HIV তথা Human Immune Deficiency হলো এক ধরনের ভাইরাস।
এইডস একটি সংক্রামক রোগ।
এইডস মানুষের দেহে বিভিন্নভাবে সংক্রমিত হতে পারে। যেমন- অপরীক্ষিত রক্ত শরীরে গ্রহণ করা, অপারেশনের সময় অপরিশোধিত যন্ত্রপাতি ব্যবহার, মাদক গ্রহণ বা কোনো প্রয়োজনে ইঞ্জেকশনের একই সূচ ও সিরিঞ্জ একাধিক ব্যক্তি কর্তৃক ব্যবহার, এইডস আক্রান্ত মায়ের সন্তান গ্রহণ, অনিরাপদ দৈহিক সম্পর্ক, এইচআইভি আক্রান্ত মায়ের বুকের দুধ পান।
এইডস এর ভাইরাস মানুষের শরীরে প্রবেশ করলে রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস পেতে থাকে।
এইডস এর লক্ষণগুলো হলো- শরীরে অবিরাম জ্বর, ওজন অস্বাভাবিকভাবে কমে যাওয়া, অনিদ্রা ও ত্বক অত্যধিক ঘেমে যাওয়া। শ্বাসপ্রশ্বাসে সমস্যার পাশাপাশি পেটের সমস্যা তথা ডায়রিয়া।
রাজীবের মধ্যে উক্ত লক্ষণগুলো দেখা দিয়েছে। কোনো ঔষধেই সে সেরে উঠছে না। যারা এইচআইভি ভাইরাসে আক্রান্ত তাদেরও একসময় নানাবিধ অসুখের দরুণ শয্যাশায়ী হতে হয়। এইডসে আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরে এই ভাইরাসটি প্রবেশের পর কিছুদিন সুপ্ত অবস্থায় থাকে। এরপর নানাবিধ উপসর্গের মাধ্যমে প্রকাশ পেতে থাকে। রাজীবের লক্ষণগুলো এইডসের লক্ষণের সাথে সম্পৃক্ত এবং এগুলো নানা উপসর্গের মাধ্যমে দেখা দিচ্ছে। তাই বলা যায়, রাজীব এইচআইভি ভাইরাসে আক্রান্ত।
যেসব কারণে এইচআইভি বিস্তার লাভ করে সেগুলো থেকে সতর্কতা অবলম্বন করলে সহজেই এরোগ প্রতিরোধ করা যায়।
এইচআইভি প্রতিরোধ করার উপায়- ১. বিদেশ থেকে কোনো লোক দেশে আগমন করলে তাকে পরীক্ষা করা, সে এইচআইভি বা এইডসে আক্রান্ত কি না।
২. ব্লাড ব্যাংকে রক্ত বিক্রির জন্য নেশাগ্রস্তদের বাধা দেওয়া।
৩. প্রাথমিক স্তর থেকে যৌন শিক্ষা চালু করে এইডস-এর ভয়াবহতা সম্পর্কে সকলকে অবগত করা।
৪. অন্যের ব্যবহৃত সিরিঞ্জ ব্যবহার না করা।
৫. অন্যের ব্যবহৃত ক্ষুর বা ব্লেড দিয়ে দাঁড়ি না কামানো।
৬. নিরাপদ দৈহিক সম্পর্ক বজায় রাখা।
৭. এইডস আক্রান্ত মায়ের সন্তান না নেওয়া।
৮. ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলার জন্য সকলকে উদ্বুদ্ধ করা, এক্ষেত্রে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে এগিয়ে আসা।
৯. এইডস রোগ সম্পর্কে ব্যাপক প্রচারের মাধ্যমে দেশের জনগণকে সচেতন করা।
যেহেতু এইডস রোগের কোনো চিকিৎসা নেই, তাই এর প্রতিরোধ ব্যবস্থা অবলম্বন করা উচিত।
Related Question
View Allজন্মের পর থেকে ১৪ দিন বয়স পর্যন্ত শিশুকে নবজাতক বলা হয়।
স্থায়ীভাবে মাসিক বন্ধ হয়ে যাওয়াকে মেনোপজ বলে।
নারীরা সাধারণত ১৫-৫৫ বছর বয়স পর্যন্ত গর্ভধারণ করতে সক্ষম। ৫০-৫৫ বছর বয়সে বা তার আগেই অনেকের মাসিক স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যায়। এ অবস্থাকে 'মেনোপজ বলে।
নাঈম HIV ভাইরাস দ্বারা সংক্রমিত হতে পারে। প্রাণঘাতী AIDS রোগে আক্রান্ত হওয়ার কারণগুলোর মধ্যে একটি হলো পরীক্ষা না করে শরীরে রক্ত গ্রহণ করা। আর এইডস রোগের লক্ষণ হলো দীর্ঘদিন জ্বর ও কাশিতে ভোগা এবং শরীরের ওজন দ্রুত হ্রাস পাওয়া।
নাঈমের রক্তের প্রয়োজন হওয়ায় পরীক্ষা না করেই এক ব্যক্তির রক্ত শরীরে গ্রহণ করে। এর কিছুদিন পর থেকেই সে দীর্ঘদিন জ্বর ও কাশিতে ভোগে। জ্বর ও কাশি না কমায় ডাক্তার হাসপাতালে ভর্তির পরামর্শ দেন। নাঈমের রোগের লক্ষণগুলো AIDS এর অনুরূপ হওয়ায় বলা যায়, নাঈম AIDS-এ আক্রান্ত হয়েছে।
HIV AIDS যেসব কারণে সংক্রমিত হয় সেগুলোকে HIV AIDS এর ঝুঁকি বলা হয়। HIV AIDS-এর ঝুঁকিগুলো হলো-একই সুঁচ ও সিরিঞ্জ একাধিক ব্যক্তি কর্তৃক ব্যবহার, অপরীক্ষিত রক্ত শরীরে গ্রহণ, অপারেশনের সময় অপরিশোধিত যন্ত্রপাতি ব্যবহার, এইডস আক্রান্ত মায়ের সন্তান গ্রহণ, অনিরাপদ দৈহিক সম্পর্ক ও HIV আক্রান্ত মায়ের দুধ পান করানো।
নাঈম অপরীক্ষিত রক্ত গ্রহণ করে। সাধারণত অপরীক্ষিত রক্তে HIV ভাইরাস থাকতে পারে। এ রক্ত যে গ্রহণ করবে তার দেহে HIV ছড়াবে। এ কারণেই নাঈম HIV ভাইরাসে আক্রান্ত হয়।
তাই রক্ত গ্রহণের প্রয়োজন হলে আগে রক্ত পরীক্ষা করে নিতে হবে। নয়তো HIV AIDS-আক্রান্ত হওয়ার আশংকা থাকে। সুতরাং নাঈমের অপরীক্ষিত রক্ত গ্রহণ যৌক্তিক হয় নি বলে আমি মনে করি।
AIDS প্রথম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে শনাক্ত করা হয়।
মানসিক স্বাস্থ্যের সুস্থতা ও স্বাভাবিকতায় যেসব বিষয় প্রভাব বিস্তার করে সেগুলোকে মানসিক স্বাস্থ্যের উপাদান বা নির্ধারক বলে।
মানসিক স্বাস্থ্যের উপাদান হিসেবে জৈবিক, মনস্তাত্ত্বিক এবং সামাজিক পরিবেশগত অবস্থাকে বিবেচনা করা হয়। মূলত মানসিক স্বাস্থ্যের উপাদানগুলোই মানুষের সামগ্রিক বিকাশ প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!