রাজু অনুমান করছে আগামী এক দশকে আমাদের দেশে ক্ষুধামুক্তি, দারিদ্র্যমোচন ও আর্থ-সামাজিক সাম্য সুনিশ্চিত করা সম্ভব। এক্ষেত্রে সে সরকারি-বেসরকারি সকল সম্পদের সীমিত ও সর্বোত্তম ব্যবহারের কথা উল্লেখ করেন। তার আরেক বন্ধু মেহেদি বলেন, জনগণের সম্পৃক্ততার মধ্য দিয়েই একটি কাঙ্ক্ষিত রাষ্ট্রের প্রতিফলন ঘটানো সম্ভব। 

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

সুশাসনের অন্যতম অন্তরায় হলো গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক ব্যবস্থার অভাব। আর গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক ব্যবস্থার অভাবেই রাষ্ট্রে দুর্নীতির উপস্থিতি লক্ষ করা যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
উত্তরঃ

ক্ষমতার ভারসাম্য বলতে রাষ্ট্রের আইন, বিচার ও শাসন বিভাগের মধ্যে নিয়মতান্ত্রিকভাবে ক্ষমতার ভাগাভাগি থাকতে হবে এবং এর মধ্যে একটা ভারসাম্য বজায় থাকে। ক্ষমতার ভারসাম্য বলতে বোঝায় স্বাধীন রাষ্ট্রসমূহের মধ্যে এমন এক ব্যবস্থা যেখানে কোনো একক শক্তি অথবা সমবায়কে এমন ক্ষমতাসম্পন্ন হতে দেওয়া যাবে না যাতে সে অন্যদের নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে মেহেদির বক্তব্য থেকে রাষ্ট্রব্যবস্থার ক্ষেত্রে গণতন্ত্র অনুষঙ্গটি ফুটে উঠেছে। কেননা গণতন্ত্র হলো জনগণের জন্য জনগণের দ্বারা নির্বাচিত প্রতিনিধির শাসনব্যবস্থা। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সরকারের গঠন, সরকারের পরিচালনা ও সরকারের পরিবর্তন সবই জনগণের ওপর নির্ভরশীল এবং জনগণের ভোটের মাধ্যমেই প্রতিনিধিরা নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠন করে। যার ফলে প্রকৃতপক্ষে জনগণই গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সরকার গঠন করে এবং তাদের ইচ্ছানুযায়ী গণতান্ত্রিক সরকার পরিচালিত হয়। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় কোনো সরকারই জনগণের মতামতকে উপেক্ষা করে ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারে না। আর এসব বিষয়ের আলোকে উদ্দীপকে মেহেদি বলেন, জনগণের সম্পৃক্ততার মধ্য দিয়েই একটি কাঙ্ক্ষিত রাষ্ট্রীয় বাস্তব প্রতিফলন ঘটাতে হবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
উত্তরঃ

বর্তমান বিশ্বব্যবস্থার রাষ্ট্র ও সমাজের সার্বিক অগ্রগতির জন্য উদ্দীপকের উক্ত বিষয়টি একান্ত আবশ্যক।

এ বক্তব্যের সাথে আমি একমত। গণতন্ত্র বর্তমান বিশ্বব্যবস্থায় রাষ্ট্র ও সমাজের সার্বিক অগ্রগতির জন্য সর্বোৎকৃষ্ট শাসনব্যবস্থা। এ শাসনব্যবস্থায় জনগণ সর্বাধিক সুযোগ-সুবিধা ভোগ করে থাকে বলে এটি অত্যধিক জনপ্রিয়। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সরকারের ক্রিয়াকলাপে সমাজের প্রত্যেক মানুষের ইচ্ছাকে যথাযথ মর্যাদা ও বিবেচনা দান করা হয় এবং কাউকে অবজ্ঞা করা হয় না এ নিশ্চয়তা মেলে। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা জনগণকে দায়িত্বশীল করে তোলে। এ ব্যবস্থায় শাসিতের সম্মতির ওপর শাসনব্যবস্থা নির্ভরশীল বিধায় জনগণ অত্যন্ত সচেতনভাবে রাজনৈতিক ক্রিয়াকলাপ পালন করে। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় দেশপ্রেমের উন্মেষ ঘটে। কেননা এ শাসনব্যবস্থায় জনগণের মধ্যে আত্মোপলব্ধি আসে যে, দেশ জনগণের, সরকার জনগণের দ্বারা গঠিত এবং দেশের উন্নতির অর্থ জনগণেরই উন্নতি। এছাড়াও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সরকার ও সাধারণ মানুষের মধ্যে সহযোগিতা ও কর্মের ঐক্য গড়ে ওঠে এবং এ শাসনব্যবস্থায় বিপ্লবের সম্ভাবনা সুদূরপরাহত। উপরিউক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা হয় বর্তমান বিশ্বব্যবস্থায় রাষ্ট্র ও সমাজের সার্বিক অগ্রগতির জন্য গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা একান্ত আবশ্যক।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
138
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
228
উত্তরঃ

সাধারণভাবে রাজনৈতিক অঙ্গনের অস্থিতিশীল পরিবেশকে রাজনৈতিক অস্থিরতা বলা হয়। একটু ব্যাপকভাবে বলতে গেলে ভঙ্গুর গণতান্ত্রিক পরিবেশে যখন রাজনৈতিক দলসমূহের মধ্যে সুষ্ঠু রাজনীতি চর্চার অভাবহেতু পারস্পরিক অবিশ্বাস, সন্দেহ, কোন্দল এবং হানাহানি ও সহিংসতা দেখা দেয়, সেই পরিবেশকে রাজনৈতিক অস্থিরতা বলে। অস্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিবেশে দেশে অরাজক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হয়। এর ফলে গণতন্ত্র ব্যাহত হয়, নেতৃত্বের বিকাশ ঘটে না। অস্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিবেশ সুশাসনের অন্তরায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
744
উত্তরঃ

ক' দেশটির উল্লিখিত সমস্যাগুলো সামাজিক সমস্যা। কোনো দেশের আর্থসামাজিক বিপর্যয়ের ওপর নির্ভর করে এ ধরনের সামাজিক সমস্যার জন্ম হয়। এরূপ সামাজিক সমস্যা অনেক সমস্যার সৃষ্টি করে থাকে। যেমন অধিক জনসংখ্যা একটি সামাজিক সমস্যা, কিন্তু এটি অর্থনীতির ওপর চাপ সৃষ্টি করে, পরিবেশ বিপন্ন করে, সামাজিক অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করে, রাজনৈতিক পরিবেশকে প্রভাবিত করে থাকে। অধিক জনসংখ্যা শিক্ষা বিস্তারে বাধার কারণ হয়। একই সাথে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটায়, অপরাধপ্রবণতা বাড়ে অর্থাৎ একটি সমস্যা থেকে একাধিক সমস্যার উৎপত্তি হয়। উদ্দীপকের সমস্যাগুলোর ক্ষেত্রেও একথা প্রযোজ্য। এসব মূলত সামাজিক সমস্যা হলেও রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সমস্যারও সৃষ্টি করে থাকে। যেকোনো দেশের জন্য এসব সমস্যা সুশাসনের অন্তরায়। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ, রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার পথে এসব সমস্যা যখন বাধা হয়ে দাঁড়ায়, তখন তা সুশাসনের অন্তরায় হিসেবে কাজ করে। আর সুশাসনের অন্তরায় দুঃশাসনকে টেনে আনে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
181
উত্তরঃ

সুনাগরিকগণ একটি দেশের সর্বোত্তম সম্পদ। একটি দেশের অগ্রগতি, উন্নতি নির্ভর করে সুনাগরিকদের কাজের ওপর। 

কোনোদেশের সরকারের একার পক্ষে দেশের সার্বিক উন্নয়ন এবং সমস্যা সমাধান করা সম্ভব নয়। জনগণ ও সরকার সম্মিলিতভাবে এসব সমস্যার সমাধান করতে পারে। উদ্দীপকে বর্ণিত 'ক' দেশটির সমস্যা সমাধানেও নাগরিকদের ভূমিকা অনস্বীকার্য। কোনো দেশের জনসংখ্যা সমস্যা সমাধান সরকার যত কার্যক্রমই গ্রহণ করুক না কেন, জনগণের প্রত্যক্ষ সহযোগিতা ছাড়া তা সম্ভব নয়। জনসংখ্য পরিকল্পনায় প্রতিটি নাগরিককে এগিয়ে আসতে হবে।
জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং সচেতনতা জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের জন্য আবশ্যক। শিক্ষা বিস্তারে দেশের জনগণ সরকারকে সহযোগিতা করতে পারে। শিক্ষিত ও প্রতিষ্ঠিত প্রতিটি নাগরিককে এক্ষেত্রে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসতে হবে। জনসচেতনতা বাড়াতে হবে। যারা শিক্ষার আলো থেকে দূরে, তাদেরকে শিক্ষা গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড, শিক্ষা ছাড়া কাঙ্ক্ষিত উন্নতি সম্ভব নয়। শিক্ষাই উন্নতির সোপান, কথাগুলো শিক্ষা বঞ্চিতদেরকে বোঝাতে হবে।

সন্ত্রাস ও দুর্নীতি একটি দেশের জন্য অভিশাপস্বরূপ। সন্ত্রাস ও দুর্নীতির সাথে জড়িত ব্যক্তিরা সমাজেরই অংশ। নাগরিকদের একটি অংশই এ কাজে যুক্ত থাকে। সন্ত্রাস ও দুর্নীতি প্রতিরোধে সাধারণ জনগণকেই সজাগ থাকতে হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে তথ্য দিয়ে সহায়তা করতে হবে। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা যাতে দুর্নীতি থেকে মুক্ত থাকে, সেজন্য নাগরিক সচেতনতা বাড়াতে হবে। দুর্নীতিবাজদেরকে সামাজিকভাবে বয়কট করতে হবে। সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমে সন্ত্রাস, দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি দূর করা খুবই সহজ কাজ। এ ব্যাপারে নাগরিকদেরকে এগিয়ে আসতে হবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
183
উত্তরঃ

শাসন প্রক্রিয়ায় সুশৃঙ্খল, কাঠামোবদ্ধ ও আদর্শ এমন রূপকে সুশাসন বলা হয় যেখানে আইনের শাসন, নিরপেক্ষ, সংবেদনশীল, স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক, অংশগ্রহণমূলক এবং কার্যকর শাসন পদ্ধতি চালু থাকবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
520
উত্তরঃ

সুশাসনের অন্যতম প্রধান ভিত্তি হলো আইনের শাসন। আইনের
শাসন বলতে মূলত বোঝানো হয় রাষ্ট্রীয় জীবনে নিরপেক্ষভাবে আইন
প্রয়োগের মাধ্যমে মানবাধিকারের সংরক্ষণকে। সংখ্যালঘু ও
রাজনৈতিক বিরোধী পক্ষের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা এর শর্ত। স্বাধীন

নিরপেক্ষ এবং দুর্নীতিমুক্ত আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও বিচার বিভাগ আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য অপরিহার্য। এটি জনগণের অধিকার রক্ষার রক্ষাকবচ। 

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
290
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews