রফিকুল ইসলাম নিয়মিত সালাত আদায় করেন, রমজান মাসের রোজা পালন করেন এবং সব ধরনের সৎগুণের চর্চা করেন। পক্ষান্তরে তার বন্ধু আতিয়ার রহমান সালাত আদায় করলেও অফিসে ফাইল আটকিয়ে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করেন, আমানতের খিয়ানত করেন। রফিক সাহেব তার সহকর্মী আতিয়ার সাহেবকে ব্যক্তিজীবনে তাকওয়া অবলম্বনের পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, মানব চরিত্রে তাকওয়ার গুরুত্ব অপরিসীম।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

বাস্তব বা প্রকৃত ঘটনা যথাযথভাবে প্রকাশ করাকে সত্যবাদিতা বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

সত্যবাদিতা হলো তাকওয়ার অন্যতম একটি গুণ। তাকওয়া থেকেই সত্যবাদিতা উৎসারিত হয়। আল্লাহ বলেন, “হে ইমানদারগণ। তোমরা আল্লাহকে ভয় করো ও সঠিক কথা বলো" (সুরা আহযাব-৭০)।

যে ব্যক্তির মধ্যে আল্লাহভীতি জাগরুক থাকে সে কখনো কোনো কারণে মিথ্যার আশ্রয় নিতে পারে না। তাই বলা যায়, সত্যবাদিতা তাকওয়া থেকেই উৎসারিত।

 

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

আতিয়ার রহমানকে এমতাবস্থায় তাকওয়া অবলম্বন করতে হবে। ইসলামি শরিয়তের অন্যতম হারাম বিষয় হলো ঘুষ ও আমানতের খিয়ানত করা। এর পরিণতি অত্যন্ত ভয়াবহ। একজন খোদাভীরু মানুষ ঘুষ গ্রহণ বা আমানতের খিয়ানত করতে পারে না। কেননা সে আল্লাহকে ভয় করে। কুরআনের বাণী- "হে মুমিনগণ তোমরা আল্লাকে ভয় করো" (সুরা আলে ইমরান-১০২)। আতিয়ার রহমান ফাইল আটকিয়ে ঘুষ গ্রহণ করেন। আর এটা জঘন্য অন্যায়। রাসুল (স) বলেন, "হারাম উপার্জনের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করলে ইবাদত কবুল হয় না" (বায়হাকি)। এছাড়া আমানতের খিয়ানতকারীকে মুনাফিক বলা হয়। আল্লাহর বাণী- "মুনাফিকরা জাহান্নামের নিম্নতম স্তরে থাকবে” (সুরা আন নিসা- ১৪৫)। সুতরাং আতিয়ার রহমানকে এরূপ পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পেতে হলে তাকওয়া অবলম্বন করতে হবে।

 

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

রফিকুল ইসলাম তার বন্ধুকে পাপ-কাজ থেকে বিরত থাকার জন্য তাকওয়া অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছেন তা যৌক্তিক। তাকওয়া মানব চরিত্রের সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্বভাব। তাকওয়ার মাধ্যমে মানুষ সম্মান, মর্যাদা ও সফলতা লাভ করে। মানবজীবনে তাকওয়ার গুরুত্ব অত্যধিক।

আল্লাহকে যথাযথভাবে ভয় না করলে ইমানের পরিপূর্ণতা আসে না। আল্লাহর ঘোষণা- "হে মুমিনগণ তোমরা আল্লাহকে যথাযথভাবে ভয় করো"। (সুরা আলে ইমরান-১০২) আল্লাহর নিকট তাকওয়াই হচ্ছে শ্রেষ্ঠত্ব ও মর্যাদা লাভের মাপকাঠি। আল্লাহ বলেন- ক তোমাদের মধ্যে সেই বেশি মর্যাদাবান, যার মধ্যে অধিক তাকওয়া রয়েছে (সুরা হুজুরাত: ১৩)।

উদ্দীপকের আতিয়ার রহমান সালাত আদায় করলেও অফিসে ফাইল আটকিয়ে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করেন, আমানতের খিয়ানত করেন। এ প্রেক্ষিতে তার সহকারী রফিক সাহেব তাকে ব্যক্তিজীবনে তাকওয়া অবলম্বনের পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, মানব চরিত্রে তাকওয়ার গুরুত্ব অপরিসীম। আমি তার এ বক্তব্যকে যথার্থ মনে করি। কেননা তাকওয়াবান মানুষ নিশ্চিতভাবে জান্নাত লাভ করবে। আল্লাহ বলেন, "নিশ্চয়ই মুত্তাকি বান্দাদের জন্য রয়েছে অতি উত্তম আবাসন চিরস্থায়ী জান্নাত” (সুরা ছোয়াদ-৪৯)। সমাজে ন্যায়বিচার ও ন্যায়নীতি প্রতিষ্ঠার জন্য তাকওয়ার বিকল্প নেই। 

সুতরাং রফিকুল ইসলামের পরামর্শ অত্যন্ত যৌক্তিক।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
137
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

ইসলামি শরিয়ত নির্দেশিত বৈধ উপায়ে উপার্জন করাকে হালাল উপার্জন বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
320
উত্তরঃ

পারস্পরিক সাক্ষাতে সালাম বিনিময় করা ইসলামি সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। সালাম অর্থ শান্তি। ইসলামি সংস্কৃতির রীতি অনুযায়ী এক মুসলমানের সঙ্গে অন্য মুসলমানের দেখা হলে প্রথমে সালাম বিনিময় করে। এর মাধ্যমে অন্যের শান্তি তথা কল্যাণ কামনা করা হয়। সালাম দেওয়া সুন্নত এবং সালামের উত্তর দেওয়া ওয়াজিব। কেউ সালামের উত্তর না দিলে ইসলামের বিধান অনুযায়ী সে গুনাহগার হবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
380
উত্তরঃ

আবদুল বাতেন তার ছেলেকে আল্লাহর ইবাদতের নিয়ম- পদ্ধতি ও হালাল-হারামের বিধান শেখার জন্য ইসলাম শিক্ষা অধ্যয়ন করতে বলেছেন। যে শিক্ষাব্যবস্থায় ইসলামকে একটি পরিপূর্ণ জীবনব্যবস্থা হিসেবে শিক্ষা দেওয়া হয় তাকে ইসলাম শিক্ষা বলে। এটি কুরআন ও সুন্নাহভিত্তিক একটি আদর্শ শিক্ষাব্যবস্থা। আল্লাহর দীন প্রতিষ্ঠা, হালাল উপার্জন ও কর্মমুখী জীবন গঠন, দুনিয়ার কল্যাণ ও আখিরাতে মুক্তিলাভ প্রভৃতি ইসলাম শিক্ষার উদ্দেশ্য। আবদুল বাতেন তার ছেলেকে এ বিষয়টি অধ্যয়ন করতে বলেছেন।

উদ্দীপকের আবদুল বাতেন তার একমাত্র ছেলেকে আল্লাহর ইবাদতের নিয়ম-পদ্ধতি ও হালাল-হারামের বিধান শেখানোর জন্য একটি বিশেষ বিষয় অধ্যয়ন করতে বলেন। তিনি এখানে ইসলাম শিক্ষার প্রতি ইঙ্গিত করেছেন। ইসলামকে সঠিকভাবে জানা এবং তা মানার মাধ্যমে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করাই ইসলাম শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য। ইসলামের বিধিবিধান এবং আল্লাহর ইবাদতের পদ্ধতি শেখানো, জীবনের সবক্ষেত্রে ন্যায়নীতি প্রতিষ্ঠা করা এবং ব্যক্তির চারিত্রিক উৎকর্ষ সাধন ইসলাম শিক্ষার অন্যতম উদ্দেশ্য। ইসলাম শিক্ষা মানুষকে সত্য ও ন্যায়ের পথ প্রদর্শন করে এবং অন্যায় ও অসত্য থেকে দূরে রাখে। আল্লাহর সাথে সুসম্পর্ক স্থাপন এবং মানুষের শ্রেষ্ঠত্ব সংরক্ষণ করাও ইসলাম শিক্ষার অন্যতম উদ্দেশ্য।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
301
উত্তরঃ

দৈনন্দিন জীবনে আবদুল বাতেন হালাল-হারামের বিধান মেনে চলেন। ইসলামি শরিয়তে যেসব বিষয়ের অনুমতি রয়েছে এবং যা সম্পর্কে কোনো নিষেধ বাণী নেই তাকে হালাল বা বৈধ বলে। আর শরিয়তে যেসব বিষয় নিষেধ করা হয়েছে তা হারাম বা অবৈধ। জীবনের সবক্ষেত্রে হালাল জিনিস গ্রহণ ও হারাম জিনিস বর্জন করা ইসলামের বিধান। আবদুল বাতেন দৈনন্দিন জীবনে এ বিধানটি মেনে চলার চেষ্টা করেন।

উদ্দীপকে উল্লেখ করা হয়েছে, জনাব আবদুল বাতেন জীবনযাপনের ক্ষেত্রে হালাল-হারামের বিধান মেনে চলার চেষ্টা করেন। তিনি হালাল পথে উপার্জন করেন। হালাল জিনিস গ্রহণ ও হারাম জিনিস বর্জন করেন। ইসলামি জীবনব্যবস্থায় এ বিধানটি মেনে চলার গুরুত্ব অপরিসীম। হালাল উপার্জন একটি গুরুত্বপূর্ণ ফরজ ইবাদত। এটি ইবাদত কবুলের প্রধান পূর্বশর্ত। মানুষ যদি হালাল উপার্জন করে এবং হালাল জীবিকা গ্রহণ করে, তাহলে তার ইবাদত আল্লাহর কাছে কবুল হবে। আর যদি হারাম উপায়ে উপার্জন ও হারাম জীবিকা গ্রহণ করে, তাহলে তার ইবাদত আল্লাহর কাছে কবুল হবে না। হালাল জিনিস গ্রহণ ও হারাম জিনিস বর্জন করা একজন মুমিনের জন্য অত্যাবশ্যক। হালাল- হারামের বিধান মেনে চলার মাধ্যমে আল্লাহ তায়ালার নির্দেশ পালন করা হয়। হালাল উপার্জনকারীর ওপর আল্লাহ সন্তুষ্ট হন আর হারাম উপার্জনকারীর প্রতি অসন্তুষ্ট হন। হারাম বা অবৈধ জিনিস প্রহণের পরিণতি অত্যন্ত ভয়াবহ। এর জন্য পরকালে কঠোর শাস্তি পেতে হবে।

উপরের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টি অর্জন ও ইবাদত কবুলের জন্য ইসলামি শরিয়তের আলোকে হালাল-হারামের বিধান মেনে চলা মুসলিমদের জন্য অত্যাবশ্যক।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
236
উত্তরঃ

হাক্কুল্লাহ বলতে আল্লাহর প্রতি মানুষের কর্তব্যকে বোঝায়। আল্লাহ তায়ালা মানুষকে সৃষ্টি করেছেন তার ইবাদতের জন্য। আল্লাহর প্রতি মানুষের কর্তব্য পালনের মানে হচ্ছে যথাযথভাবে তার ইবাদত করা। জীবনের সবক্ষেত্রে তার আদেশ-নিষেধ মেনে চলা। যেকোনো অবস্থায় আল্লাহর কাছে নিজেকে সমর্পণ করা এবং তার অনুগ্রহ প্রার্থনা করা। তার নেয়ামতের শোকর করা এবং সুখে-দুঃখে তার ওপর ভরসা করা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
567
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews