রাজধানীর শ্যামপুর থানার একটি মামলায় বিনা বিচারে প্রায় দেড় দশক ধরে কারাগারে ছিলেন চান মিয়া। এ বিষয়ে বেসরকারি একটি চ্যানেলে সংবাদ প্রচারিত হলে সর্বোচ্চ আদালতের নজরে আনেন দুই আইনজীবী। সর্বোচ্চ আদালত চান মিয়াকে জামিন এবং ৯০ দিনের - মধ্যে নিম্ন আদালতকে মামলা নিষ্পত্তির নির্দেশ দেন।

Updated: 3 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের শাসন বিভাগের প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের আইনসভার নাম হলো জাতীয় সংসদ।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান অনুসারে জাতীয় সংসদের ৩৫০ জন সদস্যের মধ্যে ৩০০ জন সদস্য একক আঞ্চলিক নির্বাচনি এলাকাসমূহ হতে প্রত্যক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত হবেন। এছাড়া ৫০টি আসন মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত। তারা সংসদ সদস্যদের দ্বারা নির্বাচিত হবেন। সংসদের কার্য পরিচালনার জন্য সংসদ সদস্যদের ভোটে একজন স্পিকার ও একজন ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের কথা বলা হয়েছে।
সুপ্রিম কোর্ট বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত। ১৯৭২ সালের সংবিধানের ৯৪ নম্বর অনুচ্ছেদ হতে শুরু করে ১১৩ নং অনুচ্ছেদে বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের গঠন সম্পর্কে বর্ণনা করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট দুটি বিভাগ নিয়ে গঠিত। যথা: (ক) আপিল বিভাগ ও (খ) হাইকোর্ট বিভাগ। রাষ্ট্রপতি প্রত্যেক বিভাগের জন্য যতজন বিচারক প্রয়োজনবোধ করবেন ততজন বিচারক নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট গঠিত হবে। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হবেন এবং প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি অন্যান্য বিচারক নিয়োগ করবেন। প্রধান বিচারপতি এবং আপিল বিভাগে নিযুক্ত বিচারকদের নিয়ে আপিল বিভাগ গঠিত হবে এবং অন্যান্য বিচারকদের নিয়ে হাইকোর্ট এবং স্থায়ী বেঞ্চ গঠিত হবে। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির পদ কোনো কারণে শূন্য হলে আপিল বিভাগের প্রবীণতম বিচারক অস্থায়ীভাবে প্রধান বিচারপতির কার্যভার গ্রহণ করবেন।
উপরোক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, সুপ্রিম কোর্ট বাংলাদেশের জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষায় অভিভাবকের ভূমিকা পালন করে। আর বিচারকদের সংখ্যা রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
উত্তরঃ

আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় উদ্দীপকে উল্লিখিত আদালত বা সুপ্রিম কোর্টের ভূমিকা অনন্য।

বিচার বিভাগের দক্ষতার ওপর আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা অনেকাংশে নির্ভরশীল। আইন বিভাগ ও শাসন বিভাগের হস্তক্ষেপ থেকে বিচার বিভাগ জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষা করে। নাগরিকদের অধিকার ও সংবিধানস্বীকৃত মৌলিক অধিকার রক্ষা করার মাধ্যমে বিচার বিভাগ ব্যক্তিস্বাধীনতার রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করে। আর সুপ্রিম কোর্ট হলো বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থার মধ্যমণি। সুপ্রিম কোর্ট ন্যায়বিচার, বিচারক্ষেত্রে নিরপেক্ষতা এবং প্রান্তিক ও দরিদ্রের জন্য যথাযথ বিচার নিশ্চিত করে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করায় ভূমিকা রাখে। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় সকলের জন্য একই ধরনের বিচার নিশ্চিত করতে সুপ্রিম কোর্টের ভূমিকা অনস্বীকার্য।
আইনের শাসনের রক্ষক ও অভিভাবক হলো সংবিধান, আর সংবিধানের রক্ষক হলো সুপ্রিম কোর্ট। কোনো আইন সংবিধানের কোনো ধারা লঙ্ঘন করলে সুপ্রিম কোর্ট তার সুরাহা করে। সরকার স্বেচ্ছাচারী হয়ে উঠলে আইনের শাসন বাধাগ্রস্ত হয়। সরকারের ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করতে সুপ্রিম কোর্ট নানা কৌশল প্রয়োগ করে। আইন অমান্যকারীকে বিচারের আওতায় নিয়ে আসা সুপ্রিম কোর্ট নিশ্চিত করে। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান, রাষ্ট্র বা সরকার, মানবাধিকার এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে গুরুতর অন্যায়, অধিকার লঙ্ঘন, ক্ষতি হলে সুপ্রিম কোর্ট স্বেচ্ছায় অভিযুক্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বুল জারি করে। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সঠিক তথ্য এবং নিষ্পত্তি করার জন্য সুপ্রিম কোর্ট স্ব-প্রণোদিত হয়ে সুয়োমোটো বুল জারির মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষকে প্রতিকার দিয়ে থাকে। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় যা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।
পরিশেষে বলা যায়, আইনের শাসন নিশ্চিত করার জন্য সুপ্রিম কোর্টের বিশেষ ভূমিকা আছে। নাগরিক স্বাধীনতা রক্ষা ও নিরাপত্তা বিধান করা সুপ্রিম কোর্টের কাজ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
15

Related Question

View All
উত্তরঃ

বিচার বিভাগের স্বাধীনতা বলতে শাসন বিভাগ ও আইন বিভাগের নিয়ন্ত্রণমুক্ত থেকে বিচারকদের স্বাধীনভাবে বিচার কাজ পরিচালনা করার ক্ষমতাকে বোঝায়।
কোনো দেশের শাসনব্যবস্থা সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হচ্ছে কি না তা বিচারের - মাপকাঠি হলো সে দেশের বিচার বিভাগ কার্য সম্পাদনে কতটুকু স্বাধীন। গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও নিরপেক্ষতা সমাজব্যবস্থার প্রধান স্তম্ভ হিসেবে বিবেচিত। জনগণের মৌলিক অধিকার, সংবিধান এবং আইন সংরক্ষণে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা জরুরি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
89
উত্তরঃ

উদ্দীপকের আবুল কালামের সাথে আমার পঠিত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী পদের সাদৃশ্য রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মুখ্য নির্বাহী। তিনি হলেন শাসন ব্যবস্থার মধ্যমণি। তাকে কেন্দ্র করেই মন্ত্রিসভা গঠিত ও পরিচালিত হয়। তার পরামর্শেই রাষ্ট্রপতি অন্যান্য মন্ত্রীদের নিয়োগ দেন। তিনি বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমন্বয় সাধান করেন। সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থা হারালে কিংবা অন্য কোনো কারণে প্রধানমন্ত্রী সংসদ ভেঙে দেওয়ার জন্য রাষ্ট্রপতিকে পরামর্শ দিতে পারেন। তিনি একাধারে দলের নেতা, সংসদের নেতা, মন্ত্রিসভার মধ্যমণি, রাষ্ট্রপতির পরামর্শদাতা এবং জাতির নেতা ও পথপ্রদর্শক। তিনি জাতীয় নিরাপত্তা এবং সংহতির প্রতীক।
উদ্দীপকে দেখা যায়, আবুল কালাম 'Y' রাষ্ট্রের প্রধান নির্বাহী। তাকে কেন্দ্র করেই রাষ্ট্রের সকল কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়। তিনি এমন এক সূর্য যার চার দিকে রাজনৈতিক গ্রহগুলো আবর্তিত হয়। উদ্দীপকের 'Y' এর মতো বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে কেন্দ্র করে রাষ্ট্রের সকল কার্যক্রম পরিচালিত হয়। তাঁর নেতৃত্বেই মন্ত্রিসভা পরিচালিত হয়। আর তাই বলা যায়, উদ্দীপকের পদের সাথে আমার পঠিত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী পদটি সাদৃশ্যপূর্ণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
74
উত্তরঃ

উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ পদ অর্থাৎ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী জাতির আশা আকাঙ্ক্ষার প্রতীক।
একটি দেশের জনগণ তাদের সরকারের ওপরই সর্বোতভাবে নির্ভরশীল। সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রী হলেন সরকার প্রধান। এ ব্যবস্থায় জনগণ প্রধানমন্ত্রীকেই তাদের মূল আশ্রয় বলে মনে করে। তার ওপর দেশের উন্নতি, অবনতিত, জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন প্রভৃতি অনেকাংশে নির্ভর করে।
বাংলাদেশে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান। তাই প্রধানমন্ত্রী এ দেশের শাসন ব্যবস্থার কেন্দ্রবিন্দু। তিনি প্রভূত ক্ষমতার অধিকারী। দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি পর্যন্ত সব বিষয়ের সাথে তিনি সংশ্লিষ্ট। দেশের উন্নয়নে সব ধরনের পদক্ষেপ তিনি গ্রহণ করেন। সরকারের যেকোনো ব্যর্থতা তার ওপর বর্তায়। এ কারণে তৃণমূল থেকে জাতীয় সব পর্যায়েই তাকে নিপুণ দক্ষতার পরিচয় দিতে হয়। তিনি জরুরি পরিস্থিতি, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, রাজনৈতিক সংকট প্রভৃতি ক্ষেত্রে জনগণের পাশে দাঁড়ান, সহমর্মিতা প্রকাশ করেন এবং বক্তব্য-বিবৃতির মাধ্যমে জনগণকে ভরসা দেন। জাতীয় নিরাপত্তা ও সংহতি রক্ষার ক্ষেত্রেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
বাংলাদেশের মতো সংসদীয় সরকারের প্রধানমন্ত্রীর যথাযথ ও কল্যাণমূলক কর্মকান্ডের ফলে জনগণ সুখে-শান্তিতে বসবাস করতে পারে এবং তাদের আশা-আকাঙ্ক্ষার বাস্তবায়ন ঘটে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের পদটি অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রী হলেন জাতির আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
53
উত্তরঃ

আইনসভা কর্তৃক প্রণীত কোনো আইন কিংবা শাসন বিভাগের কাজ সংবিধানের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না তা বিচার বিভাগ কর্তৃক পর্যালোচনা করার ক্ষমতাই হলো বিচার বিভাগীয় পর্যালোচনা।
বিচার বিভাগীয় পর্যালোচনা ধারণাটির উদ্ভব হয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্ট সংবিধানের অভিভাবক ও ব্যাখ্যাকারক। সংবিধানের অভিভাবক ও রক্ষাকারী হিসেবে বিচার বিভাগ এর শ্রেষ্ঠত্ব অক্ষুণ্ণ রাখার জন্য সচেষ্ট থাকে। বিচার বিভাগের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, আইনসভা কর্তৃক প্রণীত কোনো আইন সংবিধানের সাথে অসংগতিপূর্ণ, তাহলে তা বাতিল করার ক্ষমতা বিচার বিভাগের রয়েছে। তেমনি শাসন বিভাগের কোনো কাজ সংবিধানসম্মত না হলে বিচার বিভাগ তা অবৈধ ঘোষণা করতে পারে। সংবিধানের শ্রেষ্ঠত্ব ও পবিত্রতা বজায় রাখতে বিচার বিভাগ এ ক্ষমতা প্রয়োগ করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
78
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews