রহিমা বেগমের গবাদিপশুর খামারে একটি গরু হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে। দেহে কাঁপুনি উঠে ছটফট করতে থাকে। পরে মারা যায়। মারা যাওয়ার সময় নাক, মুখ ও মলদ্বার দিয়ে ফেনাযুক্ত রক্ত বের হয়। এমতাবস্থায়, রহিমা পশু চিকিৎসককে ডাকলে তিনি গরুটিকে পর্যবেক্ষণ করে বলেন এটি একটি মারাত্মক রোগ যাতে খামারের অন্যান্য গরু আক্রান্ত হতে পারে। পশু চিকিৎসক রহিমা বেগমকে বললেন রোগ হওয়ার পূর্বেই তার প্রতিরোধ ব্যবস্থা গ্রহণ করা উত্তম।

Updated: 10 months ago
উত্তরঃ

যেসব রোগ ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া ও অন্যান্য জীবাণু দ্বারা সৃষ্ট এবং আক্রান্ত প্রাণী থেকে সুস্থ প্রাণীতে ছড়িয়ে পড়ে সেসব রোগকে সংক্রামক রোগ বলে । 

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

ব্ল‍্যাক বেঙ্গল ছাগল বাংলাদেশের নিজস্ব জাত। এ জাতের ছাগলের গায়ের রং সাধারণত কালো হয়। তবে সাদা, সাদা-কালো, খয়েরি ইত্যাদিও হতে পারে। আকারে ছোট, গায়ের লোম মসৃন ও ছোট। কান ও শিং ছোট। পূর্ণ বয়স্ক ছাগীর ওজন গড়ে ১০ কেজি এবং খাসি বা পাঠার ওজন গড়ে ১৫ কেজি। একটি ছাগী প্রতিবার ২ বা ততোধিক বাচ্চা প্রসব করে। এরা বেশ কষ্টসহিষ্ণু ও চঞ্চল প্রকৃতির হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের রহিমা বেগমের গরুর তড়কা রোগ হয়েছে যা একটি ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ। Bacillus anthracis নামক ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে তড়কা রোগ হয়ে থাকে।

বর্ষাকালে বা স্যাঁতস্যাঁতে আবহাওয়ায় এ রোগের প্রাদুর্ভাব বেশি হয়। নিম্নে এ রোগের লক্ষণ উল্লেখ করা হলো-

১. গরুর দেহের তাপমাত্রা অত্যাধিক বেড়ে যায় (১০৪০-১০৬° ফা.)। 

২. শরীর কাঁপতে থাকে, খিঁচুনি হয়, শ্বাস-প্রশ্বাস দ্রুত ও গভীর হয়। দাঁত কটমট করে। 

৩. নাক, মুখ, প্রস্রাবের সাথে ও মলদ্বার দিয়ে কালো রক্তযুক্ত ফেনা বের হয়। 

৪. পেটে খুব ব্যাথা হয় এবং পশুর পেট ফাঁপা লক্ষণ দেখা দেয়। 

৫. ঘন ঘন পাতলা মলত্যাগ করে এবং মল আলকাতরার মতো হয়। 

৬. ক্ষুধা মন্দা হয়, নাক দিয়ে মাটির ঘ্রাণ নেয়। 

৭. পশু মরার পর রক্ত জমাট বাঁধে না এবং দেহ দ্রুত পচতে থাকে। 

৮. রোগের স্থায়িত্ব আধা ঘণ্টা থেকে ৪৮ ঘণ্টা। এরপর শরীরে খিঁচুনি দিয়ে গরু মারা যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত উক্তিটি হলো, 'রোগ হওয়ার পূর্বেই তার প্রতিরোধ ব্যবস্থা গ্রহণ করা উত্তম'।

সঠিকভাবে রোগ, প্রতিরোধ ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় প্রতিবছর এদেশে বহু গবাদিপশু মারা যায়। রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা হলো ঐ ধরনের ব্যবস্থা যা রোগের জীবাণুকে সংক্রমণে বাধা দেয়।

বাংলাদেশে গবাদিপশু পালনে প্রধান অন্তরায় হচ্ছে রোগ-বালাই। গবাদিপশু রোগাক্রান্ত হলে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তা মহামারী আকার ধারণ করে এবং প্রতিকার ব্যবস্থা তেমন ফলপ্রসূ হয় না। এতে করে খামারিরা ক্ষতিগ্রস্ত হন। যথাযথ প্রতিরোধ ব্যবস্থা গ্রহণ করলে গবাদিপশু রোগমুক্ত থাকবে বা রোগের প্রতিকার ব্যবস্থার আশানুরূপ ফল পাওয়া সম্ভব হবে। এতে করে খামার মালিক বেশি লাভবান হবেন, পাশাপাশি কর্মসংস্থান বাড়বে। বাজারে চাহিদা বেশি থাকবে এবং মানুষের আমিষজাত খাদ্যের ঘাটতি পূরণ হবে। সর্বোপরি খামার লাভজনক হবে।

অতএব বলা যায়, অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হতে হলে রোগ হওয়ার পূর্বেই তার প্রতিরোধ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
300

Related Question

View All
উত্তরঃ

সাইলেজ (Silage) হলো রসালো অবস্থায় ফুল আসার পূর্বে সবুজ ও সতেজ ঘাসকে (ভুট্টা, নেপিয়ার, গিনি ইত্যাদি) কেটে টুকরা করে সেগুলো বায়ুরোধী অবস্থায় সংরক্ষণকৃত খাদ্য।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
410
উত্তরঃ

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গবাদিপশু পালন তথা গরু, মহিষ ও ছাগল পালনের প্রয়োজনীয়তা অনেক। এদেশের কৃষিখাতের আয়ের একটি বিরাট অংশ নির্ভর করে পশুসম্পদের উপর। গরু, মহিষ ও ছাগলের মাংস, দুধ, চামড়াসহ বিভিন্ন উপজাত দ্রব্যাদি যেমন- হাড়, শিং, নাড়িভুঁড়ি, গোবর ইত্যাদি অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়া কৃষিকাজ, গাড়িটানা, সেচকাজ, ঘানিটানা, ভারবহন, বিনোদন প্রভৃতি কাজে গবাদিপশুর বহুল ব্যবহার হয়। বর্তমানে বাংলাদেশের কৃষি উৎপাদনে পশুসম্পদের অবদান প্রায় ১৬.৫২%। ব্যক্তিগত ও পারিবারিক আয় বৃদ্ধির মাধ্যমে দারিদ্র্য দূরীকরণেও গবাদিপশু পালন গুরুত্বপূর্ণ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
3.4k
উত্তরঃ

রুহুল আমিনের দুগ্ধ খামারের গাভিগুলো হলো হলস্টেইন ফ্রিজিয়ান জাতের গরু। নিচে এদের বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করা হলো- 

i. দুধাল জাতের মধ্যে এরা সবচেয়ে বড় আকারের গরু। এদের গায়ের রং সাধারণত সাদা-কালো ছোপ ছোপ হয়। 

ii. মাথা লম্বাটে, সরু ও সোজা হয়। এদের কুঁজ উঁচু হয় না। 

iii. দিনে ৩০ লিটারের বেশি দুধ দেয়। দুধে চর্বির পরিমাণ ৩.৫- ৪%। 

iv. বড় আকারের গাভির ওজন ৫০০-৬০০ কেজি এবং ষাঁড়ের ওজন ৮০০-১০০০ কেজি হয়। 

V. বকনা ১৮ মাস বয়সে প্রজননক্ষম হয় এবং ৩০ মাসে বাচ্চা দেয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
513
উত্তরঃ

রুহুল আমিনের খামারের গরুগুলো ক্ষুরা রোগে আক্রান্ত।

ক্ষুরা রোগ প্রতিরোধে ৬ মাস বয়সে পশুকে টিকা দিতে হবে। পরে প্রতি বছরে একবার করে টিকা দিতে হবে। এছাড়া সুস্থ পশুকে আক্রান্ত পশু হতে পৃথক রাখতে হবে এবং আক্রান্ত পশুর মল, রক্ত ও মৃতদেহ মাটির নিচে পুঁতে ফেলতে হবে। সর্বোপরি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও জীবাণুমুক্ত শুকনো স্থানে পশু লালন-পালনের মাধ্যমে এ রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব।

ক্ষুরা রোগ দেখা দিলে আক্রান্ত পশুকে সুস্থ পশু হতে আলাদা করে পরিষ্কার ও শুকনা জায়গায় রাখতে হবে। আক্রান্ত পশুকে কচি ঘাস ও তরল খাবার যেমন ভাতের মাড় বা জাউভাত খেতে দিতে হবে। আক্রান্ত পশুর মুখের বা পায়ের ঘা-এর চিকিৎসা করাতে হবে। মুখের ক্ষত ও জিহ্বা প্রত্যহ ২/৩ বার পটাসিয়াম পারম্যাঙ্গানেট (০.০১%) অথবা ফিটকিরি বা এলম (২%) দিয়ে ধুয়ে দিতে হবে। ৩% আইওসান সলিউসান দ্বারা ক্ষতস্থান দৈনিক ৩ বার করে ৩ ৫ দিন ধুয়ে দিতে হবে। অথবা মুখের ঘা-এ সোহাগার খৈ গুঁড়া করে মধু বা ঝোলাগুড়ের -সাথে মিশিয়ে লাগাতে হবে। আইওসান দ্বারা ধোয়ার পরপরই ক্ষতস্থানে এন্টিবায়োটিক পাউডার লাগিয়ে অথবা পায়ের ক্ষত স্থানে তুঁতে (১%) অথবা সোডিয়াম বাইকার্বোনেট (২%) অথবা পটাসিয়াম পারম্যাঙ্গানেট (০.০১%) সলিউশন দিয়ে ধুয়ে দিতে হবে। এরপর | গন্ধকের গুঁড়া বা সালফানিলামাইড পাউডার দিনে ২-৩ বার লাগাতে হবে। নারিকেল তেল ও তারপিন তেল ৪:১ অনুপাতে মিশিয়ে ঘা-এ লাগাতে হবে যাতে ক্ষতস্থানে মাছি না পড়ে। প্রাণিচিকিৎসকের পরামর্শে উপরোক্ত ব্যবস্থাসমূহ গ্রহণ করে রুহুল আমিন তার খামারে ক্ষুরারোগ প্রতিরোধ ও প্রতিকার করতে পারেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
438
উত্তরঃ

সুষম খাদ্য বলতে যে খাদ্যে সকল খাদ্য উপাদান সুনির্দিষ্ট পরিমাণে বা অনুপাতে থাকে সে খাদ্যকে বোঝায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
395
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews