রাজু ও শান্তু ঘনিষ্ঠ বন্ধু এবং দেশের স্বনামধন্য ব্যবসায়ী। রাজু অন্যদেশ থেকে প্রয়োজনীয় পণ্য আমদানি করেন আর শান্তু অন্য দেশে তৈরি পোশাক, পাটজাত দ্রব্য ও কাঁচামাল রপ্তানি করেন। দীর্ঘদিন ব্যবসায় করে তারা বুঝতে পারল বৈদেশিক বাণিজ্য এদেশের অনুকূলে নয়। এর প্রকৃতি উন্নত দেশের চেয়ে ভিন্ন।

Updated: 5 months ago
উত্তরঃ

উদ্বৃত্ত অঞ্চল ও ঘাটতি অঞ্চলের মধ্যে যে পণ্যের বিনিময় ঘটে তাকেই বাণিজ্য বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য বলতে একই দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মধ্যে সংঘটিত বিনিময় ব্যবস্থাকে বোঝায়। বাংলাদেশের ভেতরে যে বাণিজ্যগুলো হয় সেগুলোকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য বলে। এক্ষেত্রে গ্রাম পর্যায় থেকে শুরু করে শহর, নগর এমনকি মহানগরী পর্যন্ত বাণিজ্য হয়ে থাকে। যে অঞ্চলে উদ্বৃত্ত শস্য বা অন্যকোনো পণ্যদ্রব্য থাকে সেই অঞ্চল থেকে ঘাটতি অঞ্চলের মধ্যে বিনিময় হয় যা অভ্যন্তরীণ বাণিজ্যের অন্তর্ভুক্ত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে রাজু ও শান্তুর বাণিজ্য যথাক্রমে আমদানি এবং রপ্তানি বাণিজ্য।
একটি দেশ তার অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণের জন্য যখন অন্যদেশ থেকে পণ্যদ্রব্য নিজ দেশে আনে তাকে আমদানি বাণিজ্য বলে। অপরদিকে একটি দেশ তার অভ্যন্তরীণ উৎপাদিত পণ্য যদি অর্থ উপার্জনের উদ্দেশ্যে বিদেশে প্রেরণ করে তাকে রপ্তানি বাণিজ্য বলে।
আমদানি বাণিজ্যে বিভিন্ন পণ্য অন্যদেশ থেকে নিজ দেশে আনা হয়। পক্ষান্তরে রপ্তানি বাণিজ্যে নিজ দেশের উদ্বৃত্ত পণ্যদ্রব্য ও সেবাসমূহ বিদেশে প্রেরণ করা হয়। এক্ষেত্রে রপ্তানি বাণিজ্য একটি দেশের পণ্যদ্রব্যের স্বয়ংসম্পূর্ণতা নির্দেশ করে। সাধারণত অনুন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলো আমদানি এবং উন্নত দেশগুলো রপ্তানি বাণিজ্য করে থাকে। বাংলাদেশের আমদানি পণ্যসমূহ হলো- ভোজ্যতেল, পেট্রোলিয়াম সামগ্রী, সূতা, সার, ক্লিংকার, লৌহজাত দ্রব্য প্রভৃতি। এদেশের রপ্তানি পণ্যসমূহ হলো- তৈরি পোশাক, হিমায়িত খাদ্য, পাটজাত দ্রব্য, জনশক্তি প্রভৃতি। সুতরাং বলা যায়, দুই বন্ধু রাজু ও শান্তর বাণিজ্যের ধরনে যথেষ্ট পার্থক্য রয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত বাণিজ্য হলো আমদানি ও রপ্তানি বাণিজ্য যা বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

নিচে উন্নয়নশীল বাংলাদেশের বাণিজ্যের প্রকৃতি বর্ণনা করা হলো-বাংলাদেশ বেশির ভাগ কৃষিজাত পণ্য রপ্তানি করে। মোট রপ্তানিকৃত পণ্যের মধ্যে ৮০ ভাগই কৃষিজাত পণ্য, আর এটি বাংলাদেশি বৈদেশিক বাণিজ্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য। বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের একটি অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে রপ্তানির চেয়ে আমদানির পরিমাণ ও সংখ্যা অনেক বেশি। উচ্চ জনসংখ্যা এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে প্রতি বছর প্রচুর খাদ্যশস্য জাতীয় ফসলের ক্ষতি হয়। তাই প্রতি বছর বাংলাদেশকে প্রচুর খাদ্যশস্য আমদানি করতে হয়। বাংলাদেশ শিল্পে উন্নত নয়। তাই এখনও আমদানির প্রায়

শতকরা ৭৫ ভাগ শিল্পজাত দ্রব্য। যেমন- যন্ত্রপাতি, কলকব্জা, ওষুধ, সিমেন্ট, জ্বালানি, লৌহ, ইস্পাত প্রভৃতি। বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো প্রতিবেশী দেশের সাথে বাণিজ্যিক সম্পর্কের ঘনিষ্ঠতা। বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের প্রায় শতকরা ৯০ ভাগ সমুদ্রপথের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। এ বাণিজ্যে চট্টগ্রাম ও মংলা বন্দর ব্যবহৃত হয়। বাংলাদেশ সরকার শিল্পোন্নয়ন ও বৈদেশিক মুদ্রার অপচয় হতে দেশকে রক্ষার জন্য বিলাস দ্রব্যসহ কিছু দ্রব্যের আমদানি নিষিদ্ধ করেছে। এটি বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের একটি অন্যতম বৈশিষ্ট্য।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
39
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

শিল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সহায়ক।
যেকোনো দেশের শিল্প স্থাপিত হলে সেখানে প্রচুর জনবল নিয়োগ হয়। একটি শিল্পপ্রতিষ্ঠানে প্রচুর শ্রমিক কাজ করে। বিভিন্ন বিভাগে বিভিন্ন যোগ্যতার জনবল শিল্পপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত থাকে। অর্থাৎ যে অঞ্চলে শিল্পপ্রতিষ্ঠান বেশি সে অঞ্চলে কাজের সুযোগও বেশি থাকে।
তাই বলা যায় শিল্প কর্মসংস্থানের সহায়ক হিসেবে কাজ করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
98
উত্তরঃ

উদ্দীপকে 'ক' দেশটি হলো বাংলাদেশ।

বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যে রপ্তানি দ্রব্যের মধ্যে বেশিরভাগই কৃষিজদ্রব্য, পাট, চা, চিংড়ি, তামাক প্রভৃতি। তবে বর্তমানে তৈরি পোশাক, কাগজ, রেয়ন প্রভৃতি দ্রব্যের মতো শিল্পজাত পণ্যও রয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশের আমদানি বাণিজ্যের ৭৫ ভাগই শিল্প পণ্য, খনিজ তেল, ঘড়ি, ফ্রিজ, ক্যালকুলেটর প্রভৃতি। এদেশের রপ্তানির চেয়ে আমদানি পণ্যের আধিক্যই বেশি। তাই বৈদেশিক বাণিজ্যের ভারসাম্য সর্বদাই প্রতিকূল অবস্থায় থাকে। এদেশের নিজস্ব বিমান ব্যবস্থা ও জাহাজ কম থাকায় বৈদেশিক বিমান কোম্পানি ও জাহাজের ওপর নির্ভরশীল হতে হয়।

বৈদেশিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সাথে প্রতিবেশী দেশ বিশেষ করে চীন, মায়ানমার, ভারত, মালয়েশিয়া প্রভৃতি দেশের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বিদ্যমান। বৈদেশিক বাণিজ্য নীতি হিসেবে বাংলাদেশে রপ্তানি বৃদ্ধির প্রতি নজর দেওয়া হয়েছে। এছাড়া জনশক্তি রপ্তানি, বাণিজ্যের গতি, বাণিজ্য এলাকার বিস্তৃতি প্রভৃতি বৈশিষ্ট্য বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যে ফুটে ওঠে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
116
উত্তরঃ

উদ্দীপকে 'ক' দেশটি হলো বাংলাদেশ।
বাংলাদেশের ন্যায় উন্নয়নশীল দেশের অর্থনীতিতে বৈদেশিক বাণিজ্যের গুরুত্ব অপরিসীম। বাংলাদেশের রপ্তানিযোগ্য পণ্যের সংখ্যা যেমন কম তেমনি উৎপাদনও আশানুরূপ নয়। বাংলাদেশের অপ্রচলিত পণ্যের মধ্যে তৈরি পোশাক আন্তর্জাতিক বাজারে খ্যাতি লাভ করেছে। তৈরি পোশাকের আইটেমের সংখ্যা বাড়িয়ে নতুন নতুন ডিজাইনের সংযোজন ঘটিয়ে এবং গুণগত মান বৃদ্ধি করে এর রপ্তানি আরও বৃদ্ধি করা সম্ভব। চিংড়ি বাংলাদেশের আরেকটি রপ্তানি পণ্য। যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, মধ্যপ্রাচ্য, থাইল্যান্ড, হংকং প্রভৃতি দেশে বাংলাদেশের চিংড়ির ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। নিবিড় চাষ পদ্ধতি ও সঠিক ভূমিনীতি প্রণয়নের মাধ্যমে এদেশে চিংড়ি উৎপাদন ও রপ্তানি বহুলাংশে বৃদ্ধি করা সম্ভব। মধ্যপ্রাচ্যের কতিপয় দেশ, ভারত ও অন্যান্য দেশে বাংলাদেশের কাঁচা শাকসবজি, ফলমূল, পান, গোল আলু প্রভৃতি দ্রব্য রপ্তানি করা হয়। উৎপাদন বৃদ্ধি ও সংরক্ষণ ব্যবস্থার উন্নয়নের মাধ্যমে এসব দ্রব্যের রপ্তানি কাড়ানো সম্ভব। বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের হস্তশিল্পজাত পণ্যদ্রব্য ক্রমশ সুনাম অর্জন করে চলছে এবং এগুলোর বাজার প্রসারিত হচ্ছে। বাঁশ, বেত, রশি, পাট, বিভিন্ন প্রকার ধাতব পদার্থ, কাঠ প্রভৃতি দ্বারা তৈরি নানা প্রকার শৌখিন হস্তশিল্পজাত দ্রব্যের ব্যাপক চাহিদা বিশ্বের অনেক দেশে রয়েছে।

পরিশেষে বলা যায়, বিগত প্রায় দুই দশক যাবৎ বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্যের গঠন ও বিন্যাসের ক্ষেত্রে পরিবর্তন সূচিত হয়েছে। অপ্রচলিত পণ্যদ্রব্যের প্রাধান্য ও রপ্তানি সম্ভাবনা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। বৈদেশিক বাজার ও দেশের অভ্যন্তরে বিদ্যমান পরিস্থিতিকে সুষ্ঠুভাবে কাজে লাগিয়ে এসব রপ্তানি পণ্যদ্রব্যের উৎপাদন বৃদ্ধি করে রপ্তানি বহুলাংশে বাড়ানো সম্ভব।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
98
উত্তরঃ

দুইটি শক্তিশালী রাষ্ট্রের সীমানায় অবস্থিত অপেক্ষাকৃত দুর্বল ও ক্ষুদ্র রাষ্ট্রকে বাফার রাষ্ট্র বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
150
উত্তরঃ

পার্বত্য চট্টগ্রামে পরিবহন ব্যয়বহুল।
পার্বত্য এলাকা ভূ-প্রকৃতি বন্ধুর। আর এ ধরনের ভূ-প্রকৃতিতে যেকোনো ধরনের পরিবহন পথ নির্মাণ অত্যন্ত ব্যয় বহুল। বাংলাদেশে স্থল পরিবহনের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো রেলপথ ও সড়কপথ। আর এ দুই ধরনের পথের জন্য সমতল ভূমি উপযোগী। পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকা উঁচু-নিচু ও পর্বতময় হওয়ায় সেখানে পরিবহন ব্যয়বহুল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
118
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews