'রমনা' ব্যাংক দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সম্প্রতি দেশে নগদ অর্থের প্রবাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় রমনা ব্যাংক তার নিয়ন্ত্রণাধীন ব্যাংকগুলোকে গাড়ি, ফ্রিজ, টিভি, আসবাবপত্র প্রভৃতি ক্রয়ের জন্য প্রদত্ত ঋণের কিস্তির সংখ্যা হ্রাস করার নির্দেশনা দেয়। এছাড়া উচ্চ সুদের হারে ট্রেজারি বিল, বন্ড, ঋণপত্র প্রভৃতি বিক্রয়ের ঘোষণা দেন। 

Updated: 1 year ago
উত্তরঃ

BEFTN-এর পূর্ণরূপ হলো Bangladesh Electronic Fund Transfer Network !

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

কেন্দ্রীয় ব্যাংক ঋণ নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে খোলাবাজারে বন্ড, সিকিউরিটিজ, বিল, শেয়ার, ডিবেঞ্চার ইত্যাদি কেনা-বেচা করাকে খোলাবাজার নীতি বলে।

বাজারে অর্থের সরবরাহ বেশি হলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক খোলাবাজারে জনগণকে শেয়ার, বন্ড, সিকিউরিটিজ ইত্যাদি কেনার আহ্বান জানায়। আবার অর্থ সরবরাহ কম হলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক জনগণের কাছ থেকে শেয়ার, বন্ড, সিকিউরিটিজ ইত্যাদি ক্রয় করে। এতে ঋণের প্রবাহ সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

'রমনা' ব্যাংক হলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

জনকল্যাণের উদ্দেশ্যে ও সরকারি নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এটি দেশের ব্যাংক ব্যবস্থা ও মুদ্রা বাজার নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। এ ব্যাংক বাজারে অর্থের সরবরাহ কাম্য স্তরে রাখতে বিভিন্ন ঋণনীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করে থাকে। এটি প্রতিটি দেশের প্রধান ব্যাংক।

উদ্দীপকে 'রমনা' ব্যাংক দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। দেশে নগদ প্রবাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় ব্যাংকটি তার নিয়ন্ত্রণাধীন ব্যাংকগুলোকে ভোগ্যপণ্য ক্রয়ের জন্য প্রদত্ত ঋণের কিস্তির সংখ্যা হ্রাসের নির্দেশনা দেয়। এছাড়াও উচ্চ সুদের হারে ট্রেজারি বিল, বন্ড, ঋণপত্র ইত্যাদি বিক্রয়ের ঘোষণা দেয়। এখানে 'রমনা' ব্যাংকের ব্যবহৃত কৌশলগুলো ঋণ নিয়ন্ত্রণের হাতিয়ার। আর কোনো দেশে ঋণ নিয়ন্ত্রণের একমাত্র ক্ষমতা থাকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ওপর। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের 'রমনা' ব্যাংক হলো একটি কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

দ্রুততার সাথে অর্থের নগদ প্রবাহ নিয়ন্ত্রণের জন্য উদ্দীপকের ভোগ্য পণ্য নিয়ন্ত্রণ ও খোলাবাজার নীতির মধ্যে খোলাবাজার নীতি অধিকতর উপযোগী।

গ্রাহকরা ভোগ্যপণ্য ক্রয়ের জন্য বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ঋণ গ্রহণ করে। এক্ষেত্রে ঋণের কিস্তির পরিমাণ হ্রাস-বৃদ্ধি করে ঋণ নিয়ন্ত্রণ করা হয়। আবার কেন্দ্রীয় ব্যাংক সরাসরি খোলাবাজারে ট্রেজারি বন্ড, ঋণপত্র ও বিল বিক্রয় করেও ঋণ নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।

উদ্দীপকে 'রমনা' ব্যাংক দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষা করে। দেশের নগদ প্রবাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় ব্যাংকটি তা নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ নেয়। প্রথমত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো গাড়ি, ফ্রিজ, টিভি, আসবাবপত্র প্রভৃতি ক্রয়ের জন্য প্রদত্ত ঋণের কিস্তির সংখ্যা হ্রাস করার নির্দেশনা দেয়। এছাড়াও উচ্চ সুদের হারে ট্রেজারি বিল, বন্ড ও ঋণপত্র বিক্রয়ের ঘোষণা দেয়।

উদ্দীপকে 'রমনা' ব্যাংক প্রথমত যোগ্য ঋণ নিয়ন্ত্রণ করার পদক্ষেপ নেয়। কারণ কিস্তির সংখ্যা হ্রাস পেলে মানুষ এ ঋণ কম গ্রহণ করবে। কিন্তু এ নীতি তেমন ফলপ্রসু নয়। কারণ এতে বাণিজ্যিক ব্যাংকের ঋণদান ক্ষমতার পরিবর্তন হবে না। পরবর্তীতে ব্যাংকটি বাজারে উচ্চ সুদের হারে ট্রেজারি বিল, বন্ড ও ঋণপত্র বিক্রয় করে। ফলে আবশ্যিক ভাবে অর্থ বাণিজ্যিক ব্যাংক হতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে যাবে। এতে বাণিজ্যিক ব্যাংকের ঋণদান ক্ষমতা হ্রাস পাবে। যার কারণে বাজারেও ঋণ সরবরাহ হ্রাস পাবে এবং দেশে অর্থ প্রবাহ নিয়ন্ত্রণে আসবে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের দুইটি কৌশলের মধ্যে খোলাবাজার নীতি অধিকতর উপযোগী।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
121

Related Question

View All
উত্তরঃ

তালিকাভুক্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে নগদে ও অংশবিশেষ বন্ড, সিকিউরিটিজ কিনে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা রাখার বিধানকে বিধিবদ্ধ তারল্য অনুপাত হার বা Statutory Liquidity Ratio (SLR) বলে। বর্তমানে SLR-এর হার ১৩%।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
427
উত্তরঃ

কেন্দ্রীয় ব্যাংককে ঋণের শেষ আশ্রয়স্থল বলা হয়।
তালিকাভুক্ত ব্যাংকসমূহ যেকোনো কারণেই তারল্য সংকটে 'বা আর্থিক সংকটে পড়তে পারে। এ সময় ব্যাংকগুলো অন্য কোনো উৎস থেকে অর্থ সংগ্রহে ব্যর্থ হলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ঋণ সরবরাহে এগিয়ে আসে। এক্ষেত্রে এই ব্যাংক ঋণদানের শেষ আশ্রয়স্থল হিসেবে কাজ করে। এছাড়াও ব্যাংক বাণিজ্যিক হুন্ডি, প্রতিজ্ঞাপত্র ইত্যাদি পুনঃবাট্টা করে ঋণ দেয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
291
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিকাশঘর নামক বিশেষ কক্ষের কথা উল্লেখ রয়েছে।

বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহের মধ্যকার আন্তঃব্যাংকিং দেনা-পাওনা নিষ্পত্তির স্থান হলো নিকাশঘর। এটি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়। সদস্য ব্যাংকগুলো প্রতি কার্যদিবসে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এ সেবার মাধ্যমে তাদের দেনা-পাওনা নিষ্পত্তি করে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক মূলত আন্তঃব্যাংকিং নিকাশঘর পরিচালনা করে।

উদ্দীপকে বাংলাদেশ ব্যাংক হলো মুদ্রাবাজারের অভিভাবক। এই ব্যাংকের একটি বিশেষ কক্ষ রয়েছে। উক্ত কক্ষে তালিকাভুক্ত ব্যাংকসমূহের পারস্পরিক দেনা-পাওনা নিষ্পত্তি করা হয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই বিশেষ কক্ষ হলো নিকাশঘর। এখানে সদস্য ব্যাংকগুলো প্রতি কার্য দিবসে তাদের দেনা-পাওনার বিবরণী নিয়ে উপস্থিত হয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংক সবার দেনা ও পাওনা সমন্বয় করে। ফলে খুব সহজেই ব্যাংকগুলো অন্য ব্যাংকের চেক, বিল, ড্রাফট ইত্যাদি নিষ্পত্তি করতে পারে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিকাশঘরের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
243
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বাংলাদেশ ব্যাংক মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যাংক হার 'নীতি ও জমার হার পরিবর্তন নীতি গ্রহণ করেছে।

ব্যাংক ঋণের হার হ্রাস-বৃদ্ধি করে ঋণ নিয়ন্ত্রণ করার কৌশল হলো ব্যাংক হার নীতি। কেন্দ্রীয় ব্যাংক মুদ্রাস্ফীতি প্রতিরোধে ব্যাংক হার বৃদ্ধি করে। আবার, প্রতিটি তালিকাভুক্ত ব্যাংক আমানতের একটি অংশ কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা রাখে। এ হার হ্রাস-বৃদ্ধি করে ঋণ নিয়ন্ত্রণ করাই হলো জমার হার পরিবর্তন নীতি।

উদ্দীপকে বাংলাদেশ ব্যাংক মুদ্রাবাজার নিয়ন্ত্রণ ও আন্তঃব্যাংকিং দেনা-পাওনা নিষ্পত্তি করে। সম্প্রতি দেশে মুদ্রাস্ফীতি দেখা দেয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংকটি তার সুদের হার ৫% থেকে ৬%-এ উন্নীত করে। তবুও মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। তাই বাংলাদেশ ব্যাংক CRR বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেয়। প্রতিটি তালিকাভুক্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক যে হারে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছ থেকে ঋণ গ্রহণ করে তাই ব্যাংক হার। উদ্দীপকে প্রথমত ব্যাংক হার বৃদ্ধি করা হয়। ফলে বাণিজ্যিক ব্যাংক কম ঋণ গ্রহণ করবে এবং বাজারে অর্থের সরবরাহ হ্রাস পাবে। কিন্তু ব্যাংকগুলো যদি আর্থিকভাবে স্বচ্ছল হয় তাহলে এ নীতি তেমন কার্যকর হয় না। আবার প্রতিটি তালিকাভুক্ত বাণিজ্যিক ব্যাংককে আমানতের একটি অংশ বাধ্যতামূলকভাবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা রাখতে হয়। এই হারকে জমার হার বলা হয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ হার বৃদ্ধি করলে ব্যাংকের ঋণদান ক্ষমতা হ্রাস পায়। ফলে বাজারে ঋণ সরবরাহও হ্রাস পায়। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের ব্যাংক হার নীতি ও জমার হার পরিবর্তন নীতির মধ্যে জমার হার পরিবর্তন নীতি অধিক কার্যকর।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
229
উত্তরঃ

বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো যে সুদের হারে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছ থেকে ঋণ নেয় বা প্রথম শ্রেণির বিল বা সিকিউরিটিজ বাট্টা করে, সেই হারকে ব্যাংক হার বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
453
উত্তরঃ

কেন্দ্রীয় ব্যাংক ঋণ নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে খোলাবাজারে বন্ড, সিকিউরিটিজ, বিল, শেয়ার, ডিবেঞ্চার ইত্যাদি কেনা-বেচা করাকে খোলাবাজার নীতি বলে।

বাজারে অর্থের সরবরাহ বেশি হলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক খোলাবাজারে জনগণকে শেয়ার, বন্ড, সিকিউরিটিজ ইত্যাদি কেনার আহ্বান জানায়। আবার অর্থ সরবরাহ কম হলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক জনগণের কাছ থেকে শেয়ার, বন্ড, সিকিউরিটিজ ইত্যাদি ক্রয় করে। এতে ঋণের প্রবাহ সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
721
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews