ব্যাংকের প্রদত্ত ঋণ বা অগ্রিম যে হিসাবের মাধ্যমে সরবরাহ করা হয় তাকে ঋণ আমানতি হিসাব বলে।
বিমা করা থাকলে জামানত রাখা সম্পদের আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত থাকে। তাই জামানতের রক্ষাকবচ হিসেবে বিমাকে বিবেচনা করা হয়। ব্যাংক প্রদত্ত ঋণ আদায়ে ব্যর্থ হলে জামানত হিসেবে নেওয়া। সম্পদ বিক্রি করে ঋণের অর্থ আদায় করে। কিন্তু কোনো কারণে ঐ সম্পত্তি বা পণ্য হারিয়ে গেলে বা ধ্বংস হলে সেই জামানত থেকে ব্যাংক ঋণ আদায় করতে পারে না। তবে বিমা করা জামানতের ক্ষেত্রে ব্যাংক ঋণ আদায় করতে পারে। তাই জামানতের রক্ষাকবচ হলো বিমা।
উদ্দীপকে রহিম মিয়া ব্যাংকে চলতি হিসাব খুলেছেন।
এ হিসাব থেকে গ্রাহক যতবার প্রয়োজন অর্থ জমাদান ও উত্তোলন করতে পারে। এ হিসাবের গ্রাহকগণ প্রয়োজনে অতিরিক্ত উত্তোলনের সুযোগও পেয়ে থাকে। সাধারণত ব্যবসায়ীদের জন্য এই হিসাব খোলা সুবিধাজনক।
উদ্দীপকে রহিম মিয়া একজন সুনামধারী মাছ ব্যবসায়ী। তিনি সবসময় চেকের মাধ্যমে লেনদেন করেন। একজন ব্যবসায়ী হিসেবে রহিম মিয়ার যেকোনো সময় লেনদেন করার প্রয়োজন পড়ে। অর্থাৎ তিনি এমন ব্যাংক হিসাব খুলেছেন যেখানে টাকা জমা দেওয়া বা উঠানোতে কোনো বাধা নিষেধ নেই। এসব বিষয় বিবেচনা করে বলা যায়, তিনি চলতি হিসাবের মাধ্যমে লেনদেন করেন। অন্যভাবে বলা যায়, ব্যবসায়ীদের জন্য চলতি হিসাব অতিরিক্ত সুবিধা দেওয়ায় রহিম মিয়া চলতি হিসাব খুলেছেন। কারণ জমাতিরিক্ত উত্তোলনের সুযোগ শুধু চলতি হিসাবের গ্রাহকরা পেয়ে থাকেন।
উদ্দীপকে রহিম মিয়া জমাতিরিক্ত ঋণের মাধ্যমে রপ্তানির ক্ষেত্রে আর্থিক সমস্যা সমাধান করতে পারেন।
ব্যাংকে জমাকৃত অর্থের চেয়ে বেশি অর্থ উত্তোলন করা হলো ব্যাংক জমাতিরিক্ত উত্তোলন। আর এই অতিরিক্ত উত্তোলন জমাতিরিক্ত ঋণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। শুধু চলতি হিসাবের গ্রাহকদের এই ধরনের সুবিধা দেওয়া হয়।
উদ্দীপকে রহিম মিয়া মাছের ব্যবসায় করেন। এ বছর তিনি সুইডেনে মাছ রপ্তানির জন্য একটি অর্ডার পেয়েছেন। কিন্তু তার পর্যাপ্ত মূলধনের ঘাটতি আছে। তাই এ সমস্যা সমাধানে তিনি ব্যাংকের সাথে কথা বলেছেন। রহিম মিয়া ব্যাংকের চলতি হিসাবের মাধ্যমে লেনদেন করেন। চলতি হিসাবের গ্রাহক হওয়ায় তিনি জমাতিরিক্ত ঋণের সুবিধা পাবেন। কারণ এরূপ জমাতিরিক্ত ঋণের সুবিধা শুধু চলতি হিসাবের গ্রাহকরাই পেয়ে থাকেন। ফলে এর মাধ্যমে তিনি রপ্তানির আর্থিক সমস্যা সমাধান করতে পারবেন বলে আমি মনে করি।
Related Question
View Allযে ব্যবস্থার মাধ্যমে ব্যাংক তার গ্রাহককে অগ্রিম ঋণ মঞ্জুর করে, কিন্তু সরাসরি নগদে সেই টাকা উত্তোলনের অনুমতি দেয় না তাকে নগদ ঋণ বলে।
ব্যাংক অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক উৎস থেকে যে অর্থ সংগ্রহ করে তাই ব্যাংক তহবিল।
ব্যাংক একটি আর্থিক ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান। ব্যাংক ব্যবসায়ের সফলতা অর্জনে এ তহবিল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ব্যাংকের নিজস্ব অর্থ ও ধার করা অর্থের সমন্বয়ে এ তহবিল গঠিত হয়।
জনাব রানার ব্যাংক জামানতটি পণ্য বন্ধক।
ঋণগ্রহীতা জামানত হিসেবে পণ্যের দখল ঋণদাতাকে দিলে তাকে পণ্য বন্ধক বলা হয়। এক্ষেত্রে পণ্যের মালিকানা ঋণগ্রহীতার, আর দখলস্বত্ব ঋণদাতার কাছে থাকে। ঋণ পরিশোধ করলে ঋণগ্রহীতা পণ্য ফিরে পায়। অন্যথায়, ঋণদাতা তা বিক্রি করে অর্থ সংগ্রহ করে।
উদ্দীপকের জনাব রানার মোটরসাইকেল তৈরির কারখানা আছে। ব্যবসায়িক কাজে তার বড় অঙ্কের ঋণের প্রয়োজন হয়। তাই তিনি তার তৈরিকৃত মোটরসাইকেল জামানত রেখে ৪ কোটি টাকা ঋণ নেয়। পণ্য বন্ধকের ক্ষেত্রেও প্রস্তুতকৃত পণ্য জামানত রেখে ঋণ দেওয়া হয়। এক্ষেত্রে মোটরসাইকেল হলো জনাব রানার জন্য প্রস্তুতকৃত পণ্য। এটা বন্ধক রেখে সে ৪ কোটি টাকা ঋণ পায়। জনাব রানার জামানতটি পণ্য বন্ধকের সাথে সম্পূর্ণ মিলে যায়। তাই বলা যায়, জনাব রানা পণ্য বন্ধক রেখে ঋণ নিয়েছিলেন।
উদ্দীপক অনুযায়ী সমতা বন্ধক অর্থাৎ কারখানার জায়গাটির দলিল জামানত হিসেবে বেশি উপযুক্ত।
যে সম্পত্তির দলিলপত্র নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ঋণদাতা জামানত হিসেবে রাখেন, তাকে সমতা বন্ধক বলে। এক্ষেত্রে সম্পত্তির দখল ঋণগ্রহীতার কাছেই থাকে। উত্তম জামানত ব্যাংকের ঋণের বিপরীতে ক্ষতির আশঙ্কা কমায়।
উদ্দীপকে জনাব রানা ও জনাব সবুজ দুজনেরই মোটরসাইকেল তৈরির কারখানা রয়েছে। তাদের বড় অঙ্কের ঋণের প্রয়োজন। জনাব রানা তার তৈরিকৃত মোটরসাইকেল জামানত রেখে ৪ কোটি টাকা ঋণ নেয়। অন্যদিকে, জনাব সবুজ কারখানার জায়গাটির দলিল বন্ধক রেখে ৬ কোটি টাকা ঋণ নেয়। ঋণের জামানতের ক্ষেত্রে ব্যাংক কতগুলো বিষয় বিবেচনা করে। উল্লিখিত ক্ষেত্রে জামানতের মূল্যের স্থিতিশীলতা ও গ্রহণযোগ্যতা বিবেচ্য বিষয়।
জনাব রানার জামানত হলো পণ্য বন্ধক। অন্যদিকে, জনাব সবুজের জামানত হলো সমতা বন্ধক। মোটরসাইকেলের মূল্য চাহিদা অনুসারে ভিন্ন হয়। তবে জায়গার মূল্য তুলনামূলকভাবে বেশি স্থিতিশীল। আবার আইনগত দিক বিবেচনায়ও জায়গার দলিল বেশি গ্রহণযোগ্য। তাই জনাব সবুজের সমতা বন্ধক ব্যাংকের কাছে বেশি উপযুক্ত।
ব্যাংক যে হিসাবের মাধ্যমে গ্রাহককে ঋণের টাকা প্রদান করে তাকে ঋণ হিসাব বলে।
গ্রাহক সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে KYC ফর্ম গ্রাহকের লেনদেনের সচ্ছতা নিশ্চিত করে।
KYC-এর পূর্ণরূপ হলো Know Your Customer। এ ফর্মে ব্যাংক গ্রাহকের নাম, ঠিকানা, পেশা, কাজের ধরন ও অন্যান্য যাবতীয় তথ্য সংগ্রহ করে। ফলে গ্রাহক সহজে কোনো অবৈধ লেনদেন করতে পারে না। এভাবে লেনদেনের সচ্ছতা বৃদ্ধি পায়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!