একটি ঔষধী গাছের নাম হলো- বহেরা।
মানুষের মৌলিক চাহিদাগুলো সংবিধান অনুসারে খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসা ও শিক্ষা। এসবকটি মৌলিক চাহিদাই কৃষি থেকে পূরণ হয়।
গৃহপালিত পশু পালন দ্বারা বিভিন্নভাবে বেকারত্ব দূর করে আর্থিক উন্নয়ন করা যায়। যেমন-
১. গরু-মহিষের গাড়ি ব্যবহার করে কর্মসংস্থান হয়।
২. দুধ হতে বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্য যেমন- মিষ্টি, দই, ছানা, মাখন প্রস্তুতকরণে বহু লোক কাজ করছে।
৩. গরু-মহিষ দিয়ে ঘানি টানা, আখ মাড়ানোর কাজের মাধ্যমে বহু লোকের কর্মসংস্থান হচ্ছে। কাজের মাধ্য
৪. মাংস ব্যবসার মাধ্যমে প্রচুর লোকের কর্মসংস্থান হচ্ছে।
৫. চামড়া শিল্পে বহু লোকের কর্মসংস্থান হচ্ছে।
৬. চর্বি ব্যবহার করে সাবান উৎপাদন শিল্পে বহু লোক কাজ করছে।
৭. গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া বেচাকেনায় বহু লোকের কর্মসংস্থান হচ্ছে।
রহিম মিয়া নিজের গরু ও মহিষ দ্বারা হাল চাষ করেন। এছাড়া ফসল সংগ্রহ, মাড়াই কাজ ও অন্যান্য কাজেও গরু মহিষ ব্যবহার করেন। গরু ও মহিষের অনেক উপকার দেখে গ্রামের অন্যান্য কৃষকগণ বেশি বেশি গরু-মহিষ পালনে আগ্রহী হয়। গরু-মহিষের এসব উপকারী দিকগুলো নিচে তুলে ধরা হলো-
১. অল্প জমিতে গরু মহিষ দিয়ে হালচাষ করা হয়। আবাদযোগ্য জমির প্রায় ৯০ ভাগই গরু ও মহিষ দ্বারা চাষ করা হয়।
২. অধিকাংশ গ্রাম অঞ্চলে ধান, গম, কালাই ইত্যাদি ফসল মাড়াই কাজে গৃহপালিত পশু ব্যবহার করা হয়। গুড় বানানোর জন্য ও আখ মাড়াই কাজেও গরু-মহিষ ব্যবহার করা হয়।
৩. কৃষি পণ্য হাট বাজার, কল-কারখানাসহ বিভিন্ন স্থানে পরিবহনের জন্য গরু-মহিষের গাড়ি ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
৪. গরু-মহিষের মলমূত্র যথাযথভাবে পচিয়ে উন্নত মানের জৈব সারে পরিণত করা যায়।
৫. আমাদের দেশে গোবর শুকিয়ে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হয়। আবার ৪-৫টি গরুর গোবর দিয়ে বায়োগ্যাস উৎপন্ন করে পারিবারিক জ্বালানি সমস্যা সমাধান করা যায়। এর ফলে পরিবেশ দূষিত হয় না এবং জ্বালানি কাঠ ব্যবহারের ওপরও চাপ কম পড়ে।
Related Question
View Allজমিতে বেড়া ছাড়া অর্থাৎ খোলা অবস্থায় যেসব ফসল চাষ করা হয় সেগুলোকে মাঠ ফসল বলে। যেমন- ধান, গম, পাট ইত্যাদি।
মানুষের মৌলিক চাহিদাগুলো সংবিধান অনুসারে খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসা ও শিক্ষা। এ সবকটি চাহিদা পূরণ হয় কৃষি থেকে। ধান থেকে চাল, গম গাছ থেকে গম, ফলগাছ থেকে ফল খাদ্য হিসেবে পাই। পাট, তুলা ও রেশম থেকে কাপড় তৈরির সুতা পাই। কাঠ, বাঁশ, খড়, শন, গোলপান্ডা ইত্যাদি থেকে গৃহনির্মাণ সামগ্রী ও আসবাবপত্র পাই। বাঁশ, খড়, নাড়া, গবাদিপশুর বিষ্ঠা, গাছের ডালপালা ইত্যাদি জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করি। কাঠ ও আখের ছোবড়া, বাঁশ ইত্যাদি থেকে কাগজ পাই। আমলকী, হরীতকী, বহেড়া, কেশুটি, থানকুনি, বাশক ইত্যাদি থেকে ঔষধ পাওয়া যায়। আর এ সবকিছুই হলো কৃষি।
সুতরাং বলা যায়, কৃষিই মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণ করে।
চিত্র 'ক'- এর ফসলটি হলো ধান। আর ধান হলো মাঠ ফসল।
ধানকে মাঠ ফসল বলার কারণগুলো নিম্নরূপ-
১. ধান জমিতে বেড়া ছাড়া অর্থাৎ খোলা অবস্থায় চাষ করা হয়।
২. প্রতিটি গাছের আলাদাভাবে যত্ন নেওয়ার প্রয়োজন হয় না।
৩. প্রতিটি গাছের গোড়ায় আলাদাভাবে সার দিতে হয় না।
৪. প্রতিটি গাছের গোড়ায় আলাদাভাবে সেচ দিতে হয় না।
৫. চাষ করার জন্য সমতল ও নিচু জমি উত্তম।
সর্বোপরি ধান একটি দানা জাতীয় ফসল। আর দানাজাতীয় ফসল মানেই মাঠ ফসল।
চিত্র 'ক'-এর ফসলটির নাম ধান এবং চিত্র 'খ'- এর ফসলটি হলো আম। ধান হলো মাঠ ফসল অন্যদিকে আম একটি উদ্যান ফসল। কারো যদি একখণ্ড জমি থাকে তবে সে তার জমিতে বছরে তিন বার ধান চাষ করতে পারে। এর মাধ্যমে সে তার সারা বছরের খাদ্য চাহিদা মিটিয়ে অতিরিক্ত অংশ বিক্রি করে অন্যান্য চাহিদাও পূরণ করতে পারে। ধানের উৎপাদন খরচও খুব বেশি লাগে না। পক্ষান্তরে আম চাষের জন্য উঁচু জমির দরকার হয়। একটি আমগাছ লাগিয়ে তা থেকে ফলন পাওয়ার জন্য কমপক্ষে ৪-৫ বছর অপেক্ষা করতে হয়। আবার একবছর আম ধরলে পরবর্তী বছর আম নাও ধরতে পারে অথবা কম ধরবে। আম চাষে প্রতিটি গাছের আলাদা যত্ন নিতে হয় বলে গাছ প্রতি খরচও বেশি পড়ে।
সুতরাং অর্থনৈতিক বিবেচনায় আমের চেয়ে ধান বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলে আমি মনে করি।
কৃষি বিষয়ক একটি সমস্যার নাম হলো ফসলের রোগ-বালাই।
কৃষি একটি প্রযুক্তি। আর এ প্রযুক্তির সঠিক বাস্তবায়নের মাধ্যমে সর্বোচ্চ ফল লাভের জন্য অভিজ্ঞতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। একজন অভিজ্ঞ কৃষক তার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার মাধ্যমে কৃষির যেকোনো তথ্য দিতে পারেন। একজন অভিজ্ঞ কৃষকের কাছ থেকে নবীন কৃষকরা তথ্য নিয়ে তাদের সমস্যার সমাধান করেন এবং পরবর্তীতে তারাও অভিজ্ঞ হয়ে ওঠেন। আর এভাবে অভিজ্ঞ কৃষক কৃষিকে চলমান রাখেন।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
