রফিকুল ছুটির দিনে টিভিতে বিতর্ক অনুষ্ঠান দেখছিল। বিতর্কের বিষয়টি ছিল যুক্তিবিদ্যার অনুমান সম্পর্কিত। বিতর্কের বিষয়টি তার পাঠ্যসূচির অন্তগর্ত, বিধায় সে আরও মনোযোগ দিয়ে টিভির সামনে বসল। বিতর্কের এক পর্যায়ে 'A', দল, বলল, সাধারণ লোকের কাছে বহুকারণবাদ গ্রহণযোগ্য। তখন 'B' দল বলল, বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে এ মতবাদটি একেবারেই অর্থহীন। তারপর 'A' দল বলল যুক্তিবিদ্যায়ও এমন কিছু পদ্ধতি আছে যেগুলোর মাধ্যমে অনুমানগুলোকে সম্পূর্ণভাবে যাচাই-বাছাই করা যায়। তখন 'B' দলও এ কথাটিকে সমর্থন করল।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

যার দ্বারা কোনো ঘটনা ঘটে তাকে 'কারণ' বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

কারণ ও শর্তের মধ্যে পাঁচটি পার্থক্য হলো- 

১. কারণকে লৌকিক, বৈজ্ঞানিক ও শক্তির অবিনশ্বরতার দিক থেকে বিচার করা যায়। কিন্তু শর্তকে কেবল বস্তুর অবিনশ্বরতার দিক থেকে বিচার করা যায়। 

২. কারণ নির্ণয়ের জন্য শর্ত অপরিহার্য। কিন্তু শর্ত নির্ণয়ের জন্য কারণ অপরিহার্য নয়। 

৩. যেকোনো কারণকে শর্ত হিসেবে বিবেচনা করা যায়। পক্ষান্তরে, যেকোনো শর্তকে সমগ্র কারণ হিসেবে বিবেচনা করা যায় না। 

৪. পরিমাণগত দিক থেকে কারণ কার্যের সমান, কিন্তু পরিমাণগত দিক থেকে কোনো একক শর্ত কার্যের সমান নয়। 

৫. একটা কার্যের একটা কারণ থাকতে পারে। অথচ একটা কার্য সংঘটনে একাধিক শর্ত থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বিতর্ক প্রতিযোগিতার মাধ্যমে রফিকুল এখানে নানাভাবে উপকৃত হতে পারে। কারণ উদ্দীপকে বলা হয়েছে বিতর্কের বিষয়টি হলো অনুমান সম্পর্কিত। আর এই বিষয়টি রফিকুলের পাঠ্যসূচিব অন্তর্গত বিধায় এই বিতর্ক প্রতিযোগিতাটি অনুমান সম্পর্কে একটি সুস্পষ্ট ধারণা পেতে তাকে সাহায্য করবে। উদ্দীপকে আরও লক্ষ করা যায় যে, এখানে A দল ও B দল বহুকারণবাদের পক্ষ-বিপক্ষ নিয়ে বিতর্ক করছে। সেখান থেকে রফিকুল বহু কারণবাদ কীভাবে গ্রহণযোগ্য আর কীভাবে গ্রহণযোগ্য নয় সে সম্পর্কে ধারণা নিতে পারবে। এছাড়াও A দল এখানে অনুমানের আরও কিছু পদ্ধতির কথা বলেছেন যেগুলোর সাহায্যে অনুমানকে যাচাই-বাছাই করা যায়। সুতরাং রফিকুল এখানে অনুমান, বহুকারণবাদ, অনুমান এর যাচাই যোগ্যতা প্রভৃতি বিষয় সম্পর্কে জ্ঞান লাভে উপকৃত হতে পারবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে A দলের শেষোক্ত আলোচনায় যে পদ্ধতিগুলোর ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে তাহলো-নিরীক্ষণ ও পরীক্ষণ পদ্ধতি। এ দুটি পদ্ধতি অনুমানের যাচাই-বাছাই করণের ক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। নিরীক্ষণ হলো, যখন কোনো বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়ে প্রাকৃতিক অবস্থাসমূহকে সুনিয়ন্ত্রিতভাবে প্রত্যক্ষ করা হয় তখন তাকে বলে নিরীক্ষণ। পক্ষান্তরে, কোনো বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়ে পূর্বপরিকল্পিত অবস্থাবলির ভিত্তিতে যখন গবেষণাগারে যন্ত্রপাতির সাহায্যে কৃত্রিম সৃষ্ট ঘটনাসমূহকে নিরীক্ষণ করা হয় তখন তাকে বলে পরীক্ষণ। নিরীক্ষণ ও পরীক্ষণের মধ্যে কিছু পার্থক্য ও সাদৃশ্য থাকা সত্ত্বেও দুটি পদ্ধতিই অনুমানের বস্তুগত সত্যতা যাচাই-এর ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখে। কিন্তু আরোহের বস্তুগত সত্যতা নির্ণয় করতে গিয়ে নিরীক্ষণ ও পরীক্ষণ সর্বক্ষেত্রে সমানভাবে কার্যকরী বা 'উপযোগী হয় না। হয়তো এক সময় দেখা যায়, নিরীক্ষণের এমন একটা সুবিধা রয়েছে যা পরীক্ষণে নেই, অর্থাৎ ওই বিশেষ অবস্থাটা পরীক্ষণ করা সম্ব না হলেও নিরীক্ষণ করা সম্ভব হয়। আবার এমন সব ক্ষেত্র আছে যেখানে নিরীক্ষণ যথার্থভাবে আরোহের বস্তুগত উপাদান সরবরাহ করতে ব্যর্থ হলেও পরীক্ষণেই কাজটা সমাধান করতে পারে। কাজেই উভয় ক্ষেত্রে এদের নিজেদের নিজস্ব কিছু সুবিধাজনক বৈশিষ্ট্য লক্ষ করা যায়। আর এ অবস্থাটাকেই নিরীক্ষণের' ও পরীক্ষণের আপেক্ষিক বা পারস্পরিক সুবিধা বলে অভিহিত করা যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
128
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

কোনো কার্যকে ঘটানোর জন্য যে সকল পূর্ববর্তী ঘটনার প্রয়োজন হয় তাদের সমষ্টিকে 'কারণ' বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.3k
উত্তরঃ

কোনো বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়ে প্রাকৃতিক পরিবেশে কোনো ঘটনাকে, সুনিয়ন্ত্রিতভাবে প্রত্যক্ষণ করাই হলো 'নিরীক্ষণ'। আর কোনো বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়ে গবেষণাগারে যন্ত্রপাতির সাহায্যে উৎপাদিত ঘটনাবলির সুনিয়ন্ত্রিত প্রত্যক্ষণ হলো পরীক্ষণ। পরীক্ষণ এক ধরনের নিরীক্ষণ। পৃথিবীতে অনেক ঘটনা রয়েছে, যেগুলো আমাদের নিয়ন্ত্রণে নয়, যেমন- ভূমিকম্প, অগ্ন্যুৎপাত ইত্যাদি। এগুলো নিরীক্ষণ ব্যতীত পরীক্ষণ করা। যায় না। পরীক্ষণের ক্ষেত্র কেবল গবেষণাগারে কিন্তু নিরীক্ষণের ক্ষেত্র সর্বত্র। এজন্য নিরীক্ষণের ব্যাপকতা পরীক্ষণ থেকে বেশি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
289
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বাঁশঝাড় সম্পর্কে ইকবালের ভাবনা ব্যক্তিগত ভ্রান্ত নিরীক্ষণের দিকটি নির্দেশ করা হয়েছে। নিরীক্ষণের মাধ্যমে আমরা অভিজ্ঞতার জগতের নানা বিষয় সম্পর্কে ধারণা লাভ করি। অর্থাৎ বিশেষ উদ্দেশ্যে প্রাকৃতিক পরিবেশে কোনো ঘটনাকে সুনিয়ন্ত্রিত প্রত্যক্ষণ হলো নিরীক্ষণ। নিরীক্ষণ সব সময় অ-ভ্রান্ত হয় না, ভ্রান্ত নিরীক্ষণও হয়। ভ্রান্ত নিরীক্ষণ বা নিরীক্ষণ জাতীয় অনুপপত্তিকে দুভাগে ভাগ করা হয়। ১. সদর্থক জাতীয় অনুপপত্তি, ২. নঞর্থক জাতীয় অনুপপত্তি। সদর্থক জাতীয় অনুপপত্তি হলো ভ্রান্ত নিরীক্ষণ। এটি দুই ধরনের- ১. ব্যক্তিগত, ২. সর্বজনীন ভ্রান্ত নিরীক্ষণ। বাঁশঝাড় সম্পর্কে ইকবালের ভাবনা ব্যক্তিগত ভ্রান্ত নিরীক্ষণ। কারণ ভ্রান্ত নিরীক্ষণ হলো তাই যা- যখন কোনো বস্তু যেরূপ তাকে সেভাবে না দেখে ভিন্নরূপে দেখা। ইকবাল বাঁশঝাড়কে বাঁশঝাড়রূপে না দেখে ভিন্নরূপ ভূত বলে মনে করে চিৎকার করে। এটি ব্যক্তিগত কারণ নিরীক্ষণে কেবল ব্যক্তিবিশেষের বেলায় প্রযোজ্য দেখা যাচ্ছে যে দুজন একসঙ্গে যাচ্ছেলো কিন্তু ইকবাল 'ভূত' বলে চিৎকার করলেও তামিম সে ভুল করেনি। অর্থাৎ ইকবালের সে ভ্রান্ত ধারণা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
205
উত্তরঃ

উদ্দীপকে তামিম এবং ইকবাল দুজনেই ভ্রান্ত ধারণা বা ভ্রান্ত নিরীক্ষণের শিকার। তামিমের ভ্রান্ত নিরীক্ষণ ছিল সর্বজনীন ভ্রান্ত নিরীক্ষণ এবং ইকবালের যে ভ্রান্ত নিরীক্ষণ ছিল তা হলো ব্যক্তিগত ভ্রান্ত নিরীক্ষণ।

নিরীক্ষণ হলো- যা কিছু আমরা প্রত্যক্ষ করি এবং যা কিছুকে আমরা মনের সম্মুখে রাখি। নিরীক্ষণজনিত ভুল হলো ভ্রান্ত নিরীক্ষণ। কোনো বস্তু বা ঘটনাকে যেভাবে দেখার কথা সেভাবে না দেখে ভিন্নভাবে বা ভুলভাবে দেখা হলো ভ্রান্ত নিরীক্ষণ। ইকবাল অন্ধকারে বাঁশঝাড় দেখে ভয়ে চিৎকার করে উঠে ভূত ভূত বলে। আসলে সেটি ভূত যে নয়, সেটি বাঁশঝাড় ছিল। তামিম, ইকবালকে সেটাই দেখালো এবং তাঁর ভুল ভাঙালো। ইকবালের এই ভ্রান্ত ধারণা ছিল ব্যক্তিগত। দুজন একসঙ্গে থেকেও ইকবাল বাঁশঝাড়কে ভূত মনে করলেও তামিম তা করেনি। সুতরাং ইকবালের বাঁশঝাড় সম্পর্কে যে ভুল ছিল তা হলো ব্যক্তিগত ভ্রান্ত নিরীক্ষণ। তামিম, ইকবালের ব্যক্তিগত ভুল ভাঙালো কিন্তু সে যে ভুল করলো সেটা হলো সর্বজনীন ভুল। যে ভ্রান্ত নিরীক্ষণ কেবল ব্যক্তিবিশেষের বেলায় নয় বরং সকল ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য সেটা মূলত সর্বজনীন ভ্রান্ত নিরীক্ষণ। উদ্দীপকে তামিমের মতো প্রায় সবাই বলে যে সূর্য পশ্চিম আকাশে হেলে পড়ে যার ফলে সন্ধ্যা হয়। সূর্য কখনো পশ্চিম আকাশে হেলে পড়ে না বরং পৃথিবী যেহেতু সূর্যের চারদিকে ঘুরে, সেহেতু একটা সময় আসে যখন পৃথিবীর একটা অংশ সূর্য থেকে আড়াল হয় এবং অন্ধকার ঘনিয়ে আসে। সুতরাং, তামিম ও ইকবালের ধারণা বা নিরীক্ষণ ভ্রান্ত নিরীক্ষণ। ইকবালের ব্যক্তিগত ভ্রান্ত নিরীক্ষণ এবং তামিমের যে ভ্রান্ত নিরীক্ষণ তা হলো সর্বজনীন ভ্রান্ত নিরীক্ষণ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
286
উত্তরঃ

যা কিছুকে আমরা প্রত্যক্ষ করি এবং যা-কিছুকে আমরা মনের সম্মুখে রাখি তাই হলো নিরীক্ষণ। 

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
545
উত্তরঃ

পরীক্ষণের সকল ক্ষেত্রে নিরীক্ষণ সম্ভব। নিরীক্ষণ ব্যতীত পরীক্ষণ সম্ভব নয়। কোনো বিষয় বা ঘটনাকে পরীক্ষণ করতে গেলে নিরীক্ষণ করতে হয়। অর্থাৎ পরীক্ষণ নিরীক্ষণের উপর নির্ভরশীল। পরীক্ষক পরীক্ষা কার্য চালাতে গেলে আগে নিরীক্ষণ করতে হয়। নিরীক্ষণ সুষ্ঠু ও নিশ্চিত হলেই কেবল পরীক্ষণকার্য সত্য হয় এবং সঠিক সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠা করা যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
317
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews