রাজারবাগ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বৃক্ষরোপণ দিবস উপলক্ষে বিদ্যালয়ের আঙ্গিনায় বৃক্ষ রোপণের কার্যক্রম গ্রহণ করে। এ জন্য তারা বিদ্যালয়ের মাঠের এক প্রান্তে মেহগনি চারা রোপণের উদ্দেশ্যে ১০টি গর্ত তৈরী করে। এসব গর্তে প্রয়োজনীয় পরিমাণ সার প্রয়োগ করে এবং চারা রোপণের সব ধাপ যথাযথভাবে পালন করে।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

পারিবারিক প্রয়োজন মেটানোর উদ্দেশ্যে বসত বাড়ির আশপাশে স্বল্প পরিসরে গাছ লাগিয়ে যে বন তৈরি করা হয় তাই বসত বন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

পাহাড়ি এলাকার উঁচু-নিচু বন্ধুর জমিতে প্রাকৃতিকভাবে গড়ে ওঠা বনরাজিকে পাহাড়ি বন বলে। পাহাড়ি বনের দুটি বৈশিষ্ট্য নিম্নরূপ- 

i. পাহাড়ি বন চিরহরিৎ ও পর্ণমোচী বৃক্ষের বন। 

ii. পাহাড়ি বনে বিভিন্ন প্রকার বাঁশ (যেমন- বরাক, মূলী, উরা, ইত্যাদি) ও বৃহাদাকার বৃক্ষ (যেমন- চাপালিশ, সেগুন, গর্জন, ইত্যাদি) জন্মে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

শিক্ষার্থীরা বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমে অংশ গ্রহণের জন্য বিদ্যালয়ের আঙ্গিনায় ১০টি মেহগনি গাছের চারা রোপণের উদ্দেশ্যে গর্ত তৈরি করে। বৃক্ষের চারা রোপণের কিছু নিয়মকানুন পালন করতে হয়। গাছের চারা সঠিকভাবে রোপণ করলে গাছ দ্রুত স্বস্থানে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং বেড়ে ওঠে। চারা রোপণের জন্য গর্ত তৈরি খুবই গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। প্রতিটি গর্তের জন্য ১০ কেজি গোবর, ৩ কেজি ছাই, ১৫০ গ্রাম ইউরিয়া, ১০০ গ্রাম টিএসপি এবং ৭৫ গ্রাম এমওপি সার প্রয়োগ করতে হয়। শিক্ষার্থীরা যেহেতু ১০টি গর্ত তৈরি করেছিল তাই তাদের গর্তে সার প্রয়োগ করতে হবে- গোবর ১০ × ১০ = ১০০ কেজি, ইউরিয়া ১০ × ১৫০ = ১৫০০ গ্রাম বা ১.৫ কেজি, টিএসপি ১০০ x ১০ = ১০০০ গ্রাম বা ১ কেজি, ছাই ৩ × ১০ = ৩০ কেজি, এমওপি ৭৫ × ১০ = ৭৫০ গ্রাম।

চারার বৃদ্ধি অনেকাংশে সঠিক পরিমাণ সার প্রয়োগের ওপর নির্ভর করে। তাই চারা রোপণের ক্ষেত্রে সতর্কতার সাথে সার প্রয়োগের পরিমাণ নির্ধারণ করা জরুরি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের শিক্ষার্থীদের কার্যক্রমটি হলো বৃক্ষের চারা রোপণ করা। তারা বৃক্ষের চারা রোপণের সব ধাপ যথাযথভাবে পালন করে বৃক্ষরোপণ করে। নিচে চারা রোপণের ধাপসমূহ বর্ণনা করা হলো-

১. প্রথমে নির্বাচিত স্থানে ৫০ সেমি x ৫০ সেমি × ৫০ সেমি আকারের গর্ত তৈরি করতে হবে। 

২. এরপর গর্তের মাটির সাথে প্রতি ২-৩ কেজি-জৈব সার (যেমন- গোবর) ভালোভাবে মিশাতে হবে এবং গর্ত ভর্তি করে কমপক্ষে ৭ দিন রেখে দিতে হবে। 

৩. প্রথমে পূর্বে তৈরি করা গর্তের সার দেওয়া মাটি কোদাল দ্বারা আরও কুপিয়ে ঝুরঝুরা করতে হবে। 

৪. এবার গর্তের ঠিক মাঝখানে আরেকটি গর্ত করতে হবে। 

৫. সংগৃহীত চারার পলিব্যাগ অপসারণ করতে হবে যেন চারার কোনোরূপ ক্ষতি না হয় এবং মাটির বলটি অক্ষত থাকে। 

৬. মাটির বলসহ চারাটি গর্তে বসিয়ে দিতে হবে। 

৭. চারা বসানোর পরে চারার চারদিকে গর্তের মাটি ভালোভাবে চেপে দিতে হবে। 

৮. চারার গোড়া থেকে ১০-১৫ সেমি দূরত্বে একটা শক্ত মসৃণ কাঠি বা বাঁশের খুঁটি পুঁতে তার সাথে একটি সুতলি দিয়ে শক্ত করে বেঁধে দিতে হবে। 

৯. চারা রোপণের পর ঝাঁঝরি দ্বারা পানি দিতে হবে।

উপরিউক্ত ধাপসমূহ পর্যায়ক্রমে অনুসরণ করে শিক্ষার্থীরা বৃক্ষের চারা রোপণ করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
118
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

বন বলতে সাধারণভাবে বিস্তৃত এলাকা জুড়ে বৃহদাকার গাছপালা দ্বারা আচ্ছাদিত স্থানকে বোঝায়, যেখানে বন্য পশুপাখি, কীটপতঙ্গ ও অন্যান্য জীব প্রাকৃতিকভাবে বসবাস করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
651
উত্তরঃ

বিভিন্ন প্রকার উদ্ভিদ, প্রাণী ও অণুজীবের সক্রিয় উপস্থিতি, বিস্তৃতি ও পারস্পরিক প্রাকৃতিক সুষম সহাবস্থাকে জীববৈচিত্র্য বলে। জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে বন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

গাছ ও প্রাণীর জন্মস্থান, বাসস্থান ও বংশ বিস্তারের স্থান হলো বন। বন জীবের খাদ্যশৃঙ্খল রক্ষা করে। খাদ্যশৃঙ্খলে বিঘ্ন ঘটলে খাদ্য উৎপাদন হ্রাস পাবে। আবার বনাঞ্চলে জীববৈচিত্র্যের ভারসাম্য বিঘ্নিত হলে বন্যপ্রাণী আবাস এলাকায় চলে আসবে। ভবিষ্যতের জৈবিক উৎপাদনশীলতা রক্ষার্থে বন্য জীবের গুরুত্ব অনেক বেশি। বন আছে বলেই বিভিন্ন প্রজাতির উদ্ভিদ, পশুপাখি, কীট-পতঙ্গ ও অণুজীব রয়েছে। বন না থাকলে এসব জীববৈচিত্র্য ধ্বংস হয়ে যেত।

 

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.5k
উত্তরঃ

খোকনের দেখা প্রথমোক্ত বনটি হলো ম্যানগ্রোভ বন বা উপকূলীয় বন। এ বনের বৈশিষ্ট্যগুলো নিচে ব্যাখ্যা করা হলো-

i. ম্যানগ্রোভ বনের নিম্নভূমি জোয়ার-ভাটা দ্বারা দৈনিক দুইবার প্লাবিত হয়। 

ii. এ বনাঞ্চলে বৃক্ষসমূহের জরায়ুজ অঙ্কুরোদগম হয় এবং শ্বাসমূল থাকে। 

iii. এ বনাঞ্চল নদ-নদী, খাল-বিল দ্বারা পরস্পর বিচ্ছিন্ন থাকে। 

iv. ম্যানগ্রোভ বনের মাটি সর্বদা লোনা পানিতে ভেজা থাকে বলে বৃক্ষসমূহ চিরহরিৎ। 

V. এ বনের প্রধান বৃক্ষ হলো সুন্দরি, যার জন্য এ বনের নাম হয়েছে সুন্দরবন।

vi. ম্যানগ্রোভ বনের প্রধান প্রধান কাষ্ঠল বৃক্ষ হলো- সুন্দরি, গেওয়া, গরান, বাইন, কেওড়া, পশুর, ওড়া ইত্যাদি। 

vii. এ বনের অকাষ্ঠল বৃক্ষের মধ্যে গোলপাতা, হোগলা, হেতাল, কেয়া, হারগোজা, বেত, শন ইত্যাদি প্রধান। 

viii. ম্যানগ্রোভ বনের প্রাণীর মধ্যে রয়েছে বানর, কুমির, হাঙ্গর, অজগর ও বিভিন্ন প্রজাতির সাপ। 

ix. এ বনের প্রধান আকর্ষণ রয়েল বেঙ্গল টাইগার ও চিত্রা হরিণ এবং গোলপাতা।

 

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
445
উত্তরঃ

উদ্দীপকে খোকনের দেখা প্রথম বনটি হলো ম্যানগ্রোভ বন ও পরের বনটি হলো পাহাড়ি বন।

সমুদ্র উপকূলীয় এলাকার লোনা মাটিতে যে বন গড়ে উঠেছে তাকে ম্যানগ্রোভ বন বলে। অপরদিকে পাহাড়ি উঁচু এলাকায় প্রাকৃতিকভাবে জন্মানো বনকে পাহাড়ি বন বলে। ভৌগোলিক অবস্থান ও জলাবায়ুভেদে বন দুটির মধ্যে পার্থক্য দেখা যায়। যেমন-

১. পাহাড়ি বনের ভূমি উঁচু ও মাঝারি হয় কিন্তু ম্যানগ্রোভ বনের ভূমি নিচু হয়। 

২. পাহাড়ি বনের মাটি অম্লীয় (pH = ৫-৬) কিন্তু ম্যানগ্রোভ বনের মাটি ক্ষারীয় (pH = ৭.৫-৮.৫) প্রকৃতির হয়। 

৩. পাহাড়ি বনে বন্যার পানি প্রবেশ করতে পারে না, অপরদিকে ম্যানগ্রোভ বনে জোয়ার-ভাটার মাধ্যমে বন্যার পানি প্রবেশ করে এবং বেশিরভাগ এলাকা পানির নিচে ডুবে থাকে। 

৪. ম্যানগ্রোভ বনের উদ্ভিদের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এদের শ্বাসমূল থাকে, জরায়ুজ অঙ্কুরোদগম হয়, যা পাহাড়ি বনের উদ্ভিদে অনুপস্থিত। পাহাড়ি বনে আবহাওয়া উষ্ণ ও শুষ্ক হওয়ার ফলে ক্রান্তীয় চিরহরিৎ ও পর্ণমোচী জাতীয় বৃক্ষ জন্মে। 

৫. পাহাড়ি বনের প্রধান বৃক্ষ চাপালিশ, সেগুন, কড়ই, শাল ইত্যাদি। ম্যানগ্রোভ বনের প্রধান বৃক্ষ সুন্দরি, গেওয়া, বাইন, গরান, কেওড়া, পশুর ইত্যাদি। 

৬. পাহাড়ি বনের প্রধান পশু হলো হাতি, চিতাবাঘ, নেকড়ে, বন্য শূকর, কাঠবিড়ালি, বানর, সাপ, গিরগিটি ইত্যাদি। ম্যানগ্রোভ বনের প্রধান পশু হলো রয়েল বেঙ্গল টাইগার, চিত্রাহরিণ, কুমির, অজগর ইত্যাদি। 

৭. পাহাড়ি বনের প্রধান পাখি হলো বনমোরগ, ময়না, টুনটুনি, কাঠঠোকরা, ধনেশ ইত্যাদি। ম্যানগ্রোভ বনের প্রধান পাখি হলো মাছরাঙা, মদনটাক, সবুজ বক, শিকরা, সিঁদুরে সহেলী, লালপা, কানি বক ইত্যাদি।

পরিশেষে বলা যায়, পাহাড়ি ও ম্যানগ্রোভ বনের মধ্যে তুলনামূলক পার্থক্য থাকা সত্ত্বেও দু'প্রকার বনই আমাদের দেশের অর্থনীতি ও পরিবেশ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
718
উত্তরঃ

কৃষি বন হলো একটি ভূমি ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি যার মাধ্যমে একই জমিতে একই সাথে পর্যায়ক্রমিকভাবে বৃক্ষ, খাদ্য বা পশুখাদ্যের চাষাবাদের মাধ্যমে জমির সার্বিক উৎপাদন বৃদ্ধি করা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.8k
উত্তরঃ

ট্রেনিং ও প্রুনিং উভয় ক্ষেত্রেই গাছের অংশবিশেষ ছাঁটাই করা হয়। প্রুনিং-এ গাছের শাখা, পাতা, কাণ্ড, ফুল, ফল-মূল ইত্যাদি কেটে অপসারণ করা হয়।' অন্যদিকে গাছকে নির্দিষ্ট উচ্চতা, আকার-আকৃতি, সুন্দর সুগঠিত ও শক্ত কাঠামো দেওয়ার জন্য ট্রেনিং করা হয়। ট্রেনিং-এ গাছের শাখা-প্রশাখা ছাঁটাই করা হয় যা এক প্রকার প্রুনিং। প্রুনিং গাছের বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় কার্যাবলি নিয়ন্ত্রণ করে ফুল ও ফল ধারণক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়, রোগ ও পোকার আক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করে এবং গাছে বেশি আলো-বাতাস প্রবেশের ব্যবস্থা করে। ট্রেনিংয়ের ফলে ব্যবহারযোগ্য কাঠের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। তাই বলা যায়, সকল ট্রেনিং হলো প্রুনিং কিন্তু সকল প্রুনিং ট্রেনিং নয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.5k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews