রাশেদা চৌধুরী চর্যাপদ গ্রন্থটি পাঠ করেন। এটি একটি প্রাচীন ভাষার নিদর্শন। পরে তিনি এই ভাষার উৎপত্তি ও বিকাশ সম্বন্দ্বে আরও অনেক গ্রন্থ পাঠ করেন।

Updated: 10 months ago
উত্তরঃ

সোমপুর বিহার নির্মিত হয় অষ্টম শতকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উৎপত্তিগত প্রক্রিয়ার ভিত্তিতে সংস্কৃত ভাষার নামকরণ করা হয়। অস্ট্রিক, দ্রাবিড় ও ভোটচীনা ভাষাগোষ্ঠীর পর আর্য নামে এক নতুন ভাষাগোষ্ঠী বাংলায় প্রবেশ করে। তাদের ভাষার নাম ছিল প্রাচীন বৈদিক ভাষা। পরবর্তীকালে এ ভাষাকে সংস্কার করে সংস্কৃত ভাষার সৃষ্টি করা হয়। পুরোনো ভাষার সংস্কার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সৃষ্ট বলে নতুন এ ভাষার নামকরণ করা হয় সংস্কৃত ভাষা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে রাশেদা চৌধুরীর পাঠ করা চর্যাপদ গ্রন্থটি বাংলা ভাষার প্রাচীন নিদর্শন।

অপভ্রংশ ভাষা হতে অষ্টম বা নবম শতকে সৃষ্টি হয় বাংলা ভাষার। নবম ও দশম শতকের পূর্বে বাংলা ভাষার রূপ কেমন ছিল তা জানা যায় না। তবে এ সময়কালে বাংলায় সংস্কৃত ছাড়াও শৌরসেনী অপ্রভ্রংশ এবং মাগধী অপভ্রংশের স্থানীয় গৌড়-বঙ্গীয় রূপ অর্থাৎ আরও দুটি ভাষার প্রচলন ছিল। এগুলোকে বলা হয় প্রাচীনতম বাংলা ভাষা। সহজিয়া বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্যরা এ দু'ভাষাতেই পদ, দোহা ও গীত রচনা করতেন। তাদের এ রচনাগুলোকে 'চর্যাপদ' হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। চর্যাপদের রচয়িতাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন- লুইপা, কাহ্নপা, কম্বলাম্বরপা, শবরপা, আজদেব প্রমুখ। কার্যত চর্যাপদের ভাষারীতিকে বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন মনে করা হয়।

উদ্দীপকের বর্ণনাতেও দেখা যায়, রাশেদা চৌধুরী চর্যাপদ গ্রন্থটি পাঠ করেন। এটি বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

আর্যদের ব্যবহৃত প্রাচীন বৈদিক ভাষা থেকে নানা বিবর্তনের মধ্য দিয়ে উদ্দীপকে নির্দেশিত ভাষা অর্থাৎ বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও বিকাশ সাধিত হয়।

স্থানভেদে এবং সময়ের পরিবর্তনে আর্যদের ব্যবহৃত প্রাচীন বৈদিক ভাষায় নানা পরিবর্তন আসে। আর্যরা বাংলায় প্রবেশের পর প্রথম পর্যায়ে বৈদিক ভাষার সংস্কারের মধ্য দিয়ে সৃষ্টি হয় সংস্কৃত ভাষার। পরবর্তীতে সংস্কৃত থেকে প্রাকৃত এবং তা থেকে অপভ্রংশ ভাষার সৃষ্টি হয়। অপ্রভ্রংশ ভাষা হতে অষ্টম বা নবম শতকে উৎপত্তি লাভ করে বাংলা ভাষা। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়- কৃষ্ণ > কাহ্ন > কানু > কানাই। নবম ও দশম শতকের পূর্বে বাংলা ভাষার রূপ কী ছিল তা জানা যায় না। তবে এ সময়কালে বাংলায় সংস্কৃত ছাড়াও শৌরসেনী অপভ্রংশ এবং মাগধী অপ্রভ্রংশের স্থানীয় গৌড়-বঙ্গীয় রূপ অর্থাৎ আরও দুটি ভাষার প্রচলন ছিল। এগুলোকে ভাষাবিদরা প্রাচীনতম বাংলা ভাষা হিসেবে অভিহিত করে থাকেন। সহজিয়া বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্যরা এ দু ভাষাতেই পদ, দোহা ও গীত রচনা করেন যা চর্যাপদ নামে পরিচিত। চর্যাপদগুলোর মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যের বিকাশ ঘটতে শুরু করে। পরবর্তী যুগে বাংলায় সহজিয়া গান, বাউল গান ও বৈষ্ণব পদাবলীর উৎপত্তি হয়। মোটামুটিভাবে বলা যায়, অষ্টম শতক থেকে দ্বাদশ শতক পর্যন্ত সময়কালে বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও প্রাথমিক বিকাশ ঘটে।

পরিশেষে বলা যায়, আর্যদের ব্যবহৃত প্রাচীন বৈদিক ভাষা থেকে নানা বিবর্তনের মধ্য দিয়ে বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও বিকাশ ঘটেছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
72

মানুষ সামাজিক জীব । সমাজবদ্ধ হয়ে বসবাস করাই তার স্বভাব। এভাবে বাস করতে হলে চাই একে অন্যের সাথে সহযোগিতা। এ কারণেই মানুষের প্রয়োজন পড়ে বিভিন্ন সামাজিক অর্থনেতিক ও রাজনৈতিকসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা। জীবন বাঁচাতে প্রধান তিনটি জিনিসের প্রথম প্রয়োজন- খাদ্য, বস্ত্র এবং বাসস্থান। এর পরই মানুষ জীবনকে সুন্দরভাবে এগিয়ে নিয়ে যেতে মনোযোগ দেয় শিক্ষা, বিজ্ঞান, শিল্পকলা, আইন প্রভৃতির উন্নয়নে । সমাজ জীবন বিকাশে মানুষের এ সমস্ত কাজকর্মের একত্রিত রূপই হচ্ছে তার সংস্কৃতি । আর্যদের আগমনের পূর্বে বাংলার প্রাচীন মানুষ একটি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক জীবন গড়ে তুলেছিল । বাংলার সমাজ-সংস্কৃতির এটাই সবচেয়ে প্রাচীন রূপ । পণ্ডিতদের মতে, এদের ভাষার নাম ছিল 'অস্ট্রিক । জাতি হিসেবে এদের বলা হতো নিষাদ । এরপর বাংলার ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাথে মিশে যায় 'আলপাইন' নামে এক জাতি । আর্যরা এদেশে আসার পূর্বে এরা মিলেমিশে বাংলার সংস্কৃতি গড়ে তোলে । বাঙালির জনপ্রকৃতিতে বিভিন্ন মানবগোষ্ঠীর ধারা এসে মিলিত হয়েছে। এটি তাদেরকে 'সংকর-জন' হিসেবে পরিচিত করেছে। বহু বছর বিচিত্র আদান-প্রদান ও মিশ্রণের ফলে বাঙালির একটি নিজস্ব দৈহিক বৈশিষ্ট্য তৈরি হয়েছে।

এই অধ্যায় শেষে আমরা –

  • প্রাচীন বাংলার আর্থ-সামাজিক অবস্থার বর্ণনা করতে পারব;
  • প্রাচীন বাংলার শিল্পকলা, স্থাপত্য, ভাস্কর্য ও চিত্রকলার বর্ণনা করতে পারব;
  •  প্রাচীন বাংলার ভাষা ও সাহিত্যের উদ্ভব ও বিকাশ ব্যাখ্যা করতে পারব;
  •  প্রাচীন বাংলার ধর্ম, আচার-অনুষ্ঠান, উৎসব ও রীতি-নীতিতে জনগণের প্রদর্শিত মূল্যবোধ ও বিশ্বাস ব্যাখ্যা করতে পারব;
  •  প্রাচীন বাংলার আর্থ-সামাজিক ও সাংস্কৃতিক চর্চায় তৎকালীন গুরুত্বপূর্ণ রাজবংশসমূহের অবদান সম্পর্কে ইতিবাচক ধারণা পোষণ করতে সক্ষম হব;
  •  ইতিহাস চর্চার মাধ্যমে প্রাচীন বাংলার আর্থ-সামাজিক, সাংস্কৃতিক জীবনের উদ্ভব ও বিকাশ সম্পর্কে জানতে আগ্রহী হব ।

Related Question

View All
উত্তরঃ

আর্যদের বৈদিক ভাষা থেকেই কালক্রমে বাংলা ভাষার উৎপত্তি হয়। মূলত প্রাচীন যুগে আর্যরা যে ভাষা ব্যবহার করত এবং যে ভাষায় বৈদিক গ্রন্থ রচিত হয় তা সংস্কার করা হয়। সংস্কারের পর এ ভাষা সংস্কৃত নামে অভিহিত হয়। সংস্কৃত হতে প্রাকৃত এবং প্রাকৃত হতে অপভ্রংশ ভাষার উৎপত্তি হয়। অপভ্রংশ ভাষা হতে অষ্টম বা নবম শতকে বাংলা ভাষার উৎপত্তি হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
612
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বর্ণিত খাদ্য ও পোশাক পরিচ্ছদের সাথে বাংলার প্রাচীন আমলের মিল খুঁজে পাওয়া যায়।

প্রাচীনকালেও বর্তমান সময়ের মতো বাঙালির প্রধান খাদ্য ছিল ভাত, মাছ, মাংস, শাক-সবজি, দুধ, ক্ষীর ইত্যাদি। খাওয়া-দাওয়া শেষে মসলাযুক্ত পান খাওয়ার রীতি ছিল। চাউল হতে প্রস্তুত নানা প্রকার পিঠা তখন জনপ্রিয় মুখরোচক খাবার ছিল। তাছাড়া নানা জাতের মাছ পাওয়া যেত। পূর্ববঙ্গে ইলিশ ও শুঁটকি মাছ খুব প্রিয় খাবার ছিল। তরকারির মধ্যে বেগুন, লাউ, কুমড়া, ঝিংগে, কাকরোল, কচু উৎপন্ন হতো। ফলের মধ্যে আম, কাঁঠাল, কলা, নারকেল, পেঁপে পাওয়া যেতো। দরকারি বিভিন্ন জিনিস গ্রামেই তৈরি হতো।

আর পোশাক পরিচ্ছদের ক্ষেত্রে প্রাচীন যুগে রাজা মহারাজা ও ধনীদের বাদ দিলে তেমন বিশেষ আড়ম্বর ছিল না। প্রাচীন বাংলার নারী-পুরুষ উভয়েই অলংকার পরতো। তারা কানে কুণ্ডল, গলায় হার, আঙুলে আংটি, হাতে বালা ও পায়ে মল পরিধান করতো। মেয়েদের সাজসজ্জায় আলতা, সিঁদুর ও কুমকুমের ব্যবহার প্রচলিত ছিল।

উদ্দীপকে দেখা যায়, টিনা নীলার বিয়েতে গ্রামের বাড়ি বেড়াতে গিয়ে প্রাচীন বাংলার খাবারের সাথে টিনার বিয়ের আয়োজনে খাদ্যতালিকার মিল দেখতে পায়। সাজসজ্জার ক্ষেত্রেও প্রাচীন যুগের সাথে সাদৃশ্য খুঁজে পায় টিনা। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে টিনা তার বান্ধবী নীলার গ্রামের বাড়িতে যা কিছু প্রত্যক্ষ করেছে সেগুলোর সাথে বাংলার প্রাচীন আমলের মিল খুঁজে পাওয়া যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
466
উত্তরঃ

নীলাদের গ্রামের আর্থিক কাঠামোর মাঝে প্রাচীন বাংলার প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে বলে আমি মনে করি।

প্রাচীনকাল থেকেই বাংলা কৃষির জন্য সুখ্যাত ছিল। এ অঞ্চলে পাট, ইক্ষু, তুলা, নারকেল, সুপারি, এলাচ, লবঙ্গ ইত্যাদি উৎপন্ন হতো। এছাড়াও কুটিরশিল্পের মধ্যে মাটির তৈরি কলস, ঘটি-বাটি, বাসনপত্র ইত্যাদি ছিল। আর লোহার তৈরি জিনিসপত্রের মধ্যে ছিল দা, কুড়াল, কোদাল ইত্যাদি। বস্ত্রশিল্পের জন্য বাংলা প্রাচীনকালেই বিখ্যাত হয়ে উঠেছিল। বিশ্বখ্যাত মসলিন কাপড় প্রাচীন কাল থেকেই বাংলায় তৈরি হতো। আর কার্পাস তুলা ও রেশমের তৈরি উন্নতমানের সূক্ষ্ম বস্ত্রের জন্যও বঙ্গ প্রসিদ্ধ ছিল।

বঙ্গে স্থল ও জলপথেই বাণিজ্যের আদান-প্রদান চলত। দেশের ভেতরে বাণিজ্য ছাড়াও সে সময় বাংলার বৈদেশিক বাণিজ্য বেশ উন্নত ছিল। তাছাড়াও প্রাচীন বাংলায় পূজা-পার্বণ ও আমোদ-প্রমোদের ব্যবস্থা ছিল। দুর্গার অর্চনা উপলক্ষে বরেন্দ্রে বিপুল উৎসব হতো। ভ্রাতৃ দ্বিতীয়া, আকাশপ্রদীপ, জন্মাষ্টমী, দশহরা, গঙ্গাস্নান ইত্যাদি অনুষ্ঠান হতো বঙ্গে। পরিশেষে বলা যায়, উদ্দীপকে উল্লিখিত গ্রামের আর্থিক কাঠামোর মাঝে প্রাচীন বাংলার চিত্র ফুটে উঠেছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
433
উত্তরঃ

প্রাচীন বাংলার মানুষের অবস্থা মোটামুটি উন্নত ছিল।

প্রাচীন বাংলার সমাজ জীবনে নানা ধরনের প্রথা বিদ্যমান ছিল। আর প্রাচীন বাংলার অর্থনৈতিক জীবনের মূলভিত্তি ছিল কৃষি। এছাড়াও কুটিরশিল্প গড়ে উঠেছিল বঙ্গে। আর প্রাচীন বাংলায় স্থাপত্য, ভাস্কর্য ও চিত্রশিল্পের বহু নিদর্শন ছিল। তাছাড়াও তৎকালীন বাংলায় বিভিন্ন ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালন করা হতো।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
2.4k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews