রাহাত সাহেব বেশ কিছু দিন ধরে বুকে ব্যাথা অনুভব করায় ডাক্তারের কাছে গেলেন। ডাক্তার তাকে একটি পরীক্ষা করাতে বললেন, যার সাহায্যে হৃৎপিণ্ডের বৈদ্যুতিক কাজকর্মগুলো পর্যবেক্ষণ করা যায়। পরবর্তীতে রাহাত সাহেবের শারীরিক অবস্থা অবনতি হলে আর একটি পরীক্ষার মাধ্যমে হৃৎপিন্ডের ব্লকেজ ধরা পড়ল।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

লইসিজি সংকেত হৃৎপিন্ডের মধ্যে রক্ত প্রবাহের প্রমাণ পরোক্ষ দেয়।

উত্তরঃ

ক্যানসারের চিকিৎসায় রেডিওথেরাপি ব্যবহার করা হয়। এর অনেক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে। রোগীর চুল পড়ে যেতে পারে, চামড়া ঝুলে যেতে পারে, মুখের ভেতরের অংশ ও গলা শুকিয়ে যেতে পারে। এছাড়াও রোগীর বমি বমি ভাব, ডায়রিয়া বদহজম, প্রচণ্ড ক্লান্তি ও অবসাদ আসতে পারে।

উত্তরঃ

বাউদ্দীপকে উল্লিখিত ডাক্তার ইসিজি-এর মাধ্যমে রাহাত সাহেবের হৃৎপিণ্ডের কাজকর্ম পর্যবেক্ষণ করেন।
ECG হচ্ছে অত্যন্ত সহজ ব্যথাবিহীন একটি পরীক্ষা যার মাধ্যমে হৃৎপিণ্ডের বর্তমান বা পূর্বের সমস্যা বোঝা যায়। এছাড়াও শরীরের কোনো নির্দিষ্ট রাসায়নিক উপাদান ঠিক আছে কিনা তাও এর মাধ্যমে বোঝা যায়। এ পরীক্ষাটি তরঙ্গের মাধ্যমে করা হয়। বুকের উপর দুটি ধাতব দন্ড সেট করা হয়। সেটা হৃদকম্পন ও হৃৎপিণ্ড থেকে যে বৈদ্যুতিক তরঙ্গ নিঃসৃত হয় তা ইসিজি মেশিনে পাঠিয়ে দেয়। ইসিজি মেশিন সাধারণত একটি গ্রাফ আকারে প্রদর্শন করে। এই গ্রাফ দেখেই হৃৎপিণ্ড সঠিকভাবে কাজ করছে কিনা তা বোঝা যায়।

উত্তরঃ

রাহাত সাহেবের হৃৎপিণ্ডের ব্লকেজ চিহ্নিত করতে এনজিওগ্রাফি করা হয়। এনজিওগ্রাফি হলো এক ধরনের বিশেষ পরীক্ষা সেখানে এক্সরে-এর মাধ্যমে শরীরের বিভিন্ন রক্তনালির ছবি তোলা হয়। শরীরের কোনো রক্তনালিকা বন্ধ হলে বুকে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়। এনজিওগ্রাফি ডাক্তারকে এসব সমস্যার জন্য দায়ী সুনির্দিষ্ট রক্তনালির পরীক্ষা সম্পর্কে নিশ্চিত হতে সহায়তা করে। রাহাত সাহেবের প্রথমে ইসিজি করানো হয়। ইসিজির মাধ্যমে হৃৎপিণ্ড সঠিকভাবে কাজ করছে কিনা, হৃদকম্পন নিয়মিত কিনা, শরীরের কোনো নির্দিষ্ট রাসায়নিক উপাদান ঠিক আছে কিনা তা বোঝা যায়। এছাড়া এটা হার্ট এটাক সম্পর্কে সতর্ক সংকেত দিতে পারে। কিন্তু হূৎপিন্ডের ব্লকেজ ধরার জন্য ব্যবহৃত পরীক্ষা এনজিওগ্রাফি। রাহাত সাহেবের ইসিজির ব্লকেজটি ধরা পড়ে এনজিওগ্রাফির মাধ্যমে। তাই এনজিওগ্রাফি করার সিদ্ধান্তটি যুক্তিযুক্ত।

130

বেঁচে থাকার জন্য আমাদের দরকার সুস্থ, সবল এবং নীরোগ দেহ। স্বাভাবিকভাবেই আমরা সবসময় সুস্থ থাকতে পারি না। কখনো কখনো কোনো একটি রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়ি। রোগ হলে দরকার ভালো চিকিৎসা আর ভালো চিকিৎসার জন্য সবার আগে দরকার সঠিকভাবে রোগ নির্ণয়। বর্তমান সময়ে চিকিৎসা ব্যবস্থার যথেষ্ট উন্নতি হয়েছে। বিজ্ঞানের বিভিন্ন তত্ত্বের প্রয়োগে তৈরি হয়েছে রোগ নির্ণয়ের নতুন নতুন যন্ত্রপাতি। যার কারনে মানুষের বিভিন্ন ধরনের স্বাস্থ্য সমস্যা শনাক্তকরণে এবং সেগুলো নিরাময় আর প্রতিরোধে বিভিন্ন কৌশল গ্রহণ করাও অনেক সহজ হয়ে পড়েছে। এই অধ্যায়ে আমরা বিজ্ঞান, বিশেষ করে পদার্থবিজ্ঞান ব্যবহার করে রোগ নির্ণয় আর চিকিৎসার নানা পদ্ধতির কথা আলোচনা করব।


এই অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা:

  • চিকিৎসাবিজ্ঞানের রোগ নির্ণয়ে ব্যবহৃত বিভিন্ন যন্ত্রপাতিতে বিজ্ঞানের তত্ত্ব ও ধারণার ব্যবহার বর্ণনা করতে পারব।
  • আধুনিক প্রযুক্তি এবং যন্ত্রপাতি ব্যবহারের ফলে সৃষ্ট স্বাস্থ্য সমস্যা এবং প্রতিরোধের কৌশল বর্ণনা করতে পারব।
  • রোগ নির্ণয়ে বিজ্ঞানের অবদানকে প্রশংসা করতে পারব।

Related Question

View All
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews