লইসিজি সংকেত হৃৎপিন্ডের মধ্যে রক্ত প্রবাহের প্রমাণ পরোক্ষ দেয়।
ক্যানসারের চিকিৎসায় রেডিওথেরাপি ব্যবহার করা হয়। এর অনেক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে। রোগীর চুল পড়ে যেতে পারে, চামড়া ঝুলে যেতে পারে, মুখের ভেতরের অংশ ও গলা শুকিয়ে যেতে পারে। এছাড়াও রোগীর বমি বমি ভাব, ডায়রিয়া বদহজম, প্রচণ্ড ক্লান্তি ও অবসাদ আসতে পারে।
বাউদ্দীপকে উল্লিখিত ডাক্তার ইসিজি-এর মাধ্যমে রাহাত সাহেবের হৃৎপিণ্ডের কাজকর্ম পর্যবেক্ষণ করেন।
ECG হচ্ছে অত্যন্ত সহজ ব্যথাবিহীন একটি পরীক্ষা যার মাধ্যমে হৃৎপিণ্ডের বর্তমান বা পূর্বের সমস্যা বোঝা যায়। এছাড়াও শরীরের কোনো নির্দিষ্ট রাসায়নিক উপাদান ঠিক আছে কিনা তাও এর মাধ্যমে বোঝা যায়। এ পরীক্ষাটি তরঙ্গের মাধ্যমে করা হয়। বুকের উপর দুটি ধাতব দন্ড সেট করা হয়। সেটা হৃদকম্পন ও হৃৎপিণ্ড থেকে যে বৈদ্যুতিক তরঙ্গ নিঃসৃত হয় তা ইসিজি মেশিনে পাঠিয়ে দেয়। ইসিজি মেশিন সাধারণত একটি গ্রাফ আকারে প্রদর্শন করে। এই গ্রাফ দেখেই হৃৎপিণ্ড সঠিকভাবে কাজ করছে কিনা তা বোঝা যায়।
রাহাত সাহেবের হৃৎপিণ্ডের ব্লকেজ চিহ্নিত করতে এনজিওগ্রাফি করা হয়। এনজিওগ্রাফি হলো এক ধরনের বিশেষ পরীক্ষা সেখানে এক্সরে-এর মাধ্যমে শরীরের বিভিন্ন রক্তনালির ছবি তোলা হয়। শরীরের কোনো রক্তনালিকা বন্ধ হলে বুকে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়। এনজিওগ্রাফি ডাক্তারকে এসব সমস্যার জন্য দায়ী সুনির্দিষ্ট রক্তনালির পরীক্ষা সম্পর্কে নিশ্চিত হতে সহায়তা করে। রাহাত সাহেবের প্রথমে ইসিজি করানো হয়। ইসিজির মাধ্যমে হৃৎপিণ্ড সঠিকভাবে কাজ করছে কিনা, হৃদকম্পন নিয়মিত কিনা, শরীরের কোনো নির্দিষ্ট রাসায়নিক উপাদান ঠিক আছে কিনা তা বোঝা যায়। এছাড়া এটা হার্ট এটাক সম্পর্কে সতর্ক সংকেত দিতে পারে। কিন্তু হূৎপিন্ডের ব্লকেজ ধরার জন্য ব্যবহৃত পরীক্ষা এনজিওগ্রাফি। রাহাত সাহেবের ইসিজির ব্লকেজটি ধরা পড়ে এনজিওগ্রাফির মাধ্যমে। তাই এনজিওগ্রাফি করার সিদ্ধান্তটি যুক্তিযুক্ত।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!