রহমতগঞ্জ এলাকার প্রায় সবাই ধনী। প্রতিবারের মতো এবারও কুরবানির সময় ঘনিয়ে আসছে। তাদের মধ্যে কুরবানির আমেজও জমে উঠল। কিছু ব্যক্তি গরিব বিধায় কুরবানি দিবে না। কিন্তু সন্তান-সন্ততি, স্ত্রী, পরিবার-পরিজনের কথা বিবেচনা করে আব্দুল মতিন কুরবানি দিতে মনস্থ করল। বিভিন্ন দিক থেকে ধারকর্জ করে কুরবানি প্রদান করেন।

Updated: 8 months ago
উত্তরঃ

কুরবানির মাধ্যমে হযরত ইবরাহিম (আ.) ও হযরত ইসমাইল (আ.)-এর অতুলনীয় ত্যাগের স্মৃতি বহন করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

কুরবানি বলতে শুধু গরু, ছাগল, মহিষ, দুম্বা ইত্যাদি জবাই করা বোঝায় না। বরং এর দ্বায়া আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টি অর্জন বোঝায়। কুরবানি আল্লাহর নবি হযরত ইবরাহিম (আ.) ও হযরত ইসমাইল (আ.)-এর অতুলনীয় ত্যাগের স্মৃতি বহন করে। এর মাধ্যমে মুসলমানগণ ঘোষণা করেন যে, তাদের কাছে নিজ জানমাল অপেক্ষা আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের মূল্য অনেক বেশি। তারা পশুর গলায় ছুরি চালিয়ে রক্ত প্রবাহিত করে আল্লাহর শপথ করে বলে, "হে আল্লাহ! তোমার সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য যেভাবে পশুর রক্ত প্রবাহিত করছি, প্রয়োজনে আমাদের শরীরের রক্ত প্রবাহিত করতেও কুণ্ঠিত হব না।"

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

আব্দুল মতিনের ধারণা পুরাপুরি ভুল। কারণ কুরবানি বলতে শুধু গরু, ছাগল, মহিষ, দুম্বা ইত্যাদি জবাই করা বোঝায় না। বরং এর দ্বারা আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টি অর্জন বোঝায়।
পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহ তায়ালা বলেন, "কখনো আল্লাহর নিকট পৌছায় না এগুলোর গোশত এবং রক্ত বরং পৌছায় তোমাদের তাকওয়া।" (সূরা আল-হাজ্জ ৩৭) কে, কত টাকা খরচ করে পশু ক্রয় করেছে, কার পশু কত মোটা তাজা, কত সুন্দর আল্লাহ তা  দেখতে চান না। তিনি দেখত চান কার অন্তরে কতটুকু আল্লাহর ভালোবাসা ও তাকওয়া আছে। একজন মুসলমানের কাছে নিজের জানমালের অপেক্ষায় আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন অনেক বেশি মূল্যবান।
উদ্দীপকের আব্দুল মতিনের ধারণাটি সম্পূর্ণ ভুল। কারণ তিনি চেয়েছেন পরিবার, পরিজন, সন্তান-সন্ততির জন্য কুরবানি দিতে। এর মাধ্যমে তিনি কুরবানির গোশত খাওয়ার মনস্থ করেছেন। আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য নয়। যদি তিনি আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য কুরবানি দিতেন তাহলে তিনি আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করতে পারতেন এবং গোশতও ভক্ষণ করতে পারতেন। তাই বলা যায়, আব্দুল মতিন যে ধারণা পোষণ করেছেন তা কুরবানির পরিপন্থি ও ভ্রান্ত ধারণা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

হজের সামাজিক গুরুত্ব অপরিসীম।
হজ মানুষকে সমাজ জীবনে ঐক্যবদ্ধ হয়ে মিলেমিশে থাকার শিক্ষা দেয়। সকল প্রকার সংঘাত-সংঘর্ষ, হিংসা-বিদ্বেষ, মারামারি-হানাহানি পরিহার করে চরম সহনশীল হতে মন্ত্রণা দেয়। আমরা দেখতে পাই, লক্ষ লক্ষ হাজি বছরের প্রায় একমাস একত্রে বসবাস করেন, এসময় তারা তাদের সামাজিক ক্রিয়াদি সম্পন্ন করেন, কিন্তু কারও সাথে বিন্দুমাত্র বিভেদ হয় না। কোন হাজি অদ্যাবধি কোন বিচারালয়ে অন্য হাজির বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেননি। সুতরাং হজ মানুষকে নির্বিবাদে ও পরম শান্তিতে সমাজবদ্ধ হয়ে বসবাসের দীক্ষা দেয়। হজের অন্যতম রুকন হলো কুরবানি। কুরবানির উদ্দেশ্য হলো আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন। তেমনি মানবসেবা ও আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের আরেকটি উপায়। সমাজজীবনে আমরা যদি পরস্পর পরস্পরের সেবায় সচেষ্ট হই, বিশেষত মানবতাবাদী হই, তাহলে সমাজও সুন্দর হয়। আমরা হজের কুরবানির মাধ্যমে এ মানবতাবাদী বা মানবদরদি হওয়ার শিক্ষা পাই, যা সমাজজীবনেরই একটি অংশ।
উদ্দীপকে বর্ণিত হয়েছে, রহমতগঞ্জ এলাকার প্রায় সবাই ধনী। প্রতিবারে মতো এবারও কুরবানির সময় ঘনিয়ে আসায় তাদের মাঝে কুরবানির আমেজ জমে উঠেছে।
এভাবে হজের কার্যাদি বিশ্লেষণ করলে আমরা সমাজজীবনে এর বিশেষ গুরুত্ব অনুধাবন করি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
55

আল্লাহ তায়ালার দাসত্ব ও আনুগত্য স্বীকার করে তাঁর আদেশ পালন ও নিষেধ বর্জন করে জীবন পরিচালনাকে ইসলামি পরিভাষায় ইবাদত বলে। ইসলাম হলো পরিপূর্ণ জীবন বিধান। ইসলামের মৌলিক পাঁচটি বিষয় যথা : কালিমা, নামায, রোযা, যাকাত ও হজ যথাযথ পালনের নাম ইবাদত । আবার মানব- জীবনের প্রতিটি কাজ ইসলামি বিধি-বিধান অনুযায়ী সম্পন্ন করাও ইবাদতের অন্তর্ভুক্ত। পৃথিবীর সকল সৃষ্টবস্তু মানুষের কল্যাণের জন্য সৃষ্টি করা হয়েছে । আর মানুষ ও জিন জাতিকে শুধু আল্লাহর ইবাদতের জন্যই সৃষ্টি করা হয়েছে।

এ অধ্যায় শেষে আমরা-
■যাকাতের ধারণা, যাকাত ফরজ হওয়ার শর্ত ও যাকাতের মাসারিফ বর্ণনা করতে পারব।
■যাকাতের অর্থনৈতিক ও সামাজিক গুরুত্ব এবং তাৎপর্য বিশ্লেষণ করতে পারব।
■হজের ধারণা, পটভূমি, তাৎপর্য, ফজিলত, ফরজ, ওয়াজিব, সুন্নাতসমূহ ও নিয়মাবলি বর্ণনা করতে পারব।
■হজ পালনের ত্রুটি এবং তা সংশোধনের উপায় বর্ণনা করতে পারব।
■সাম্য ও বিশ্বভ্রাতৃত্ব প্রতিষ্ঠায় হজের ভূমিকা ব্যাখ্যা করতে পারব।
■কুরবানির ধারণা, পটভূমি ও নিয়মাবলি বর্ণনা করতে পারব।
■বাস্তব জীবনে ত্যাগ ও উদারতা অর্জনে কুরবানির গুরুত্ব বিশ্লেষণ করতে পারব । আকিকার ধারণা ও আদায়ের নিয়ম বর্ণনা করতে পারব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

নামাজের উদ্দেশ্যে যেমন তাহরিমা বাঁধতে হয়, হজের জন্যও তেমনি ইহরাম বাঁধতে হয়। সালাতে তাকবিরে তাহরিমার পর যেমন সকল দুনিয়াবি চিন্তা বন্ধ হয়ে যায় তদ্রুপ ইহরাম বাঁধার পর দুনিয়ার বৈধ কাজ অবৈধ হয়ে যায়। শাওয়াল মাসের প্রথম তারিখ থেকে জিলহজ মাসের ৯ তারিখ পর্যন্ত যেকোনো দিন ইহরাম বাঁধা যায়। এ সময় ছাড়া অন্য সময় ইহরাম বাঁধলে হবে না।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
102
উত্তরঃ

আমিরুল সাহেবের কাজটিতে আকিকার বিষয়টি ফুটে উঠেছে।
'আকিকা' আরবি শব্দ। এর অর্থ ভাঙা, কেটে ফেলা ইত্যাদি। ইসলামি পরিভাষায় সন্তান জন্মের পর সপ্তম দিনে তার কল্যাণ কামনা করে আল্লাহর নামে কোনো হালাল গৃহপালিত পশু জবাই করাকে আকিকা বলা হয়। আকিকা করা সুন্নাত। এর মাধ্যমে আল্লাহর রহমত পাওয়া যায়। সন্তানের বিপদাপদ দূর হয়। কাজেই প্রত্যেক পিতামাতার উচিত নবজাত সন্তানের যথাসময়ে আকিকা করা। হাদিসে আছে, "প্রতিটি নবজাত সন্তান আকিকার সাথে সম্পৃক্ত তার জন্মের সপ্তম দিনে তার নামে পশু জবাই করতে হবে। তার নাম রাখা হবে, তার মাথার চুল মুন্ডন করা হবে।" (নাসায়ি)
উদ্দীপকের আমিরুল সাহেব পুত্র সুহানের জন্মের সপ্তম দিনে দুটি ছাগল জবাই করেছেন। যাকে ইসলামি শরিয়তে আকিকা বলে। এ বিষয়ে রাসুলুল্লাহ (স.) বলেন, 'ছেলে সন্তানের জন্য-দুটি ছাগল ও মেয়ে সন্তানের জন্য একটি ছাগল জবেহ করাই যথেষ্ট।' (নাসায়ি)

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
98
উত্তরঃ

খাইরুল সাহেবের কাজটিতে কুরবানি পালিত হয়েছে। আর এতে মানবজাতির জন্য ত্যাগের শিক্ষা রয়েছে।

কুরবানির সমার্থক শব্দ 'উযহিয়‍্যাহ'। এর আভিধানিক অর্থ ত্যাগ, উৎসর্গ ইত্যাদি। শরিয়তের পরিভাষায় জিলহজ মাসের ১০ তারিখ সকাল থেকে ১২ তারিখ সন্ধ্যা পর্যন্ত আল্লাহর নৈকট্য লাভের জন্য যে পশু জবাই করা হয় তাকে কুরবানি বলে। কুরবানি আল্লাহর নবি হযরত ইবরাহিম (আ.) ও হযরত ইসমাইল (আ.)-এর অতুলনীয় ত্যাগের স্মৃতি বহন করে। এর মাধ্যমে মুসলমানগণ ঘোষণা করেন যে, তাদের কাছে নিজ জানমাল অপেক্ষা আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের মূল্য অনেক বেশি।

প্রদত্ত উদ্দীপকে ইমাম সাহেব বলেন, কুরবানিতে আমাদের জন্য ত্যাগের শিক্ষা রয়েছে। কেননা কুরবানি বলতে শুধু গরু, ছাগল, মহিষ, দুম্বা ইত্যাদি জবাই করা বোঝায় না। বরং এর দ্বারা আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টি অর্জন বোঝায়।
সুতরাং কুরবানির ত্যাগের শিক্ষা আমাদেরকে পরোপকারে উৎসাহিত করবে ও মানবতাবাদী চেতনার বিকাশ ঘটাবে। যা ইমাম সাহেবের বক্তব্যে ফুটে উঠেছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
87
উত্তরঃ

রাসুলুল্লাহ (স.) নবি হওয়ার পর নিজের আকিকা নিজেই করেছিলেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
92
উত্তরঃ

যাকাতের মাধ্যমে সমাজে ধনী-দরিদ্রের মধ্যকার বিরাজমান বৈষম্য দূর হয়। আল্লাহর নির্দেশমতো যথাযথভাবে যাকাত প্রদান করলে সমাজের কোনো লোক অন্নহীন, বস্ত্রহীন, গৃহহীন থাকবে না। কেউ বিনা চিকিৎসায় কষ্ট পাবে না। সম্পদশালী ব্যক্তিদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় যাকাত ও সদকার অর্থে অভাবীদের প্রয়োজন মিটিয়েও অনেক জনহিতকর এবং কল্যাণমূলক কাজ করা যায়। বহু দরিদ্র ব্যক্তিকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তোলা যায়। যারা কর্মক্ষম তাদের উপযোগী বিভিন্ন উপকরণ দেওয়া যেতে পারে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
67
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews