মহাকর্ষ বলের প্রভাবে যেসব জ্যোতিষ্ক সূর্যের চারদিকে নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট কক্ষপথে পরিগমন করছে, এদের গ্রহ বলা হয়।
বায়ুমণ্ডলে ওজোন গ্যাসের একটি স্তর আছে যা ওজোন স্তর নামে পরিচিত। সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ করায় এর তাপমাত্রা ধীরে ধীরে প্রায় চল্লিশ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত হয়। ফলে এ স্তরের তাপমাত্রা অধিক হয়। ওজোন স্তরের গভীরতা প্রায় ১২-১৬ কি.মি। এ স্তরটি পৃথিবীকে প্রাণিজগতের বাসোপযোগী করেছে।
উদ্দীপকে নির্দিষ্ট দ্রাঘিমা দ্বারা আন্তর্জাতিক তারিখ রেখাকে ইঙ্গিত করা হয়েছে।
আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা সাইবেরিয়ার উত্তর-পূর্ব অংশ অ্যালিউসিয়ান, ফিজি ও চ্যাথাম দ্বীপপুঞ্জের উপর দিয়ে গিয়েছে। স্থানীয় লোকদের বারের হিসেবে অসুবিধা দূর করার জন্য রেখাটিকে বেরিং প্রণালিতে ১২০ পূর্ব অ্যালিউসিয়ান দ্বীপপুঞ্জের কাছে ৭০° পশ্চিম এবং ফিজি ও চ্যাথাম দ্বীপপুঞ্জের কাছে ১১° পূর্বদিকে বেঁকে জলভাগের উপর দিয়ে কল্পনা করা হয়েছে। গ্রিনিচ থেকে পূর্বগামী কোনো জাহাজ বা বিমান এ রেখা অতিক্রম করলে স্থানীয় সময়ের সঙ্গে মিল রাখার জন্য তাদের বর্ধিত সময় থেকে একদিন বিয়োগ করে এবং পশ্চিমগামী জাহাজ বা বিমান তাদের কম সময়ের সঙ্গে একদিন যোগ করে তারিখ গণনা করে থাকে। উদ্দীপকেও তেমনি ঘটনা, রাতুল ২৫° উত্তর অক্ষাংশের একটি দেশ থেকে ডিসেম্বরের ২০ তারিখ ২০০ দক্ষিণ অক্ষাংশের একটি দেশে যাওয়ার জন্য বিমানে ওঠে এবং কিছু পথ অতিক্রম করার পর একটি নির্দিষ্ট দ্রাঘিমায় কর্তৃপক্ষের ঘোষণা অনুযায়ী যাত্রীরা সময় পরিবর্তন করে নেয়।
অতএব আলোচনা শেষে এ সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া যায় যে, উদ্দীপকে আন্তর্জাতিক তারিখ রেখাকেই ইঙ্গিত করা হয়েছে।
উদ্দীপকে বর্ণিত স্থান দুটিতে ঋতুগত ভিন্নতা বিদ্যমান- উক্তিটি যথার্থ।
কারণ রাতুলের বসবাসরত দেশটি ২৫০ উত্তর অক্ষাংশে তথা উত্তর গোলার্ধে অবস্থিত। অন্যদিকে, রাতুলের গমনকৃত দেশটি ২০০ দক্ষিণ অক্ষাংশে তথা দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থিত। ২২ ডিসেম্বর সূর্যের দক্ষিণায়নের শেষদিন অর্থাৎ এদিন সূর্য মকরক্রান্তির উপর লম্বভাবে কিরণ দেয়। ফলে সেখানে দিন বড় ও রাত ছোট হয়। এ তারিখের দেড় মাস পূর্বে ও পরে দক্ষিণ গোলার্ধে গ্রীষ্মকাল এবং উত্তর গোলার্ধে শীতকাল থাকে। তাই বলা যায়, ২০ ডিসেম্বর দক্ষিণ গোলার্ধে গ্রীষ্মকাল এবং উত্তর গোলার্ধে শীতকাল বিরাজ করবে। আর উদ্দীপকের রাতুলের ২০ ডিসেম্বর ২০০ দক্ষিণ অক্ষাংশে অর্থাৎ দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থান করার সময়ে শীতের কাপড়ের কোনো প্রয়োজন হয়নি।
অতএব এ সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া যায় যে, উদ্দীপকে বর্ণিত স্থান দুটিতে ঋতুগত ভিন্নতা বিদ্যমান।
Related Question
View Allপৃথিবীর কেন্দ্র দিয়ে উত্তর-দক্ষিণে কল্পিত রেখাকে মেরুরেখা বলে।
সূর্য একটি উজ্জ্বল নক্ষত্র যা সৌরজগতের সকল গ্রহ ও উপগ্রহের নিয়ন্ত্রক। ৫৫% হাইড্রোজেন, ৪৪% হিলিয়াম এবং ১% অন্যান্য গ্যাসের সমন্বয়ে সূর্য গঠিত। আর এ সূর্যের মধ্যে মাঝে মাঝে যে কালো দাগ দেখা যায় তাকে সৌরকলঙ্ক বলে। সূর্যের অন্যান্য অংশের চেয়ে সৌরকলঙ্কের উত্তাপ কিছুটা কম থাকে।
দেওয়া আছে
A' চিহ্নিত স্থানটির স্থানীয় সময় সকাল ৭টা A' চিহ্নিত স্থানের পূর্বে B' স্থানটি অবস্থিত হওয়ায় 'B' স্থানের স্থানীয় সময় ' A' চিহ্নিত স্থানের স্থানীয় সময় থেকে বেশি হবে।
অর্থাৎ, ৭টা + ৩ ঘণ্টা ১৬ মিনিট = ১০টা ১৬ মিনিট
সুতরাং 'B' স্থানটির স্থানীয় সময় হবে ১০: ১৬ মিনিট
না, উক্ত তারিখে অর্থাৎ ২২ জুন তারিখে দুটি স্থানে দিবারাত্রির দৈর্ঘ্য একইরূপ হবে না।
ছকে 'A' ও 'B' স্থান দুটি দুই গোলার্ধে অবস্থিত। 'A' স্থানটি ৩০০ উত্তর অক্ষরেখা বরাবর এবং 'B' স্থানটি ৫০° দক্ষিণ অক্ষরেখায় অবস্থিত। দুটি স্থান দুই গোলার্ধে হওয়ায় ২২ জুন তারিখে দুটি স্থানে দিবা-রাত্রির দৈর্ঘ্য ভিন্ন রকম হবে। অর্থাৎ 'A' স্থানে দিন বড় এবং রাত ছোট হবে। পক্ষান্তরে, 'B' স্থানে দিন ছোট ও রাত বড় হবে। ২১ জুন সূর্যের উত্তরায়নের শেষ দিন। এদিন সূর্য উত্তর গোলার্ধের কর্কটক্রান্তি রেখার উপর লম্বভাবে কিরণ দেয়। লম্বরশ্মি অধিক তাপ দেয়। তাছাড়া সূর্য উত্তর গোলার্ধে অধিক স্থান জুড়ে এবং অধিক সময় ধরে কিরণ দেয়। ফলে ঐ দিনের পূর্বেকার দেড় মাস এবং পরবর্তী দেড় মাস মোট তিন মাস সূর্য উত্তর গোলার্ধে অধিক তাপ ও আলো দেয় বলে ঐ সময়কালে উত্তর গোলার্ধে গ্রীষ্মকাল হয়। এ কারণে ২২ জুন তারিখে উত্তর গোলার্ধে দিন বড় হয় এবং রাত ছোট হয়। পক্ষান্তরে, ২২ জুনে দক্ষিণ গোলার্ধ সূর্য থেকে অনেক দূরে অবস্থান করে। ফলে সূর্য তির্যকভাবে অনেক দূরে অবস্থান করে। ফলে সূর্য তির্যকভাবে অল্প সময় এবং অল্প স্থানব্যাপী আলো দেয়। এর ফলে দক্ষিণ গোলার্ধে তাপ ও আলো কম পায়। এ কারণে ২২ জুন দক্ষিণ গোলার্ধে দিন ছোট এবং রাত বড় হয়।
সুতরাং দেখা যাচ্ছে, 'A' ও 'B' দুটি দুই গোলার্ধে অবস্থানের কারণে দিবা-রাত্রির মধ্যে বিপরীত অবস্থা বিরাজ করে। উত্তর গোলার্ধে দিন বড় এবং রাত ছোট। পক্ষান্তরে, দক্ষিণ গোলার্ধে দিন ছোট ও রাত বড় হয়।
নিজ অক্ষের ওপর পৃথিবীর একটি পূর্ণ আবর্তনকে সৌরদিন বলে।
সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে পৃথিবীর সময় লাগে ৩৬৫ দিন ৫ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট ৪৭ সেকেন্ড। এভাবে দেখা যায়, প্রতি ৪ বছর পর পর একটি বাড়তি দিন থাকছে। এই বাড়তি দিন প্রতি ৪র্থ বছরে যোগ হয়ে ৩৬৬ দিন হয়। সেই বছরের ফেব্রুয়ারি মাস ২৮ দিনের পরিবর্তে ২৯ দিনে হয়। এরূপ বছরকে অধিবর্ষ বলে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!