রবিন ছোটবেলা থেকেই শহরে বসবাস করছে। বাবার সাথে গ্রামে দাদার বাড়ি বেড়াতে গিয়ে সে দেখল, গ্রামের মানুষেরা সহজ-সরল, মিতব্যয়ী, আন্তরিক, বিনোদনপ্রিয়, শান্তিপ্রিয় ও ধার্মিক। অথচ শহরের মানুষের মধ্যে এর ভিন্নতা লক্ষ করা যায়।

Updated: 10 months ago
উত্তরঃ

সংস্কৃতির ইংরেজি প্রতিশব্দ 'Culture' শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন ব্রিটিশ দার্শনিক ফ্রান্সিস বেকন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

বিশিষ্ট আমেরিকান সমাজবিজ্ঞানী উইলিয়াম এফ অগবার্ন তার 'Social Change' গ্রন্থে সংস্কৃতির পশ্চাৎপদতা সম্পর্কিত যে তত্ত্ব বা ব্যাখ্যা প্রদান করেন তাই মূলত 'সাংস্কৃতিক ব্যবধান তত্ত্ব' হিসেবে পরিচিত।

সাংস্কৃতিক ব্যবধান বলতে সাধারণত সংস্কৃতির দুটি অংশের মধ্যে বিদ্যমান পার্থক্যকে বোঝায়। অর্থাৎ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ব্যাপক অগ্রগতির ফলে বস্তুগত সংস্কৃতি (Material Culture) দ্রুতগতিতে পরিবর্তিত হচ্ছে, যার সাথে অবস্তুগত সংস্কৃতি (Non-material Culture) খাপ খাইয়ে বা তাল মিলিয়ে চলতে পারছে না। ফলে সৃষ্টি হচ্ছে সাংস্কৃতিক পশ্চাৎপদতা বা পিছিয়ে পড়া। সংক্ষেপে এটাই হলো সাংস্কৃতিক ব্যবধান।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

সংস্কৃতি হলো একটি জাতি বা সমাজের জীবনধারণ পদ্ধতি। আর বাংলাদেশের প্রায় শতকরা ৭৬ ভাগ মানুষ গ্রামে বসবাস করে। সুতরাং বাংলাদেশের সংস্কৃতি বলতে প্রধানত গ্রামীণ সংস্কৃতিকেই বোঝায়। এ সংস্কৃতির ধরন নিচে ব্যাখ্যা করা হলো-

বাংলাদেশের গ্রামীণ সমাজ মূলত সনাতন জীবনধারায় পরিচালিত হয়। অর্থাৎ- গ্রামীণ সমাজে বসবাসকারী মানুষ সুদীর্ঘকাল যাবৎ কোনোরকম পরিবর্তন ছাড়াই একই ধরনের জীবনযাপন করে। গ্রামীণ অর্থনীতির মূলভিত্তি হলো কৃষি। অধিকাংশ গ্রামবাসী প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির সাথে জড়িত। তাদের মধ্যে অধিকাংশরাই এখনও গরু ও লাঙলের সাহায্যে কৃষিকাজ করে। তবে ইদানিং পাওয়ার টিলার এবং অন্যান্য প্রযুক্তি নির্ভর কৃষি যন্ত্রের ব্যবহারও বৃদ্ধি পাচ্ছে। গ্রামের মানুষেরা সাধারণত সহজ- সরল হয়ে থাকে। তাদের পোশাক-পরিচ্ছদও সাধারণ। ভাত, মাছ, ডাল শাক-সবজি গ্রামের মানুষের প্রধান খাদ্য হলেও বিভিন্ন উৎসব অনুষ্ঠানে পিঠা, পোলাও, মাংস ও পায়েসের আয়োজন করা হয়ে থাকে। গ্রামীণ সমাজ জীবনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো, শহরাঞ্চল থেকে পৃথক প্রকৃতির ঘরবাড়ির ধরন। সাধারণত গ্রামাঞ্চলে বাঁশ ও বেতের তৈরি বেড়া, বাঁশের খুটি এবং ছন বা খড়ের ছাউনি দেওয়া ঘরের আধিক্য লক্ষ করা যায়। বাংলাদেশের গ্রামীণ সমাজজীবনে বিভিন্ন ধর্মের প্রভাব বহুলাংশে বিদ্যমান। আবহমানকাল ধরেই গ্রামে বিভিন্ন ধর্মের লোকেরা একত্রে শান্তিতে বসবাস করছে, যা ধর্মীয় সহনশীলতা ও শান্তিপ্রিয়তার সাক্ষ্য বহন করে। উদ্দীপকে দেখা যায়, রবিন তার বাবার সাথে গ্রামে দাদার বাড়ি বেড়াতে গিয়ে গ্রামের মানুষের সহজ-সরলতা, মিতব্যয়ীতা, আন্তরিকতা, বিনোদনপ্রিয়তা, শান্তিপ্রিয়তা ও ধার্মিকতা পর্যবেক্ষণ করলো, পূর্বোক্ত আলোচনা অনুযায়ী যা গ্রামীণ সংস্কৃতির প্রকৃতিকে তুলে ধরে।

উপরের আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, বাংলাদেশের গ্রামীণ সংস্কৃতি একইসাথে সনাতন এবং আধুনিক বৈশিষ্ট্য ধারণ করছে, যা পরিলক্ষিত হয় গ্রামবাসীদের জীবন-জীবিকার সব ক্ষেত্রে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

"নগর সংস্কৃতি গ্রামীণ সংস্কৃতি থেকে ভিন্ন"- উক্তিটি বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে যথার্থ।

বাংলাদেশের সংস্কৃতি বলতে প্রধানত গ্রামীণ ও নগর সংস্কৃতিকে বোঝায়, যা পরস্পর থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন। যেমন- নগরে বাড়ি-ঘর নির্মাণে আধুনিক প্রযুক্তি ও উপকরণ ব্যবহার করা হয়। পক্ষান্তরে, গ্রামের বাড়ি-ঘরগুলো মূলত টিন, বাঁশ, ছন, কাঠ ইত্যাদি দিয়ে নির্মিত হয়। বাংলাদেশের নগর সংস্কৃতির পোশাক-পরিচ্ছদ ও সাজসজ্জা বিচিত্র ও বৈচিত্র্যময়। শার্ট, প্যান্ট, কোট, টাই, পাঞ্জাবি, কটি, সালোয়ার কামিজ, শাড়ি ইত্যাদি বৈচিত্র্যময় পোশাক নগরবাসীদের গ্রামবাসীদের থেকে আলাদা করে। নগরের বাসিন্দারা শিল্প ও সাহিত্যে গ্রামের মানুষের চেয়ে অনেকটা পারদর্শী।

নগর সংস্কৃতির একটি স্বতন্ত্র ধরন হলো, জ্ঞান-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ব্যবহার এবং তার নিয়মিত চর্চা, যা কিনা গ্রামীণ সংস্কৃতিতে অনুপস্থিত। আবার গ্রামের মানুষের চেয়ে নগরের মানুষের মধ্যে আন্তরিকতা খুব কম থাকে। নাগরিক জীবনের অর্থনীতি পুরোটাই শিল্প, বাণিজ্য ও চাকরির ওপর নির্ভর করে। পক্ষান্তরে, গ্রামীণ অর্থনীতি মূলত কৃষিনির্ভর। এছাড়া বাংলাদেশের গ্রাম্য রাজনীতি অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ব্যক্তি ও গোষ্ঠীস্বার্থ কেন্দ্রিক। অন্যদিকে নগরের রাজনীতি মূলত রাজনৈতিক দলকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়। এর পাশাপাশি নগরের মানুষের মধ্যে ধর্মনিরপেক্ষতা এবং গ্রামের মানুষের মধ্যে ধর্মভীরুতা লক্ষণীয়। তাছাড়া নগরে মর্যাদা অর্জিত, আর গ্রামে মর্যাদা আরোপিত। অর্থাৎ নগরে বংশানুক্রমে মর্যাদার চেয়ে শিক্ষা, সম্পত্তি কিংবা রাজনৈতিক যোগাযোগের মাধ্যমে অর্জিত মর্যাদার গুরুত্ব অনেক বেশি।

উপরের আলোচনা থেকে একথা স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয় যে, ধারণাগত দিক থেকে নগর ও গ্রামীণ সংস্কৃতি এক হলেও বৈশিষ্ট্যগত দিক থেকে উভয় সংস্কৃতির মধ্যে মৌলিক পার্থক্য বিদ্যমান।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
260

Related Question

View All
উত্তরঃ

 বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে খননকাজ থেকে পাওয়া হাতিয়ার, তীর- ধনুক, ঘরবাড়ি, স্থাপত্য, তৈজসপত্র ইত্যাদি হলো প্রত্নতত্ত্বের উৎস।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.1k
উত্তরঃ

সমাজবিজ্ঞান একটি মূল্যবোধ নিরপেক্ষ বিজ্ঞান। 

সমাজ সংস্কার বা রূপায়নে মূল্যবোধ নিরপেক্ষতা বজায় রাখা সম্ভব না হলেও সমাজ গবেষণায় এই নিরপেক্ষতা বজায় রাখা সম্ভব। আর সমাজবিজ্ঞান এ কাজটি করে যাচ্ছে। সমাজের প্রত্যেকটি বিষয় গবেষণার ক্ষেত্রে সমাজবিজ্ঞান সর্বপ্রকার পক্ষপাতিত্ব থেকে দূরে সরে গবেষণা করে। এখানে বিন্দু মাত্র প্রভাবিত হওয়ার উপায় নাই। এ কারণে সমাজবিজ্ঞানকে একটি মূল্যবোধ নিরপেক্ষ বিজ্ঞান বলে অভিহিত করা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.2k
উত্তরঃ

উদ্দীপকে সামাজিক বিজ্ঞানের অন্যতম কনিষ্ঠ শাখা সমাজবিজ্ঞান বিষয়ের বিকাশধারা ফুটে উঠেছে। 

১৯১৭ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে তৎকালীন ভারতীয় উপমহাদেশ তথা বৃহৎ বঙ্গে সমাজবিজ্ঞানের প্রাতিষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। সে সময় স্বতন্ত্র বিষয় হিসেবে নয়, বরং অর্থনীতি বিভাগের এম. এ. কোর্সের একটি পত্র হিসেবে সমাজবিজ্ঞানের অধ্যয়ন শুরু হয়। পরবর্তী সময়ে ১৯২১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হলে বর্তমান বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞান চর্চার নতুন দ্বার উন্মোচিত হয়। প্রাথমিক পর্যায়ে ১৯২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষ থেকে দর্শন বিভাগে এম. এ. কোর্সের পাঠ্যসূচি হিসেবে 'Ethics and Sociology' নামে সমাজবিজ্ঞানের পঠন-পাঠন শুরু হয়। পরবর্তী সময়ে ১৯৩৯- ৪০ শিক্ষাবর্ষে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিষয়ের আওতায় 'Elements of Sociology' শিরোনামে সমাজবিজ্ঞান-এর কিছু বিষয় পড়ানো হয়। এরপর ইউনেস্কো ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে ১৯৫৭- ৫৮ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজবিজ্ঞান সর্বপ্রথম একটি স্বতন্ত্র বিভাগ হিসেবে যাত্রা শুরু করে। উল্লেখ্য, স্বতন্ত্র বিভাগ হিসেবে সমাজবিজ্ঞানের আত্মপ্রকাশের ক্ষেত্রে অধ্যাপক অজিত কুমার সেন ও ড. এ. কে. নাজমুল করিমের অবদান অপরিসীম।

উদ্দীপকে বলা হয়েছে, প্রশাসনিক প্রয়োজনে ব্রিটিশদের উদ্যোগে রচিত বিভিন্ন রচনা এবং এ অঞ্চলের বুদ্ধিজীবীদের নানা প্রকাশনার ওপর ভিত্তি করে ১৯১৭ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে সামাজিক বিজ্ঞানের অন্তর্ভুক্ত নতুন একটি বিষয়ের অধ্যয়ন শুরু হয়, যা মূলত সমাজবিজ্ঞান বিষয়ের বিকাশধারাকেই নির্দেশ করে।

উপরের আলোচনার পরিসমাপ্তিতে বলা যায় যে, সমাজবিজ্ঞানের উদ্ভব হঠাৎ করেই হয়নি, বরং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিবর্গের একান্ত প্রচেষ্টায় শাস্ত্রটি উপমহাদেশে বিকাশ লাভ করেছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
557
উত্তরঃ

উদ্দীপকে নির্দেশিত সমাজবিজ্ঞান বিষয়ের অগ্রগতি মন্থর হওয়াকে সমাজবিজ্ঞানের সাংস্কৃতিক ব্যবধান তত্ত্ব দিয়ে ব্যাখ্যা করা যাবে বলে আমি মনে করি। 

সাংস্কৃতিক ব্যবধান তত্ত্বটি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, সংস্কৃতির দুটি ধরনের (বস্তুগত ও অবস্তুগত) মধ্যে একটি কোনো এক সময়ে অন্যটি থেকে দ্রুত পরিবর্তন হওয়ার ফলে অসামঞ্জস্যতা দেখা দেয়। এক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়া অংশটিকে অগ্রসর অংশটির সাথে খাপ খাওয়ানোর জন্য চেষ্টা চালিয়ে যেতে হয়। সংস্কৃতির এক অংশের পিছিয়ে পড়া এবং সেই অংশের তা কাটিয়ে ওঠার প্রবণতাই হচ্ছে সাংস্কৃতিক ব্যবধান। আমেরিকান সমাজবিজ্ঞানী অগবার্ন তার 'Social Change' গ্রন্থে এ তত্ত্ব প্রদান করতে গিয়ে বলেন, "সংস্কৃতির দুটি দিক আছে। একটি স্বাধীন এবং অন্যটি নির্ভরশীল।" অগবার্নের মতে সংস্কৃতির স্বাধীন দিকটি নির্ভরশীল দিকটিকে পিছনে ফেলে দেয় এবং সেই নির্ভরশীল দিকটিকে তখন সামঞ্জস্য বিধানের জন্য তৎপর হতে হয়। তিনি উদাহরণ দিয়ে দেখান যে, মোটরগাড়ি হচ্ছে স্বাধীন সংস্কৃতি আর রাস্তা হচ্ছে নির্ভরশীল সংস্কৃতি। মোটরগাড়ি বেড়ে যাবার ফলে রাস্তায় যানজট হয় এবং এ অসামঞ্জস্যতা দূরীকরণে রাস্তা প্রশস্তকরণ প্রয়োজন হয়ে পড়ে। ঠিক তেমনি সময়ের পরিক্রমায় সমাজবিজ্ঞানের পরিধি, আলোচনা ব্যাপক থেকে ব্যাপকতর হতে থাকে। কিন্তু সমাজবিজ্ঞানের জন্য অভিজ্ঞ শিক্ষক, কার্যকর সিলেবাস প্রণয়ন, প্রশাসকদের অনাগ্রহ ইত্যাদি কারণে সমাজবিজ্ঞান বিষয়ের অগ্রগতি মন্থর হয়ে পড়েছিল। পূর্বোক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, সমাজবিজ্ঞান বিষয়টির অগ্রগতি মন্থর হওয়া সাংস্কৃতিক ব্যবধান তত্ত্বের প্রয়োগকে নির্দেশ করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
256
উত্তরঃ

নৃতাত্ত্বিক বিচারে চাকমারা মঙ্গোলীয় জনগোষ্ঠীর লোক। স্যার রিজলের মতে, চাকমাদের দেহে ৮৪.৫% মঙ্গোলীয় বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এদের মুখমণ্ডল গোলাকার, ঠোঁট পাতলা, চুল সোজা, চোখের মণি ও চুলের রং কালো, দেহ প্রায় কেশহীন, দাড়ি-গোঁফ কম। উচ্চতায় তারা মাঝারি ধরনের এবং সুঠাম দেহের অধিকারী।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
434
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews