রহমান সাহেব একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা। সারাদিন অফিসে কর্মব্যস্ত থাকেন। এমনকি মাঝে মাঝে অনেক রাত পর্যন্ত অফিস করতে হয়। ইদানিং তিনি খেয়াল করলেন যে তার ঘন ঘন পানির পিপাসা লাগে এবং অল্প কাজ করলেই ক্লান্তি বোধ হয়। ডাক্তারের কাছে গেলে ডাক্তার পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর বলল একমাত্র শৃঙ্খলাবোধই এর একমাত্র চিকিৎসা।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

পাকস্থলিতে ক্ষত হওয়াই হলো আলসার।

উত্তরঃ

আঁশ জাতীয় খাদ্য কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে। 

খাবার গ্রহণের কতক্ষণ পর খাদ্যের অবশিষ্টাংশ মলরূপে দেহ থেকে নিষ্কাশন হবে তা নির্ভর করে খাদ্যের প্রকৃতির ওপর। শাকসবজি ও আঁশ জাতীয় খাদ্য মল দ্রুত নিষ্কাশনে সাহায্য করে। এছাড়া এ ধরনের খাদ্য মলের পরিমাণ বৃদ্ধি করে। তাই আঁশ জাতীয় খাদ্য ও শাকসবজি বেশি খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করা যায়।

উত্তরঃ

রহমান সাহেবের রোগটি হচ্ছে ডায়াবেটিস। দেহে শর্করার ব্যবহার ঠিকমতো না হলে রক্তে শর্করার পরিমাণ স্বাভাবিকের চেয়ে বেড়ে যায়। সেই সাথে প্রসাবের সাথে শর্করা নির্গত হয়। এই অবস্থাকে ডায়াবেটিস বলে।

ডায়াবেটিস রোগের লক্ষণ হলো ঘন ঘন পিপাসা লাগে। দেহের ওজন কমতে থাকে। অল্প পরিশ্রমেই দুর্বল লাগে। এছাড়া ঘন ঘন প্রসাব হয়। উদ্দীপকে আমরা দেখতে পাই, রহমান সাহেবের ইদানিং ঘন ঘন পিপাসা লাগে। এছাড়া অল্প পরিশ্রমেই তিনি ক্লান্ত বোধ করেন। তার এ শারীরিক লক্ষণসমূহ ডায়াবেটিস রোগের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। সুতরাং বলা যায়, রহমান সাহেব ডায়াবেটিস রোগে আক্রান্ত হয়েছেন।

উত্তরঃ

শৃঙ্খলাবোধই ডায়াবেটিস রোগের একমাত্র চিকিৎসা। ডাক্তারের এ বক্তব্যটির সাথে আমি একমত। সুস্বাস্থ্য রক্ষার জন্য প্রয়োজন নিয়মতান্ত্রিক জীবনযাপন। ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে নিয়মতান্ত্রিক জীবনযাপন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তা না হলে এ রোগ নিয়ন্ত্রণ করা যায় না।

ডায়াবেটিস রোগীদের নিয়মিত ও পরিমানমতো সুষম খাদ্য গ্রহণ এবং এ সংক্রান্ত বিধি নিষেধ মেনে চলতে হয। কারণ প্রয়োজনের চেয়ে বেশি আহারে ক্যালরির পরিমাণ বেড়ে গেলে ওজন বেড়ে যায়। ডায়াবেটিস রোগীদের ওজন কম রাখা দরকার। তাই ডায়াবেটিস রোগীদের খাদ্যে ক্যালরির পরিমাণ কম থাকা ভালো। একজন সুস্থ ব্যক্তির যে পরিমাণ প্রোটিন প্রয়োজন তার থেকে একজন ডায়াবেটিস রোগীর খাদ্যে প্রোটিনের পরিমাণ সামান্য বেশি হতে হবে। খাদ্য গ্রহণের সময় রহমান সাহেবকে এ বিষয়গুলো মেনে চলতে হবে। এরূপ না হলে তার ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা যাবে না।

অনেক সময় ডায়াবেটিস রোগীদের চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ ও ইনসুলিন গ্রহণ করতে হয়। ডাক্তার যদি রহমান সাহেবকে ওষুধ ও ইনসুলিন গ্রহণ করতে বলেন তাহলে তাকে সেগুলো নিয়মিত গ্রহণ করতে হবে। রহমান সাহেবকে তার পা ও চোখের ব্যাপারে বিশেষ যত্নবান হতে হবে। প্রতিদিনের জীবনযাত্রায় তাকে যথাসম্ভব রুটিন অনুসরণ করতে হবে। নিয়মিত রক্তের গ্লুকোজ পরীক্ষা করতে হবে। পাশাপাশি চিকিৎসা গ্রহণ অব্যাহত রাখতে হবে। শারীরিক যে কোনো জরুরি অবস্থায় তাকে চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করতে হবে। পরিশেষে বলা যায়, ডায়াবেটিস রোগ সম্পূর্ণ নিরাময় করা যায় না। তবে নিয়মতান্ত্রিকভাবে জীবনযাপনের মাধ্যমে এ রোগকে নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। তাই ডাক্তারের বক্তব্যটিকে যথার্থ ও সঠিক বলা যায়।

141
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

রক্ত প্রবাহের সময় রক্তবাহী নালির ওপর যে চাপ সৃষ্টি হয় তাকে রক্তচাপ বলে।

488
উত্তরঃ

শাকসবজি ও তরল খাবার খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করা সম্ভব হয়। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার জন্য প্রচুর পরিমাণে শাকসবজি ও ফলমূল খেতে হবে। কারণ এগুলোর আঁশ কোষ্ঠ পরিষ্কারে সহায়তা করে। সুষম খাদ্যে যতটা শাকসবজি থাকা দরকার কোষ্ঠকাঠিন্য হলে তার দ্বিগুণ পরিমাণ শাকসবজি খেতে হবে। এ সময় চা-কফি বর্জন করা ভালো।

255
উত্তরঃ

জামান সাহেবের শারীরিক লক্ষণসমূহ হৃদরোগকে নির্দেশ করছে। হৃদরোগে হৃৎপিণ্ডের ধমনীর গায়ে চর্বি ও অন্যান্য স্নেহপদার্থ জমে ধমনীর ভিতরের গাত্র সরু হয়ে হয়ে যায় এবং অবরোধের সৃষ্টি করে।

ফলে স্বাভাবিক রক্ত চলাচল, অক্সিজেন সরবরাহ প্রভৃতি গুরুত্বপূর্ণ কার্যকলাপ বাধা প্রাপ্ত হয়, হৃৎপিণ্ড দুর্বল হয়ে পড়ে। হৃদপেশি নষ্ট হয় এমনকি রোগীর মৃত্যু পর্যন্ত ঘটতে পারে।

জামান সাহেবের শরীরের ওজন বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রায়ই তার বুক ধড়ফড় এবং বুকে ব্যথা করে। এ লক্ষণগুলো হৃদরোগকেই নির্দেশ করে। হৃদরোগ নানা কারণে হয়ে থাকে। মধ্যবয়সী অথবা তার বেশি বয়সে হৃদরোগ হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে। শরীরের ওজন বেশি হলে তাদের মধ্যে হৃদরোগ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। যারা শারীরিক পরিশ্রম করে না তাদের হৃদরোগ হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে। বর্তমান যুগের মানসিক চাপ হৃদরোগের আশঙ্কা অনেকাংশে বাড়িয়ে দেয়। বংশগত হৃদরোগ থাকলে এই রোগের আশঙ্কা বেড়ে যায়। যারা অধিক ধূমপান করেন তাদের মধ্যে হৃদরোগের আশঙ্কা বেশি থাকে। খাদ্যে অতিরিক্ত চর্বি জাতীয় উপাদান থাকলে হৃদরোগের আশঙ্কা বাড়ে।

246
উত্তরঃ

'সচেতনতাই পারে জামান সাহেবকে সুস্থ জীবন ফিরিয়ে দিতে' উক্তিটির সাথে আমি একমত।. সঠিকভাবে নিয়মকানুন মেনে জীবনযাপন করলে হৃদরোগ নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব। এক্ষেত্রে সচেতনতাই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। হৃদরোগের অন্যতম কারণ হলো দেহের ওজন বেড়ে যাওয়া। শারীরিক পরিশ্রম না করলেও হৃদরোগের আশঙ্কা বাড়ে। এছাড়া খাবারে চর্বি জাতীয় উপাদান হৃদরোগে আশঙ্কা বাড়িয়ে দেয়।

জামান সাহেব হাঁটাচলা কম করেন। শারীরিক পরিশ্রমও তেমন একটা করেন না। কিন্তু তিনি খেতে খুব ভালোবাসেন। এর ফলে তার শরীরের ওজনে বৃদ্ধি পেয়েছে। এ সকল কারণে তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছেন। কিন্তু তিনি যদি সচেতনভাবে জীবন যাপন করেন তাহলে তিনি সুস্থ জীবন ফিরে পেতে পারেন। তাই তাকে কতগুলো নিয়ম মেনে চলতে হবে।

জামান সাহেবকে ওজন নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। ওজন কমানোর জন্য তাকে খাদ্যে ক্যালরির পরিমাণ কমাতে হবে। চিনি, মধু, মিষ্টি জাতীয় খাদ্য বর্জন অথবা পরিমিত পরিমাণ গ্রহণ করতে হবে। শাকসবজি, লেবু জাতীয় ফল, চর্বিহীন মাংস, মাছ, ডিমের সাদা অংশ, গোটা ডিম সপ্তাহে ১-২ বার গ্রহণ করতে হবে। চর্বিযুক্ত মাংস, মাখন, মগজ, চিংড়ি মাছ, দুধের সর, আইসক্রীম, দুধের ঘন পায়ে, লবণ, ভাজা খাদ্য, পনির ইত্যাদি বর্জন করতে হবে। উদ্ভিজ্জ তেল গ্রহণ করতে হবে। এছাড়া তাকে খাদ্যে সোডিয়ামের পমিাণ নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। ওজনে নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি জামান সাহেবকে শারীরিক পরিশ্রম করতে হবে। প্রতিদিন নিয়ম করে হাঁটতে হবে। কোনো রকম মানসিক চাপ নেয়া যাবে না। নিয়মতান্ত্রিকভাবে জীবন-যাপন করলে জামান সাহেব হৃদরোগ-নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবেন। কিন্তু তিনি যদি নিয়ম মেনে না চলেন তাহলে তার স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি এমনকি মৃত্যুর সম্ভাবনা বৃদ্ধি পাবে। তাই সুস্থ জীবনের জন্য জামান সাহেবের উচিত হবে উপরিউক্ত নিয়মগুলো যথাযথভাবে মেনে চলা।

221
উত্তরঃ

আঁশ জাতীয় খাদ্য কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে। 

খাবার গ্রহণের কতক্ষণ পর খাদ্যের অবশিষ্টাংশ মলরূপে দেহ থেকে নিষ্কাশন হবে তা নির্ভর করে খাদ্যের প্রকৃতির ওপর। শাকসবজি ও আঁশ জাতীয় খাদ্য মল দ্রুত নিষ্কাশনে সাহায্য করে। এছাড়া এ ধরনের খাদ্য মলের পরিমাণ বৃদ্ধি করে। তাই আঁশ জাতীয় খাদ্য ও শাকসবজি বেশি খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করা যায়।

283
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews