আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্বের অন্যতম শর্ত হচ্ছে সুস্বাস্থ্য।
ব্যক্তিত্বের সাথে পোশাকের সুনিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। সময়োপযোগী পোশাক নির্বাচন ও পরিধান করলে তা ব্যক্তিত্বকে আকর্ষণীয় করে তোলে। অনুষ্ঠান, উপলক্ষ, স্থান, আবহাওয়া, বয়স, পেশা, দেহের আকার, আয়তন ইত্যাদি বিবেচনা করে পোশাক পরলে ব্যক্তিকে আকর্ষণীয় দেখায়। এজন্য দামি পোশাকের প্রয়োজন নেই। তাছাড়া সামাজিক রীতিনীতি ও সংস্কৃতির প্রতি লক্ষ রেখে পোশাক পরিধান করা হলে অধিক ব্যক্তিত্বসম্পন্ন মনে হয়।
ঘরের বা বাইরের পোশাক হিসেবে গ্রীষ্মকালের জন্য ফতুয়া খুব আরামদায়ক।
রাজিয়া ফতুয়া তৈরির ক্ষেত্রে প্রথমে সামনের ও পিছনের অংশ একত্র করে দুই দিকের কাঁধের সেলাই করেন। এরপর বোতামের জন্য পট্টির ব্যবস্থা করে গলার পাইপিং লাগান।
তারপর দুপাশ সেলাই করে ঝুল পরীক্ষা করে নিচের কাপড় ভাঁজ করে মুড়ে টাক সেলাই দেন। হাত দুটো আলাদাভাবে সেলাই করে বডির সাথে সংযোজন করেন। ফিটিং পরীক্ষা করে নিচে হেম সেলাই দিয়ে বুকের সামনে হুক ও বোতাম লাগান। সবশেষে অতিরিক্ত সুতা কেটে ইস্ত্রি করে ফতুয়া সেলাই শেষ করেন।
রাজিয়া ফতুয়া তৈরিতে সঠিক প্রক্রিয়ায় কাপড় ছাঁটেননি।
রাজিয়া পোশাকের পেছনের অংশ আলাদা না করে সামনের অংশের সাথে একসাথে হেঁটেছেন। এটা সঠিক পদ্ধতি নয়।
ফতুয়ার কাপড়টি সঠিক পদ্ধতিতে ভাঁজ করে তার ওপর ড্রাফটিং এর কাগজ রেখে পিন দিয়ে আটকিয়ে নিতে হবে। এরপর নকশা অনুযায়ী কাপড় ছাঁটতে হবে। ছাঁটার পর পিছনের অংশ আলাদা করে সামনের অংশের বগলের শেইপ ও গলা ছেঁটে গলার মধ্যবিন্দু থেকে ৭.৬২ সে.মি. নিচ পর্যন্ত ছাঁটতে হবে। পাশের কাপড়কে পুনরায় ভাঁজ করে হাতার ড্রাফটিং ফেলে একসাথে ছাঁটতে হবে। এরপর পুনরায় সামনের অংশের শেইপ করে দুই হাতার সামনের অংশের কাপড় এক সাথে করে ড্রাফটিং ফেলে সামনের হাতার শেইপ ছাঁটতে হবে। এবার টুকরা কাপড় দিয়ে গলার পাইপিং এবং বোতামের পট্টি তৈরি করতে হবে।
উল্লিখিত পদ্ধতিতে কাজ করলে রাজিয়ার পদ্ধতিটি ভুল না হয়ে সঠিক হতো। তাহলে ফতুয়াটির ফিটিং সুন্দর হতো।
Related Question
View Allসমতল কাগজে পোশাকের নমুনা আঁকা হয়।
পোশাক তৈরির একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায় হলো ড্রাফটিং। কোনো পোশাক তৈরি করতে গেলে প্রথমে একটি নমুনা আঁকা হয়। একে মূল নকশা বা মূল ড্রাফট বলে। এরপর মূল নকশাকে ভিত্তি করে দেহের মাপ অনুযায়ী সমতল কাগজে যে চূড়ান্ত নকশা আঁকা হয় তাকেই বলে প্যাটার্ন ড্রাফটিং।
উদ্দীপকে রোজিনা নির্দিষ্ট পদ্ধতি অনুযায়ী কাপড় ছেঁটে শিশুর পোশাকটি উপযোগী করে তৈরি করতে পারতো।
পোশাক সুন্দর ও মানানসই করার জন্য প্রয়োজন সঠিকভাবে দেহের মাপ নেয়া। দেহের মাপ সঠিক না হলে পোশাক পরিধানের উপযোগী হয় না।
রোজিনা প্রশিক্ষণ গ্রহণের পর তিন বছরের শিশুর জন্য ফতুয়া তৈরি করার জন্য কাপড় কিনে। সে শিশুটির কাঁধের মাপের ১/৩ অংশ, বুকের মাপের ১/২ অংশ মাপ নিয়ে কাপড়টি কেটে ফেলে। পোশাকটি তৈরি করার পর শিশুটিকে ফতুয়া পরানোর চেষ্টা করলে তা গায়ে ঢোকে না। কারণ ফতুয়া বানানোর জন্য প্রথমে পরিকল্পনা অনুসারে কাপড়ের পরিমাণ নির্ধারণ করতে হবে। পরে নির্দিষ্ট পদ্ধতি অনুযায়ী কাপড়টি ছেঁটে সেলাই করতে হবে। একটি ৩ বছরের শিশুর ফতুয়া তৈরির জন্য প্রয়োজন ১ গজ কাপড়। ফতুয়া তৈরির সময় পিন দিয়ে কাপড়টি আটকাতে হবে। এরপর নকশা অনুযায়ী কাপড় ছাঁটতে হবে। কাপড়টি ছাঁটার পর পেছনের অংশ আলাদা করে সামনের অংশের বগলের শেইপ ও গলা ছেঁটে সেলাই করতে হবে। তাই বলা যায়, নির্দিষ্ট পদ্ধতি অনুযায়ী কাপড় হেঁটে রোজিনা তার শিশুর পোশাকটি উপযোগী করে তৈরি করতে পারতো।
পোশাকটি তৈরিতে রোজিনার ত্রুটি ছিল।
রোজিনার প্রথম ত্রুটি ছিল যে সে কোনো ড্রাফটিং করে নেয় নি। অথচ যেকোনো পোশাক তৈরির প্রথম ধাপ হলো মূল নকশার পরিকল্পনা করে কাপড়ে ড্রাফটিং করা। এরপর কাপড় ছাঁটাই করা। কাপড়কে সঠিক পদ্ধতিতে ভাঁজ করে তার উপর ড্রাফটিং এর কাগজ রেখে পিন দিয়ে আটকিয়ে নিতে হবে। এরপর নকশা অনুযায়ী কাপড় ছাঁটতে হবে। এছাড়া রোজিনা শিশুটির কাঁধের ও বুকের যে মাপ নেয় তাতেও ত্রুটি ছিল। ৩ বছরের শিশুর ফতুয়ার ক্ষেত্রে কাঁধের মাপের অর্ধেক ও বুকের মাপের ১/৪ অংশের মাপ নিয়ে কাজ করতে হয়। সেলাই করার মধ্যেও তার ত্রুটি ছিল। সে ফতুয়াটি সেলাই করার সময় পাশে কোনো কাপড় রাখে নি। ফলে যখন কাপড়টি গায়ে ঢুকছিল না তা খুলে ঢিলা করার জন্যও কোনো কাপড় ছিল না।
এ সকল কারণ বিবেচনা করে আমি মনে করি, পোশাকটি তৈরিতে রোজিনার ত্রুটি ছিল।
সমতল কাগজে পোশাকের নমুনা আঁকা হয়।
পোশাক তৈরির একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায় হলো ড্রাফটিং। কোনো পোশাক তৈরি করতে গেলে প্রথমে একটি নমুনা আঁকা হয়। একে মূল নকশা বা মূল ড্রাফট বলে। এরপর মূল নকশাকে ভিত্তি করে দেহের মাপ অনুযায়ী সমতল কাগজে যে চূড়ান্ত নকশা আঁকা হয় তাকেই বলে প্যাটার্ন ড্রাফটিং।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!