রফিকুল ইসলামের মতো কৃষকদের অবস্থার উন্নয়নে গৃহীত সরকারি পদক্ষেপসমূহের যথার্থতা বিশ্লেষণ কর। (উচ্চতর দক্ষতা)

Updated: 4 months ago
উত্তরঃ

রফিকুল ইসলামের মতো কৃষকদের অবস্থার উন্নয়নে গৃহীত সরকারি পদক্ষেপসমূহের যথার্থতা নিচে বিশ্লেষণ করা হলো-
উদ্দীপকে রফিকুল ইসলাম একজন গরিব কৃষক। তিনি জমিতে টমেটো চাষ করে ন্যায্য দামে বিক্রি করা থেকে বঞ্চিত হন। মূলত কৃষিপণ্যের বিপণন সমস্যার কারণে এটি দেখা দেয়। রফিকুল ইসলামের মতো কৃষকদের অবস্থার উন্নয়নে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। সরকারের গৃহীত উক্ত পদক্ষেপসমূহ যথার্থ; কারণ গ্রামাঞ্চলে ক্রয় কেন্দ্র স্থাপন ও কোল্ড স্টোরেজ নির্মাণ করলে কৃষকরা তাদের উৎপাদিত ফসলের অতিরিক্ত যোগান দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করতে পারবে। ফলে বাজারে পণ্যের মূল্য সম্পর্কে সঠিক ধারণা লাভ করে সঠিক সময়ে পণ্য বিক্রি করতে পারবে। এছাড়া এসব ক্রয়কেন্দ্রে সরকারি এজেন্সির মাধ্যমে সরকার নির্ধারিত মূল্যে কৃষিপণ্য ক্রয় করা হয় বলে কৃষকের ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে। এরূপ ক্রয়কেন্দ্র পল্লী অঞ্চলের সর্বত্র নির্মাণ করা হলে গ্রামের কৃষকরা তাদের উৎপাদিত ফসল ন্যায্য দামে বিক্রি করতে পারবে। এতে করে কৃষকের ন্যায্য মূল্যপ্রাপ্তি নিশ্চিত হবে। আবার ভূমিহীন দরিদ্র কৃষকদের জন্য সরকার যদি বিনাসুদে ঋণদানের ব্যবস্থা করে তাহলে সে ঋণের টাকা দিয়ে তারা 'তাদের উপস্থিত প্রয়োজন মেটাতে পারবে এবং ভবিষ্যতে অধিক দামে পণ্য বিক্রির আশায় তা সংরক্ষণ করে রাখতে পারবে। ফলে ন্যায্য মূল্যপ্রাপ্তি নিশ্চিত হবে।
উপরের আলোচনা থেকে প্রতীয়মান হয় যে, উদ্দীপকে উক্ত পদক্ষেপসমূহ সরকার বাস্তবায়ন করতে পারলে রফিকুল ইসলামের মতো কৃষকদের অবস্থার উন্নয়ন হবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
25

Related Question

View All
উত্তরঃ

সেচ হলো কৃত্রিমভাবে কৃষিজমিতে পানি দেওয়ার ব্যবস্থা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
127
উত্তরঃ

বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ। এ দেশের মোট শ্রমশক্তির ৪৫.১% কৃষি খাতে নিয়োজিত। কিন্তু এ দেশের অধিকাংশ কৃষক ভূমিহীন ও দরিদ্র। ফলে কৃষিকাজের সরঞ্জাম ক্রয়ের জন্য ঋণ গ্রহণ করতে হয়। তাই কৃষকরা বিভিন্ন উৎস থেকে কৃষিঋণ গ্রহণ করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
125
উত্তরঃ

উদ্দীপকের ঘটনা অনুসারে আব্দুল করিম কৃষিপণ্যের বিপণন বা বাজারজাতকরণের সাথে জড়িত। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো-উৎপাদিত ফসল ভোক্তার নিকট তথা ক্রেতার নিকট পৌঁছে দেওয়ার যাবতীয় কার্যক্রম বা প্রক্রিয়াকে কৃষিপণ্যের বিপণন বা বাজারজাতকরণ বলে। এ ধরনের পেশার লোকদের দালাল বা ফড়িয়া বলে। বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে ক্রেতা বা ভোক্তার চাহিদামতো কৃষিপণ্য উৎপাদন করা বাজারজাতকরণের প্রথম ধাপ। বিপুল কৃষিপণ্য একসাথে বিক্রি করা যায় না। ফলে কৃষিপণ্য গুদামজাত ও সংরক্ষণ করতে হয়। বিক্রির উদ্দেশ্যে কৃষিপণ্য এক স্থান থেকে অন্য স্থানে পৌছানোর জন্য পরিবহনের প্রয়োজন হয়। ক্ষেত থেকে ফসল ক্রয় করা, গুদামজাতকরণ, পরিবহন ইত্যাদির জন্য বিপণনের কাজে ব্যবসায়ী/কৃষকের অর্থের যোগান থাকতে হয়। অতঃপর উক্ত কৃষিপণ্যসমূহ বাজারে বিক্রয় করতে হয়। আব্দুল করিমও ফসলের মৌসুমে কৃষকদের অগ্রিম টাকা দিয়ে রাখেন তাদের ফসল কেনার জন্য। কৃষকদের থেকে সংগৃহীত ফসল তিনি শহরের বাজারে সরবরাহ করেন। এই মধ্যপন্থী কার্যক্রম, অর্থাৎ বাজারজাতকরণের মাধ্যমে আয় করে তার সংসার চালান।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
99
উত্তরঃ

হ্যাঁ, আমি মনে করি, বাজারজাতকরণ বা বিপণন পেশা আমাদের দেশে প্রয়োজনীয়। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো-
বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ হলেও এ দেশের অধিকাংশ কৃষক অশিক্ষিত। তারা অনেক পরিশ্রম করে শস্য ফলায়। তাদের উৎপাদিত ফসল বাজারে বিক্রি করলে ভালো দাম পায় না। তাই তারা দালাল বা ফড়িয়াদের কাছে সাধারণ দামের চেয়ে একটু বেশি দামে তাদের উৎপাদিত ফসল বিক্রির চেষ্টা করে। দালাল বা ফড়িয়ারা ওই ফসল শহরে আরও বেশি দামে বিক্রি করে। এতে তারা নিজেরাও লাভবান হয়, আবার কৃষকরাও সাধারণের থেকে একটু বেশি লাভবান হয়। এই দালাল বা ফড়িয়াদের মাধ্যমে বাংলাদেশের গ্রাম থেকে গঞ্জে এবং গঞ্জ থেকে শহরে বিভিন্ন ধরনের কৃষিপণ্য ভোক্তার কাছে আসে। বাংলাদেশের বিভিন্ন পণ্য বিদেশে রপ্তানি করার কাজেও এ ধরনের দালাল বা ফড়িয়াদের অবদান রয়েছে। আমাদের দেশে এই ধরনের দালাল ও ফড়িয়ারা আছে বলেই কৃষকরা তাদের উৎপাদিত পণ্য সঠিক সময়ে বিক্রি করতে পারছে। তবে বর্তমানে কিছু ভুয়া দালাল ও ফড়িয়া কৃষকদের ঠকিয়ে তাদের কষ্টে উৎপাদিত পণ্য আত্মসাৎ করছে। যার ফলে সরকার ওই দালাল ও ফড়িয়াদের দূর করতে নিজেরাই কৃষকদের কাছ থেকে ধান/চাল কিনছে। কিন্তু এ দেশে কৃষিপণ্য বাজারজাতকরণে দালাল ও ফড়িয়ার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। তাই আমি মনে করি, আমাদের দেশে এ ধরনের পেশা প্রয়োজন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
119
উত্তরঃ

একজন কৃষক ফসল ফলানোর জন্য যে জমি ব্যবহার করে থাকে তা-ই কৃষি খামার।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
116
উত্তরঃ

কৃষি খামারে একটি মাত্র ফসলের পরিবর্তে একাধিক ফসল উৎপাদন করাকে বলা হয় শস্য বহুমুখীকরণ। এ ক্ষেত্রে একই জমিতে বছরের নানা সময়ে বিভিন্ন ফসল উৎপাদন করা হয়। ১৯৯০-এর দশকে বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা খরচ কমানোর উদ্দেশ্যে বাংলাদেশের সরকার শস্য বহুমুখীকরণ কর্মসূচি গ্রহণ করে

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
130
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews