টেরন। এ হরমোনের প্রভাবে অন্যদের মতো রতনের শারীরিক, মানসিক ও আচরণগত পরিবর্তন ঘটছে। ফলে রতনের গলার স্বর ভারী হয়। মুখে দাড়ি ও গোঁফ গজায়, দ্রুত দৈহিক বৃদ্ধি হয়। এতে তার শারীরিক পরিবর্তনের পাশাপাশি তার মানসিক পরিবর্তনও ঘটতে থাকে। এ সময় রতন কল্পনাপ্রবণ হয়, আবেগ দ্বারা চালিত হয়। পরিপাটিরূপে নিজেকে নিজে সাজিয়ে রাখে। ধীরে ধীরে কিশোর হতে প্রাপ্তবয়স্ক মানুষে পরিণত হওয়ার চেষ্টায় লিপ্ত হয়, আর এভাবেই রতনের শারীরিক পরিবর্তনের পাশাপাশি মানসিক পরিবর্তন ঘটতে থাকে
রত্নার বয়স ১৪ বছর। রত্নার মা রত্নার মধ্যে কিছু পরিবর্তন লক্ষ করলেন যা থেকে বোঝা যায় তার বয়ঃসন্ধিকাল চলছে।
বয়ঃসন্ধিকালে ছেলে মেয়েদের শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তন ঘটে।
হঠাৎ পরিবর্তনে তারা সবকিছু সহজভাবে গ্রহণ করতে পারে না। এ কারণে এ বয়সে ছেলেমেয়েদের জন্য বাবা মায়ের পরামর্শ ও সহযোগিতা খুব জরুরী।
রত্নার মা তার মানসিকতা বুঝে তার সাথে বন্ধুসুলভ আচরন করবেন।
তা না হলে সে নিঃসঙ্গতায় ভুগবে এবং খারাপ বন্ধুদের সাহচর্য নিতে পারে। এ বয়সে হরমোনের প্রভাবে তার বিভিন্ন শারীরিক পরিবর্তন আসবে। এ পরিবর্তনের ফলে যেন রত্না মানসিকভাবে বিচলিত না হয়ে পড়ে এবং এগুলোকে সে রোগ মনে না করে এজন্য এ বিষয়ে রত্নার সাথে তার মায়ের খোলামেলা আলোচনা করতে হবে। এ বয়সে বাবা-মা সন্তানদের সাথে বেশি বেশি সময় কাটালে এবং একসাথে বসে গল্প করলে তাদের মানসিক প্রফুল্লতা বজায় থাকবে। রত্নার ক্ষেত্রেও এটি প্রযোজ্য।
তাই রত্নার মায়ের রত্নার সাথে পরামর্শ করা সম্পূর্ণরূপে যৌক্তিক এবং অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।
Related Question
View All"জীবন্ত জীবাশ্ম" বলতে এমন কিছু জীবিত অর্গানিজম বোঝায় যাদের বিশেষ কোনো বৈশিষ্ট্যের কারণে তারা জীবাশ্মের মতো দেখায় কিন্তু তারা আসলে জীবিত। এটি সাধারণত কিছু প্রজাতির উদ্ভিদ ও প্রাণীকে নির্দেশ করে, যেমন:
মরীচিকা জীবাশ্ম (Living Fossils): কিছু জীবন্ত প্রজাতি, যেমন গিঞ্জো গাছ বা কোয়ালাক্যান্থ মাছ, যারা অনেক পুরানো জীবাশ্মগুলোর সাথে অতি সাদৃশ্যপূর্ণ, কিন্তু তারা আজও জীবিত।
বিশেষ পরিবেশে টিকে থাকা জীব: কিছু প্রজাতি যেমন সামুদ্রিক জীব বা এডাপটিভ প্রজাতি যে পরিবেশ পরিবর্তনের প্রতি খুব কম সাড়া দেয়, তারা আজও টিকে আছে এবং জীবাশ্মের মতো দেখতে পারে।
এটি একটি গবেষণার বিষয় হিসেবে অনেক গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি জীববৈচিত্র্য এবং প্রজাতির বিবর্তন সম্পর্কে মূল্যবান তথ্য সরবরাহ করে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!