রহিম খুবই মেধাবী ছাত্র। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত সে বুয়েটে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি। ফলে সে মানসিকভাবে খুবই অস্বস্তিবোধ করছে। তার বড় ভাই মিজান একজন বেসরকারি চাকুরিজীবী। তাকে অফিসে প্রচুর কাজ করতে হয়। ফলে সে প্রায়ই মাথাব্যথা, ক্লান্তি, অমনোযোগ ও ধৈর্যহীনতায় ভোগে।

Updated: 2 months ago
উত্তরঃ

প্রত্যাশিত বস্তু লাভে ব্যর্থ হওয়ার ফলে ব্যক্তির মানসিক অবস্থার যে বিপর্যয় ঘটে তাকে হতাশা বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

আত্মরক্ষার কৌশল হিসেবে সঙ্গতি বিধানের চরমতম ও নিকৃষ্টতম কৌশল হলো অবদমন।
তীব্র মানসিক চাপের ফলে ব্যক্তির মনের ইচ্ছাগুলো বা অসামাজিক ও নীতিবিরোধী কাজগুলো ব্যক্তির নিজের কাছেই গ্রহণযোগ্য হয় না বা তার দ্বারা ব্যক্তির তৃপ্তি সাধন হয় না। এ ধরনের অগ্রহণযোগ্য কামনা-বাসনাকে ব্যক্তি স্বভাবতই জোরপূর্বক ভুলে থাকে বা অচেতন মনে দাবিয়ে রাখে। ব্যক্তির এই জোরপূর্বক ভুলে থাকা বা দাবিয়ে রাখার কাজটিকে অবদমন বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

দৃশ্যকল্প-১ এ চিত্র "A" দ্বারা হতাশাকে নির্দেশ করা হয়।
হতাশা একটি নেতিবাচক মানসিক অবস্থা। কোনো কাজে সফলতা লাভের সম্ভাবনার অভাবে এর মানসিক আপাতস্থায়ী নিরাশার অনুভূতিই হলো হতাশা। হতাশার উৎসকে তিনটি প্রধান ভাগে ভাগ করা হয়। যথা- পরিবেশত, ব্যক্তিগত এবং দ্বন্দ্ব। পরিবেশগত প্রতিবন্ধকতার কারণে লক্ষ্য অর্জনে বাধা সৃষ্টি হতে পারে এবং এর ফলে ব্যক্তি হতাশাগ্রস্ত হতে পারে। যেমন- সমাজের বিভিন্ন রীতি-নীতি ও বর্ণ-বৈষম্য, দরিদ্রতা এবং বিভিন্ন প্রাকৃতিক কারণে ব্যক্তি হতাশ হতে পারে। হতাশার দ্বিতীয় উৎস হলো ব্যক্তিগত। শারীরিক বিকৃতি, পঙ্গুত্ব, কুৎসিত চেহারা, অন্ধত্ব, বধিরতা প্রভৃতি ব্যক্তিগত ত্রুটি লক্ষ্য অর্জনে বাধা দিলে হতাশার সৃষ্টি হয়। এছাড়া লম্বায় খুবই খাটো, কৃশতা, মানসিক অক্ষমতা প্রভৃতিও হতাশার ব্যক্তিগত উৎস। হতাশার আরেকটি উৎস হলো দ্বন্দ্ব। দুটি সমান শক্তিশালী প্রেষণা যখন একইসাথে উপস্থিত হয়। তখন আমরা দ্বন্দ্বের সম্মুখীন হই। দ্বন্দ্বের 'সার্থক সমাধানে ব্যর্থ হলেই হতাশার সৃষ্টি হয়।
তাই বলা যায়, চিত্র 'A' তে হতাশার বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান যা ব‍্যক্তিকে লক্ষ্যবস্তু অর্জনে বাধা প্রদান করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

মিজানের ক্ষেত্রে কর্মভারের প্রভাব পরিলক্ষিত হয় যা কতগুলো কৌশল অবলম্বনের মাধ্যমে সমাধান করা যায়।
কর্মভার দক্ষতা ও উৎপাদনকে স্থবির করে। তাই এ সমস্যা সমাধানে নিম্নোক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন-
কর্মক্ষেত্রের প্রাকৃতিক পরিবেশের উন্নয়ন; কর্মক্ষেত্রে আলো, বায়ু-চলাচল, তাপমাত্রা প্রভৃতি প্রাকৃতিক পরিবেশের উন্নয়ন করতে হবে। অপর্যাপ্ত আলো দৃষ্টিগত অস্বস্তি ও ক্লান্তি ঘটায়। বায়ু চলাচল বাধাগ্রস্ত হলে অক্সিজেন হ্রাস পায়। ফলে কর্মীদের মধ্যে অস্বস্তি সৃষ্টি হয় এবং স্বাস্থ্যের ক্ষতি হয়। তাই কর্মক্ষেত্রের প্রাকৃতিক পরিবেশের উন্নয়ন হলে কর্মভার নিরসন হবে। সঠিক কর্মানুসূচি ও কার্যবিরতির ব্যবস্থা করা: সাধারণত মনে করা হয়, উৎপাদন বাড়াতে কর্মঘণ্টা বাড়াতে হয়। কিন্তু দেখা যায়, কর্মঘন্টা হ্রাস করলে উৎপাদন বাড়ে। এছাড়া কর্মক্লান্তি দূর করা এবং কর্মক্ষমতা সংরক্ষণের জন্য কর্মবিরতির প্রয়োজন। কর্মঘণ্টা কমানো এবং কর্মবিরতির পাশাপাশি পরিকল্পিত পালাক্রমিক কাজের মাধ্যমে কর্মভার নিরসন করা সম্ভব।
কর্ম পুনর্বিন্যাস; শিল্পক্ষেত্রে কর্ম পুনর্বিন্যাস প্রয়োজন রয়েছে। কর্মকে এমনভাবে পুনঃপরিকল্পনা করতে হবে যার ফলে কর্মীর দক্ষতা, উৎপাদন ও কর্মসন্তুষ্টি বৃদ্ধি পায়। পুনর্বিন্যাসের মাধ্যমে কর্মে একঘেয়েমি বীতস্পৃহা ও অসন্তুষ্টি হ্রাস এবং প্রেষণা ও আগ্রহ বৃদ্ধির ব্যবস্থা করা হয়।
উদ্দীপকে মিজান একজন বেসরকারী চাকুরিজীবী এবং তাকে প্রচুর কাজ করতে হয়। ফলে সে প্রায়ই মাথাব্যথা, ক্লান্তি, অমনোযোগ ও ধৈর্যহীনতায় ভোগে। তার এ সমস্যাকে মনোবিজ্ঞানের ভাষায় কর্মভার বলা হয়। কতগুলো কৌশল বাস্তবায়নের মাধ্যমে এ ধরনের সমস্যা সমাধান করা সম্ভব।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
28

Related Question

View All
উত্তরঃ

মানসিক চাপ হলো পারিপার্শ্বিক পরিবেশ বা পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে সৃষ্ট ব্যক্তির এমন এক ধরনের অবস্থা, যার দ্বারা সে মানসিক যন্ত্রণা বা পীড়নের সম্মুখীন হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
39
উত্তরঃ

ব্যক্তির অসহায়ত্বের ফলে হতাশার মতো নেতিবাচক অনুভূতি সৃষ্টি হয়। তাই অসহায়ত্ব ক্ষতিকর।
মানুষের চাহিদা পূরণের জন্য সার্বিক প্রচেষ্টা কোনো কিছু দ্বারা বাধা পেলে যে উত্তেজনার সৃষ্ট হয় তাকে হতাশা বা অসহায়ত্ব বলে। অসহায়ত্বের অবস্থায় পরিস্থিতি ব্যক্তির নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকে। ফলে ব্যক্তি পরিস্থিতির কাছে আত্মসমর্পণ করে। এরূপ পরিস্থিতিতে ব্যক্তি হতাশ হয়ে পড়ে এবং বিভিন্ন ধংসাত্মক প্রতিক্রিয়া করে থাকে। তাই অসহায়ত্বকে ক্ষতিকর মানসিক অনভূতি বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
35
উত্তরঃ

দৃশ্যকল্প-১ এ পরিলক্ষিত দ্বন্দ্বটি হলো আকর্ষণ-বিকর্ষণ দ্বন্দ্ব।
আকর্ষণ-বিকর্ষণ দ্বন্দ্বে একটি লক্ষ্যবস্তু থাকে, লক্ষ্যবস্তুটি একদিকে যেমন আকর্ষণ করে, অন্যদিকে তেমনি বিকর্ষণও করে। অর্থাৎ আকর্ষণীয় ও বর্জনীয় উভয় গুণই লক্ষ্যবস্তুতে বর্তমান থাকে। লক্ষ্যবস্তুটির আকর্ষণীয় গুণের কারণে ব্যক্তি এর দিকে অগ্রসর হয়। কিন্তু অগ্রসর হওয়ার সাথে সাথে ঋণাত্মক গুণটি বেশি শক্তিশালী হওয়ায় আবার তাকে অগ্রসর হওয়া `থেকে বিরত রাখে। ফলে ব্যক্তি হতাশ হয়ে পড়ে।
উদাহরণস্বরূপ- ভালো বেতনের একটি চাকরি পাওয়া গেছে। তবে চাকরিস্থল খাগড়াছড়ি জেলার শেষপ্রান্তে দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলে। ভালো বেতন একদিকে আকর্ষণ করছে অপরদিকে, দুর্গম অঞ্চল দূরে সরিয়ে দিচ্ছে। এরূপ একটি অবস্থাই আকর্ষণ-বিকর্ষণ দ্বন্দ্ব।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
35
উত্তরঃ

দৃশ্যকল্প-২-এ মানসিক চাপ মোকাবেলার 'অবদমন' ও 'অপব্যাখ্যান বা যুক্তিসিদ্ধকরণ' কৌশলের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে যা ভিন্ন হলেও মূলত একই শ্রেণিভুক্ত।
তীব্র মানসিক চাপের ফলে আমাদের মনের ইচ্ছাগুলো নিজেদের কাছেই গ্রহণযোগ্য হয় না বা তৃপ্তি সাধন করা সম্ভব হয় না। এ ধরনের অগ্রহণযোগ্য কামনা-বাসনাকে ব্যক্তি স্বভাবতই জোরপূর্বক ভুলে থাকে বা অবচেতন মনে দাবিয়ে রাখে। এভাবে জোরপূর্বক ভুলে থাকা বা দাবিয়ে রাখার কাজটিকে অবদমন বলে। দৃশ্যকল্প-২ এর প্রথমাংশে এরূপ সংগতি বিধানের চরমতম ও নিকৃষ্টতম কৌশলের কথা বলা হয়েছে।
দৃশ্যকল্প-২ এর শেষাংশে নিজের ব্যর্থতাকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য উদ্ভট যুক্তি স্থাপনের মাধ্যমে নিজেকে রক্ষা করার কথা বলা হয়েছে। মূলত এটা হলো ব্যর্থতার পীড়াদায়ক গ্লানি থেকে মুক্তি লাভের জন্য অপব্যাখ্যার কৌশল ব্যবহার করা। উদাহরণস্বরূপ- বেশ কিছুদিন ধরে খেলছে এমন একজন খেলোয়াড়কে যদি দলের খেলোয়াড় হিসেবে মনোনীত করা না হয় তাহলে তাকে বলতে শোনা যায় 'আরে ভাই, অনেক বয়স হয়েছে, এখন কি আর ছেলেপেলেদের সাথে খেলা আমার সাজে।' মূলত এসব ক্ষেত্রে আমরা আমাদের অক্ষমতাকে ঢাকবার জন্য দুর্বল যুক্তির আশ্রয় নিয়ে অন্যের চোখে আমাদের আত্মমর্যাদা রক্ষা করার চেষ্টা করে থাকি।
উপরের আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, উভয়ই আত্মরক্ষার কৌশল হলেও ভিন্ন। 'অবদমন' ও 'অপব্যাখ্যান

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
38
উত্তরঃ

মানসিক চাপ হলো পারিপার্শ্বিক পরিবেশ বা পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে সৃষ্ট ব্যক্তির এমন এক ধরনের অবস্থা, যার দ্বারা সে মানসিক যন্ত্রণা বা পীড়নের সম্মুখীন হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
36
উত্তরঃ

ব্যক্তির মানসিক চাপ হ্রাসে সামাজিক সহায়তা ও অনুপ্রেরণামূলক পরিবেশ প্রয়োজন।
বিভিন্ন সামাজিক কারণে মানসিক চাপ সৃষ্টি হতে পারে। যেমন-সামাজিকীকরণ প্রক্রিয়া, সামাজিক বৈষম্য, জাতিগত বিদ্বেষ, বর্ণবৈষম্য প্রভৃতি কারণে সৃষ্ট ব্যর্থতা ও উত্তেজনা। অন্যদিকে সামাজিক সহায়তা চাপ হ্রাস করে। সামাজিক নিরাপত্তা, আশ্বস্ততা ও অনুপ্রেরণা ব্যক্তির বিপর্যস্ত জীবনকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে থাকে।
তাই চাপ হ্রাসে সামাজিক সহায়তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
39
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews