রফিক, শফিক ও করিম একটি অংশীদারি ব্যবসায়ের সদস্য। রফিক ব্যবসায়ে মূলধন বিনিয়োগ করেন ও ব্যবসায় পরিচালনায়ও অংশগ্রহণ করেন। শফিক মূলধন বিনিয়োগ করেন কিন্তু পরিচালনায় অংশগ্রহণ করেন না। করিম মূলধন বিনিয়োগ করেন না আবার পরিচালনায়ও অংশ নেন না। তবে ব্যবসায়ে তার যথেষ্ট সুনাম রয়েছে। হঠাৎ রফিক মস্তিষ্ক বিকৃতির কারণে কর্তব্য পালনে স্থায়িভাবে অসমর্থ হন।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

যে কার্ডের মাধ্যমে গ্রাহককে ক্রেডিট বা ঋণ সুবিধা প্রদান করা হয়, তাকে ক্রেডিট কার্ড বলে।

উত্তরঃ

আধুনিক ইলেক্ট্রনিক্স প্রযুক্তি ব্যবহার করে অতিদ্রুত, নির্ভুল ও বিস্তৃত কার্য পরিচালনায় সক্ষম ব্যাংক ব্যবস্থাকেই ই-ব্যাংকিং বলে।

ইলেক্ট্রনিক ব্যাংকিং পদ্ধতি হলো ব্যাংকিং সেবা সুবিধা প্রদানের আধুনিক কৌশল বা পদ্ধতি। এটি এমন এক ধরনের ব্যাংকিং সেবা পদ্ধতি যেখানে উন্নততর ইলেক্ট্রনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে অতিদ্রুত, নির্ভুল এবং ব্যাপক বিস্তৃত সেবা প্রদান সম্ভব। এ ধরনের ব্যাংকিং - পদ্ধতি সনাতন, কায়িক শ্রমনির্ভর, সীমিত সেবা, মম্বর, কাগজ ও নথির জমাকৃত স্তূপের সেকেলে ব্যাংকিং পদ্ধতির অবসান ঘটিয়েছে। তাই ই-ব্যাংকিং জনপ্রিয়।

উত্তরঃ

উদ্দীপকে মি. করিম একজন নামমাত্র অংশীদার।

যে অংশীদার চুক্তি অনুযায়ী লাভের অংশ অথবা নির্দিষ্ট বেতন বা অর্থের বিনিময়ে তার নামের সুনাম অংশীদারি ব্যবসায়কে ব্যবহারের অনুমতি দেয় তাকে নামমাত্র অংশীদার বলে। এরূপ অংশীদার ব্যবসায়ে কোনো মূলধন বিনিয়োগ করে না এবং ব্যবসায় পরিচালনায় অংশ নেয় না।

উদ্দীপকের রফিক, শফিক ও করিম একটি অংশীদারি ব্যবসায়ের সদস্য। করিম প্রতিষ্ঠানে মূলধন সরবরাহ ও ব্যবসায় পরিচালনায় অংশগ্রহণ করেন না শুধু ব্যবসায়ের স্বার্থে তার খ্যাতি ও সুনাম ব্যবহার করেন। যাতে প্রতিষ্ঠানটি উপকৃত হয়। তাই বলা যায়, করিম একজন নামমাত্র অংশীদার।

উত্তরঃ

উদ্দীপকের উল্লিখিত অংশীদারি ব্যবসায়টি টিকে থাকার সম্ভাবনা নেই। কেননা যেকোনো অংশীদার কর্তৃক আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত কর্তৃক উক্ত প্রতিষ্ঠানটির বিলোপসাধন ঘটবে।

আবেদনের প্রেক্ষিতে যদি আদালত কোনো অংশীদারি ব্যবসায়ের বিলোপের নির্দেশ প্রদান করে তবে তাকে আদালতের নির্দেশে বিলোপসাধন বলে। আর কোনো অংশীদারের মস্তিষ্ক বিকৃতি ঘটলে আদালত অংশীদারি কারবারের বিলোপসাধনের নির্দেশ দিতে পারে।

উদ্দীপকে রফিক, শফিক ও করিম একটি অংশীদারি ব্যবসায়ের সদস্য। রফিক সক্রিয় অংশীদার, শফিক নিষ্ক্রিয় অংশীদার এবং করিম নামমাত্র অংশীদার। রফিক মস্তিষ্ক বিকৃতি কারণে কর্তব্য পালনে স্থায়িভাবে অসমর্থ হওয়ায় তার সদস্য পদ বাতিল হবে। আর শফিক ও করিম ইচ্ছা করলে অংশীদারি ব্যবসায়টি পুনঃচুক্তি সম্পাদনের মাধ্যমে চালিয়ে রাখতে পারবেন। তবে শফিক কিংবা করিম ইচ্ছা করলে আদালতে ব্যবসায় ভঙ্গের আবেদনের মাধ্যমে অংশীদারি ব্যবসায়টি আদালতের নির্দেশে বিলোপসাধন ঘটাতে পারে। কেননা কোনো অংশীদারের মস্তিষ্ক বিকৃতি ঘটলে কিংবা কোন অংশীদার কর্তব্য পালনে চিরতরে অসমর্থ হলে কোনো অংশীদারের আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত উক্ত অংশীদারি ব্যবসায়ের বিলোপসাধনের নির্দেশ দিতে পারে। তাছাড়া উল্লেখ্য, একটি অংশীদারি কারবার টিকে থাকার জন্য কমপক্ষে দুইজন সাধারণ অংশীদার থাকতে হয় যাদের দায় অসীম হবে। কিন্তু উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানটি রফিকের মস্তিষ্ক বিকৃতির পর একমাত্র অসীম দায় বহনকারী অংশীদার হলেন শফিক।

সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকের উল্লিখিত অংশীদারি ব্যবসায়টি টিকে থাকার সম্ভাবনা নেই। কেননা যেকোনো অংশীদার ইচ্ছা করলে আদালতে আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালতের নির্দেশে ব্যবসায়ের বিলোপসাধন ঘটাতে পারে।

195

ব্যবসায় পরিবারের দ্বিতীয় সদস্য হলো অংশীদারি সংগঠন। একমালিকানা ব্যবসায়ে একক মালিকের পুঁজি ও সামর্থের সীমাবদ্ধতার কারণে এক পর্যায়ে বড় ধরনের সংগঠনের প্রয়োজন অনুভূত হয়। ফলশ্রুতিতে একাধিক ব্যক্তির মালিকানা ও তত্ত্বাবধানে সৃষ্টি হয় অংশীদারি সংগঠন। এ ব্যবসায়ে ন্যূনতম ২ জন এবং সর্বাধিক ২০ জন সদস্য থাকে। তবে ব্যাংকিং ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে সর্বাধিক ১০ জন সদস্য থাকে। ১৯৩২ সালের ভারতীয় অংশীদারি আইন অনুযায়ী, “সকল ব্যক্তির দ্বারা বা সকলের পক্ষে একজন দ্বারা পরিচালিত ব্যবসায়ের মুনাফা নিজেদের মধ্যে বণ্টনের নিমিত্তে কতিপয় ব্যক্তিবর্গের মধ্যে চুক্তিবদ্ধ সম্পর্কই হলো অংশীদারি ব্যবসায়। বাংলাদেশে বর্তমানে ১৯৩২ সালের অংশীদারি আইনটি প্রচলিত রয়েছে।


এ অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা জানতে পারব—

  • অংশীদারি ব্যবসায়ের বৈশিষ্ট্যসমূহ।
  • অংশীদারি ব্যবসায়ের গঠন প্রণালি ।
  • অংশীদারি ব্যবসায়ের সুবিধা ও সীমাবদ্ধতা/অসুবিধা ।
  • অংশীদারি ব্যবসায়ের প্রকারভেদ।
  • অংশীদারি ব্যবসায়ের চুক্তিপত্রের নমুনা ও বিষয়বস্তু ।
  • অংশীদারি ব্যবসায়ের নিবন্ধন পদ্ধতি এবং নিবন্ধন না করার পরিণাম ।
  • অংশীদারদের ধরন।
  • অংশীদারদের যোগ্যতা ।
  • অংশীদারি ব্যবসায়ের বিলোপসাধন প্রক্রিয়া ।
  • বাংলাদেশে অংশীদারি ব্যবসায়ের বর্তমান অবস্থা ।

সূত্র: ক্যামব্রিয়ান পাবলিকেশন্স

Related Question

View All
উত্তরঃ

সাধারণ অংশীদারি ব্যবসায়ের ন্যূনতম সদস্যসংখ্যা ২ জন।

894
উত্তরঃ

অংশীদারি ব্যবসায়ের অংশীদারদের দায় ব্যক্তিগত ও সমষ্টিগতভাবে অসীম।

অসীম দায় বলতে ব্যবসায়ে নিয়োজিত মূলধনের বাইরেও অংশীদারদের দায় সৃষ্টি হওয়াকে বোঝায়; যা তাদের ব্যক্তিগত সম্পত্তিকে দায়বদ্ধ করে এবং ব্যক্তি দেউলিয়া হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত তা বিস্তৃত থাকে। এরূপ অসীম দায়ের কারণেই অংশীদারি ব্যবসায় গঠনে সামর্থ্যবান ব্যক্তিরা উৎসাহিত হয় না। যে কারণে সকল দেশেই এরূপ ব্যবসায়ের সংখ্যা কম। তাই বলা যায়, অংশীদারি ব্যবসায়ের দায় অসীম।

2.3k
উত্তরঃ

উদ্দীপকের জনাব সফিক একজন কর্মী অংশীদার।

যে অংশীদার ব্যবসায়ে কোনো মূলধন বিনিয়োগ করে না, শুধু নিজস্ব শ্রম ও দক্ষতাকে সক্রিয়ভাবে নিয়োজিত রাখে তাকে কর্মী অংশীদার বলে। চুক্তি অনুযায়ী কর্মী অংশীদার অন্যান্য অংশীদারের ন্যায় ব্যবসায়ের লাভ-ক্ষতিতে অংশগ্রহণ করে এবং অসীম দায় বহনে বাধ্য থাকে। অবশ্য ব্যবসায় পরিচালনার জন্য এদেরকে নির্দিষ্ট হারে বেতন বা লাভের অংশ দেওয়া হয়। সাধারণত ব্যবসায় পরিচালনায় যোগ্য কোনো ব্যক্তিকে এ ধরনের অংশীদার হিসেবে নেওয়া হয় যাতে ব্যবসায়ে অধিক মুনাফা অর্জন করতে সমর্থ হয়।

উদ্দীপকের জনাব সফিক একজন প্রকৌশলী। তার দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার কারণে করিম, রহিম ও মিজান তাকে বিনা মূলধনে অংশীদার হিসাবে নেয়। যেহেতু জনাব সফিক ব্যবসায়ে কোনো মূলধন বিনিয়োগ না করেও শুধু নিজস্ব শ্রম ও দক্ষতাকে সক্রিয়ভাবে নিয়োজিত রাখার কারণে উক্ত ব্যবসায়ের অংশীদারিত্ব লাভ করেছে। তাই বলা যায়, জনাব সফিক একজন কর্মী অংশীদার।

603
উত্তরঃ

উদ্দীপকের আলোকে আমি মনে করি মি. মিজান অন্যদের মতো সমান মুনাফা পাবে।

অংশীদারি ব্যবসায়ের সকল অংশীদার একই রকম হবে এমন নয়। বিভিন্ন ধরনের অংশীদারের মধ্যে অন্যতম হলো ঘুমন্ত অংশীদার। যে অংশীদার ব্যবসায়ে মূলধন বিনিয়োগ করে লাভ-ক্ষতিতে অংশগ্রহণ করে কিন্তু অধিকার থাকা সত্ত্বেও ব্যবসায় পরিচালনায় সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে না তাকে ঘুমন্ত অংশীদার বলে।

মি. মিজান একজন ঘুমন্ত অংশীদার। উদ্দীপকে করিম, রহিম ও মিজান অংশীদারির ভিত্তিতে ব্যবসায় গঠন করেছে। এ ব্যবসায়ে করিম, রহিম ও সফিক পরিচালনায় অংশ নেয় কিন্তু মিজান পরিচালনায় অংশ নেয়নি। তবে বছর শেষে মিজান অন্যদের মতো মুনাফা দাবি করে। মি. মিজানের কার্যক্রম অনুযায়ী তিনি একজন ঘুমন্ত অংশীদার। এ অংশীদারের বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী মিজান সমান মুনাফা পাবেন।

সুতরাং বলা যায়, জনাব মিজান সমান মুনাফা পাবেন।

595
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews