রফিক একটি ঔপনিবেশিক রাষ্ট্রে বসবাস করেন। এজন্য তিনি শাসকগোষ্ঠীর সাথে সহযোগিতার নীতিতে বিশ্বাসী। তিনি তার স্বজাতিকে আধুনিক শিক্ষা গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করেন। পক্ষান্তরে রফিকের পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের আতিকুর রহমান বিদেশি শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সশস্ত্র বিদ্রোহের ডাক দেন। তিনি সাধারণ জনগণকে সংগঠিত করেন এবং একটি দুর্গ নির্মাণ করেন। কিন্তু বিদেশি শাসকগোষ্ঠীর প্রবল আক্রমণের মুখে তার বিদ্রোহ ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়।

Updated: 7 months ago
উত্তরঃ

বঙ্গভঙ্গ হয় ১৯০৫ সালে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

মৌলিক গণতন্ত্র' বলতে বোঝায় সর্বজনীন ভোটাধিকারের পরিবর্তে বিশেষ একটি শ্রেণির ভোটাধিকার।
আইয়ুব খান ছিলেন এই ধারণার জনক। তিনি সমগ্র পাকিস্তানে সর্বজনীন ভোটাধিকারের পরিবর্তে ৮০,০০০ মৌলিক গণতন্ত্রীর হাতে ভোটাধিকার অর্পণ করেন। এই আশি হাজার মৌলিক গণতন্ত্রী রাষ্ট্রপতি থেকে শুরু করে আইন পরিষদের সদস্যদেরকেও নির্বাচন করতেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের রফিক চরিত্রের সাথে আমার পঠিত নবাব আব্দুল লতিফ-এর ব্যক্তিত্বের মিল রয়েছে।
উদ্দীপকের রফিক সাহেবের মতো নবাব আব্দুল লতিফও শাসক গোষ্ঠীর সাথে সহযোগিতার নীতিতে বিশ্বাসী ছিলেন। তিনি উপনিবেশিক রাষ্ট্রে বসবাসকারী হিসেবে শাসক গোষ্ঠীর সাথে কোনো বিরোধে না গিয়ে স্বজাতি অর্থাৎ মুসলমানদের শিক্ষা সংস্কারে উদ্যোগী হন। কেননা ভারতবর্ষে ব্রিটিশ শাসন প্রতিষ্ঠার পর থেকেই মুসলমানরা নানাভাবে পিছিয়ে পড়তে থাকে। এর মূলে অন্যতম কারণ ছিল আধুনিক শিক্ষা ও ইংরেজি শিক্ষায় অনীহা। মুসলমানদের এ অবস্থা থেকে উত্তোরণের জন্য নবাব আবদুল লতিফ প্রচেষ্টা গ্রহণ করেন। ১৮৬৩ সালে তিনি কলকাতায় মোহামেডান লিটারারী সোসাইটি প্রতিষ্ঠা করেন। মোহামেডান লিটারারী সোসাইটি প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য ছিল ইংরেজি ভাষার মাধ্যমে মুসলমানদেরকে আধুনিক পাশ্চাত্য শিক্ষায় শিক্ষিত করে তোলা। এছাড়া সামাজিক আচার-আচরণে শিক্ষিত হিন্দু ও ইংরেজদের সমকক্ষ করে তোলা।
উপরোক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, উদ্দীপকের রফিক চরিত্রের সাথে আমার পঠিত নবাব আবদুল লতিফ চরিত্রের সাদৃশ্য রয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের আতিকুর রহমানের কর্মকান্ডের সাথে আমার পঠিত বইয়ের শহীদ তিতুমীরের সাথে মিল রয়েছে। তার সংগ্রাম ব্যর্থ হলেও তিনি মুক্তিকামী জনগণের অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে আছেন।
আতিকুর রহমান ঔপনিবেশিক শাসক গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সশস্ত্র বিদ্রোহের ডাক দেন এবং জনগণকে সংগঠিত করে সামরিক প্রশিক্ষণ দিয়ে একটি নির্দিষ্ট এলাকাকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করেন। শাসক গোষ্ঠীর সাথে যুদ্ধ হলে তাদের প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়। আর এই আন্দোলনের সাথে শহিদ তিতুমীরের বাঁশের কেল্লা নির্মাণ, ইংরেজ ও জমিদারদের বিরুদ্ধে সংঘটিত যুদ্ধের মিল রয়েছে। নারকেল বাড়িয়ার যুদ্ধ ছিল ব্রিটিশ শাসকদের বিরুদ্ধে প্রথম সশস্ত্র বিদ্রোহ যা মুক্তিকামী জনগণকে যুগ যুগ ধরে প্রেরণা দেয়।
ইংরেজদের গোলাবারুদ এবং নীলকর ও জমিদারদের ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধের মুখে তিতুমীরের বাঁশের কেল্লা ছিল সাহস আর দেশপ্রেমের প্রতীক, যা যুগে যুগে বাঙালিকে অন্যায় অত্যাচারের বিরুদ্ধে সাহস যুগিয়েছে। প্রেরণা যুগিয়েছে স্বাধীনতার পথে এগিয়ে যেতে। বাংলার মানুষের মুক্তির লক্ষ্যে তিতুমীর প্রথম স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের স্বপ্ন দেখেন। অন্যায় অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিকার না পেলেও স্বাধীনতার জন্য সংগ্রাম করার যে শিক্ষা বাঙালিরা তার কাছ থেকে পেয়েছে, তাতে অনুপ্রাণিত হয়েই পাকিস্তানিদের বঞ্চনা ও শোষণের বিরুদ্ধে বাঙালিরা রুখে দাঁড়িয়েছে এবং চূড়ান্তভাবে বাংলাদেশ নামক স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেছে।
সুতরাং, উদ্দীপকে আতিকুর রহমান সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ চরিত্র তথা তিতুমীর ব্যর্থ হলেও মুক্তিকামী জনগণের জন্য চির প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
33

Related Question

View All
উত্তরঃ

বেজাল প্যাক্ট হলো বাংলার হিন্দু ও মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে বিদ্যমান সাম্প্রদায়িক বিভেদ সমাধানের লক্ষ্যে সম্পাদিত চুক্তি।
দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ অনুভব করেছিলেন যে, বাংলার সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানদের দাবি অগ্রাহ্য করে স্বাধীনতা আন্দোলন চালিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। এ দিক বিবেচনা করে চিত্তরঞ্জন দাশ মুসলমানদের সমর্থন ও হিন্দু-মুসলমানদের মধ্যে ঐক্য প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেন। বাংলার মুসলিম নেতারাও তাঁর সাথে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন এ.কে. ফজলুল হক, মৌলবি আবদুল করিম এবং হোসেন শহীদ সোহ্রাওয়ার্দী। তাদের উদ্যোগে ১৯২৩ সালে 'বেঙ্গল প্যাক্ট' স্বাক্ষরিত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
262
উত্তরঃ

উদ্দীপকের শামসুল হুদার সাথে আমার পঠিত মহান নেতা শহিদ তিতুমীরের সাদৃশ্য রয়েছে।

ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের অগ্রসৈনিক শহিদ তিতুমীরের আসল নাম সৈয়দ মীর নিসার আলী। তিনি দেশের মানুষকে ইংরেজ, জমিদার এবং নীলকরদের অত্যাচার ও শোষণের হাত থেকে রক্ষার প্রচেষ্টা চালান। তিনি কৃষকদেরকে তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন করে তোলেন এবং তাদেরকে সংঘবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান। শোষকদের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য তিনি কৃষকদেরকে সামরিক প্রশিক্ষণ দিতে শুরু করেন। এ লক্ষ্যে তিনি কলকাতার নিকটবর্তী নারিকেলবাড়িয়া নামক স্থানে একটি বাঁশের কেল্লা বা দুর্গ নির্মাণ করেন।
উদ্দীপকের শামসুল হুদার ক্ষেত্রে লক্ষ করা যায়, তিনি একজন সৎ ও সাহসী ব্যক্তি। অন্যায়ের বিরুদ্ধে তিনি সব সময় সোচ্চার। অত্যাচারী জমিদার ও সুদখোর মহাজনদের হাত থেকে জনগণকে রক্ষায় তিনি একটি বাহিনী গড়ে তোলেন এবং তাদের প্রশিক্ষণের জন্য একটি দুর্গ প্রতিষ্ঠা করেন। তার এ লক্ষ্য ও কার্যক্রমের সাথে আমার পঠিত শহিদ তিতুমীরের সাদৃশ্য রয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
213
উত্তরঃ

উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ ব্যক্তিত্বের অর্থাৎ তিতুমীরের আন্দোলনের কারণে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন গতি লাভ করেছিল।
তিতুমীরের কৃষক আন্দোলন ও বারাসাত বিদ্রোহ ছিল ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বিরুদ্ধে শক্তিশালী বিদ্রোহ। এর মাধ্যমে তিনি প্রমাণ করেন যে, রক্তদান ব্যতীত স্বাধীনতা অর্জন সম্ভব নয়। তাঁর পরিচালিত এ বিদ্রোহ ছিল জমিদার ও নীলকরদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে। তিনি নারিকেলবাড়িয়ার আশপাশের জমিদারদের পরাজিত করে চব্বিশ পরগনা, নদীয়া এবং ফরিদপুর জেলার কিছু অংশ নিয়ে একটি স্বাধীন রাজ্য গঠন করেন এবং কোম্পানি সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন। তিনি ইংরেজ সরকারের আক্রমণ মোকাবিলার জন্য নারিকেলবাড়িয়ায় একটি বাঁশের কেল্লা নির্মাণ করেন। ১৮৩১ সালে ইংরেজ বাহিনীর সাথে যুদ্ধে তিতুমীরও শহিদ হন।
ইংরেজদের গোলাবারুদ এবং নীলকর ও জমিদারদের ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধের মুখে তিতুমীরের বাঁশের কেল্লা ছিল সাহস আর দেশপ্রেমের প্রতীক। যা যুগে যুগে বাঙালিকে অন্যায়-অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদমুখর হতে সাহস যুগিয়েছে। প্রেরণা যুগিয়েছে স্বাধীনতার পথে এগিয়ে যেতে। উপরের আলোচনা থেকে এটাই প্রমাণিত হয় যে তিতুমীরের আন্দোলনের কারণেই পরবর্তী সময়ের ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনগুলো গতি লাভ করেছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
183
উত্তরঃ

ফরায়েজি আন্দোলন বলতে হাজী শরীয়তউল্লাহ কর্তৃক পরিচালিত ফরজভিত্তিক আন্দোলনকে বোঝায়।
১৮১৮ সালে হাজী শরীয়তউল্লাহ মক্কা থেকে দেশে ফিরে আসেন। দেশে ফিরে তিনি দেখলেন মুসলমানরা নানা প্রকার কুসংস্কারে লিপ্ত। তারা কবরপূজা, পীরপূজা, ওরস ও মানত করে পরিত্রাণ পাবে বলে মনে করত। এ অবস্থা দেখে হাজী শরীয়তউল্লাহ ধর্মীয় সংস্কার আন্দোলনের ডাক দেন। এতে ইসলাম ধর্মের পাঁচটি ফরজ পালনের ওপর সর্বাধিক গুরুত্বারোপ করা হয়। এই আন্দোলনই ইতিহাসে ফরায়েজি আন্দোলন নামে পরিচিত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
199
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews