রাইট শেয়ার ও বোনাস শেয়ারের মধ্যে পার্থক্য কী?

Updated: 2 months ago
উত্তরঃ                                                                                                                                                                                                                                                                   
পার্থক্যের বিষয়রাইট শেয়ারবোনাস শেয়ার
প্রাপকবিদ্যমান শেয়ারহোল্ডাররা যারা নতুন শেয়ার কিনতে ইচ্ছুক।শুধুমাত্র বিদ্যমান শেয়ারহোল্ডাররা, যাদের লভ্যাংশ হিসেবে শেয়ার দেওয়া হয়।
মূল্যবিদ্যমান বাজার মূল্যের চেয়ে কম মূল্যে নতুন শেয়ার কেনার সুযোগ দেওয়া হয়। শেয়ারহোল্ডারকে মূল্য পরিশোধ করতে হয়।বিনামূল্যে শেয়ারহোল্ডারদের বিতরণ করা হয়। শেয়ারহোল্ডারকে কোনো মূল্য পরিশোধ করতে হয় না।
উদ্দেশ্যমূলত কোম্পানি যখন নতুন মূলধন সংগ্রহ করতে চায়, তখন রাইট শেয়ার ইস্যু করে।লভ্যাংশ হিসেবে বিতরণ করা হয়, যা কোম্পানির সংরক্ষিত মুনাফা (Retained Earnings) থেকে আসে। নগদ লভ্যাংশ পরিশোধ এড়াতেও এটি ব্যবহার করা হয়।
শেয়ারহোল্ডিং প্যাটার্নযদি সকল শেয়ারহোল্ডার রাইট শেয়ার কেনেন, তাহলে তাদের মালিকানার অনুপাত অপরিবর্তিত থাকে।শেয়ারহোল্ডারদের মালিকানার অনুপাত অপরিবর্তিত থাকে, কারণ তাদের লভ্যাংশ হিসেবে অতিরিক্ত শেয়ার দেওয়া হয়।
পুঁজির পরিমাণরাইট শেয়ার ইস্যু করার মাধ্যমে কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন বৃদ্ধি পায় এবং নতুন তহবিল সংগ্রহ হয়।কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন বৃদ্ধি পায়, কিন্তু নতুন করে কোনো তহবিল সংগ্রহ হয় না। এটি কেবল সংরক্ষিত মুনাফা থেকে মূলধনে স্থানান্তর।
বাজার মূল্যরাইট শেয়ার ইস্যুর পর শেয়ারের বাজার মূল্য কিছুটা সমন্বয় হতে পারে, কারণ বাজারে আরও শেয়ার আসে।বোনাস শেয়ার ইস্যুর পর সাধারণত প্রতি শেয়ারের বাজার মূল্য হ্রাস পায়, কারণ মোট শেয়ার সংখ্যা বৃদ্ধি পায় কিন্তু কোম্পানির সামগ্রিক মূল্য একই থাকে।

রাইট শেয়ার এবং বোনাস শেয়ার উভয়ই বিদ্যমান শেয়ারহোল্ডারদেরকে নতুন শেয়ার ইস্যু করার একটি প্রক্রিয়া হলেও এদের মধ্যে মৌলিক পার্থক্য বিদ্যমান। রাইট শেয়ার হলো বিদ্যমান শেয়ারহোল্ডারদেরকে একটি নির্দিষ্ট মূল্যে (যা সাধারণত বাজার মূল্যের চেয়ে কম হয়) অতিরিক্ত শেয়ার কেনার সুযোগ দেওয়া, যার প্রধান উদ্দেশ্য কোম্পানির জন্য নতুন মূলধন সংগ্রহ করা। শেয়ারহোল্ডারদের এই শেয়ার কেনার জন্য অর্থ পরিশোধ করতে হয়। অন্যদিকে, বোনাস শেয়ার হলো কোম্পানির সংরক্ষিত মুনাফা থেকে বিনামূল্যে বিদ্যমান শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ হিসেবে অতিরিক্ত শেয়ার বিতরণ করা। এর মূল উদ্দেশ্য হলো নগদ লভ্যাংশ পরিশোধ এড়িয়ে কোম্পানির তারল্য বজায় রাখা এবং পরিশোধিত মূলধন বৃদ্ধি করা। বোনাস শেয়ারের ক্ষেত্রে শেয়ারহোল্ডারদের কোনো অর্থ পরিশোধ করতে হয় না।

Satt AI
Satt AI
1 day ago
40

Related Question

View All
উত্তরঃ

ব্যবসায় ঋণে ব্যয় হলো একটি প্রতিষ্ঠান কর্তৃক ঋণ বা ধার করা মূলধন ব্যবহারের জন্য যে মূল্য পরিশোধ করতে হয়, তা সাধারণত সুদের হার এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক খরচ যেমন প্রসেসিং ফি, লিগ্যাল ফি ইত্যাদি আকারে হয়ে থাকে।


ব্যবসায় ঋণের ব্যয় বলতে একটি প্রতিষ্ঠান তার ঋণদাতাদের ঋণ মূলধনের ব্যবহারের জন্য যে অর্থ প্রদান করে, তাকে বোঝায়। এটি সাধারণত সুদের হার এবং ঋণ সম্পর্কিত অন্যান্য খরচ (যেমন - প্রসেসিং ফি, লিগ্যাল ফি, ইস্যুয়েন্স খরচ ইত্যাদি) নিয়ে গঠিত। এটি প্রতিষ্ঠানের মূলধন কাঠামোর একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান এবং এর উপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক মূলধন ব্যয় (Cost of Capital) নির্ণয় করা হয়।

ব্যবসায় ঋণের ব্যয় সাধারণত দুটি ধাপে নির্ণয় করা হয়: কর-পূর্ব (Before-Tax) ঋণের ব্যয় এবং কর-পরবর্তী (After-Tax) ঋণের ব্যয়।

        
  • কর-পূর্ব ঋণের ব্যয় (Before-Tax Cost of Debt): এটি হলো ঋণের উপর প্রতিষ্ঠানকে যে প্রকৃত সুদের হার পরিশোধ করতে হয়। যদি ঋণের সাথে অতিরিক্ত কোনো খরচ জড়িত থাকে, তবে সেই খরচগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করে কার্যকর সুদের হার (Effective Interest Rate) গণনা করা হয়। সাধারণ ক্ষেত্রে, এটি ঋণের সুদের হার হিসাবে ধরা হয়। উদাহরণস্বরূপ, যদি একটি প্রতিষ্ঠান ১,০০,০০০ টাকা ঋণ নেয় এবং বছরে ১০,০০০ টাকা সুদ পরিশোধ করে, তবে কর-পূর্ব ঋণের ব্যয় হবে \(\frac{১০,০০০}{১,০০,০০০} = ১০\%\)।
  •     
  • কর-পরবর্তী ঋণের ব্যয় (After-Tax Cost of Debt): ঋণ মূলধনের ব্যয় নির্ণয়ে এটিই অধিক গুরুত্বপূর্ণ, কারণ সুদ পরিশোধের কারণে প্রতিষ্ঠানের করযোগ্য আয় হ্রাস পায় এবং এর ফলে করের পরিমাণও কমে আসে। এই কর সাশ্রয়কে সুদের ব্যয়ের একটি অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়, যা ঋণের প্রকৃত ব্যয়কে হ্রাস করে। কর-পরবর্তী ঋণের ব্যয় নিম্নলিখিত সূত্র ব্যবহার করে নির্ণয় করা হয়:         

    কর-পরবর্তী ঋণের ব্যয় = কর-পূর্ব ঋণের ব্যয় \(\times\) (১ - কর হার)

            

    উদাহরণস্বরূপ, যদি কর-পূর্ব ঋণের ব্যয় ১০% হয় এবং কর্পোরেট কর হার ৩০% হয়, তাহলে কর-পরবর্তী ঋণের ব্যয় হবে:

            

    \(১০\% \times (১ - ০.৩০) = ১০\% \times ০.৭০ = ৭\%\)

সুতরাং, ব্যবসায় ঋণের ব্যয় নির্ণয়ে কর-পরবর্তী ব্যয় বিবেচনা করা হয় কারণ এটি প্রতিষ্ঠানের প্রকৃত ব্যয় নির্দেশ করে। এই ব্যয় নির্ধারণ করার পর, এটি প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য মূলধনের উৎস (যেমন - শেয়ার মূলধন) ব্যয়ের সাথে একত্রিত করে প্রতিষ্ঠানের গড় মূলধন ব্যয় (Weighted Average Cost of Capital - WACC) গণনা করা হয়, যা বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত গ্রহণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

Satt AI
Satt AI
1 day ago
54
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews