'রাইতের চোকখে ঘুম আহে না। পদ্মার তর্জন গর্জনে বুক কাঁহাপে। ছেলেপুলে নিয়া চোকখে ঘুম আইত লয়, তহনই মনের ভিতরভধড়ফড় কইর‍্যা উডে। কহন যে ঘরবাড়িসুদ্ধ ছেলেপুলেদের সর্বনাশী পদ্মা গিইল্যা খায়।'- কথাগুলো বলেন মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার ভাগ্যকূল গ্রামের শান্তি রাণি।

Updated: 4 months ago
উত্তরঃ

ফররুখ আহমদ ১৯৭৪ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

বাংলার জনজীবনে পদ্মা নদীর সুগভীর প্রভাব রয়েছে।
পদ্মা বাংলাদেশের প্রধান নদী। এদেশের আর্থসামাজিক ক্ষেত্রে এ নদীর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। দেশের যোগাযোগব্যবস্থায় এবং জীবন ও জীবিকায় এ নদীর ভূমিকা অনস্বীকার্য। শুধু তা-ই নয়, এদেশের সাহিত্য-সংস্কৃতিতেও এ নদী বিশেষ স্থান দখল করে আছে। তবে কল্যাণময়ী রূপের পাশাপাশি এ নদী কখনো কখনো জনজীবনে বিপর্যয়ও ডেকে আনে। আবার একে কেন্দ্র করেই নতুন প্রাণের সঞ্চার হয়। তাই বাংলার জনজীবনে পদ্মার প্রভাব অনস্বীকার্য।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে পদ্মার সর্বনাশা ও বিধ্বংসী রূপ ফুটে উঠেছে, যা 'পদ্মা' কবিতার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।
'পদ্মা' কবিতায় দেখা যায় নদীতীরবর্তী মানুষের অস্তিত্বের সঙ্গে এ নদী নিবিড়ভাবে জড়িয়ে আছে। আবার এ নদীই কখনো কখনো অস্তিত্বের জন্য হুমকিস্বরূপ হয়ে ওঠে। বর্ষা মৌসুমে এর প্রবল স্রোতে ভেসে যায় মানুষের সাজানো সংসার, জীবন সাজানোর হাজারো উপকরণ। ফলে মানুষ হয়ে পড়ে বাস্তুহারা।।

উদ্দীপকে শান্তি রাণির কথায় পদ্মার বিধ্বংসী ও দানবীয় রূপটি উঠে এসেছে। বর্ষাকালে পদ্মায় পানি মাত্রাতিরিক্ত বৃদ্ধি পেলে দুকূলে প্রবল বন্যা হয়। সঙ্গে পদ্মার ভাঙনের কবলে পড়ে বহু মানুষ মুহূর্তেই আশ্রয়হীন হয়ে পড়ে। এই আশঙ্কাতেই শান্তি রাণির চোখে ঘুম ছিল না। 'পদ্মা' কবিতাটিতেও কবি পদ্মার সর্বনাশা দিক তুলে ধরেছেন। বর্ষাকালে পদ্মার স্রোতে ভেসে যায় সাজানো গোছানো সংসার। তীরের ভাঙনে বিপর্যস্ত হয় অসংখ্য মানুষের জীবন। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে 'পদ্মা' কবিতার পদ্মা নদীর ধ্বংসাত্মক রূপটি প্রকাশ পেয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

বিষয়বস্তুর সীমাবদ্ধতার কারণে উদ্দীপকটি 'পদ্মা' কবিতার সামগ্রিক ভাব ধারণ করতে পারেনি।
'পদ্মা' কবিতায় পদ্মার প্রমত্ত রূপের পাশাপাশি এর কল্যাণময়ী রূপ বর্ণনা করা হয়েছে। কবিতাটিতে বর্ষাকালীন পদ্মার ধ্বংসাত্মক রূপের কথা বলা হয়েছে। এসময় এর জলের স্ফীতি ভাসিয়ে নেয় দুপাশের ঘরবাড়ি, ফসলের খেত, মানুষের সহায়সম্বল। তবুও পদ্মাকে ঘিরেই গড়ে ওঠে জনজীবন। পদ্মার বয়ে আনা পলিতে জেগে ওঠে ফসলের প্রাণপ্রাচুর্য। কবিতায় জনজীবনের সঙ্গে একাত্ম পদ্মার এই দুটি রূপের বর্ণনাই সুনিপুণভাবে ফুটে উঠেছে।
উদ্দীপকে পদ্মার নেতিবাচক দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে। অশান্ত পদ্মা বর্ষাকালে প্রবল স্রোতে দুকূলের সব ভাসিয়ে নিয়ে যায়। পদ্মার ভাঙনে নদী গহ্বরে হারিয়ে যায় অসংখ্য জনপদ। সর্বস্বান্ত হয়ে যায় হাজার হাজার মানুষের জীবন।
'পদ্মা' কবিতায় দেখা যায় বর্ষাকালে পদ্মার পানি বেড়ে বন্যা সৃষ্টি হয়। ফলে মানুষের সাজানো গোছানো ঘরসংসার ভেঙে যায়। জীবনের পসরা সাজিয়ে যারা পদ্মার তীরে বসতি গেড়েছে তাদের জীবনে নেমে আসে দুঃখের দীর্ঘ রাত। অর্থাৎ বর্ষাকালে পদ্মাতীরবর্তী মানুষের দুর্ভোগ থাকে সীমাহীন এই পদ্মাই আবার আবির্ভূত হয় কল্যাণময়ী রূপ নিয়ে। পদ্মার পলিতে জেগে ওঠে ফসলের সমারোহ। উদ্দীপকে কেবল পদ্মার বিধ্বংসী রূপটির আভাস পাওয়া যায়। তাই অনায়াসেই বলা যায় উদ্দীপকটি আলোচ্য কবিতার সামগ্রিক দিক তুলে ধরেনি, এর খন্ডাংশ ধারণ করেছে মাত্র।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
36

অনেক ঘূর্ণিতে ঘুরে, পেয়ে চের সমুদ্রের স্বাদ, 

জীবনের পথে পথে অভিজ্ঞতা কুড়ায়ে প্রচুর

কেঁপেছে তোমাকে দেখে জলদস্যু- দুরন্ত হার্মাদ 

তোমার তরঙ্গভঙ্গে বর্ণ তার হয়েছে পাণ্ডুর। 

সংগ্রামী মানুষ তবু দুই তীরে চালায়ে লাঙল

কঠিন শ্রমের ফল শস্য দানা পেয়েছে প্রচুর;

উর্বর তোমার চরে ফলায়েছে পর্যাপ্ত ফসল

 জীবন-মৃত্যুর দ্বন্দ্বে নিঃসংশয়, নির্ভীক জওয়ান 

সবুজের সমারোহে জীবনের পেয়েছে সম্বল।

বর্ষায় তোমার স্রোতে গেছে ভেসে সাজানো বাগান, 

অসংখ্য জীবন, আর জীবনের অজস্র সম্ভার, 

হে নদী! জেগেছে তবু পরিপূর্ণ আহ্বান,

মৃত জড়তার বুকে খুলেছে মুক্তির স্বর্ণবার 

তোমার সুতীব্র গতি। তোমার প্রদীপ্ত স্রোতধারা ॥

Related Question

View All
উত্তরঃ

জীবন-মৃত্যুর দ্বন্দ্বে নিঃসংশয় নিভীক জওয়ান।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
197
উত্তরঃ

'মৃত জড়তার বুকে খুলেছে মুক্তির স্বর্ণদ্বার'- বলতে মূলত স্থবির জনজীবনে পদ্মার গতি সঞ্চারের দিকটিকে বোঝানো হয়েছে।
পদ্মা তীব্র স্রোতঃস্বিনী নদী, প্রবল তার ঘূর্ণি। অশেষ তার উদ্দামতা। পদ্মার তীব্র বেগ ও গতি জনজীবনেও গতির প্লাবন নিয়ে আসে। জড় সমাজ যেন জেগে ওঠে পদ্মার উচ্ছ্বাসে। পদ্মার তীব্র গতি মানুষের জীবনপ্রবাহের গতিহীন স্তন্দ্বতার বুকে এনে দেয় মুক্তির স্পন্দন। এ বিষয়টি বোঝাতেই প্রশ্নোক্ত কথাটি বলা হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
297
উত্তরঃ

উদ্দীপকের সাথে 'পদ্মা' কবিতায় বর্ণিত প্রমত্ত পদ্মার বিধ্বংসী আচরণের সামঞ্জস্য লক্ষ করা যায়।
পদ্মা বাংলাদেশের বৃহত্তম নদী। তীব্র গতিবেগ ও স্রোতের উদ্দাম নৃত্য এ নদীকে ভিন্নমাত্রা দিয়েছে। পদ্মা যেন তার গতিবেগ দিয়ে জনজীবনের গতি নিয়ে আসে। তবে বর্ষা মৌসুমে এ নদীর প্লাবনে মানুষের জানমালের অনেক ক্ষতি হয়। এর সুতীব্র স্রোত ভাসিয়ে নেয় মানুষের সাজানো বাগান, জনজীবন। 'পদ্মা' কবিতায় কবি পদ্মা নদীর এই বিধ্বংসী রূপের পরিচয় দিয়েছেন।
উদ্দীপকে পদ্মা নদীর প্রলয়ংকর রূপটি দারুণভাবে ফুটে উঠেছে। পদ্মার তুফান দেখে তীরবর্তী মানুষের অন্তর কেঁপে ওঠে। পদ্মায় যে সর্বনাশা
ঝড় তৈরি হয় তা প্রাণঘাতী হতে পারে নিমেষেই। উড়িয়ে নিতে পারে ঘরবাড়ি। একইভাবে, 'পদ্মা' কবিতায়ও কবি পদ্মা নদীর এই বিধ্বংসী
রূপের অবতারণা করেছেন। পদ্মার স্রোতে মানুষের সাজানো বাগান ভেসে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে এ কবিতাটিতে। শুধু তাই নয়, জীবনের
অজস্র সম্ভারও হুমকির মুখে পড়ে পদ্মার করাল গ্রাসে। উদ্দীপকে 'পদ্মা' কবিতার এ দিকটিই প্রতিফলিত হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
101
উত্তরঃ

উদ্দীপকে কেবল পদ্মা নদীর বিধ্বংসী রূপটি ফুটে ওঠায় তা আলোচ্য কবিতার আংশিক রূপায়ণ।
পদ্মা বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ নদী। স্বকীয় ভঙ্গিতে ঢেউ তুলে উদ্দাম গতিতে এ নদী নিরন্তর ছুটে চলে। জনজীবনে সঞ্চার করে গতি। ঝিমিয়ে পড়া জীবনও যেন পদ্মার প্রাণপ্রবাহে জেগে ওঠে। বর্ষাকালে নদীতীরের জনপদের জন্য পদ্মা ভয়ংকর রূপে আবির্ভূত হয়। এভাবে আলোচ্য কবিতাটিতে পদ্মা নদীর বিধ্বংসী ও কল্যাণময়ী দুই রূপই চিত্রিত হয়েছে।
উদ্দীপকে পদ্মা নদীর নেতিবাচক দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে। পদ্মার দুরন্ত তুফান দেখে মানুষের প্রাণ আতঙ্কে কেঁপে ওঠে। জীবননাশের আশঙ্কায় আতঙ্কগ্রস্ত মানুষ তটস্থ হয়ে পড়ে। এভাবে উদ্দীপকটিতে কেবল পদ্মার সংহার রূপের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। পক্ষান্তরে, 'পদ্মা' কবিতায় পদ্মা নদীর ইতিবাচক ও নেতিবাচক দুটি দিকই দৃশ্যমান হয়ে উঠেছে।
আলোচ্য কবিতায় পদ্মা যেমন নির্মম ও প্রলয়ংকর রূপে উপস্থিত, তেমনি আশপাশের অঞ্চলে মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করে মানুষের অন্ন সংস্থানেও পদ্মাকে ভূমিকা রাখতে দেখা যায়। পদ্মা এখানে স্রোতের বেগে মানুষের সাজানো বাগান, জীবনের অজস্র সম্ভার ভাসিয়ে নিয়ে যায়। অন্যদিকে, পদ্মার পলি পড়া চরে চাষাবাদ করে সংগ্রামী মানুষ সোনার ফসল ফলায়। পেয়ে যায় জীবনের সম্বল। উদ্দীপকে পদ্মা নদীকে শুধু প্রলয়ংকর রূপেই চিত্রিত করা হয়েছে। পদ্মার কল্যাণময়ী রূপটি এখানে দৃশ্যমান নয়। অন্যদিকে, 'পদ্মা' কবিতায় পদ্মার নির্মম রূপের পাশাপাশি মমতাময়ী রূপটিও দৃশ্যমান। সে বিবেচনায় প্রশ্নোক্ত উক্তিটি সঠিক।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
94
উত্তরঃ

ফররুখ আহমদ রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'সাত সাগরের মাঝি'।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
112
উত্তরঃ

পদ্মা' একটি সার্থক সনেট বা চতুদর্শপদী কবিতা।
'পদ্মা' কবিতায় প্রথম চারটি স্তবক তিন পঙ্ক্তিযুক্ত এবং শেষের স্তবকটি দুই পঙ্ক্তিতে বিন্যস্ত। চৌদ্দ চরণবিশিষ্ট কবিতাটির প্রতিটি পত্তি ১৮ - মাত্রার। কবিতাটির মিল বিন্যাস- কখক খগখ গঘগ ঘঙঘ ঙঙ। পুরো কবিতাটি পদ্মা নদীকে নিয়ে মূলত একটি অখণ্ড ভাবের দ্যোতনা দেয়। কবিতাটিতে বিশেষ ধরনের অন্ত্যমিল রক্ষিত হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
137
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews