রফিক সাহেব গ্রামকেন্দ্রিক স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের প্রধান। তিনিসহ আরো কয়েকজন জনপ্রতিনিধির সমন্বয়ে ঐ প্রতিষ্ঠান গঠিত। দাপ্তরিক কাজ সম্পাদনের জন্য একজন সরকারি বেতনভুক্ত কর্মচারিও নিযুক্ত। রফিক সাহেব অন্যান্য জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে তার নির্বাচনি এলাকার সমস্যা সমাধানে কাজ করতে চান। কিন্তু এক্ষেত্রে তিনি কিছু সীমাবদ্ধতাও অনুভব করেন।

Updated: 2 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের তিনটি স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান হলো-ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও পৌরসভা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

স্থানীয় সরকার বলতে সরকারের প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণাধীনে স্থানীয় পর্যায়ে নিযুক্ত সরকারি কর্মচারী কর্তৃক এলাকাভিত্তিক শাসনব্যবস্থাকে বোঝায়।
স্থানীয় সরকার হলো সরকারের প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণের অংশ। সরকার কেন্দ্রীয় পর্যায়ে নীতি ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে সেগুলো বাস্তবায়নের লক্ষ্যে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করে। এ ব্যবস্থায় স্থানীয় শাসন কর্তৃপক্ষের কোনো স্বাধীনতা, স্বায়ত্তশাসনের অধিকার ও নীতিনির্ধারণি ক্ষমতা থাকে না। তারা কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশে এবং প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণাধীনে দায়িত্ব পালন করে। বাংলাদেশের বিভাগীয় প্রশাসন, জেলা প্রশাসন এবং উপজেলা প্রশাসন হলো স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার উদাহরণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের বিধান সরকার গ্রামীণ স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান ইউনিয়ন পরিষদের প্রধান।
ইউনিয়ন পরিষদ বাংলাদেশের পল্লি অনালের সর্বনিম্ন প্রশাসনিক ইউনিট। প্রাথমিক পর্যায়ে ইউনিয়ন পরিষদের ভূমিকা নিরাপত্তামূলক কর্মকাণ্ডে সীমাবদ্ধ থাকলেও পরবর্তীকালে এটিই স্থানীয় সরকারের প্রাথমিক ভিত্তিরূপে গড়ে ওঠে। বর্তমানে বাংলাদেশে ৪,৫৫৪টি ইউনিয়ন পরিষদ আছে। ইউনিয়ন পরিষদ গঠিত হয় একজন চেয়ারম্যান, নয়জন নির্বাচিত সদস্য এবং তিনজন সংরক্ষিত আসনে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত মহিলা সদস্য নিয়ে। নির্বাচনের উদ্দেশ্যে প্রত্যেকটি ইউনিয়নকে নয়টি ওয়ার্ডে বিভক্ত করা হয়। প্রত্যেক ওয়ার্ড থেকে একজন পুরুষ সদস্য, তিনটি ওয়ার্ড হতে একজন করে মহিলা সদস্য এবং সমগ্র ইউনিয়ন থেকে একজন চেয়ারম্যান জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হন। অর্থাৎ ইউনিয়ন পরিষদ গঠিত হয় মোট ১৩ জন নির্বাচিত প্রতিনিধির সমন্বয়ে। পরিষদের সার্বক্ষণিক দাপ্তরিক কাজ করেন সরকার কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত ও বেতনভুক্ত একজন সেক্রেটারি। উদ্দীপকের বিধান সরকার একটি সংস্থার নির্বাচিত প্রধান। তার সংস্থায় তিনিসহ মোট ১৩ জন নির্বাচিত প্রতিনিধি আছেন। তাদের কাজে সাহায্য করার জন্য সরকারও কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত একজন সেক্রেটারি কর্মরত আছেন। বিধান সরকারের এ সংস্থাটির সাথে ইউনিয়ন পরিষদের গঠনের মিল রয়েছে। সুতরাং বলা যায়, বিধান সরকার স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান ইউনিয়ন পরিষদের প্রধান তথা চেয়ারম্যান।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

জনাব রফিকের প্রতিষ্ঠান অর্থাৎ ইউনিয়ন পরিষদ জনগণের স্বার্থে বহুবিধ কাজ করে থাকে। তবে এই কার্য সম্পাদনের ক্ষেত্রে এ প্রতিষ্ঠান কিছু সীমাবদ্ধতার সম্মুখীন হয়।
বাংলাদেশের স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত সরকারের সর্বনিম্ন স্তর হলো ইউনিয়ন পরিষদ। জনবহুল গ্রামাঞ্চলের সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে ইউনিয়ন পরিষদ দুই ধরনের কাজ করে। যেমন: ১. মৌলিক কাজ, ২. উন্নয়নমূলক কাজ। ইউনিয়ন পরিষদের মৌলিক কাজের মধ্যে রয়েছে গ্রামাঞ্চলে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখা। এ উদ্দেশ্যে ইউনিয়ন পরিষদ গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী ও স্বেচ্ছাসেবক বাহিনীর সংগঠন ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের চাকরির কার্যকাল ও শর্তাবলি নির্ধারণ করে। এ সংস্থাটি ইউনিয়নে কর্মরত, রাজস্ব কর্মকর্তাদের কর আদায় ও অন্যান্য প্রশাসনিক কাজে সাহায্য করে। সরকারের নীতি বা কর্মসূচি জনগণকে জানানোও ইউনিয়ন পরিষদের কাজ। ইউনিয়নে কোনো অপরাধ ঘটলে এ প্রতিষ্ঠানটি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এবং পুলিশকে জানায়। অপরাধ নিরোধ সংক্রান্ত ব্যাপারে সরকারকে সহযোগিতাও করে। ছোটখাটো দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলার বিচারকাজও ইউনিয়ন পরিষদ করে থাকে। ইউনিয়ন পরিষদ জনসাধারণের সার্বিক কল্যাণার্থে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজও করে। যেমন: রাস্তাঘাট, খেলার মাঠ, পার্ক, পুকুর, কবরস্থান, ইত্যাদি তৈরি ও রক্ষণাবেক্ষণ করা। এছাড়া জনস্বাস্থ্য সংরক্ষণে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ, দুর্যোগের সময় সেবামূলক কাজ এবং নিরাপত্তামূলক কাজ করাও ইউনিয়ন পরিষদের অন্তর্ভুক্ত। আবার বৃক্ষরোপণ, কৃষি-শিল্পের উন্নয়ন সাধন, বিনোদন ও শিক্ষামূলক বিভিন্ন ধরনের কাজও ইউনিয়ন পরিষদ করে থাকে।
জনগণের কল্যাণে কাজ করা হলেও কখনো কখনো ইউনিয়ন পরিষদের কার্যাবলি কিছু সীমাবদ্ধতার শিকার হয়। যেমন- সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের জনগণ যদি অসহযোগিতাপূর্ণ মনোভাবের হয় তাহলে চেয়ারম্যান যতোই আন্তরিক হোক না কেন, তার পক্ষে ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম সভলভাবে সম্পাদন করা সম্ভব হবে না। ইউনিয়ন পরিষদের আরেকটি বড় ধরনের সীমাবদ্ধতা হলো- নিজস্ব পর্যাপ্ত জনবল না থাকা। এছাড়া পরিষদের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি, সচিব ও চৌকিদারদের বেতন বা সম্মানী নামমাত্র হওয়ায় তাদের মধ্যে, সার্বক্ষণিক কাজ করার আগ্রহ খুবই কম। তাছাড়া করের পরিমাণ কম হওয়ায় পরিষদের নিজস্ব আয়ও তেমন নেই।
উপর্যুক্ত আলোচনায় সুস্পষ্ট যে, ইউনিয়ন পরিষদ গ্রামীণ উন্নয়নে বহুবিধ কার্য সম্পাদন করলেও তার অনেক সীমাবদ্ধতাও রয়ে

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
22
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন বলতে নির্দিষ্ট এলাকাভিত্তিক জনগণের স্বশাসনকে বোঝায়।
স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন ব্যবস্থায় স্থানীয় সরকারগুলো কেন্দ্রীয় সরকারের নিযুক্ত কর্মকর্তাদের স্বারা পরিচালিত হয় না। এর প্রতিনিধিগণ এলাকার জনসাধারণের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভোটে নির্বাচিত অথবা সরকার কর্তৃক মনোনীত হন। স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলো আইনের মাধ্যমে ক্ষমতাপ্রাপ্ত। এরা নিজ নিজ এলাকার জনগণের নিকট দায়ী থাকেন। বাংলাদেশে স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা, সিটি কর্পোরেশন, জেলা পরিষদ প্রভৃতি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
52
উত্তরঃ

উদ্দীপকের 'X' হলো সিটি কর্পোরেশন নামক স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান।
বাংলাদেশের স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত সংস্থাগুলোর মধ্যে সিটি কর্পোরেশন অন্যতম। বিভিন্ন স্থানের বিশেষ অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে বৃহৎ নগরীর পৌরসভাকে সিটি কর্পোরেশনে উন্নীত করা হয়েছে। এটি মূলত একটি নগরভিত্তিক স্থানীয় সংস্থা। উদ্দীপকে এ প্রতিষ্ঠানটিরই ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।
উদ্দীপকের স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান 'X'-এর সংখ্যা হলো ১১। এ প্রতিষ্ঠানটি হাসপাতাল, স্বাস্থ্যক্লিনিক ও ঘরবাড়ি নির্মাণের অনুমতি দিয়ে থাকে। নির্বাচিত প্রতিনিধিগণ ও জনগণের সক্রিয় ভূমিকায় এ সংস্থার কার্যক্রম সাধিত হয়। সিটি কর্পোরেশনের ক্ষেত্রেও এমনটি লক্ষণীয়। বর্তমানে বাংলাদেশে ১১ টি সিটি কর্পোরেশন রয়েছে। যথা: ঢাকা উত্তর ও ঢাকা দক্ষিণ, চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী, সিলেট, বরিশাল, রংপুর, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা ও গাজীপুর। নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিগণ অর্থাৎ মেয়র, কাউন্সিলর ও মহিলা কাউন্সিলররা সিটি কর্পোরেশনের কার্যাবলি সম্পাদন করেন। এসব কাজে জনগণও সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে। মহানগরীর উন্নয়ন, শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং নানাবিধ সমস্যা সমাধানের জন্য সিটি কর্পোরেশন বহুবিধ কাজ করে থাকে। সন্ত্রাস দমন, চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই রোধের জন্য এ প্রতিষ্ঠান প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে। মহানগরীর জনস্বাস্থ্য রক্ষার্থে সিটি কর্পোরেশন বহুমুখী দায়িত্ব পালন করে। যেমন- হাসপাতাল, স্বাস্থ্যকেন্দ্র নির্মাণ ও নির্মাণের অনুমতি প্রদান, শৌচাগার নির্মাণ, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ, সংক্রামক ব্যাধি প্রতিরোধ ইত্যাদি। এছাড়াও সিটি কর্পোরেশনের কার্যাবলির মধ্যে রয়েছে- রাস্তাঘাট নির্মাণ, অবৈধ দখলদার উচ্ছেদ, বিশ্রামাগার নির্মাণ, মোটরগাড়ি ও ট্রাক ছাড়া অন্য সকল প্রকার যানবাহনের লাইসেন্স প্রদান ও চলাচল ইত্যাদি। এ সংস্থাটি শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক উন্নয়ন, নগর

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
35
উত্তরঃ

X' প্রতিষ্ঠান অর্থাৎ সিটি কর্পোরেশনকে অধিক কার্যকর করার ক্ষেত্রে জনগণ সক্রিয় ভূমিকা পালন করে।
সিটি কর্পোরেশন মহানগরের জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠিত করে। এর মেয়র ও কাউন্সিলরদের জনগণ সরাসরি নির্বাচন করতে পারে। এর ফলে সিটি কর্পোরেশনে জনগণের জন্য, জনগণের দ্বারাও জনগণের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়। সিটি কর্পোরেশনের সীমিত জনবলের পক্ষে মহানগরের মতো বিশাল এলাকার পরিচ্ছন্নতা রক্ষা করা সম্ভব নয়। এক্ষেত্রে জনগণ নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা ও আবর্জনা ফেলে ও নিজ দায়িত্বে নিজেদের বাড়ির চারপাশ পরিষ্কার রাখার মাধ্যমে সিটি কর্পোরেশনকে সহযোগিতা করে। মহানগরের জনগণের বিশুদ্ধ পানির চাহিদা পূরণের জন্য সিটি কর্পোরেশন গভীর ও অগভীর নলকূপ খনন করে। জনগণ পানির অপচয় রোধ করে সকলের জন্য পানির প্রাপ্যতা নিশ্চিত করে। জনগণের পুষ্টি চাহিদা পূরণে সিটি কর্পোরেশন বিভিন্ন কার্যক্রম চালু করে। এসব কাজে এলাকার জনগণ সম্পৃক্ত হয়ে উৎপাদন ও বাজারজাতকরণে কর্পোরেশনকে সহযোগিতা করে। ভূমি অধিগ্রহণ, বাড়িঘর স্থানান্তর ইত্যাদি কাজেও জনগণ কর্পোরেশনকে সাহায্য করে। এছাড়া নিয়ম অনুযায়ী ঘরবাড়ি নির্মাণের ক্ষেত্রে জনগণ সিটি কর্পোরেশনের অনুমোদন সংগ্রহ করে। রাস্তাঘাটে নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করার ব্যাপারেও এ প্রতিষ্ঠানটিকে জনগণ সহযোগিতা করে। পরিশেষে বলা যায়, মহানগরের উন্নয়ন ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য সিটি কর্পোরেশন যেসব কাজ করে তা মূলত জনগণের স্বার্থেই পরিচালিত হয়। এ কারণে জনগণও এসব কাজে সহযোগিতা করে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় ব্যাপক ভূমিকা পালন করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
37
উত্তরঃ

স্থানীয় শাসন হচ্ছে অঞ্চলভিত্তিক শাসনব্যবস্থা, যেটি গঠিত হয় স্থানীয় পর্যায়ে নিযুক্ত সরকারি কর্মকর্তাদের নিয়ে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
50
উত্তরঃ

স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন বলতে নির্দিষ্ট এলাকাভিত্তিক জনগণের স্বশাসনকে বোঝায়।
স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন ব্যবস্থায় স্থানীয় সরকারগুলো কেন্দ্রীয় সরকারের নিযুক্ত কর্মকর্তাদের দ্বারা পরিচালিত হয় না। এর প্রতিনিধিগণ এলাকার জনসাধারণের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভোটে নির্বাচিত অথবা সরকার কর্তৃক মনোনীত হন। স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলো আইনের মাধ্যমে ক্ষমতাপ্রাপ্ত। এরা নিজ নিজ এলাকার জনগণের নিকট দায়ী থাকেন। বাংলাদেশে স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা, সিটি কর্পোরেশন, জেলা পরিষদ প্রভৃতি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
42
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews