রাইডার ধ্রুবক কাকে বলে? (জ্ঞানমূলক)

Updated: 1 month ago
উত্তরঃ রাইডার্গ ধ্রুবক হলো একটি ভৌত ধ্রুবক যা পারমাণবিক বর্ণালীর সাথে সম্পর্কিত এবং এটি হাইড্রোজেন পরমাণুর বর্ণালীর রেখাগুলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য বা তরঙ্গসংখ্যা নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয়। এর মান প্রায় 1.097 × 107 m-1

রাইডার্গ ধ্রুবক হলো বর্ণালী রসায়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধ্রুবক, যা বিজ্ঞানী জোহানেস রাইডার্গ কর্তৃক আবিষ্কৃত হয়েছে। এটি হাইড্রোজেন পরমাণুর ইলেকট্রনের এক শক্তিস্তর থেকে অন্য শক্তিস্তরে স্থানান্তরের ফলে নির্গত বা শোষিত আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য বা তরঙ্গসংখ্যাকে সম্পর্কিত করে। এই ধ্রুবকের সাহায্যে বোর মডেলের শক্তিস্তরের ধারণা আরও স্পষ্ট হয় এবং বিভিন্ন পরমাণুর বর্ণালী ব্যাখ্যায় এটি মৌলিক ভূমিকা পালন করে।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
59

Related Question

View All
উত্তরঃ

চিনি একটি প্রাকৃতিক খাদ্য সংরক্ষক কারণ এটি উচ্চ ঘনমাত্রায় খাদ্যের মধ্যে থাকা অনুজীবের বৃদ্ধি ও বংশবিস্তার রোধ করে খাদ্যকে পচন থেকে রক্ষা করে।

চিনি যখন খাদ্যদ্রব্যে উচ্চ ঘনমাত্রায় ব্যবহার করা হয়, তখন এটি অভিস্রবণ (Osmosis) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে খাদ্যবস্তু ও অনুজীবের দেহ থেকে জলীয় অংশ শুষে নেয়। ফলে অনুজীবগুলির বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় জলীয় মাধ্যম না থাকায় তারা নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে বা মারা যায়, যা খাদ্যবস্তুকে দীর্ঘ সময় ধরে সতেজ ও পচনমুক্ত রাখতে সাহায্য করে।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
44
উত্তরঃ

উদ্দীপকের মৌল Q এর ইলেকট্রন বিন্যাস হলো \( (n-1)d^6 ns^2 \)। যেহেতু \(n=4\), এর ইলেকট্রন বিন্যাস দাঁড়ায় \(3d^6 4s^2\)। এই ইলেকট্রন বিন্যাস পর্যায় সারণীর চতুর্থ পর্যায়ের d-ব্লক মৌল আয়রন (Fe) এর। আয়রনের প্রধানত দুটি জারণ অবস্থা বিদ্যমান: ফেরাস (\(+2\)) এবং ফেরিক (\(+3\))। এই দুটি জারণ অবস্থার জন্য আয়রনের ভিন্ন ভিন্ন সালফেট লবণ যেমন, ফেরাস সালফেট (\(FeSO_4\)) ও ফেরিক সালফেট (\(Fe_2(SO_4)_3\)) গঠিত হয়।

আয়নীয় যৌগের গলনাঙ্ক মূলত তাদের ল্যাটিস শক্তির উপর নির্ভরশীল। ল্যাটিস শক্তি যত বেশি হয়, আয়নীয় যৌগের গলনাঙ্ক তত বেশি হয়। ল্যাটিস শক্তি আবার আয়নের চার্জের পরিমাণ ও তাদের আকারের উপর নির্ভর করে। আয়নের চার্জের পরিমাণ যত বেশি হয় এবং আয়নের আকার যত ছোট হয়, ল্যাটিস শক্তি তত বেশি হয়। একই মৌলের ভিন্ন জারণ অবস্থার আয়নগুলোর ক্ষেত্রে, উচ্চ জারণ সংখ্যার আয়নের চার্জ বেশি হয় এবং ইলেকট্রন ত্যাগের ফলে নিউক্লিয়াসের প্রতি আকর্ষণ বেড়ে যাওয়ায় এর আকার ছোট হয়।

Q মৌল বা আয়রনের ক্ষেত্রে, ফেরাস আয়ন (\(Fe^{2+}\)) এর তুলনায় ফেরিক আয়ন (\(Fe^{3+}\)) এর চার্জ বেশি (\(+3\) বনাম \(+2\)) এবং এর আকার অপেক্ষাকৃত ছোট। ফলে, ফেরিক আয়নের ল্যাটিস শক্তি ফেরাস আয়নের ল্যাটিস শক্তির চেয়ে বেশি হয়। এই উচ্চ ল্যাটিস শক্তির কারণে, ফেরিক সালফেট (\(Fe_2(SO_4)_3\)) এর গলনাঙ্ক ফেরাস সালফেট (\(FeSO_4\)) এর গলনাঙ্কের চেয়ে বেশি হয়। ভিন্ন জারণ সংখ্যাবিশিষ্ট আয়ন গঠনের ফলে সৃষ্ট চার্জের ভিন্নতা এবং আকারের ভিন্নতাই তাদের সালফেট লবণের গলনাঙ্কের ভিন্নতার প্রধান কারণ।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
51
উত্তরঃ

উদ্দীপকের P ও R মৌলদ্বয়ের মধ্যে P মৌলটি রঙিন যৌগ গঠন করে। d-অর্বিটাল বিভাজনের আলোকে এই ঘটনা বিশ্লেষণ করা হলো:

মৌলসমূহের ইলেকট্রন বিন্যাস এবং d-অর্বিটাল বিভাজনের মাধ্যমে রঙিন যৌগ গঠনের ক্ষমতা ব্যাখ্যা করা যায়। এখানে \(n=4\) হওয়ায়, P মৌলের বহিস্তরের ইলেকট্রন বিন্যাস হলো \(3d^5 4s^1\)। এই বিন্যাস একটি অবস্থান্তর মৌলের (Transition Metal) বৈশিষ্ট্য নির্দেশ করে, যেমন ক্রোমিয়াম (Cr)। অবস্থান্তর মৌলসমূহ সাধারণত বিভিন্ন জারণ অবস্থায় আংশিকভাবে পূর্ণ d-অর্বিটাল ধারণ করে। যখন এই মৌলসমূহ কোনো লিগ্যান্ডের সাথে জটিল যৌগ গঠন করে, তখন লিগ্যান্ডের প্রভাবে ধাতব আয়নের d-অর্বিটালসমূহ ভিন্ন শক্তিস্তরে (যেমন, অষ্টতলকীয় ক্ষেত্রে \(t_{2g}\) ও \(e_g\)) বিভক্ত হয়ে যায়, যাকে d-অর্বিটাল বিভাজন (d-orbital splitting) বলে। এই বিভক্ত অর্বিটালগুলোর মধ্যে শক্তির পার্থক্য দৃশ্যমান আলোর শক্তি সীমার মধ্যে থাকে। ফলে, সাদা আলো যখন এই যৌগগুলোর উপর আপতিত হয়, তখন ইলেকট্রন নিম্ন শক্তির d-অর্বিটাল থেকে উচ্চ শক্তির d-অর্বিটালে স্থানান্তরের (d-d transition) জন্য নির্দিষ্ট তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো শোষণ করে। শোষিত আলোর পরিপূরক বর্ণের আলো প্রতিসরিত হয়ে যৌগটিকে রঙিন দেখায়। উদাহরণস্বরূপ, \(Cr^{3+}\) আয়ন যার ইলেকট্রন বিন্যাস \(3d^3\), এটি বিভিন্ন জটিল যৌগে রঙিন হয়।

অন্যদিকে, R মৌলের বহিস্তরের ইলেকট্রন বিন্যাস হলো \(3d^{10} 4s^2\)। এই বিন্যাস জিঙ্ক (Zn) বা একই শ্রেণীর অন্য মৌলের বৈশিষ্ট্য নির্দেশ করে। R মৌল যখন আয়নে রূপান্তরিত হয় (যেমন, \(R^{2+}\)), তখন এর ইলেকট্রন বিন্যাস \(3d^{10}\) হয়, অর্থাৎ এর d-অর্বিটালগুলো সম্পূর্ণরূপে পূর্ণ থাকে। সম্পূর্ণরূপে পূর্ণ d-অর্বিটাল থাকায় কোনো খালি d-অর্বিটাল থাকে না, যা ইলেকট্রন স্থানান্তরের জন্য প্রয়োজনীয়। ফলস্বরূপ, d-d ইলেকট্রন স্থানান্তর অসম্ভব হয়ে পড়ে। যেহেতু দৃশ্যমান আলো শোষণ করে d-d স্থানান্তর সম্ভব নয়, তাই R মৌল এবং এর যৌগসমূহ সাধারণত বর্ণহীন হয় (যদি না চার্জ স্থানান্তর বা অন্য কোনো কারণে বর্ণ উৎপন্ন হয়, যা d-অর্বিটাল বিভাজনের মাধ্যমে বর্ণ উৎপাদনের মূল কারণ নয়)।

সুতরাং, P মৌলটির আংশিকভাবে পূর্ণ d-অর্বিটাল থাকার কারণে এবং লিগ্যান্ডের প্রভাবে d-অর্বিটাল বিভাজন ও d-d স্থানান্তরের সুযোগ থাকায় এটি রঙিন যৌগ গঠন করে। এর বিপরীতে, R মৌলের d-অর্বিটাল সম্পূর্ণরূপে পূর্ণ থাকায় d-d স্থানান্তর সম্ভব হয় না, তাই এটি বর্ণহীন যৌগ গঠন করে।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
33
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews