রাবেয়া বেগম অত্যন্ত দীনদার ও আল্লাহওয়ালা মহিলা। তিনি সব ধরনের অবৈধ বস্তু বর্জন করে চলেন। শুধু তাই নয়, তিনি এমন বৈধ বস্তুও বর্জন করেন যেগুলো সন্দেহযুক্ত। পক্ষান্তরে তার ছোট বোন রাবেতা ব্যক্তিগত জীবনে খুবই উদাসীন। বৈধ, অবৈধ সবকিছুই তার কাছে সমান। একদিন রাবেয়া তার ছোটবোনকে বললো, "সতর্ক জীবনযাপন না করলে তোমার শেষ পরিণতি ভাল হবে না।" রাবেতা বড় বোনের কথায় কোনো গুরুত্ব দেয়নি।

Updated: 10 months ago
উত্তরঃ

সালাত শব্দের অর্থ দোয়া বা প্রার্থনা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

প্রতিটি ভালো কাজের শুরুতে আল্লাহর নাম নেওয়া ইসলামি সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। মুসলমানদের প্রতিটি কাজই 'বিসমিল্লাহ' বলে শুরু করতে হয়। মহান আল্লাহর নাম নিয়ে কাজ শুরু করলে আল্লাহ তায়ালা তাতে রহমত করেন। আর কাজের শুরুতে আল্লাহর নাম না নিলে সেটি সঠিকভাবে সম্পন্ন হয় না। এ সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ (স) বলেন, 'প্রতিটি ভালো কাজের শুরুতে যদি আল্লাহর নাম নেওয়া না হয়, তাহলে সেটি হয় অসম্পূর্ণ ও নিম্নমানের' (সুনান আবু দাউদ, সুনান ইবনে মাজাহ)।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

জাউদ্দীপকে রাবেয়ার কর্মকাণ্ড ইমাম গাজজালি (র) এর দৃষ্টিতে দ্বিতীয় স্তরের তাকওয়া। আল্লাহ তায়ালার ভয়ে সব ধরনের অন্যায়, অনাচার ও পাপ কাজ থেকে নিজেকে বিরত রেখে কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে জীবনযাপন করাকে তাকওয়া বলে। প্রখ্যাত মুসলিম দার্শনিক ইমাম গাজজালি (র)-এর মতে তাকয়ার চারটি স্তর রয়েছে। একজন মুত্তাকি পর্যায়ক্রমে তাকওয়ার প্রতিটি স্তর অতিক্রম করে চূড়ান্ত পর্যায়ে মহান আল্লাহ তায়ালার পূর্ণ সন্তুষ্টি অর্জন করেন। তাকওয়ার দ্বিতীয় স্তর হলো হারাম বস্তু বর্জন করার পর সন্দেহযুক্ত হালাল বস্তুও বর্জন করা, যা উদ্দীপকের রাবেয়ার কর্মকাণ্ডে লক্ষ করা যায়। এ স্তরের তাকওয়া অনুশীলনকারী ব্যক্তিকে বলা হয় 'সুলাহা'।

উদ্দীপকে উল্লেখ করা হয়েছে, রাবেয়া বেগম অত্যন্ত দীনদার ও আল্লাহওয়ালা একজন মহিলা। তিনি সব ধরনের অবৈধ বস্তু বর্জন করার পাশাপাশি সন্দেহযুক্ত বৈধ বস্তুও বর্জন করেন। কেননা সন্দেহযুক্ত হালাল বস্তু বর্জন না করলে সন্দেহাতীতভাবে হারাম থেকে মুক্ত থাকা যায় না। রাসুলুল্লাহ (স) বলেন, 'যা সন্দেহযুক্ত তা বর্জন করো আর যা সন্দেহযুক্ত নয় তা গ্রহণ করো' (আবু দাউদ, মুসনাদে আহমদ)। আর রহিমার এ কাজের মাধ্যমে দ্বিতীয় স্তরের তাকওয়ার প্রকাশ ঘটেছে।

 

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের রাবেতার তাকওয়াবিহীন জীবনযাপনের পরিণতি অত্যন্ত ভয়াবহ। ইসলামি জীবনদর্শনে তাকওয়া সব সদগুণের মূল। উন্নত চরিত্র গঠন ও তা সমুন্নত রাখার ক্ষেত্রে এর গুরুত্ব অপরিসীম। তাকওয়াহীন জীবনযাপন করলে দুনিয়া ও আখিরাতে সফলতা লাভ করা যায় না। যে ব্যক্তি তাকওয়াহীন জীবনযাপন করে তার অবৈধ ও পাপকাজের পথে ধাবিত হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে। উদ্দীপকের রাবেতার মধ্যে এটাই লক্ষ করা যায়। 

উদ্দীপকের রাবেতা ব্যক্তিগত জীবনে খুবই উদাসীন। সে বৈধ ও অবৈধের মধ্যে কোনো পার্থক্য করে না। তার কাছে দুটোই সমান। তার বড় বোন রাবেয়া তাকে সতর্ক জীবনযাপনের উপদেশ দিলেও সে এতে কোনো গুরুত্বই দেয়নি। রাবেয়ার এসব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে স্পষ্ট বোঝা যায়, তার মধ্যে তাকওয়া অনুপস্থিত। আর ইসলামে তাকওয়াহীন জীবনযাপনের পরিণতি ভয়াবহ। প্রকৃতপক্ষে যার মধ্যে তাকওয়া নেই তার ইমান নেই। তাকওয়াহীন জীবনযাপনে নিষ্ঠা, দায়িত্বশীলতা ও ন্যায়নীতি থাকে না। কেননা অন্তরে আল্লাহর ভয় না থাকলে ব্যক্তি সহজেই যেকোনো ধরনের অন্যায়, দুর্নীতি ও পাপ কাজে জড়িত হয়ে পড়েন। এ ধরনের জীবনযাপনে সুখ-শান্তি ও শৃঙ্খলা থাকে না। পরিশেষে বলা যায়, তাকওয়াহীন জীবনযাপনের চূড়ান্ত পরিণতি হলো জাহান্নাম। কাজেই সব মুসলিমের উচিত আল্লাহ তায়ালাকে ভয় করে কুরআন-সুন্নাহর আলোকে জীবনযাপন এবং পরিপূর্ণ মুসলমান হিসেবে মৃত্যুবরণ করা । 

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
267

Related Question

View All
উত্তরঃ

ইসলামি শরিয়ত নির্দেশিত বৈধ উপায়ে উপার্জন করাকে হালাল উপার্জন বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
340
উত্তরঃ

পারস্পরিক সাক্ষাতে সালাম বিনিময় করা ইসলামি সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। সালাম অর্থ শান্তি। ইসলামি সংস্কৃতির রীতি অনুযায়ী এক মুসলমানের সঙ্গে অন্য মুসলমানের দেখা হলে প্রথমে সালাম বিনিময় করে। এর মাধ্যমে অন্যের শান্তি তথা কল্যাণ কামনা করা হয়। সালাম দেওয়া সুন্নত এবং সালামের উত্তর দেওয়া ওয়াজিব। কেউ সালামের উত্তর না দিলে ইসলামের বিধান অনুযায়ী সে গুনাহগার হবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
397
উত্তরঃ

আবদুল বাতেন তার ছেলেকে আল্লাহর ইবাদতের নিয়ম- পদ্ধতি ও হালাল-হারামের বিধান শেখার জন্য ইসলাম শিক্ষা অধ্যয়ন করতে বলেছেন। যে শিক্ষাব্যবস্থায় ইসলামকে একটি পরিপূর্ণ জীবনব্যবস্থা হিসেবে শিক্ষা দেওয়া হয় তাকে ইসলাম শিক্ষা বলে। এটি কুরআন ও সুন্নাহভিত্তিক একটি আদর্শ শিক্ষাব্যবস্থা। আল্লাহর দীন প্রতিষ্ঠা, হালাল উপার্জন ও কর্মমুখী জীবন গঠন, দুনিয়ার কল্যাণ ও আখিরাতে মুক্তিলাভ প্রভৃতি ইসলাম শিক্ষার উদ্দেশ্য। আবদুল বাতেন তার ছেলেকে এ বিষয়টি অধ্যয়ন করতে বলেছেন।

উদ্দীপকের আবদুল বাতেন তার একমাত্র ছেলেকে আল্লাহর ইবাদতের নিয়ম-পদ্ধতি ও হালাল-হারামের বিধান শেখানোর জন্য একটি বিশেষ বিষয় অধ্যয়ন করতে বলেন। তিনি এখানে ইসলাম শিক্ষার প্রতি ইঙ্গিত করেছেন। ইসলামকে সঠিকভাবে জানা এবং তা মানার মাধ্যমে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করাই ইসলাম শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য। ইসলামের বিধিবিধান এবং আল্লাহর ইবাদতের পদ্ধতি শেখানো, জীবনের সবক্ষেত্রে ন্যায়নীতি প্রতিষ্ঠা করা এবং ব্যক্তির চারিত্রিক উৎকর্ষ সাধন ইসলাম শিক্ষার অন্যতম উদ্দেশ্য। ইসলাম শিক্ষা মানুষকে সত্য ও ন্যায়ের পথ প্রদর্শন করে এবং অন্যায় ও অসত্য থেকে দূরে রাখে। আল্লাহর সাথে সুসম্পর্ক স্থাপন এবং মানুষের শ্রেষ্ঠত্ব সংরক্ষণ করাও ইসলাম শিক্ষার অন্যতম উদ্দেশ্য।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
317
উত্তরঃ

দৈনন্দিন জীবনে আবদুল বাতেন হালাল-হারামের বিধান মেনে চলেন। ইসলামি শরিয়তে যেসব বিষয়ের অনুমতি রয়েছে এবং যা সম্পর্কে কোনো নিষেধ বাণী নেই তাকে হালাল বা বৈধ বলে। আর শরিয়তে যেসব বিষয় নিষেধ করা হয়েছে তা হারাম বা অবৈধ। জীবনের সবক্ষেত্রে হালাল জিনিস গ্রহণ ও হারাম জিনিস বর্জন করা ইসলামের বিধান। আবদুল বাতেন দৈনন্দিন জীবনে এ বিধানটি মেনে চলার চেষ্টা করেন।

উদ্দীপকে উল্লেখ করা হয়েছে, জনাব আবদুল বাতেন জীবনযাপনের ক্ষেত্রে হালাল-হারামের বিধান মেনে চলার চেষ্টা করেন। তিনি হালাল পথে উপার্জন করেন। হালাল জিনিস গ্রহণ ও হারাম জিনিস বর্জন করেন। ইসলামি জীবনব্যবস্থায় এ বিধানটি মেনে চলার গুরুত্ব অপরিসীম। হালাল উপার্জন একটি গুরুত্বপূর্ণ ফরজ ইবাদত। এটি ইবাদত কবুলের প্রধান পূর্বশর্ত। মানুষ যদি হালাল উপার্জন করে এবং হালাল জীবিকা গ্রহণ করে, তাহলে তার ইবাদত আল্লাহর কাছে কবুল হবে। আর যদি হারাম উপায়ে উপার্জন ও হারাম জীবিকা গ্রহণ করে, তাহলে তার ইবাদত আল্লাহর কাছে কবুল হবে না। হালাল জিনিস গ্রহণ ও হারাম জিনিস বর্জন করা একজন মুমিনের জন্য অত্যাবশ্যক। হালাল- হারামের বিধান মেনে চলার মাধ্যমে আল্লাহ তায়ালার নির্দেশ পালন করা হয়। হালাল উপার্জনকারীর ওপর আল্লাহ সন্তুষ্ট হন আর হারাম উপার্জনকারীর প্রতি অসন্তুষ্ট হন। হারাম বা অবৈধ জিনিস প্রহণের পরিণতি অত্যন্ত ভয়াবহ। এর জন্য পরকালে কঠোর শাস্তি পেতে হবে।

উপরের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টি অর্জন ও ইবাদত কবুলের জন্য ইসলামি শরিয়তের আলোকে হালাল-হারামের বিধান মেনে চলা মুসলিমদের জন্য অত্যাবশ্যক।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
258
উত্তরঃ

হাক্কুল্লাহ বলতে আল্লাহর প্রতি মানুষের কর্তব্যকে বোঝায়। আল্লাহ তায়ালা মানুষকে সৃষ্টি করেছেন তার ইবাদতের জন্য। আল্লাহর প্রতি মানুষের কর্তব্য পালনের মানে হচ্ছে যথাযথভাবে তার ইবাদত করা। জীবনের সবক্ষেত্রে তার আদেশ-নিষেধ মেনে চলা। যেকোনো অবস্থায় আল্লাহর কাছে নিজেকে সমর্পণ করা এবং তার অনুগ্রহ প্রার্থনা করা। তার নেয়ামতের শোকর করা এবং সুখে-দুঃখে তার ওপর ভরসা করা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
592
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews